The first 200 lines.
আমি এখনো জানি না, কেন আমাকে এখানে নিয়ে এলে. তুমি কি ওদেরকে দিয়ে হ্যাঁ বলাতে পারতে না?
তা পারতাম, কিন্তু আমি সেভাবে কাজ করি না.
আর আমি তোমার ও অন্য সবার উপর এই প্রত্যাশাই করি, যেন কখনোই তোমরা ক্ষমতার অপব্যাবহার না কর.
আহ, ক্ষমতার অপব্যাবহার, তাই. হ্যাঁ, আমি জানি, চার্লস
- তোমার এই ভাষণ তুমি কবে বন্ধ করবে বলতো? - যেদিন থেকে তুমি শুনতে শুরু করবে.
আমার প্রয়োজনেই তোমাকে এখানে নিয়ে এসেছি.
সবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবার সাথে দেখা না করলে হয় না?
না. এখানকার মানুষটা বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী.
চমৎকার একটা জায়গা. জন, কী বলো?
হ্যাঁ, লিফলেটটা চমৎকার
কিন্তু জিনের কী হবে? তার অসুস্থতার ব্যাপারটা?
- অসুস্থতা? - জন
আপনার মনে হয় আপনার মেয়ে অসুস্থ, মি. গ্রে?
মনে হয় সবচেয়ে ভাল হবে আমরা যদি ওর সাথে কথা বলি. একান্তে.
নিশ্চয়ই.
জিন, একটু নিচে আসবে আম্মু?
তাহলে, আমরা এখন যাই.
অনুমতি ছাড়া আমার কিংবা মি. লেনশারের মন পড়াটা কিন্তু খুব অভদ্রতা.
তোমার কি মনে হয়, এই ক্ষমতা শুধু তোমার একার আছে?
আমরা মিউট্যান্ট জিন. তোমার মতই.
তাই নাকি? আমার বিশ্বাস হচ্ছে না.
ওহ, চার্লস.
একে আমার মনে ধরেছে.
তোমার কল্পনাতীত ক্ষমতা আছে, জিন.
কথা হচ্ছে, সেটা তুমি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারো?
নাকি তোমার ক্ষমতা তোমাকে নিয়ন্ত্রন করে?
ওয়ারেন? বাবা, সব ঠিক আছে তো?
- কী হচ্ছে ভেতরে? - কিছু না । এই তো, এখনই বেরোচ্ছি.
দরজা খোল. ওয়ারেন? এক ঘন্টার বেশি সময় ধরে তুমি ভেতরে.
দরজাটা খোলো. ওয়ারেন.
এক সেকেন্ড!
দরজাটা খোলো.
ওয়ারেন.
আমাকে দেখতে দাও, কি হচ্ছে ভিতরে. দরজা খোল.
ওহ, খোদা.
- তুমিও? - বাবা, আমি দুঃখিত.
- তুমি. - বাবা, আমাকে ক্ষমা করে দাও.
দুনিয়া রসাতলে যাচ্ছে আর তোমরা আরামসে বসে আছো? চল.
ববি!
ধন্যবাদ, কিটি.
- আমরা পুরোপুরি ফেঁসে গেছি. - আমি জানি সেটা. তারা প্রস্তুত না, স্টর্ম.
- লোগান - এত টেনশন করার কিছু নেই.
ওটাই আমার শেষ চুরুট ছিল.
লোগান.
- সেটা খুব কাছে চলে এসেছে. - চল, এখান থেকে যেতে হবে.
অই, মুড়ির টিন, এদিকে আসো.
- ঢিলাঢিলি কেমন করতে পারো? - লোগান, আমরা দলগত ভাবে কাজ করি.
হাঁ, সেটা আমি জানি. এখন আমাকে ঢিল দাও. এখনই.
ধুর! লোগান, এমনটা করো না.
আজকের ক্লাস এতটুকুই.
এই, কলোসাস, ঢিলটা চরম মেরেছ.
অনুশীলন সমাপ্ত.
- ওসব কী হল? - বিপদ মোকাবেলার ক্লাস.
- তুমি জানো আমি কী বোঝাচ্ছি. - বাবারে, মুড হালকা কর
তুমি নিয়ম ভাঙতে পারো না. আমি তাদের নতুন কিছু শেখানোর চেষ্টা করছি.
- আমিও তাদের শেখাচ্ছি. - এটা আত্মরক্ষার অনুশীলন ছিল.
হ্যাঁ, শ্রেষ্ঠ আত্মরক্ষা হল গিয়ে ভাল আক্রমণ । নাকি অন্য কোন উপায় আছে?
