The first 200 lines.
সাবটাইটেল অনুবাদক ও সম্পাদক ----------------------------------------------------------------------------- •••…•••…Singer Imran…•••…•••… সাবটাইটেল টা উৎসর্গ করছি আমার জীবনে আসা এক নতুন ব্যাক্তিকে। #K
আমি এই স্বপ্নটা বার বার দেখি।
আমি ছোট একটা মেয়ে মায়ের কোলে বসা,
আর সে আমাকে গান শুনাচ্ছে।
আমি আমার ত্বকে সূর্যের উষ্ণতা
এবং তার বাহুর স্বস্তি অনুভব করছি।
আর আমি সেখানেই থাকতে চাই।
সারা জীবন।
যখন আমি জেগে উঠি, স্বপ্নটা ভেঙ্গে যায়।
আমি খুব চাই এই স্বপ্নটা সত্যি হোক,
কিন্তু সেটা সম্ভব না।
কারন আমি ছোট থাকতেই আমার মা মারা যায়।
আর সূর্য উদয় অবস্থায় আমি বাইরে যেতে পারব না।
মানে, একদমই না।
আমার একটি বিরল রোগ আছে Xeroderma Pigmentos ,
বা XP, যার মানে বুঝায়
সূর্যের তীব্র আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা।
যদি আমার ত্বকে সূর্যের আলো লাগে, আমার চর্ম ক্যান্সার হয়,
আমার মাথা কাজ করে না আর আমি মরতেও পারি।
মজার ব্যাপার, তাই না?
তাই, আমি সব সময় ঘরেই কাটাই বিশেষ জানালার পিছনে,
আমার বাবার সাথে যে পৃথিবীর সব থেকে ভালো বাবা।
বাচা গেল, কারন বড় হয়ে যাচ্ছি,
সব সময় বাচ্চারা, আহ্, কি আর বলব।
- কি বলিস। - হ্যা, ভ্যাম্পায়ার।
তার কারনেই তাদের বিশেষ জানালা লাগানো।
চিন্তা করিস না। ও আমাদের দিনে কিছুই করতে পারবে না।
কিন্তু রাতের বেলায়, দূরে থাকতে হবে, অনেক দূরে।
কিন্তু সবাই আমাকে ভয় পেত না।
- হেই, মোরগান। - ওর কি হয়েছে?
ওর XP নামে কোনো একটা রোগ হয়েছে।
বলতে গেলে, সূর্যের আলো ওর জন্য ক্ষতিকর।
তাই ও সূর্যের আলো লাগাতে পারবে না।
আমিও বেশিক্ষণ সূর্যের আলো লাগাতে পারি না।
ও কি রাতে খেলতে পারবে?
- হ্যা, কিন্তু... - তাহলে রাতে দেখা হচ্ছে।
ওহ, আমি কিন্তু পিজ্জা পছন্দ করি!
তখন থেকে,
আমি, মোরগান আর আমার বাবা এক সাথে সময় কাটাই।
যত দিন না পর্যন্ত, আমি চার্লিকে দেখেছি।
আর সেই মুহূর্ত টা ছিল।
একদমই, পুরাই, বলার ভাষা নেই।
ছ্যাচড়া গাছ।
আমি প্রতিদিন তাকে দেখতাম।
আর, ও জানতোও না যে আমার অস্তিত্ব আছে।
সময়ের সাথে, চার্লিকে যেতে দেখা টা
আমার প্রতিদিনের রুটিন হয়ে যায়।
নিয়মিত ডাক্তার দেখানোর মত।
দিনে ঘুমানো এবং সারা রাত জেগে থাকা।,
এবং, আমি শুনেছি,
এখনকার দিনে সব কিশোররা এমনটাই করে থাকে।
এবং সময় পেলেই মিউজিক বাজানো।
সব কিছু মিলিয়ে, আমার প্রতিদিনের জীবন টা ভালোই।
কিন্তু তারপরেও আমাকে আরো স্বপ্ন দেখতে হবে।
ছ্যাচড়া গাছ।
সেটা যতই কঠিন হোক না কেন।
জ্রেমি পীর্স।
কেন্ডাল পোর্টার।
অভিন্দন্দন।
পিটার র্যাথবার্ড।
- চার্লস রীড। - ইহাহ, চার্লি!
অভিনন্দন, চার্লি।
কেটী প্রিস!
তুমি এসব কি পরেছ?
টুপি আর গাউন। হাহ্?
সব দক্ষ কর্মীরা এটাই পরে।
- এই নাও। - ধন্যবাদ।
সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ, এটা তোমার জন্য
- হুম। - হুম-হুমম।
আমি অনুমান করতে পারছি, বিদায়ী সময়ের জন্য, তুমি কিছু কোনো ভাষণ তো তৈরী করেছই?
