The first 200 lines.
ইংরেজি সাবটাইটেলে কিছু লাইন মিসিং থাকায় ওই লাইনগুলো মালায়শিয়ায় অবস্থানরত তামিলিয়ান এক বড় ভাইয়ের সাহায্য নিয়ে ফিক্সড করে দিয়েছি।
স্থানটির নাম জে. কে. পলিটেকনিক কলেজ...
আজ থেকে ১৪ বছর আগে ১৯৯৭ সালে ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনায়...
...সতের জনের প্রাণ হারায়।
কলেজটি এতদিন বন্ধ ছিল।
কেউই এদিকে আসার সাহস পায়নি।
লোকজন বলাবলি করত, এখানে না কী ভূত আছে।
দাঁড়ান, পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি...
উনি মি. পেরুমাল।
কলেজের নাম শোনেই যখন লোকজন ভয়ে দৌড়...
তখন উনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সাহস দেখিয়েছে।
মি. পেরুমাল...
আপনি কি ভূতপ্রেতে বিশ্বাসী?
হ্যাঁ
আমি নিজেই চার-পাঁচ বার দেখেছি।
কিন্তু আমার জন্য ভয় বলতে কোনো শব্দ নেই।
তো...
আজকের রাতটা আমরা এখানেই থাকব...
এবং খুঁজে বের করব আসলে এখানে কী আছে?!
সবই কী উড়ো কথা না কী বাস্তব তা আজ দেখে ছাড়ব।
মাম্মা, সাবধানে।
এটা ক্লাস রুম।
হ্যাঁ, যেতে থাকো।
এটা কী?
লাইব্রেরি।
হাজার হাজার বই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
এই তাক টা রয়ে যায়।
চারজন ছাত্র পুড়ে আঙ্গার হয়ে পড়েছিল।
এটা কী?
"EM spiter"
মানে?
সংক্ষিপ্তনাম।
যদি কোনো প্রেতাত্মা আসে...
...তাহলে এই দাগ টা নড়াচড়া করবে।
ব্রু...
ক্যামেরা টা এই মেশিনের মধ্যে ধরে রাখি যদি ভূত আসে তাহলে রেকর্ড হবে।
না, ওটা সবসময় আমার সাথে থাকে।
ব্রু, দাগ তো নড়ছে।
না।
তোমার বন্ধুদের এখানে আসতে বলো?
মাম্মা, এদিয়ে আস।
বাচ্চা কোথাকার।
যদি তুই দেখানোর চেষ্টা করিস...
দেখ মামা, এটা মজা নেবার সময় না।
বাজে না বকে চলে যাওয়াই ভালো হবে।
নয়ত আমাদেরও লাশ পরে থাকবে।
ভাই, আপনার ঘেনঘেনানি বন্ধ করেন।
মাম্মা, ভূত কোথায়? শনিবার তো চলে যাচ্ছে।
মজা নিয়েন না।
আমি ফিরে যাচ্ছি।
চলেন, সবাই চলে যাই।
মাম্মা, বের কর তো উনাকে।
মেয়েদের মতো পেঁনপেঁন শুরু করছে।
কাকে মেয়ে বললেন?
আপনাকে।
সেই কখন থেকে...
চুপ... চুপ... চুপ!
বুঝেছি, কেউ একজন এখানে লুকিয়ে আছেন।
এতক্ষণ যাবত আপনার জন্যই অপেক্ষায় ছিলাম।
আপনাকে দেখার জন্যই আমাদের অপেক্ষায় থাকা।
স্যার, তার হাবভাব দেখে তো মনে হচ্ছে কোনো প্রতিবেশীর সাথে কথা বলছে।
চুপ করেন তো আপনি! আপনি চার-পাঁচটা দেখছেন আর আমরা এমন ভূত শত শত দেখি।
আমাদের কাজটাই এরকম। এখন চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন।
আমারা কি অপেক্ষায় থাকব?
