The first 200 lines.
বঙ্গানুবাদক : As Peyash
হেই...
হেই...
আপনি ঠিক আছেন?
ওহ মাই গড!
ওরা করেছে কী আপনার সাথে?
আমার পরিবার...
বাসায় কল...
তারা রিমোট নিয়ে নিয়েছে...
দরজা খোলার...
বাসায়... কল দিতে হবে।
প্লিজ, একটা মোবাইল! একটা মোবাইল দরকার...
প্লিজ, মোবাইলটা দিন...
- শান্ত হোন। - আমি নাম্বার বলছি...
- ৬৩৬... - ৬৩৬...
৪৬... ৯... ৯০... ৪৪...
৪৪... ৪৪...
দিন, আমার কাছে দিন!
- হ্যালো? - ড্যানি, সোনা, শোন কী বলি...
কাউকে ভেতরে আসতে দিস না, ঘর থেকে বের হবি না, পুলিশকে কল দে।
পুলিশ পৌঁছানোর আগে কাউকে ভেতরে আসতে দিবি না, বুঝেছিস?
বাবা...
তারা এখানেই।
মাকে গুলি করেছে।
KIDNAPPED
হেই!
এখানে গাড়ি পার্ক করা যাবে না।
কেন না? আমি এখানেই থাকি।
- কিন্তু ট্রাকটা বের... - কেমন এগোচ্ছে?
ভালোই, কয়েক ঘন্টার মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।
- ছেলেটা নতুন জয়েন করেছে। মনে কিছু নিয়েন না। - আরে, ব্যাপার না।
- চালান পেয়েছেন? - হ্যাঁ, একদম নির্ভুল।
চাবিটা রাখুন। আপনার দরকার হতে পারে।
হ্যালো?
হ্যালো!
- আগামীকাল আমি থাকব। - আজই থাকতে হবে।
আমি তোমাকে আগামীকাল সাহায্য করব। মা, এগুলো আমরা পরেও করতে পারব।
ম্যাম, এগুলো রাখব কোথায়?
- মা, শোনো! - ইসা, চুপ করো!
দুঃখিত, হলরুমে নিয়ে রাখুন, প্লিজ।
- ইসা... - আগামীকাল থাকব তোমাদের সাথে!
- না, আজ। - মা, একটু বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে!
চাপাচাপি করে এখানে নিয়ে আসা তোমার ঠিক হয়নি!
জায়গাটা আমার কাছে কবরস্থানের মতো মনে হয়! এখন আবার তুমি আমাকে বের হতেও দিচ্ছ না!
কে তোমাকে বের হতে দিচ্ছে না?
- কে? কে দিচ্ছে না? - তুমি!
এমন খারাপ কী বলেছি?
আমি শুধু চাচ্ছি আজ রাতে তিনজন একসাথে থাকতে।
কিন্তু আমি সব ব্যবস্থা করে রেখেছি।
- ভালো, তাহলে কেন্সেল করো। - মা, সম্ভব না।
এটা একটা পার্টি, তুমি কি বুঝতে পারছো?
মা ও না বলেছে, বাবা ও না বলেছে। তার মানে 'না'।
মা, বাবা 'না' বলেনি।
হ্যাঁ, 'না' বলেছে।
- তুমি জিজ্ঞেস করে দেখো, উনি 'না' বলেনি। - চুপ থাকো।
তুমি সবসময় আমার কাজে গণ্ডগোল বাঁধাও।
ইসা, মায়ের সাথে উঁচু স্বরে কথা বলো না!
গলার সাউন্ডটা একটু কমাও। লোকজন শুনছে।
আমি বাবাকে জিজ্ঞেস করব।
তোমার বাবাকে একটু শান্তিতে থাকতে দাও। আমি 'না' বললে, না-ই।
না, মা, আমি যাব। তোমার কথায় আমার কিছু যায় আসে না।
- মানে কী? - আমি যাব।
তুমি তোমার মতো চলতে থাকো।
ম্যাম...
এটা কোথায় রাখব?
