The first 200 lines.
বঙ্গানুবাদক : As Peyash
"বি"
"অ্যা"
খুব আনন্দে আছো?
হ্যাঁ।
আমার মতো সময় নষ্ট করছো না আশা করি।
- তো, তুমি কি বানাচ্ছ? - মায়ের জন্য নেকলেস।
আচ্ছা? দেখাও আমাকে।
ওয়াও। আরো একটা?
- হ্যাঁ। - ওগো?
এটা নিয়ে দুইটা হলো আজকে।
- হুম। - হুম।
ওগো?
- কী? - দরজাটা একটু খুলবে গিয়ে?
ভাবলাম, তুমি গিয়ে খুলবে।
- যাও, ডিনারের জন্য হাত, মুখ ধুয়ে নাও। - আচ্ছা।
উম... দারুণ সুগন্ধ আসছে। রান্না শেষ নাকি?
মা, দেখো...
ভাগ্যের লিখন খণ্ডানো যায় না।
তাড়াতাড়ি বের হতে আমাদের!
করছেন কী আপনি?
থামুন বলছি! চলেন বের হই!
ওই তোর প্যাঁচাল বন্ধ কর!
শান্ত হ।
বাচ্চাটা মনে হয় আমাকে পছন্দ করেছে।
ভাই, প্লিজ!
- নিক। - ব্রেয়, কী অবস্থা?
উইলিস অনেক জ্বালাচ্ছে আমাকে। তার বাচ্চার কেসটার কী খবর?
- উইলিস? - হুম।
- ওহ, ওটার দায়িত্ব জুভির কাছে দিয়েছি। - কেন দিলে?
কারণ ওটা একটা ফালতু কেস। আর, মার্ডারের সময় বাচ্চার বয়স ছিল ১৫.
তোমার ৯৫% সফলতার গায়ে দাগ লাগাতে চাও না?
- ৯৫ না। ৯৬%. - ৯৬%?
হ্যাঁ। ওটা নিয়ে ভেবে বই দুইটা বাড়িয়ে পড়েন।
আমার বুঝে আসে না, আপনি আমার চাকরির পেছনে কেন উঠেপড়ে লেগেছেন।
হ্যাঁ, আপনি জানেন।
এবং এটাও জানেন যে, আমার শিরা কত লম্বা।
ফাইলের যা অবস্থা, মনে হয় না বিচারক কোনো ব্যবস্থা নেবে।
আমরা বরং রিকোতে সেন্ড করে দিই।
এতদিনে বুঝি এটুকু বুঝলে, সারাহ্?
তোমার বিচার-বিবেচনার দক্ষতা আরো বাড়াতে হবে।
- এছাড়া আর কি করা যেতে পারে? - সে ঠিকই বলেছে।
মিস্টার নিক?
রিকো সংগঠন রেখেছেই এসব কেসের জন্য।
ক্রাইম কন্ট্রোল ৯০১ চেক করে দেখুন।
এবং সারাহ্কে এই কেসের সুযোগ দিন।
মিস্টার নিক, এই বৈঠকের দায়িত্ব কিন্তু আমার।
সে ইতোমধ্যে পর্যবেক্ষণ করেছে। আমি হেল্প করব।
আমি আসলে বলতে চাচ্ছি, হেলেন কেলারকে সুযোগ দেওয়া হোক।
আচ্ছা, মনে রেখ, সে কোনো ঝামেলা পাকালে, দায়ভার তোমার।
আমার বারোটা বাজিও না!
ক্যান্ট্রেল তোমার সাথে দেখা করতে চায়।
আচ্ছা, আসছি।
না! নিকের সাথে দেখা করতে চায়।
বলা চলে তার হার্ভার্ড ডিগ্রির প্রতি আমি ইমপ্রেসড নই।
আমরা ফোর্ডহ্যামে যেতে পারিনি।
কিন্তু রাতে ফোর্ডহ্যাম স্কুলে ছিলাম।
ফোর্ডহ্যাম স্কুলে কী শিখেছি শুনবেন?
আইন, আইনের কাছে তুচ্ছ!
তাহলে বোধহয় অভ্যন্তরীণ কূটনীতি বিষয়টা বাদ পরেছে।
বিচারকদের এমনই হওয়া দরকার, এটাই তো বলেছিলেন, তাই না, জোনাস?
শেলটন কেসের কী হলো?
গতকাল রাতে জজ বার্চ প্রত্যাখ্যান করেছে।
ধ্যাত! এখন কী হবে?
