Frankenstein

Frankenstein

Download Bengali Subtitle

Release info

Frankenstein 2025 1080p NF WEB-DL Bsub By OMAR
A Commentary by OmAr_FaruQue1

Tags

webdl
Published on: 2025-12-04
Downloads: 165
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

: : : অনুবাদ ও সম্পাদনায় : : : . . . ওমর ফারুক . . .

ক্যাপ্টেন!

ক্যাপ্টেন!

কথা বলা যাবে?

হুঁ।

আমাদের বরফ ভেঙে এগোতে হবে।

ওরা ক্ষুধার্ত আর ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

এভাবে চলতে থাকলে বিপদ ঘটবে।

সবাই শোনো!

আমরা কাজে যত দেরি করব,

বরফ তত শক্তভাবে আমাদের আটকে ফেলবে।

তাই মন দিয়ে কাজ চালিয়ে যাও।

দল ভাগ করে কাজ করো।

স্যার, মাফ করবেন...

কিন্তু ওদের আশ্বাস দরকার।

আশ্বাস?

হ্যাঁ, জাহাজ মুক্ত হলে আমরা সেন্ট পিটার্সবার্গে ফিরব কিনা।

ওদের ভয় যে জাহাজ আর বেশিদিন টিকবে না, তাই ওরা জানতে চায়...

সবাই শোনো!

জাহাজের অবস্থা নিয়ে তোমরা বেশি ভেবো না...

আমরা একটা অভিযানে এসেছি এবং এটা শেষ করবোই।

আমরা উত্তর মেরুতে পৌঁছাবোই।

বোঝা গেছে?

ক্যাপ্টেন, একটা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

প্রায় দুই মাইল দূরে।

ওখানে যাওয়ার জন্য তৈরি হও।

স্লেজ টানা কুকুরগুলো অক্ষত আছে।

তাহলে এত রক্ত কোত্থেকে এলো?

এদিকে আসুন, ক্যাপ্টেন!

এখানে একজন আহত লোক, এর অনেক রক্ত গেছে।

কাঁধে জখম, পা-টাও ভাঙা।

ভাল্লুকের হামলা?

আমার তা মনে হচ্ছে না, ক্যাপ্টেন।

লারসেন, বুটটা খুলতে হাত লাগাও।

কৃত্রিম পা।

ওকে তক্তাটায় তোলো।

জলদি! জাহাজে ফিরে চলো! এক্ষুনি!

লারসেন, ওই জিনিসটা এদিকেই আসছে।

রাইফেল তৈরি করো!

আমার হুকুমের অপেক্ষা করো।

নিশানা লাগাও!

গুলি চালাও!

পরের দল!

গুলি করো!

সবাই জাহাজে চলো!!

আমরা যাকে তুলে এনেছিলাম সে কোথায়?

কোথায়?

ওটা কী? কী চায় ওটা?

ওকে আমার হাতে তুলে দাও!

লারসেন, ব্লান্ডারবাসটা আনো!

ভিক্টর।

ভিক্টর!

মেরেছি চোদনাটাকে!

মেরেছি।

ওটা এখনও বেঁচে আছে!

মই!

মইটা তুলে নাও!

ওকে আমার হাতে তুলে দাও!

আর কটা গুলি আছে?

একটা, যা দিয়ে ওটাকে মারতে পারবেন না।

জানি।

আমি ওটাকে গুলি করছি না।

লডেনাম, ব্যথা কমাবে। এটা খান।

আমি কোথায়?

আপনি রয়্যাল ড্যানিশ জাহাজ 'হরাইজন'-এ আছেন।

আমি ক্যাপ্টেন অ্যান্ডারসন। ইনি ডক্টর উডসেন।

ওটা আপনাদের ক'জন লোক মেরেছে?

ছয়জন।

ওটা আবারও আসবে, আরও অনেককে মারবে।

দরকার হলে আপনাদের সবাইকে, যদি না আমাকে ওর হাতে তুলে দেন।

না, না। ওটা চলে গেছে।

বরফের পানিতে ডুবে মরে গেছে।

না, মরেনি!

ওটা মরে না।

আমি ওকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছি।

আপনারা বিশ্বাস করুন বা না করুন,

ওটা ফিরে আসবে... আমার জন্য।

আর যখন আসবে!

কথা দিন আপনারা আমাকে বরফের উপর রেখে আসবেন!

এবং ওটাকে নিয়ে যেতে দেবেন।

প্লিজ।

ওটা কোন ধরনের প্রাণী?

কোন শয়তান ওকে তৈরি করেছে?

আমি।

আমি করেছি।

ওকে আমিই তৈরি করেছি।

আমি চেয়েছিলাম আমার কুকীর্তির স্মৃতি আমার সাথেই শেষ হয়ে যাক।

হয়ে গেছে।

আমি যা যা বলব তার কিছুটা বাস্তব মনে হবে।

বাকিটা অবাস্তব মনে হলেও, এর পুরোটাই সত্যি।

আমার নাম ভিক্টর।

ভিক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন।

নামটা আমার বাবা রেখেছিলেন।

এর মানে জানেন?

মনে হয় জানি। " বিজয়ী"।

যে সব জয় করে।

হ্যাঁ। শুরুটা তাদের দিয়েই।

আমার বাবা।

আর মা।

ভিক্টর!

ভিক্টর!

ভিক্টর!

নিচে এসো, তোমার বাবা আসছেন।

মা? মা?