আমম, হ্যা।
ওটা আমি আমার চশমা পরা অবস্থায়।
- ভালোই যাচ্ছিস। সাব্বাস। - ধন্যবাদ।
আমম, প্রথমে, আমি আমার হেডমাস্টারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।
- মানে... - আমার স্প্যানিশ শিক্ষক।
দে নাডা
- আমার ইংরেজি শিক্ষক। - আরে কোনো ব্যাপারই না।
কিন্তু আমি রেকর্ডের জন্য বলতে চাই যে
আমাদের জিম শিক্ষকের কোনো ধারনাই ছিল না সে কি করতেছিল...
কি? তুমি খুব বাজে। আমি ব্যায়াম করি।
হেই, এটা তোমার জন্য।
এটা আমার দেখা খুবই পাগল মার্কা জিনিসের মধ্যে একটা।
ঠিক!
আমি তিনটা দোকান খুজে এই পাগল মার্কা জিনিসটা পেয়েছি।
- মানে, এটা খুবই আজব। - হ্যা! এটা সব থেকে আজব।
হ্যা।
ঠিকাছে।
তুমি কি উপহার নেওয়ার জন্য রেডি?
- কোনো উপহারও আছে নাকি? - ওহ্, অবশ্যই, হ্যা!
অবশ্যই, উপহার আছে। তুমি গ্রাজুয়েশন পাস করেছ...
একের পর এক ভালোই।
এটা তো মায়ের।
দেখো, আমি জানি এটা অনেক পুরানো,
তাই তুমি যদি নতুন একটা চাও তাহলে আমি...
না, আমার অনেক পছন্দ হয়েছে! ধন্যবাদ। অনেক ধন্যবাদ।
তুই দেখতে একদম তোর মায়ের মত।
তোর ভাগ্য ভালো। সে সুন্দরী ছিল।
চেষ্টা কর একটু ঘুমানোর। ঠিকাছে?
এটা তো ভালোই।
আহ্, চেহারায় একটু সমস্যা আছে।
হেই, বাবা, আমম... আমি ভাবছিলাম
যদি আমি আমার নতুন উপহারটা আজ রাতে
ট্রেন স্টেশনে গিয়ে বাজাতে পারতাম।
১০ টা বেজে গেছে।
মোরগান এখানে আসছে না কেন? তুমি আমাকেও শুনাতে পারো এখানেই।
মোরগান তার পরিবারের সাথে ব্যাস্ত আছে।
আর, বাবা, আমি তোমাকে শুনাতে পছন্দ করি, সত্যি,
কিন্তু আমাকে সবার সামনে
বাজানোর অভ্যাসও করতে হবে।
প্লীক, প্লীজ, প্লীজ।
ফ্রেড ওখানেই থাকবে। সে আমার খেয়াল রাখবে।
আর আমি আজ গ্রাজুয়েশন পাস করেছি!
এটাই আমেরিকার প্রথা তাই না, আমার বাইরে কাটানো সময় বাড়ানোর।?
ঠিকাছে আমি তোমার বাইরে থাকার সময় ১ ঘন্টা বাড়িয়ে দিচ্ছি।
যার মানে মধ্যরাত পর্যন্ত, ঠিকাছে?
হেই, ওখানে পৌছে আমাকে ম্যাসেজ করবি,
নয়ত আমি ফ্রেড শুধু ফোনই করব না,
আমি ওখানেই চলে আসব।
এবং সেটা খুবই খারাপ হবে, একেবারে উদাহরন হয়ে যাবে যে
- কেন বাচ্চাদের ঘরেই থাকা উচিত! - আই লভ্ ইউ।
ওহ্, বয়।
ওহ্, হেই, এমন করিস না।
কি করেছি?
এটা। মানে, তুই দুঃখী হলে আমিও দুঃখী হই।
এই বিয়ারটা ঘট ঘট করে খেয়ে ফেল আর মজা কর!
দোস্ত, তুই গুলিকেও হার মানিয়েছিস, ব্যাটা।
তুই সকাল সকাল উঠে সমুদ্রের কোথাও
সাতার কেটে নিজেকে পরিক্ষা করতি।
আর এখন, আমারা এসব করতে পারছি... আমাদের সারা জীবন।
হুমম, আমি ভুলে গেছিলাম, সারা জীবন এটা করা,
বের্কেলি ঘুরতে যাওয়ার থেকেও মজার ব্যাপার।
জো কার্মিক্যাল। এখন ৩ টা বাজে।
- চার্লি... তোমার বারটা বাজার সময় হয়ে গেছে। - এবার আবার কি করলাম?
