The first 200 lines.
চীফ ডিটেকটিভ ১৯৫৮ অনুবাদেঃ Funds Of Bangla Subtitle
এই সিরিজটির গল্প সম্পূর্ণ কাল্পনিক! কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা স্থানের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই!
সিরিজে দেখানো প্রাণীগুলো “অ্যানিমেল ওয়ালফেয়ার” এর নির্দেশিকা মেনে শ্যুট করা হয়েছে!
নিজ পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলার সন্দেহভাজন,জং হোচুল,
পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছে।
দ্বিতীয়বারের মতো এমন কাজ করলো সে।
আমাদের সাথে আছেন রিপোর্টার কিম হিউন কি!
চার মাস আত্মগোপনে থাকার পর জং হোচলকে দেখা গেছে,
নাকসুন ডংয়ে একটি সাইবার ক্যাফেতে তার থাকার খবর পেয়েছে পুলিশ,
কিন্তু আবারো তাকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়, পুলিশ আসার আগেই সে পালিয়ে যায়!
গত আগস্টে, জং নাম এলাকায় নিজ বাড়িতে এই ব্যক্তি…
নিজ স্ত্রী-কন্যাকে খুন করে...
জং নাম সুপার মার্কেট!
ওয়েলকাম!
- দাদু! - আরে! দেখো দেখি কে এসেছে!
কি নিয়ে আসলি?
তোমার ফেভারিট রাইস কেক নিয়ে এসেছি!
এটা আনার কি দরকার ছিলো!
যাইহোক, এটা তোমার প্রিয় তো!
বেকনিয়ন ওয়াপিয়ন রাইস কেক
মনে হচ্ছে আজ অলস দিন গেছে!
সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট পার্ক ইয়ংহানের সম্মানসূচক অবসর!
- এখানে বস! - হুম
খবর দেখেছিস?
দাদু,
বুঝতে পারছি না, কি করবো!
ওকে প্রায় ধরে ফেলেছিলাম!
একদম কাছাকাছি ছিলাম, কিন্তু তবুও ধরতে পারলাম না!
দেখিস, তুই আবার সুযোগ পাবি
কে জানে, আবার কবে বের হবে ও?
বের হবেই
হাজার হলেও তো সে মানুষ?
বেরিয়ে আসবেই!
ঐ বানচোদ মানুষের কাতারে পড়ে না!
মাদারচোদ নিজের বউ-বাচ্চা, এমনকি বাপ-মাকেও খুন করেছে!
আহ্…
মুখ খারাপ করে ফেলেছি!
আমরা ওকে ধরে যদি আটকেও রাখি,
তবুও কি ও মানুষ হবে?
এই পৃথিবী আর তার মানুষ
দুটোই অনেক বদলে গেছে!
মনে হচ্ছে,
ওর কথা চিন্তা করতে করতে আমি পাগল হয়ে যাবো
খাওয়ার সময়ও ওর চিন্তা আসে,
বাথরুমেও ওর চিন্তা আসে,
এমনকি স্বপ্নেও আমি ওর পিছু ধাওয়া করি!
মনে হচ্ছে, এটাই এখন আমার সব!
দাদু,
তোমার কখনো এমন অনুভূতি হয়েছে?
আমার?
সেই মানুষগুলো জমা করলে, চার ট্রাক ভরে যাবে!
আরে!
তুমি সেসব করেছিলে, কারণ অতীতের অবস্থা ভিন্ন ছিলো, তাই না?
আমি এমনি এমনি তো আর চীফ হইনি
তাহলে বলো,
ঐসব জানোয়ারদের কীভাবে ধরতে?
মনে করতাম, এটাই আমার জীবন!
জুন সু!
একজন জিদ্দি লোককে শুধু সেই লোকই হারাতে পারে…
যে তারচেয়েও বেশি জিদ্দি হয়!
এটা মনে রাখবি।
অবশ্যই, দাদু
ধন্যবাদ
মনে হচ্ছে, তোর জীবনটাকে আমি দুর্বিষহ বানিয়ে দিয়েছি!
একথা বোলো না
শুধুমাত্র তোমাকে দেখেই আমি পুলিশে জয়েন করেছি।
বাবারে বাবা!