আমি এখানে, মা।

আমি এখানে।

আমার বাবা ছিলেন একজন ব্যারন, আর নামকরা সার্জন।

তিনি আমার মা-কে বিয়ে করেছিলেন মূলত সুবিধার জন্য।

মায়ের আভিজাত্য আর অগাধ সম্পত্তি,

বাবাকে তাঁর স্ট্যাটাস আর ভিটেমাটি টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছিল।

তিনি আমাদের জীবনে থেকেও ছিলেন না।

কিন্তু যখন বাড়ি ফিরতেন, সবাই তার কথায় উঠবস করতো।

ক্লেয়ার, প্রিয়তমা।

বাকি সময়...

ভিক্টর।

বাবা।

বাকিটা সময় মা শুধু আমারই ছিলেন।

না, ওটা এখানে আনো।

মাংসের লবণ তোমার রক্ত বাড়াবে।

পেটের বাচ্চারও।

তুমি এখন দুজনের খাবার খাচ্ছ ভুলে যেও না!

খাও।

এটা পুষ্টিকর।

হে রক্ষাকারী দেবদূত।

হে মিষ্টি সঙ্গী।

আমার পাশে থেকো, আমাকে ছেড়ো না।

তোমার আঁচলের নিচে,

আমাকে আশ্রয় দাও...

দেয়ালের ওপাশ থেকে আমি ওদের অবিরাম ঝগড়া শুনতাম।

টাকা, সম্পত্তি... আর আমাকে নিয়ে ওরা চেঁচামেচি করতো।

ওদের এসব শুনলে আমার ভয় লাগতো।

মা?

মা?

লোকটা আমাদের দু'জনকেই ঘৃণা করতো।

আমাদের মিশকালো চুল, আমাদের গভীর কালো চোখ।

এমনকি আমাদের এই শান্ত এবং কিছুটা ভীরু স্বভাবও যেন,

তাকে আরও খ্যাপিয়ে তুলতো।

মানবদেহের 'হিউমার'-এর প্রাচীন প্রকারভেদগুলো,

যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে বলো।

রক্ত, কালো পিত্ত, হলুদ পিত্ত, আর কফ।

সাধারণ পুরুষের হৃৎপিণ্ডের ওজন?

নয় থেকে এগারো আউন্স, বাবা।

সাধারণ নারীর হৃৎপিণ্ডের ওজন?

আট থেকে দশ আউন্স।

এই পার্থক্য এর কারণ কী?

ভরের পার্থক্য?

আবেগের গভীরতা?

নাকি বিষণ্নতা?

ভর আর রক্তের পরিমাণ, বাবা।

একদম ঠিক। টিস্যুর মধ্যে আধ্যাত্মিক কিছু নেই।

আর পেশীর কোনো আবেগ নেই।

এবার, ট্রাইকাসপিড ভালভের প্রধান কাজটা বলো।

এখন মনে পড়ছে না, বাবা, তবে আমি জানি।

হ্যাঁ, তা তো জানবেই।

জড়বস্তু থেকে রক্ত ঝরে না, ভিক্টর।

রক্ত ঝরে জ্যান্ত শরীর থেকে।

তুমি যতক্ষণে একটা তথ্য মনে করবে, ততক্ষণে তোমার রোগী মারা যেতে পারে।

বুঝলে?

ট্রাইকাসপিড ভালভের প্রধান কাজ হলো,

ভেনা কাভায় রক্তের রিফ্লাক্স প্রতিরোধ করা।

না, হাতে নয়।

এগুলো এখন তোমার দক্ষতা আর ইচ্ছের হাতিয়ার।

এগুলোর যত্ন নিতে হবে।

তবে তোমার চেহারাটা বিলাসিতা মাত্র।

তুমি আমার নাম বহন করো, ভিক্টর, আর আমার সম্মানও।

আশা করি সেটা তোমার মনে থাকবে।

মনে হচ্ছে তুমি ভালো কিছু পেয়েছ...

তিন...

দুই...

এক...

এটা হতেই পারে না।

আমি আবার করছি।

মা?

মা?

বাবা!

বাবা। মা...

মা।

আমার গরম পানি আর পরিষ্কার কাপড় লাগবে।

-এক্ষুনি। -জি, স্যার।

-না, ভিক্টর! -মা?

-মা! -ভিক্টর!

বাবা! বাবা!

-ভিক্টর! -আম্মিকে বাঁচান!

আমার মা, যাকে আমি আমারই অংশ ভাবতাম।

ভেবেছিলাম সে কখনো আমাকে ছেড়ে যাবে না।

যে ছিল আমার জীবনের মানে… সে-ই এখন মৃত।

তার চোখের আলো নিভে গেছে।

তার হাসি এখন শীতল মাটির খোরাক।

চলে যাও!

এখান থেকে চলে যাও!

যেন মহাবিশ্বের একটা অংশ খসে পড়লো।

আর আকাশটা চিরদিনের জন্য অন্ধকার হয়ে গেলো।

এবার তোমার চোখ ঢাকো।

আমি না বললে তাকাবে না।

এখন তাকাও।

উইলিয়াম হাসিখুশি আর প্রাণবন্ত ভাবে বেড়ে উঠলো।

ও ছিল শান্ত, নম্র স্বভাবের, বাবার চোখের মণি।

ধন্যবাদ, বাবা।

এইতো, কলিজাটা, সোনা আমার।

ও ছিল খোলা হাওয়া, আর আমি ঝড়ের মেঘ।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left