- চুক্তি হয়ে যাক। - নিক, বাচ্চা মেয়েটাকে তারা মেরে ফেলেছে।
- সিস্টেমেরও দুর্বলতা থাকে। - আর আমরা ত্রুটি নিয়েই লরব।
- যাই হোক, কেসটা তুমি জিততে পারবে। - না, আমি রিস্ক নিতে রাজি না।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিচার খোঁজার চেয়ে না খোঁজাই ভালো।
এটা তাহলে উনার স্বামীকে বুঝিয়ে বলো।
এটাই তো আমার কাজ।
গুড, উনি অপেক্ষায় আছে তোমার।
কী?
- কেমন আছেন? - ভালো। আপনি?
ভালো। বসুন।
আপনার কোনো সাড়া না পাওয়ায় আমি নিজেই কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি।
ভালো কিছু আইডিয়া আছে।
আচ্ছা, দেখান আমাকে।
এগুলো জাস্ট...
বাকিটা আপনাকে পরে বুঝিয়ে বলব।
বিশ্বাস করেন আমাকে?
আমাকে আপনার বিশ্বাস হয়?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
অ্যামেসের বিরুদ্ধে ডার্বি সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়েছে।
ডার্বির সাক্ষ্য অনুযায়ী, অ্যামেস মৃত্যুদন্ডে দণ্ডিত হবে।
উম... তাহলে... তাহলে ডার্বির কী হবে?
হত্যার জন্য ডার্বি দোষ স্বীকার করবে।
- কোন পর্যায়ে? - তৃতীয়।
সাজা হবে কত? পাঁচ বছরের?
সর্বোচ্চ?
কিছুই আমার বুঝে আসছে না। দুঃখিত।
জাজ রায় দিয়েছে, ডিএনএ অগ্রহণযোগ্য।
- কী? - প্রমাণ যথেষ্ট নয়।
প্রতিরক্ষা আইনজীবী তদন্ত করেছে।
আপনি বলেছিলেন প্রমাণাদি সব স্পষ্ট।
শার্টে রক্তের দাগ ছিল।
এটাও একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
তাহলে ফরেনসিক এভিডেন্স?
ওখানেও প্রমাণাদি অস্পষ্ট।
আচ্ছা, আমি দেখেছি... আমি তাদের চেহারা দেখেছি।
আমি স্বচক্ষে দেখেছি সে আমার মেয়েকে নিকৃষ্টভাবে হত্যা করেছে।
আপনার বিবৃতি বিশ্বাস করবে না। তাদের দরকার প্রমাণ।
আপনি সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দাঁড়াবেন, প্রতিবাদীপক্ষ আপনাকে টেনে ছিঁড়ে ফেলবে।
না, জুরি আমাকে অবশ্যই বিশ্বাস করবে।
- কারণ সত্য তো এটাই! আমরা... - আমরা হেরে যাব।
তারপর কিছুই করার থাকবে না।
আপনি বছরের পর বছর পেছনে ঘুরঘুর করে, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করবেন...
আর তারা উন্মুক্ত হয়ে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াবে।
নিক, ওরা উভয়ই দোষী , বিশেষ করে ডার্বি!
- আপনি নিজেও জানেন। - আমি জানলে হবে না, ক্লাইড।
আদালতে আপনি কী প্রমাণ করতে পারবেন সেটা মুখ্য।
প্লিজ, ওই লোকের সাথে ডিল করবেন না।
প্লিজ! ওই লোক মানুষরূপী পিশাচ একটা।
স্যরি, ডিল হয়ে গেছে। দুঃখিত।
ডিল হয়ে গেছে।
কী? আপনি এটা কীভাবে করতে পারেন?
আইন এভাবেই চলে।
শুনুন, আমি জানি, আপনি এখন কী ভাবছেন।
কিন্তু আমাদের জন্য এটাই ভিক্টরি।
অফিস এই চুক্তি অনুমোদন করেছে?
হ্যাঁ, মহামান্য।
মিস্টার রেইনল্ডস, আদালতের কাছে কিছু বলার আছে?
আমি ডিফেন্স অ্যাটর্নি, মহামান্য। আমার তেমন কোনো সাক্ষী নেই।
না, মহামান্য। কিছুই বলার নেই।
গুড, তাহলে দেড়ি না করে মিস্টার অ্যামেসের শুনানি হয়ে যাক।
ইয়াহ?
মিস্টার নিক, আদালতে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ।
- অনেকবার বলা হয়েছে। - দুঃখিত।
বলেই যাচ্ছি। বলেই যাচ্ছি।
হ্যাঁ, জরুরি একটা কল এসেছিল...
পরের বার কোনো অজুহাত চলবে না।
- আপনি বিবাহিত? - এক্সিউজ মি?
আপনি কি বিবাহিত?