না কি চলে যাব? যদি চলে যেতে হয়, তাহলে কোনো সংকেত দিন, আর নয়ত সামনে এসে হাজির হোন।
নতুবা আমরা কিন্তু....
ব্রু, শব্দটা শুনেছ?
হ্যাঁ, ব্রু।
শব্দটা কি এটার ছিল?
আরে না।
অন্যরকম শব্দ ছিল।
এই শব্দ কোনো কিছুই প্রমাণ করে না।
আরও স্পষ্ট কিছু আশা করি।
আর নয়ত আমরা কিন্তু...
কী হয়েছে, এই কী হলো?
ভাই...
কী?
এইমাত্র দেখলাম।
আমি দেখেছি।
কোথায়?
বাম দিক থেকে ডানে দৌড় দিলো।
তাহলে ক্যামেরায় নিশ্চিত রেকর্ড হওয়ার কথা।
দরজার দিকে চলে গেছে।
ব্রু, চল বের হই।
ব্রু, এসবের দরকার নেই।
কেউ একজন ওইদিক থেকে ধাক্কা দিচ্ছে।
দেখ এখানে।
ব্রু, এসবের দরকার নেই। চল বের হই।
হেই...
দেও আমার কাছে।
দিলে তো শেষ করে।
তো কী হয়েছে?
ওই রুমে ভয়ানক একটা ভূত আছে, তাই তো?
এসব তো প্রতিদিনই দেখি।
বিরক্তিকর।
শয়তান!
শেষ দৃশ্যটার সময়ই বন্ধ করে দিলে।
ভুত কি তোমাকে টিভির ভেতর থেকে এসে ধরবে না কি?
বোকা কোথাকার!
হেই, এটাকে কি তোমার ঘর মনে হয়?
মনে হয় যেন ভূতপ্রেত বিষয়ক পড়াশুনো করছে...
চারিদিকে ভূতের বই, ভূতের ডিভিডি, ভুতের এটা-ওটা।
মাঝেমধ্যে তো ভাবি, আমি কোনো ভূতের সাথে প্রেম করছি না তো।
তোমাকে হাজার বার বলেছি, এসব আমার সময় অতিবাহিত করার জন্য।
তারা আমার লেখালেখিরর ওপর গবেষণা করছে।
সেই একই অজুহাত বারবার।
নির্বোধের মতো শুধু শুধু লেখেই যাচ্ছ, লেখেই যাচ্ছ।
হেই...
যেদিন পুরষ্কার হাতে আসবে, সেদিন দেখাব মজা।
তোমাকে সিরিয়াসলি একটা প্রশ্ন করছি...
টিভিতে যে ভূতপ্রেত দেখায় এগুলো বাস্তব?
তাহলে কী?
ভূত আসলো আর তোমার সামনে হেটে চলে গেল...
তুমি এগুলোকে বিশ্বাস করো?
হ্যাঁ, এটা অবিশ্বাসের কিছু না।
আমি নিজেও দেখেছি।
কোথায়?
আমি যখন প্রথম বর্ষে পা রাখলাম...
...তখন আমার হোস্টেলে...
..."দিপা" নামের একটা মেয়ে ছিল।
আমরা রাত চারটা পর্যন্ত গল্প-গুজব করি।
ওইদিন দিপা রুম থেমে বের হবার পর...
...আমি কিছুক্ষণের জন্য ঘুমিয়ে পড়ি।
ঘুম থেকে উঠে শুনি, দিপা আর বেঁচে নেই।
"আত্মহত্যা"
তুমি কখনও গলায় দড়ি বাধা অবস্থায় কাউকে ঝুলতে দেখেছ?
না।
তার জিহ্বা বাইরে বের হয়েছিল।
ওই ঘটনার পর থেকে রাতে ঘুমোতে পাড়তাম না।
হঠাৎ হঠাৎ তার কণ্ঠ শুনতে পাই।
মনে হয় যেন, সে আমার আশেপাশেই আছে।
মনে হয় যেন, সে আমাকে স্পর্শ করছে।
সবসময় মনে হত, কেউ একজন আমার রুমে আছে।
একদিন রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায়।
তারপর দেখি, সে আমার...