- এটা কোন ছেলেখেলা না, লোগান - তাই নাকি, বুঝতে পারি নাই তো (!)
আরে, আমি তো কেবল প্রক্সি টিচার. তোমার কোন সমস্যা থাকলে, স্কটের সাথে কথা বলো গে.
- স্কট! - জিন.
স্কট. স্কট.
স্কট.
স্কট.
- ঠিক আছো তো তুমি? - আমি ঠিক আছি.
মনে হচ্ছে এড়িয়ে চলছো আমাকে. কিছুতো একটা গড়বড় হয়েছে.
আমি আমার বয়ফ্রেন্ডকে আঘাত না করে ছুঁতে পারিনা. এর বাইরে আমার কোন সমস্যাই নেই.
শোন, এটা ঠিক হচ্ছে না. আমি কি তোমাকে কখনো চাপাচাপি করেছি?
তোমরা পুরুষ, ববি. তোমাদের সবার মনই এক রকম.
- এই, স্কট, ওরা তোমাকে খুঁজছিল. আসলে না তো. - তাতে তোমার কী?
- আমার যা হল, তোমার জায়গায় আমাকেই যেতে হয়েছে. - আমি তো তোমাকে যেতে বলিনি.
না, তুমি বলোনি. প্রফেসর বলেছিলেন.
- আমি কেবল পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম. - তো যাও, লোগান.
হেই, শোন.
- আমি তোমার যন্ত্রণাটা বুঝি. যখন জিন মারা ... - চুপ কর.
সম্ভবত সেসব ভুলে এখন সামনে আগানো দরকার.
সবার ক্ষত তোমার মত এত জলদি শুকায় না, লোগান.
- মি. সেক্রেটারি. - জ্বি.
- মিটিং শুরু হয়ে গেছে, স্যার. - ধন্যবাদ.
মি. প্রেসিডেন্ট.
বসো, হ্যাঙ্ক.
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ম্যাগনিটোকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল.
তাকে লিসবন, জেনেভা আর মন্ট্রিলে দেখা গেছে.
বর্ডার ক্রস করার সময় ন্যাভস্যাট তাকে হারিয়ে ফেলে, তবে, ছোট একটা সান্ত্বনা পুরষ্কার আমরা পেয়েছি.
আমরা ওকে দেখেছি এফডিএ-তে লুকিয়ে ঢুকতে.
সে কার ছদ্দবেশে ছিল জানো? এখানকার সেক্রেটারি ট্রাস্ক.
হ্যাঁ স্যার, এটা তার জন্য দুধভাত.
- এখন সে আর পারবেনা, কারন এখন সে বন্দী. - কায়েদখানায় তাকে আটকে রাখা সম্ভব?
আমাদের কিছু বিশেষ বন্দীশালা আছে. আমরা তাদেরকে এক জায়গায় রাখব না. ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখ.
ম্যাগ্নেটো কোথায়?
রেইভেন?
- রেইভেন, আমার কথা কানে ঢুকছে না? - খেতাবী নামে ডাকলে আমি জবাব দেই না.
রেইভেন ডার্কহোম. এটাই তো তোমার আসল নাম, তাই না?
নাকি সে তোমার মাথায় ঢুকিয়েছে যে তোমার কোন পরিবার নেই?
আমার পরিবার আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল, বুঝলে অপদার্থ কোথাকার.
ঠিক আছে তাহলে মিস্টিক, ও কোথায়?
এখানেই তো, আমাদের সাথেই.
এখানে আমি লুকোচুরি খেলতে বসি নি. আমার প্রশ্নের জবাব দাও.
তুমি আমার সাথে খেলতে চাও না?
ফাজলামো বন্ধ কর. আমাকে বল, ম্যাগ্নেটো কোথায়?
জানতে চাও ও কোথায়?
বেকুব মানুষের জাত.
বুঝলেন, তার বন্দী অবস্থাটা কেবল ম্যাগ্নেটোর জন্য উস্কানিই হবে,
তবে, তার বন্দীদশার কারনে আলোচনায় বসাটা সহজ হবে.
নীতিগত ভাবে, আমি ওদের সাথে আলোচনায় বসতে পারব না.
- আপনি তো এই কাজের জন্যই নিযুক্ত করেছেন আমাকে. - হ্যাঁ, তা করেছি.
- তাহলে, আপনি আমাকে এই কাজের জন্য তলব করেননি. - না, এই যে দেখ.
এটা সে FDA থেকে চুরি করেছিল.
ওহ খোদা.
- সে কি টিকে থাকতে পারবে? - আমরা তো সেটাই বিশ্বাস করি.
মিউট্যান্ট সমাজে এর প্রভাব কী হবে, একবার ভেবে দেখেছেন?
