Mozhi

Mozhi (மொழி)

Download Bengali Subtitle

Release info

Mozhi Bsub Youtube: "Cinecurry Malayalam" channel, Runtime 2:33:05 | Mozhi | Full Movie | Prithviraj, Jyothika
A Commentary by SouthSubmakers
শুনতে না পাওয়া বলতে না পারা একটা মেয়ের সাথে একজন মিউজিশিয়ান ছেলের প্রেমকাহিনী... দারুণ রোমান্টিক কমেডি। সাবটাইটেল মালায়ালাম ডাবের সাথে মিলিয়ে করা হয়েছে। ইউটিউব লিংক https://www.youtube.com/watch?v=_05jdzq8fjU

Tags

other
Published on: 2018-05-22
Downloads: 46
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

“মোড়ি”

কথা

সা

সাউ

সাউথ

সাউথ সা

সাউথ সাব

সাউথ সাবমে

সাউথ সাবমেকা

সাউথ সাবমেকার্স

সাউথ সাবমেকার্স প্যা

সাউথ সাবমেকার্স প্যানে

সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল

বাংলা সাবটাইটেল সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল

অনুবাদ অংশগ্রহণে আদনান ইসলাম সৈকত

অনুবাদ অংশগ্রহণে অনন্য দেবনাথ

অনুবাদ অংশগ্রহণে ফিহাদ আর-রহমান

অনুবাদ অংশগ্রহণে মোরসালিন তানভীর

অনুবাদ অংশগ্রহণে রিয়াদ হোছাইন সোহান

অনুবাদ অংশগ্রহণে মাহির মুনিম

অনুবাদ অংশগ্রহণে আরমান আল মাহমুদ

অনুবাদ অংশগ্রহণে আবরার শাফিন

সম্পাদনা ফিহাদ আর-রহমান

আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ

কারও কুনজর যেন তোর উপরে না পড়ে!

আমি ভেবে কূল পাচ্ছি না কোন রাজকুমার তোকে বঁধুর সাজে নিয়ে যাবে!

যাও তো দাদী!

- চিন্নুমণি? - কী মানিকুট্টা?

আপনার চুলের খোঁপা থেকে ফুল পড়ে গেছে!

- ওহ! আচ্ছা আমার হাতে দাও। - আমি লাগিয়ে দেই!

মানি, আমি যাই এখন।

কার্তিক।

যখনই মানিকুট্টা ফুল চুলের খোঁপায় গুঁজে দিবে তখনই মিউজিক শুরু করবে।

ঠিক আছে, স্যার।

- ভিজেয়? - আমিও তৈরি, স্যার।

নায়িকা দৌঁড়ে নামছে, নায়ক বাঁশি বাজাচ্ছে...

আর যতক্ষণ না নায়ক, নায়িকাকে ডাকছে...

ভিক্ষার থালা পড়ার আগ পর্যন্ত একটা স্পেশাল টোন বাজবে।

- আমি ফাটিবে দিব! - ওকে, কাজ করো।

কারও কুনজর যেন তোর উপরে না পড়ে!

আমি ভেবে কূল পাচ্ছিনা কোন রাজকুমার তোকে বঁধুর সাজে নিয়ে যাবে!

যাও তো, দাদী!

- চিন্নুমণি? - কী মানিকুট্টা?

আপনার চুলের খোঁপা থেকে ফুল পড়ে গেছে!

- ওহ! আচ্ছা আমার হাতে দাও। - আমি লাগিয়ে দেই!

ঠিক আছে।

- কার্তিক, শেষে যে ন্যাকা ন্যাকা সুরটা দিলি সেটা শুনে আমার তো প্যান্ট ঢিলে হয়ে গেছে! - তো?

যেন তুই আগে বাদশাহ আকবরের দরবারে গান গাইতি! সারা বছর তুইও এমন ন্যাকা সুরই বাজাচ্ছিস!

আস্তে বল নয়তো শুনে ফেলবে।

নায়িকা জমিদারের মেয়ে আর নায়ক একজন ভিক্ষুক। শুধু চুলের খোঁপায় ফুল গুঁজে দিল আর প্রেম হয়ে গেল?