পাশে শুয়ে আছে।
একদম আমার পায়ের সাথে।
শিওর এটা দিপা-ই ছিল।
আলত দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
সে আমাকে কিছু একটা বলতে চাচ্ছিল।
তারপর দৌড়ে গিয়ে লাইটা টা অন করি।
পরে দেখি রুমে কেউ নেই।
হেই...
তুমি ভয় পাচ্ছ না তো?
না, না। বলতে থাকো।
কলেজে কিছুদিন এই বিষয়টা নিয়ে বেশ মাতামাতি চলে।
তারপর, ওই হোটেল ছেড়ে দেই।
অন্য একটা রুম খুঁজতে খুঁজতে...
...এখানে ২ বছর পার হয়ে গেল।
এখন ভালোই আছি।
তারপর আর তাকে দেখনি?
উম....
দেখেছি তো।
কিন্তু...
প্রথম প্রথম ভয় হচ্ছিল...
...তারপর অনেক কিছুই জানার ইচ্ছে জাগে।
একবার, তার সাথে কথাও বলেছিলাম।
কিন্তু...
সে কোনো উত্তর দেয়নি।
কেন?
হতে পারে, সে এই রুমেই আছে।
হতে পারে আমাদের আশেপাশে বসে সব শুনছে।
ঘনিষ্ঠ কোনো ব্যক্তির সাথে এমন কিছু ঘটলে, এরকম ভাবনা আসাটাই স্বাভাবিক।
তুমি একটু বেশিই বাড়িয়ে বলছ।
বাড়িয়ে বলছি না।
এমনটাই ঘটে।
চেন্নাইয়ে প্রতি বছর ১০০-২০০ লোক আত্মহত্যা করছে।
কয়জনই বা দুর্ঘটনাবশত মারা যায়?
বাদবাকিদের ব্যাপারে কী বলবে?
সম্প্রতি চেন্নাইয়ের ইন্ধ্যাআম কর্মসূচীতে একটি ভবন নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে ভূত দেখা দিয়েছিল।
দেখেছিলে?
দুই বছর আগে ওই বাড়িতে দুই পুলিশ সদস্যের রহস্যময় মৃত্যু হয়।
ভবনটি কোথায়?
কেন?
ভয়ে ভবনটির পাস কেটে হাটতে?
তুমি একটু বেশিই বকছো।
সামান্য ব্যাপারে এত ভয় পাও কেন?
এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে তুমি কী করবে?
তোমার মতো প্রণয়িনী যখন কিছু বর্ণনা করে...
...তখন গল্পকেও বাস্তবিক মনে হয়।
ভূতপ্রেত কি সত্যিই আছে না কি?
সবার জীবনেই একটি মুহূর্ত আসবে...
যে মুহূর্ত টা অবিশ্বাস্যকে করে তোলবে, বিশ্বাসযোগ্য।
যদি তোমার সাথে এমন কিছু ঘটে, তখন তুমিও বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে।
থু!
জান...
তোমার ও সময় আসবে।
বঙ্গানুবাদক : As Peyash
কে ওটা?
দেখে তো পাগল মনে হচ্ছে।
হ্যাঁ, আমিও দেখেছি।
পনের মিনিট ধরে নোটবুকের পৃষ্ঠা উল্টোচ্ছে।
আমার তো মনে হয় না পিজ্জা খেতে আসছে।
ভাঙচুর করবে না তো?
চলেন গিয়ে জিজ্ঞাস করি।
যদি কামড় মেরে বসে?
আপনার উদ্ভট কথাবার্তা শুনলে...
আরে আসেন তো।
কাকে খুঁজছেন?
ওই মিয়া কী দরকার এখানে?
No comments yet. Be the first to leave one.