- হলরুমে নিয়ে রাখো। - আমার সাথে আসুন, এটা আমার।
- ইসা! কথা কিন্তু শেষ হয়নি। - আরে, মা একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করছে।
ইয়াহ, অবশ্যই।
কেন নয়? অবশ্যই আমি যাব।
তুমি আসলে আরো ভালো হয়।
দেখা হচ্ছে তাহলে?
প্রথম গেইট দিয়ে।
জানি না, পরে টেক্সট করে জানিয়ে দেবো, ঠিক আছে?
আবার কথা হবে।
ওখানে রাখুন।
- ক্লান্ত মনে হচ্ছে? - ইয়াহ, প্রায় শেষের দিকে।
কেটেছে কীভাবে?
এক্সিডেন্ট।
- আপনি গলফ ফেলেন নাকি? - না, ওগুলো আমার বাবার।
এটা শেষের রুমে রাখব?
হুম।
- দেখিয়ে দেবো? - না।
- হুম? - মাফ করবেন।
ব্যাগটা কোথায় রাখব?
পাশের রুমে রাখো।
মার্তা।
তোমার 'মা' কোথায় জানো?
বলরুমে হবে হয়ত।
অনেক সাজসজ্জা, যেমনটা তুমি চেয়েছিলে।
ইয়াহ।
সারাদিন দৌড়ের ওপর আছি, গোসল করতে হবে।
হুম, কিন্তু গরম পানির লাইন কাটা।
দুই ফিল্টার একসাথে চালু করা যায় না।
এই নিয়ে পাঁচবার কল করেছি।
বুঝেছি।
লাইনে থেকো।
- হ্যাঁ, সোনা? - ফাইলের বক্সটা কোথায়?
পড়ার রুমে, তাকের ওপর।
ধন্যবাদ।
দেখা যাক, কোনো সমাধান বের করতে পারি কি না।
হ্যালো?
হ্যালো?
কল কেটে দিয়েছে।
আরে মন খারাপ করো না। শীঘ্রই সারিয়ে ফেলবে।
ইয়াহ, তো তুমি শেষ কবে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে স্নান করেছ?
ঠাণ্ডা পানি কিন্তু খারাপ না।
গ্রীষ্মের এই ঋতুতে...
...বেশ ভালোই জমবে।
সম্ভবত আমাদের শুরুটা এই গ্রীষ্মেই হয়েছিল।
ওয়াইফাই-এর কী হলো?
তুমি তাদেরকে কল দাওনি?
কী? না, দুঃখিত।
আমারা ভেবেছি তুমি কল করেছ।
আগামীকাল এসে লাইন লাগিয়ে দিয়ে যাবে।
সামনের দিকে মুখ করে রাখুন, প্লিজ।
সাবধানে।
ওয়াল থেকে একটু সামনে।
এইতো হয়েছে।
ওখানে।
তোমার আবার কী হলো?
দাতে কী যেন আটকেছে।
- বলেছিলাম দাঁত সুতো দিয়ে সাফ করতে। - হ্যাঁ, করেছি।
রান্নাঘরে টুথপিক আছে।
কী?
ভেবেছিলাম সরে আসার সময় এটা বুঝি হারিয়ে যাবে।
মাইনকার চিপায় ফাইস্যা ছিলাম এটার জন্য।
তোমার মায়ের দেওয়া না হলে...
...এটাকে এত ঘৃণা করতে না।
- এটা আমার মা দেয়নি। - না, অবশ্যই না।
হুম?
হ্যাঁ, বলুন।
হ্যাঁ, ব্রডব্যান্ড লাইনের ব্যবস্থা হয়ে গেছে।
না, আগ্রহী নই।
এখন একটু ব্যস্ত আছি। রাখছি।
- চলবে? - হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
- সাবধানে, হাহ? - আচ্ছা।
হুম?
হ্যাঁ, বলুন।
এইমাত্র না বললাম 'আগ্রহী নই'।
না, ম্যাম।
- টুথপিক কোথায়? - না আমাদের লাইন কাটেনি! আসছি।
কল কেটে দিচ্ছি।
কী হলো?