সে সিনেমার নায়ক। তাই হয়ে গেছে.....

- আমি বা তুই এমন করলে কী হত? - পুলিশ এসে শ্বশুড় বাড়ি নিয়ে যেত!

- সিনেমার সব জমিদারের মেয়ের জন্য আমার দয়া হয়। - কেন?

তারা সবাই ভিক্ষুকের প্রেমে পড়ে তাই!

- ভিজেয়, তৈরি তো? - হ্যাঁ, শুরু করুন স্যার।

কেমন রে এটা?

দারুণ।

একদম শান্ত-শীতল জায়গা।

এই তোমরা কী করছ?

আঙ্কেল নড়বেন না।

শত্রুরা আমাদের উপর হামলা করেছে।

শত্রু?

- বেঁচে গেছি! - বাবারে!

কীরে ভিজেয়, জঙ্গিবাহিনী মনে হচ্ছে!

বাচ্চা ছেলেপেলে আরকি।

আহ! আবারও শান্ত-শীতল পরিবেশ।

এইযে শুনছেন, ফ্ল্যাট নাম্বার ১৭ কোন ব্লকে?

- সেই ফ্ল্যাটে তো কেউ থাকে না। - জানি, আমরা ওই ফ্ল্যাটের নতুন ভাড়াটিয়া।

ওহ! আপনারাই? আমার নাম শান-মুগাম। আমি এখানের নিরাপত্তারক্ষী।

সোজা কথায়, সবকিছুর কন্ট্রোল আমার হাতে!

আমার নাম কার্তিক।

ও ভিজেয়।

এখান দিয়ে সোজা চলে যান শেষ ব্লকের প্রথম ফ্লোরে ফ্ল্যাট নাম্বার ১৭ পেয়ে যাবেন।

- হ্যালো, কেমন আছো তুমি? - ভালো আছি, আঙ্কেল।

এইযে শুনছেন.... এইযে শুনছেন...

আপনার রুমাল।

পড়ে গিয়েছিল।

- ধন্যবাদ। - কী?

ধন্যবাদ।

কোনো ব্যাপার না!

ভিজেয়, শুধু রুমাল তুলে দেওয়াতেই এত আবেগী হয়ে গেল কেন?

তুই হাসছিস কেন?

কিছু না, এক মিনিটের জন্য মনে হলো তুই সেই ভিক্ষুক আর ও জমিদারের মেয়ে!

কার্তিক, প্রতিবেশীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ভাব রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বেল বাজা!

ভি. অনন্তকৃষ্ণান হিসাবরক্ষক।

- জ্বী, বলুন। - হ্যালো, স্যার।

- আমরা আপনার নতুন প্রতিবেশী। - ভিতরে আসুন...

আসুন... আমি অনন্তকৃষ্ণান।

আমি কার্তিক। আমি ভিজেয়।

বেশ... বসুন।

এই সোসাইটির সেক্রেটারি আমিই।

- জানু? - আসছি।

আমার স্ত্রী জানু!

- নমস্কার। - আমাদের বাড়ির গরম দুধ...

আমাদের নতুন প্রতিবেশী!

- আমার ছেলে। - ওর নাম অর্জুন।

তোমরা কী কাজ করো?

আমরা দুজন মিউজিশিয়ান। কিবোর্ড বাজাই।

- যাত্রাপালায় বাজাও? - না না, আমরা সিনেমাতে কাজ করি।

মিউজিক ডিরেক্টর বিদ্যাসাগর এর কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন?

হ্যাঁ! আমি চিনি।

আমরা তাঁর গানে বাদ্যযন্ত্র বাজাই।

- তাহলে চন্দ্রমুখী সিনেমার গানগুলো... - সেগুলোতে আমরাই বাজিয়েছি।

তাই নাকি? তুমি যে আমার, ওগো তুমি যে আমার...

গানটা আমার ভীষণ পছন্দ!

আপনার গানের গলা বেশ ভালো!

ধন্যবাদ। আমার ছেলে অর্জুন কিবোর্ড বাজানো শিখছে। সঙ্গীত ভীষণ পছন্দ করে।

তাতো দেখতেই পাচ্ছি!