কোয়াক ইয়াংজু, শিন দোহয়ান, লি জুং জে, ইম হোয়াসু এবং ইয়ু জিকোয়াংসহ
খুন খারাবির মাধ্যমে মানুষের জীবন দূর্বিষহ করে তোলা,
২৬ জন রাজনৈতিক গ্যাংস্টারের প্রথম শুনানি,
গত ৬ জুলাই সিউল জেলা আদালতে অনুষ্ঠিত হয়।
অর্ডার,
"এই গ্যাংস্টারদের লকাপে ভরতে কে বলেছে?"
ডিসেম্বর, ১৯৬১
এপিসোড ৬
তুমি তো গায়কও হতে পারো, ইয়ংহান!
খাইছে রে!
আজকের আবহাওয়া অনেক ভালো
হ্যালো
এই, ওখানেই দাঁড়া
আরে ভাই,
আমি তোমার এক্স ওয়াইফ না!
আমার সাথে এতো রাগ দেখাবে না।
আমরা মাল নিয়ে এসেছি।
তুই কে রে, শালা?
তুমি এতো রাগ দেখাচ্ছো কেন?
আমরা এখন ভিন্ন জগতের বাসিন্দা!
একে অপরকে একটু তো সম্মান দেওয়া যায়, তাই না?
কিম পাঠিয়েছে আমাকে, বুঝেছো? যাও, গিয়ে মাল চেক করে নাও।
শালা আবার মাথা নাড়াচ্ছে!
বেকুব কোথাকার!
গেট খোলো!
চমৎকার হচ্ছে, ভাইয়েরা…
এতো মাল আসলো কোত্থেকে?
এগুলো দিয়ে তো পুরো দেশ খাওয়ানোর যাবে!
এই শালা কে রে?
আবার শালা?
নতুন কাউকে দেখলেই অপমান করা কি এখানকার নিয়ম?
আমি কিমের বদলে কাঠের গুঁড়া নিয়ে এসেছি!
কিম কোথায়?
ওর কথা আর কি বলবো, জুয়ার টেবিলে মারামারি করে…
…মাথায় আঘাত পেয়েছে,
মনে হচ্ছিলো মাথা দিয়ে রক্তের নদী বইছে!
তবুও সেই রক্ত দিয়ে মুখ ধুয়ে সবগুলোকে কেলিয়েছে!
কিম জুয়া খেলে না!
ওর বাবার জুয়ার জন্য ওদের পরিবারের সবাই গলা অব্দি ঋণে ডুবে আছে,
এজন্য ও জুয়াকে ঘৃণা করে।
ওর শরীরে তো ওর বাপের রক্তই বইছে,
রক্তের টান কি আর ছাড়া যায়?
তাছাড়া, জুয়া ছেড়ে দেওয়ার মতো নেশা নয়!
যাইহোক, এখানকার ভেজালের রেশিও কতো? ছয় না চার?
আমাদের গোল্ডেন রেশিওর দিকে তাকাবি না,
এসব আজাইরা আলাপ বাদ দে,
জলদি কাঠের গুঁড়া নিয়ে আয়, বুঝলি?
জো হুকুম, এক্ষুনি আনছি,
বয়েজ! মাল ডেলিভারি দাও!
শালা আস্ত পাগল!
তোদের মাল নিয়ে এসেছি, আবর্জনার দল!
তোর কি মাথা খারাপ?
তুই ই তো জলদি আনতে বললি,
আর কত জলদি আনবো?
আরে, এটা তো…
আমি এখানে শ্বাস নিতে পারছি না!
গেয়ং হোয়ান, এখন মনভরে শ্বাস নাও,
আমাদের সবসময় এমন করা লাগবে কেন? আজাইরা কষ্ট!
রিটায়ার হওয়া পর্যন্ত এমনই করতে হবে!
কি? তোরা কি পুলিশ?
ঐ, তুই বকবকানি বন্ধ করে এদিকে আয়!
ঠিক আছে,
আমি আপনাদের গোল্ডেন রেশিও বলছি,
আমাদের জ্বালাবি না! ভাগ এখান থেকে!
আহারে বেচারা!
গেয়ং হোয়ান
হুম
- কিরে? - কোথায় পালাচ্ছিস?
বড় একটা মাছ ধরেছি!
ধুর, আজকে মাত্র জামাটা পরলাম!
পালাবি না!
এই, তুই যাচ্ছিস কোথায়?
হায়রে হতভাগা!
চল, উঠে পড়
ঐ!
ছেড়ে দে আমাকে!