তোমার বাবা, গ্যাসের লোকদের সাথে কথা বলছে।
অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে!
- গরম পানি না কি? - হ্যাঁ, হালকা গরম।
নেও, ফ্রিজে নিয়ে রাখো।
- শ্যাম্পেন কিনেছ? - হ্যাঁ, অবশ্যই।
আজ যে উদযাপনের রাত।
- এখন, পনিরগুলো... - মা...
লক্ষিটি, পনিরগুলো কাটব।।
আমাকে ছুড়িটা দাও তো।
ড্রয়ারের ভেতরে দেখো।
- এটা? - হ্যাঁ, এটাই।
- ডিনারে আমি থাকছি না। - ইসা, ওভাবে বলে না, সোনা।
বাবা বলেছে আমি যেতে পারব।
- না, বাবা বলেনি। - হ্যাঁ, বলেছে।
- অসম্ভব কথাবার্তা। - আমি জামাকাপড় বদলাতে যাচ্ছি।
ইসা, শোনে যাও এখানে একটু!
ইসা, তোমাকে ডাকছি কিন্ত!
- কী, মা? - "কী, মা" মানে কী?
- আমি এইমাত্র কী বললাম? - হ্যাঁ, মা, আমি কিন্তু তোমাকে সব বলেছি।
- আমি আজ চেজার সাথে দেখা করতে যাচ্ছি। - ডিনারের জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানাও।
এটা কীভাবে সম্ভব, মা?
তুমি শ্যাম্পেন খুলো, আমরা একসাথে ড্রিংক করার পর, আমি বের হয়ে যাব।
- না, ইসা, এভাবে হবে না। - বাবা আমাকে যেতে বলে, তুমি কথা বলে দেখো!
- মা, সত্যি বলছি! - তিনজনকে আমি এক টেবিলে দেখতে চাই।
- আজ আমাদের প্রথম... - আমি ড্রেস চেঞ্জ করছি।
ধ্যাত!
জেইমি।
গ্যাসের লোকদের আবার কল দিতে হবে।
- তুমি আবার কী শুরু করলে? - পানি ভীষণ ঠান্ডা!
আমার বিরোধিতা করতে দেখলে তোমার ওপর রাগ হয়।
আমি আবার কী করেছি?
মনে তো হয় তোমার মেয়ে বেরিয়ে যাবে।
- হ্যাঁ, কিছু বলেছিল নাকি তোমাকে? - হুম।
চেজার সাথে পার্টি না কি যেন।
- ছেলেটাকে তো তোমার পছন্দ হয়? - হ্যাঁ, পছন্দ করি।
বেশ, তাহলে?
তুমি তো জানোই আজকের ডিনারে তিনজনকে একসাথে দেখতে চেয়েছিলাম।
ডিনার শেষে মুভি দেখার প্ল্যান ও ছিল।
তুমি আর আমি দেখব।
জেইমি, পরিবার কিন্তু সকলে একত্রিত হবার পর হয়।
এখানে আমাদের প্রথম রাত, আর আমরা একসঙ্গে ডিনার করতে পারব না?
অপেক্ষায় থাকলাম সেই কখন থেকে।
তার বন্ধুর সাথে যেতে চাচ্ছে, যেতে দাও। তুমি কেন এত চিন্তিত?
আমি চিন্তিত? আসলে তা না।
আমার টি-শার্ট কোথায়? খুঁজে পাচ্ছি না।
সবাই যে জার মন মতো চলে। শেষে আবার আমারই সব খুঁজে বের করতে হয়।
সবসময়।
এটাই তো।
আমি তিনজনের জন্য রান্না করে রেখেছি।
এই নাও।
আমার পেট আজ ক্ষুধায় চু-চু করছে। সব খেয়ে ফেলব আজ।
হুম, সব খেয়ে ফেলবে।
মার্তা, সে এখন ১৮+
এবার তাকে নিজের মতো চলতে দাও।
আলতো করে জড়িয়ে ধরো, প্লিজ।
এতসব শুনতে চাই না।
জেইমি, থামো তো।
No comments yet. Be the first to leave one.