নাক বরাবর দেবার আগে, প্লিজ সাইন করে বিদায় হোন।
ইচ্ছে ছিল কিন্তু বিয়ে করার মতো মেয়ে পাইনি।
কিন্তু অ্যামেস যা করেছে তার ফল সে পাবে।
আই মিন, ভাগ্যের লিখন খণ্ডানো যায় না।
নিক।
সিদ্ধান্ত একবার নেওয়ার পর, ওটার দিকেই অগ্রসর হও।
এই চাকরিটাই তোমার জীবনের ক্ষুদ্র শরীক।
নিজের স্বত্বাকে দোষারোপ করো না। এমন ভুল অনেকেই করেছে।
দেখো, তাদের মধ্যে কয়েকজন ওখানে দাঁড়িয়ে।
কিছুটা রুপকথা বা সাহিত্যিক গল্পের মতো মনে...
ও আচ্ছা, আরেকটা কথা বলা বাকি।
মার্কাস আরিলিয়াস রোমান শহরে যাবার আগে তার পেছনে একজন শিষ্যকে নিযুক্ত করেছিল।
আর, মানুষ যখন তার গুণকীর্তন করত ওই শিষ্য তার কানে ফিস ফিস করে বলত...
"ইউ আর অ্যা ম্যান। ইউ আর অ্যা ম্যান।"
- ওকে, ম্যান? - ওকে, ম্যান।
- ওকে, ম্যান। - আজাইরা কথাবার্তা।
আরে খারাপ না কিন্তু।
আমার মনে হয়, গল্পে কী বুঝিয়েছে আপনি তা বুঝেননি।
তুমি পয়েন্ট টা ধরতে পারোনি, নিক।
আচ্ছা, এবার এটা সামলাই।
লেডিস এন্ড জেন্টালম্যান, একজন একজন করে বলুন।
আপনি কি মৃত্যুদণ্ড দাবি করবেন?
- হ্যাঁ, রুপার্ট অ্যামেসের জন্য। - আর ডার্বির জন্য?
উনি দোষ স্বীকার করেছেন, কিন্তু সাক্ষী সহযোগীতা করেছে।
ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিস ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আপনি কি কোনো ধরনের...
আপনার কি মনে হয়, ডার্বির ক্ষেত্রে এটা ঠিক?
জাস্ট ধন্যবাদ দিতে চাই দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
ভালোই লাগে সিস্টেম যখন ন্যায্য বিচার করে, তাই না?
কাছে ঘেষবেন না।
সড়ে দাঁড়ান।
চলো।
- নিক? - হেই।
কী হয়েছে?
কীসের কী হয়েছে?
সমস্যা কী?
তুমি আমার কাজকে বিরক্তিকর বলে গণ্য করো?
হ্যাঁ।
বেশ... তো এখন...
বলা যাবে কী সমস্যা?
আমার মেয়ের সাথে একটু কথা বলতে পারি?
- ওহ, প্লিজ। না, না, না। - নড়াচড়া করবে না।
প্লিজ?
আগেভাগেই বলে নিই, এখন তোমার বাবা কথা বলছে।
সে শুনলে তো!
যতদিন সম্ভব মায়ের গর্বেই থেকো।
কারণ, এই ধরণী মানুষরুপী শয়তানের কারখানা।
ভাষা ঠিক রেখে।
তোমার মা হার্ডঅ্যাশ। কিন্তু আমি তো আছি।
বের হয়ে একদম বাবার মতো হবে।
না, আমার মতো হবে, কারণ আমার গর্বে জন্ম নিয়েছে।
আমার মোবাইলটা কেউ দেখেছ?
- হেই, আমার মোবাইলটা দেখেছ? - তোমার হাতের পাশেই না ছিল?
না, হাতের পাশে নেই।
- বাবা? - হুম?
আমার তৈরি ফ্রেঞ্চ টোস্ট খাবে না?
ফ্রেঞ্চ টোস্ট? তুমি ফ্রেঞ্চ টোস্ট বানিয়েছ?
এখন খাব না, সোনা। বাবার তাড়া আছে।
আচ্ছা।
আচ্ছা, এইত খাচ্ছি।
- ওয়াও, ভালো হয়েছে তো। - ধন্যবাদ।
তুমি নিজেই রেঁধেছ?
পুরো প্লেটটাই সাথে করে নিয়ে যাব।
ঠিক আছে, না.......
তোমার বয়স তো মাত্র ১০?
- পাক-শাক তো তোমার মায়ের চেয়ে ভালো রাঁধো। - শুনে ফেলেছি।
সুবাস তো দারুণ। এই নেও মোবাইল।
মর্নিং, মামুনি।
No comments yet. Be the first to leave one.