তোর জন্য একটা গিফট আছে!
হারামজাদারা, খাবারে ভেজাল মেশানোর সাহস হয় কি করে?
অকর্মার ঢেঁকি কোথাকার!
তোর পরিবারের কাউকে কাঠের গুঁড়া মেশানো আটা খাওয়াতে পারবি?
কেন খাওয়াবো?
আহারে, কতো দায়িত্বশীল বাপ!
শালা বাইনচোদেরা!
তোরা কীভাবে নিরীহ মানুষদের খাবারে
ভেজাল মেশানোর চিন্তা করিস?
এই মানুষগুলোর জীবনের কোন দাম নেই?
তোরা নিজেদের মানুষ বলিস কীভাবে?
তোদের উপযুক্ত কোন গালিও মাথায় আসছে না!
তোরা সবগুলো জেলে পঁচে মারবি, হারামজাদা!
তোদের ফাঁসি দেওয়া দরকার!
যদি ভালো মানুষ হতে না পারিস,
অন্তত জানোয়ার হইস না!
তোমরা আজকে ভালো কাজ দেখিয়েছো!
এটা কোন ব্যাপার না, ডিটেকটিভ!
রাস্তাঘাটে আমরাই তো আপনার চোখ!
যেকোনো সময় ডাকবেন!
তোমরা যেতে পারো, গিয়ে সবাইকে খাবার দাও!
ওদের হাড়ের উপর একটু মাংস হওয়া দরকার।
জি, ডিটেকটিভ, ধন্যবাদ!
- গুড জব! - এই! এক্ষুনি উনাকে ধন্যবাদ দে!
- ধন্যবাদ! - ওয়েল কাম!
- অনেক অনেক ধন্যবাদ! - ব্যস, অনেক হয়েছে!
বেশি কথা বললে আরো ক্ষুধার্ত হয়ে যাবি, তাড়াতাড়ি যা!
গতকাল আরেকটা বেনামি চিঠি এসেছে,
এখনো এটার কোনো সমাধান করা হয়নি কেন?
যারাই এগুলো পাঠাচ্ছে…
তারা সিঙ্কওয়াং সোসাইটির সুনাম নষ্ট করতে চাইছে!
মাফ করবেন,
আমি ভেবেছিলাম তাড়াহুড়া করে অ্যাকশন নিলে হিতে বিপরীত হতে পারে!
আমি খুব দ্রুতই এটা সুরাহা করার চেষ্টা করছি!
যা ইচ্ছা করো, কিন্তু জলদি সমাধান করতে হবে!
যদি তুমি ব্যর্থ হও,
তাহলে উপ-পরিচালক পদে তোমার প্রমোশনের ব্যাপারে পুনর্বিবেচনা করতে হবে!
এমনকি সিঙ্কওয়াং সোসাইটি থেকে
তোমাকে বহিস্কার করা হতে পারে!
প্লিজ, আমাকে আরেকটু সময় দিন,
যতদ্রুত সম্ভব চূড়ান্তভাবে এই সমস্যা সমাধানের জন্য,
আমি যা করতে পারি তা করব। বিলম্বের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
বিপ্লবের প্রথম নীতি হল…
- কমিউনিজম বিরোধীকে জাতীয়… - ভাই, এগুলো শুনতে শুনতে কান ব্যথা হয়ে গেছে!
দুনিয়া কত পরিবর্তন হয়ে গেছে,
কিন্তু মনে হয়, আমরা যেন কোথাও আটকে গেছি! সব আগের মতই।
কি যা তা বলছো? আমরা কত পাল্টে গেছি!
ডিটেকটিভ জো’র বুক আরো চওড়া হয়ে গেছে।
আর হো জেংকে দেখ,
ওতো পুরো লায়েক হয়ে গেছে, একদম জেন্টেলম্যান!
আর তুমি, ডিটেকটিভ কিম…
তোমার নাক আগের চেয়ে বড় হয়েছে।
বাজি ধরতে পারি, তুমি এখন আরো ভালো করে ঘ্রাণ নিতে পারবে!
নাক বড় হয়ে গেছে? ভাই, তোমাকে কিছু বলাই বৃথা!
ডিটেকটিভ পার্ক
আস্তে আস্তে, জংনাম।
- অফিসার নাম, তোমার টহল শেষ? - গুড জব, জং নাম!
No comments yet. Be the first to leave one.