তুমি আমাকে শরবত এনে দাও নি।
আমি তো জানতামই না যে তোমার পিপাঁসা পেয়েছে।
এখন তো জানো।
- আমি দুঃখিত। - সমস্যা নেই।
খুব লেগেছে নাকি?
আচ্ছা, তুমি তো এখন আর সাতার কাটো না,
তাই হয়ত আমার জন্য অতিরিক্ত সময় আছে।
আমারও তোমার জন্য অতিরিক্ত সময় আছে।
- আর আমিও সাতার কাটছি না। - তুই কখনোই সাতার কাটতি না, ছাগল।
জো! এখানে আয়, মাগি!
দাড়া!
তুমি আমার গ্রাজুয়েশন পার্টিতে আসছো, তাইনা?
হ্যা, আমারও তাই মনে হচ্ছে।
ভালো।
হ্যা!
কি... কি করছিস তুই?
আরেকটা গুলিকে হারাতে যাচ্ছি।
আরে, দোস্ত। আজ আমাদের গ্রাজুয়েশনের রাত।
আমার তেমনটা মনে হচ্ছে না।
পরে দেখা হবে।
- ধন্যবাদ। - স্বাগতম।
হেই, ইয়ো, ফ্রেড।
আমি ভেবেছিলাম তুমি আজ আসবে না।
কি, আর আমার সব ভক্তদের নিরাস করব?
হেই।
আরে!
আমি তোমাকে ভয় পাওয়াতে চাই নি।
নাও।
আহ্, আমি? আমি ভয় পাই নি। সেটা নিয়ে ভাবতে হবে না।
- দাড়াও, আমি সাহায্য করছি। - আমি ভয় পাচ্ছি না।
তুমি সব গুছিয়ে নিচ্ছ কেন? কোথায় যাচ্ছ?
আমম, বাড়ি। আমাকে বাড়ি যেতে হবে।
বাড়ি? দাড়াও, তুমি এখানে থাকো?
এক মিনিট, তুমি পার্ডু হাই স্কুলে যাও না।
না। আমি অন্য একটা স্কুলে যাই।
আর আমি আজ গ্রাজুয়েশন পাস করেছি আর আমার বাবা ডিপজলের থেকেও ভয়ংকর।
তাই, আমাকে তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে হবে... ওহ্, খোদা।
- আমম... - আমাকে যেতে হবে।
দাড়াও! দাড়াও! আরে। কি... আমি দুঃখিত, তুমি চলে যাচ্ছ কেন...
এত তাড়া কিসের? কি...
আমম, আমাকে বাড়ি যেতে হবে আমার বিড়ালের কাছে।
- তোমার বিড়াল। - হ্যা, আজ মারা গেছে।
মরে গেছে তাহলে তো তাড়া নেই, তাইনা?
না, না, আছে। আমাকে দাফনের জন্য কাজ করতে হবে।
আমার, আমম, মরা বিড়াল যেটা মরে গেছে।
হ্যা, একেবারে মরে গেছে।
দাড়াও! দাড়াও! দাড়াও!
আমি তো তোমার নামটাও জানতে পারলাম না!
ওর মধ্যে কি কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেছ? মোটর ফাংশন গুলো কি এখনো ঠিক আছে?
হ্যা। হ্যা, বুদ্ধিমত্তার কোনো পরিবর্তন হয়নি,
খাওয়া বা কথা বলায়ও কোনো সমস্যা নেই।
আমাকে বিশ্বাস করতে পারো।
আর কোনো কর্ণিয়াল আল্কিরেশন্সও নেই।
সত্যি, নিউরোডিজেনেশন সুপারিশ করার মত কিছুই নেই।
সূর্যালোকে বের হয়?
না, একদমই না।
আমি তোমার জন্য ওর প্রেস্ক্রিপশন পুনঃরায় পূরন করে দিচ্ছি,
কিন্তু ওর তোমার সাথে এখানে আসা উচিত।
হ্যা, এখনকার কিশোরদের তো জানোই।
তারা বাবার সাথে চলতে অসস্ত্বি বোধ করে।
- ওর XP আছে, জ্যাক। - আমি ভালো করেই জানি ওর কি আছে।
এটা কখনোই ঠিক হবে না।
এবং প্রতি বছর, ঝুঁকি আরো বেড়ে যাচ্ছে।
তাই, যদি সে বিন্দুমাত্র সূর্যালোকে বের হয়...
ও বের হবে না।
- ও সেই বয়সে পৌছে গেছে যেটা নিয়ে আমরা কথা বলে ছিলাম। - ও বের হবে না।
ওয়াশিংটনের ইউনিভার্সিটির স্টাডির ব্যাপারে কোনো খবর?
No comments yet. Be the first to leave one.