জানি সেটা. আর সেজন্যই তোমার কলা কৌশলের কিছুটা এখন দরকার.
যখন কেউ স্বতন্ত্র এক মহান ক্ষমতা অর্জন করে,
সে ক্ষমতার ভাল অথবা মন্দ প্রয়োগটাই হল মূখ্য ব্যাপার.
সেটা কি মহৎ কোন কাজে লাগাবে, নাকি নিজস্ব সার্থসিদ্ধিতে না কোন ধ্বংসযজ্ঞে?
এই প্রশ্নটাই সবার নিজেকে নিজে করা উচিত.
কেন? কারণ আমরা মিউট্যান্ট.
মানসিক ক্ষমতাধরদের জন্য এটা এক বিশেষ সমস্যা.
কখন আমাদের ক্ষমতা ব্যবহার করা যাবে আর কখন আমরা পেরিয়ে যাই সেই অদৃশ্য রেখা,
যা আমাদের আশপাশের মানুষদের কাছে আমাদেরকে জালিম করে তোলে?
কিন্তু আইনস্টাইন তো বলেছিলেন যে নৈতিকতা হল এক বিশেষ মানবঘটিত ব্যাপার.
যার পেছনে কোন অতিমানবীয় এখতিয়ার নেই.
আমি যতদূর জানি আইনস্টাইন মিউট্যান্ট ছিলেন না.
এই কেস স্টাডিটা আমাকে পাঠিয়েছিলেন আমার এক সহকর্মী, ড. মোয়রা ম্যাকট্যাগার্ট. জোনস.
যে ব্যক্তিকে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, সে কিন্তু কোন উচ্চ-ক্ষমতার মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মায়নি.
তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আর স্নায়ুতন্ত্র কাজ করছে, কিন্তু বলতে গেলে তার কোন জ্ঞানই নেই.
কারো চেতনা শক্তি যদি আমরা স্থানান্তর করি, তাহলে কী হবে,
ধরা যাক টার্মিনাল ক্যান্সারের একজন রোগী যার চার বাচ্চা,
এই লোকের দেহে ঢুকিয়ে দেই?
আমরা তখন কীভাবে বের করব যে নৈতিক আচরণের কী হবে আর...
প্রফেসর?
কাল এ বিষয়ে বাকি আলোচনা করব. আজকে এতটুকুই থাক.
দিনটা তো আজ রোদ ঝলমলে হবার কথা ছিল.
ওহ, আমি দুঃখিত.
কোন কিছু যন্ত্রনা দিলে, সেটার জন্য কি পাগল হওয়া উচিত?
বুঝলাম না কিছুই. ম্যাগ্নেটো একটা ফেরারী আসামী,
মন্ত্রী সভায় একজন মিউট্যান্ট আছেন, প্রেসিডেন্টের সাথেও আমাদের সু সম্পর্ক রয়েছে - তাহলে লুকানোর কী মানে?
আমরা লুকাচ্ছি নাতো. তুমি জানো- আমাদের কিছু শত্রু আছে. শিক্ষার্থীদের তো আমাদেরই নিরাপত্তা দিতে হবে.
হ্যাঁ, কিন্তু আমরা সারা জীবন শিক্ষার্থী হয়ে থাকতে পারবোনা.
স্টর্ম, অনেক বছর ধরেই আমি তোমাকে ছাত্রী হিসেবে ধরা ছেড়ে দিয়েছি.
বরং, ভাবছি, কোন একদিন তুমিই আমার জায়গাটা নিবে.
- কিন্তু স্কট তো... - স্কট অনেক বদলে গেছে.
জিনের মৃত্যুতে অনেক আঘাত পেয়েছে সে.
হ্যাঁ, মানছি যে পারিপার্শ্বিক অবস্থা এখন ভাল আগের চেয়ে,
কিন্তু অন্তত তুমি তো বোঝো যে আবহাওয়া কত দ্রুত বদলে যায়
আপনি আমাদের থেকে কিছু একটা লুকাচ্ছেন.
হ্যাঙ্ক?
ওরোরো. চার্লস.
তোমার চুলের স্টাইলটা আমার বড় পছন্দ হয়েছে.
তোমারটাও. এত শর্ট নোটিসে আমার সাথে দেখা করার জন্য ধন্যবাদ.
হেনরি, তোমার জন্য এখানের দরজা সবসময়ই খোলা. তুমি তো এখানেরই একটা অংশ.
- আমার কাছে সংবাদ আছে. - এরিকের নাকি?
না, তবে সেদিকেও আমরা এগিয়ে যাচ্ছি.