অবসর সময়ে যদি আপনারা ওকে কিবোর্ড বাজানো শেখান!

অবশ্যই শেখাব!

শুধু গান না, মনে হচ্ছে আপনি রান্নাতেও সিদ্ধহস্ত। রান্নাঘর থেকে সুঘ্রাণ পাচ্ছি।

- যদি মনে কিছু না করেন, একটা বাটিতে করে আমাদেরকে একটু... - অবশ্যই, যাওয়ার সময় দিয়ে দিব।

- ঘর পছন্দ হয়েছে তো? - হ্যাঁ, বেশ পছন্দ হয়েছে, স্যার।

তোমার পরিবার কখন আসবে?

তারা আসবে না। আমি একাই থাকব।

মা ভাইয়ার সাথে দিল্লীতে থাকে। এখানে শুধু আমি আর ও থাকব।

- তোমরা এখনও বিয়ে করোনি? - না, ও তো কেবল রুমাল তুলে দিল!

- এখনও বিয়ে করিনি, স্যার। - আমিও করিনি, স্যার।

তুমি ভিতরে যাও।

তোমাকে ভিতরে যেতে বলছি, জানু।

তার মানে তোমরা ব্যাচেলর?

বিয়ে না হলে ব্যাচেলরই তো বলে, স্যার।

এখানে কোথাও ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।

হ্যাঁ, স্যার। ওর রাশিফলে দোষ আছে।

আমাদের ফ্ল্যাটের নিয়ম অনুযায়ী...

...আমরা ব্যাচেলরদের এখানে থাকার অনুমতি দেইনা।

কেন, স্যার?

এখানে আগে চারজন ব্যাচেলর থাকত...

মাথাব্যথা করে ছেড়েছিল!

তারপর থেকে ব্যাচেলর থাকা নিষেধ।

- সবাই মালিকের কাছে নোটিশও দিয়েছে। - বিল্ডিংয়ের মালিক তো দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকে, স্যার।

আমি জানি।

আমরা নোটিশ ইমেইল করে পাঠিয়ে দিয়েছি।

আমরা একদমই বদস্বভাবের ব্যাচেলর নই। আব্দুল কালাম, বাজপেয়ীর মতো ভদ্র ব্যাচেলর।

এমনকি আমাদের ঠিকমতো দেখতেও পাবেন না। ভোরবেলা বের হব, মধ্যরাতে বাড়ি ফিরব।

- তাছাড়া অগ্রীম ২লক্ষ টাকা দিয়েছি। - দুঃখিত। নিয়ম বলেও তো কিছু আছে।

- তোমাদের জন্য ভালো হয় অন্য কোথাও ফ্ল্যাট খুঁজে নাও। - আচ্ছা, এই বিষয়ে এখন আলোচনা বন্ধ করি।

আমরা আগে ফ্ল্যাটের মালিকের সাথে কথা বলে দেখি। আয় ভিজেয়।

- তুমি ওইদিকে যাচ্ছ কেন? - দুধের বাটিটা আমাদের।

বেশী বেশী করে দুধ খাবি। মস্ত বড় ক্রিকেটার হবি।

ব্যাচেলরদের জন্য বাড়ি পাওয়া সত্যিই মুশকিল। এই সমস্যার একটাই সমাধান আছে। সেটা হলো...

- কী? - বিয়েটা এবার করেই ফেল।

তোর মায়েরও এটাই ইচ্ছা।

তোর মায়েরও একই ইচ্ছা। তুই কেন বিয়ে করছিস না?

তোর মতো ব্যাচেলরদের কেউ ফ্ল্যাট দিবে না।

আর আমার মতো ব্যাচেলরকে কেউ মেয়ে দিবে না!

- বাজে বকিস না তো। - সিরিয়াসলি ভেবে দ্যাখ।

ওই খাটাশ সেক্রেটারিও নিজের জন্যে মেয়ে পেয়েছে।

তোর মাকে বল মেয়ে খোঁজা শুরু করতে। তোর জন্য পাত্রীর অভাব হবে না।

বিয়ে আমি নিজে নিজেই করব।

একটু অপেক্ষা কর।

আগে আমার স্বপ্নের রাজকন্যাকে খুঁজে পেতে হবে।

দেখেই যেন বুঝতে পারি যে ওর সাথে সারাজীবন কাটাব।

কী হলো?

- তুই আমাকে কাঁদিয়ে দিলি রে পাগলা! - মজা করিস না তো।

কীভাবে চিনবি তোর স্বপ্নের রাজকন্যাকে?

ঠিক উপন্যাসের মতো, দেখার সাথেই বাতি জ্বলে উঠবে...

মনে ঘন্টা বাজবে!

তার জন্যে তোকে বিদ্যুৎ-মিস্ত্রী নইলে পিয়ন হতে হবে, অন্যের দরজায় ঘন্টা বাজাবি!

- এসব উদ্ভট কাহিনী বাস্তবে ঘটে না। - আরে ঘটে!

এর আগ পর্যন্ত সেক্রেটারিকে কী বলবি?

- তোর বাতি জ্বলার আগে সে তোর বাতি ফিউজ করে দিবে। - তার যা মন চায় করুক!

প্রেম তোর সাহস বাড়িয়ে দিয়েছে দেখছি!

ভিজেয়, কখনও কি এমন ঘটনা তোর সাথে ঘটেছে?

তুই বলতে চাচ্ছিস, বাতি জ্বলা আর ঘণ্টা বাজার মতো? তাহলে আমার কথা...

তুই বরং চুপই থাক!

যাইহোক!

বালের টমেটো চুলায় যাক!

তোর এত সাহস তুই আমার কথা শুনিস নাই!

আমি তোরে মাইরাই ফালামু।

আমাকে ছেড়ে দে মাতাল কোথাকার!

আমি পুরুষ আমার যা মন চায় আমি তাইই করুম!

কেমন ধরনের পুরুষ তুই? নিজের স্ত্রীর খেয়াল রাখতে পারোস না!

কোন সাহসে তুই আমারে প্রশ্ন করছোস?!

তোর নাকের দুল খুইলা এক্ষুণি আমারে দে!

আমি তোরে মাইরাই ফালামু!

টাকা দে কইতাছি!

আমি জানি তুই শাড়ীর ভাজে টাকা লুকায়ে রাখছিস।

নিজের স্বামীর সাথে বেহায়াপনা করিস না!

আমাকে মারিস না!

কে রে তুই? আমার হাত ধরছিস ক্যান?

নিজেরে কী মনে করিস? সুপারম্যান নাকি? হাত ছাড় আমার!

আমার বউ, আমি যা ইচ্ছা তাই করুম। কারও অধিকার নাই আমারে বাঁধা দেওয়ার।

তুই মাইয়া মানুষ দেইখা ছাইড়া দিলাম।

যদি কোনো পুরুষ বাঁধা দিত তাইলে আমি তারে.....

এত সাহস তোর আমারে মারছিস? তুই জানোস আমি কে.....!

হায় ভগবান! আমি ক্যান সবকিছু ডাবল-ডাবল দেখতাছি!

তুই ওরে ভাড়া করছিস আমারে মারার জন্যে তাই না?!

আমাকে এসব না বলে তাকে বলে দিলেই তো পারতি!

বাতি জ্বলেছে, ঘন্টা বেজেছে আমরা কখন বিয়ে করব?

কিছু বলার আগেই সে অটোরিকশায় চড়ে চলে গেল।

কী মেয়ে রে বাবা! কী সাহসী!

ঠিক আমার মায়ের মতোই!

আরে বৃদ্ধা মহিলার প্রেমে পড়েছিস, ছিঃ!

আমি স্বভাবের কথা বলছি। আমার মাও এমনই।

একবার এক লোক আমার মায়ের হ্যান্ডব্যাগ চুরি করেছিল...

...তুই যদি দেখতি, কীভাবে আমার মা মেরেছিল চোরটাকে!

তার পর থেকে তো আমিও ওই ব্যাগে হাত দিতে ভয় পেতাম!

কার্তিক, বুঝে গেছি...

Mozhi subtitles in other languages

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left