- মিস্টিক সম্প্রতি ধরা পড়েছে. - এই লোমশ ভালুকটা কে গো?
আমি হ্যাঙ্ক ম্যাককয়. মিউট্যান্ট সম্পর্কিত সেক্রেটারি.
তাই তো. সেক্রেটারিই তো. স্যুটটা জোস.
- হেনরি, ও হচ্ছে লোগান. ও হল... - ওলভারিন.
- শুনেছি তুমি নাকি ভাল রকম জানোয়ার. - হুম, তুমিও কম না.
ম্যাগনিটো তো আসবে মিস্টিককে নিতে, না?
ম্যাগনিটো সমস্যা না. অন্তত টেনশন করার মত বড় সমস্যা না.
একটা শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি একটা মিউট্যান্ট প্রতিষেধক বানিয়েছে.
মিউট্যান্টদের এক্স জিনটা প্রতিরোধ করার উপায়.
- প্রতিরোধ? - স্থায়ীভাবে.
এটাকে ওরা বলছে নিরাময়.
এ তো হাস্যকর ব্যাপার. মিউট্যান্ট হলে আবার না হয় কীভাবে?
- বৈজ্ঞানিকভাবে বললে... - আমরা আবার কবে অসুস্থ হলাম?
স্টর্ম.
তারা এখন এটার ঘোষণা দিচ্ছে-
এই তথাকথিত মিউট্যান্টরা হল আমাদের মতই লোক.
তাদের এই দুর্ভাগ্যটা কেবলই হল একটা অসুখ,
সুস্থ কোষীয় বিপাকের দূষণ,
কিন্তু আমি আজ এখানে দাঁড়িয়ে আপনাদের শোনাচ্ছি আশার বাণী,
এই জায়গাটা, এককালে যা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত কয়েদ,
এখন হবে সেসব মিউট্যান্টদের জন্য স্বাধীনতার উৎস, যারা সেটা চাইবে,
লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন...
আমি গর্বের সাথে উপস্থাপন করছি, মিউটেশনের জবাব
অবশেষে আমরা পেয়ে গেছি একটা প্রতিষেধক.
কে এই ওষুধ নিতে চাইবে? মানে, কোন কাপুরুষ এটা নেবে কেবল খাপ খাইয়ে চলার জন্য?
নিজেকে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়াটা কি কাপুরুষতা?
আমাদের সবাই এত সহজে খাপ খাইয়ে চলতে পারে না.
- সবার কাছে ক্ষমতাটা আশীর্বাদ না. - আমি নিশ্চিত যে সরকারের কোন চাল এটা.
- আমিও তোমাকে নিশ্চিত করছি যে এতে সরকারের কোন হাত নেই. - এই ক্যাচাল আগেও শুনেছি.
বাবু, তোমার থাবা ওঠার আগে থেকে আমি মিউট্যান্টদের অধিকারে লড়ে যাচ্ছি.
- উনি কি আমাকে বাবু ডাকলেন? - এটা সত্যি? আমাদেরকে সারানো যাবে?
হ্যাঁ রগ, সত্যিই তো দেখাচ্ছে.
না, প্রফেসর.
ওরা আমাদের 'সারাতে' পারে না.
কেন জানো? কারণ সারানোর কিছুই নেই. কোন সমস্যাই নেই তোমার.
কিংবা আমাদের কারোর.
মিউট্যান্ট হিসেবে আমরা কী জবাব দেব? আমার মতামত হল এই
এটা হল গোছানো । ঠিক লোকের কাছে অভিযোগ দেওয়া
আমাদের একটা কমিটি বানিয়ে সরকারের সাথে কথা বলতে হবে.
তারা তো বোঝে না. তারা জানে না যে মিউট্যান্ট হলে কেমন লাগে.
আমাদেরকে ওদের দেখাতে হবে, শেখাতে হবে, জানাতে হবে, যে আমরা আছি থাকার জন্যই.
ভাইবোনেরা, আপনাদের শুনতেই হবে. ওরা আমাদের সিরিয়াসভাবে নেবে না...
- ওরা আমাদের শেষ করে দিতে চায়. - এই ওষুধটা হচ্ছে যার যার ইচ্ছায় নেওয়ার,
এখানে তো শেষ করে দেওয়ার কোন কথা নেই.
কেউ এটা নিয়ে কোন কথা বলে না.
কেবল করে ফেলে.
আর তোমরা চলতে থাকবে আশপাশের সব সংকেত উপেক্ষা করে.
আর তারপর একদিন, চুপচাপ রাতের বেলায় আসবে তারা তোমাদের কাছে.
No comments yet. Be the first to leave one.