The first 200 lines.
"THE BAR"
বঙ্গানুবাদক : As Peyash
মার্টা, কল রাখো তো, ব্যাটারির চার্জ শেষ।
না, না। একদম সাদাসিধে, স্কার্ট আর গোলাপি কালারের সোয়েটার।
ওইদিন রাতে ডিনারপার্টিতে পরেছিলাম, মনে আছে?
মনে নেই? নেশার ঘুরে ছিলি না কি?
শোনো, ভালো মানের কিছু কাপড় আছে।
ধুর বাল! তোমার জন্যই।
লাগবে না কি না বলো, নয়ত পেছনে মানুষের অভাব নেই।
আগামীকাল না। আজ, এখন।
ওগুলো দেখলে আমি গরম হয়ে যাই, কিন্তু আমি তো আর ক্রেতা নই।
- এই যে... - সড়!
একদম ছুঁইবি না আমাকে...
- ধরবি না আমাকে! - হ্যালো।
এক কেজি টমাটো, সাথে দুইটি কিউই ফল।
- মিষ্টি পেঁয়াজ আছে? - হুম!
না, না, এটা না।
হেই, চেং, জমার খাতায় টুকে রেখো। আবার দেখা হবে।
ওই কাহিনীটা, ছবিতে ছিল এক আর গিয়ে দেখি আরেক?
প্রোফাইল পিকচার ছিল লা জবাব টাইপের...
হাজির হয়েছিল মুটকি, ভুটকি, আটা, ময়দা মাখা একটি মেয়ে।
তোর সাথে সবসময় এমনই ঘটে।
হোটেলে যাচ্ছি, কিন্তু খুঁজে পাচ্ছি না। মনে হয় হারিয়ে ফেলেছি।
একট রেস্টুরেন্ট দেখলাম, নাম "boutique"...
- ওখানে ফার্নিচার, টেবিল... - হেই, সুইটি...
- এটা তোর কপাল খোলে দেবে! - ওহ, ধন্যবাদ।
মার্টা, এটা আসবাবপত্রের দোকান না। এটা হোটেল...
তোর শরীরে বসন্তরোগ হবে!
প্রেত আত্মা তোর পেছনে ঘুরঘুর করবে! তোর দাত সব খুলে পড়বে!
শয়তান এসে তোর কফিতে প্রসাব করবে, মাগী!
কী জানি, কোত্থেকে যেন উদ্ভট একটি মহিলা এসে শুধু শুধুই চেঁচিয়ে গেল।
প্রথম ডেটেই তার সাথে বিছানায়... না, না, মাথা খারাপ।
ছবির সাথে চেহারার মিল থাকলে তো ভালোই...
মার্টা, তুই আমাকে পাগল বানিয়ে ছাড়বি! কল রাখ!
তো, তুই আমার হয়ে হেল্প কর।
কিউট হলে টেক্সট করে জানিয়ে দিবি।
মার্টা?
ধ্যাত, চার্জ শেষ।
হ্যালো। সাদা কফি, প্লিজ।
চিনি?
স্যকারিন।
প্রস্রাবে চাপ দিলেই দোকানের কথা মনে হয়!
যদি কোনো অর্ডার না করে ঝাড়ু দিয়ে মোখটায় দেবো।
কফি, সামান্য দুধ, আর আপনার স্যকারিন।
ক্ষিদে পেয়েছে? জলখাবারের ব্যবস্থা করব? সব গরম গরম।
না, ধন্যবাদ।
"গরম..."তোর শুধু গরমটাই চিনিস! যা ভাজাভুজিগুলো দেখ।
- মেয়েটাকে আমি দেখছি। - এটার জন্য চার্জার হবে?
না, সোনা।
- এই যন্ত্রগুলো আমার মাথায় ঢুকে না। - একটু দাঁড়ান।
এখান থেকে একটা হবে।
আমপারু, একটা কফি দিও তো, সোনা।
- চুলগুলোর কী অবস্থা করছ? - আঁচড়িয়ে ছিলাম। প্রস্রাব করে আসছি।
স্যান্ডউইচ চলবে?
- ডিম ভাঁজি? একটু আগে মাত্র বানিয়েছি। - না, ধন্যবাদ, পেটে জায়গা নেই।
মাদারচুদেরা!
চুদির ভাইয়েরা! হুমুন্দির পুতেরা!
হেই, হেই, চুপ কর!
এখানে আস। তুই চাস, তোকে আর এখানে না আসতে দেই?
আমার কাছে টাকা আছে।
ইজরাইল, দূরে রাখ এগুলো।
তোর টাকা এখানে অমঙ্গলজনক।
ভালো ব্যবহার করবি, বুঝেছিস?
সোনা, যা এখন।
- মনে কিছু নিবেন না। - একটা পিঠা দে।
হেই, সাতুর। আধাঘণ্টা আগে রুটি আর টমাটোর অর্ডার করছি।
আরে আসছি তো!
- এটা দেখুন? - এটা প্রিন্টার অথবা কম্পিউটারের...
ওহ! লোকে সব ধরণের চার্জারই ফেলে যায়। দেখেন, আপনিই দেখেন।
ওইদিন একজন X-Ray ফেলে গেছে।
নাস্তার জন্য সময় ২০ মিনিট, আর আপনি সবসময় আমার দেড়ি করান!
- আরে, আসছি। - সকালেই চাপ বেশি থাকে।
- আমার চার্ট ইতোমধ্যে ফুল। - আরে, ওরা জ্ঞান বুদ্ধিহীন।
- তুই হারামি বাকি খাছ। - খুচরা দরকার।
- ১০? - না, ২০.
আর আমি? আমাকে কী দিবি?
ঘুসি। যদি চুপ না করস।
- একটা স্যান্ডউইচ? - এইযে নিন।
৫০ ইউরো দিলেই সে বিছানায় যাবে। বাজি ধরবেন?
হুম, যেকোনো সময়।
স্বামী রেলস্টেশনে চাকরি করে, আর উনি সারাদিন বাসায় একা...
ওহ, এটা নিশ্চিত মিলবে।
আমার বিল কত?
কফি আর ডিম ভাঁজি, 2.50! একটু দাঁড়ান।
আমরা সবাই মরব।
তুই মরবি, প্রতিদিন খাবারের সময় চিল্লাচিল্লি করস...
না, প্রতিদিন না। মাঝেমধ্যে স্যান্ডউইচ দিয়ে থামিয়ে রাখি।
- এটাকে আপনারা ভেতরে কীভাবে আসতে দেন? - আমার যাকে ইচ্ছে আসতে দেবো।
ভালো না লাগলে, দরজা খোলা আছে।
আপনারা প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় উঠিয়েছেন।
এটাকে পাগলাগারদে রাখা উচিত।
একদম ঠিক, এগুলোকে সরকারের আওতাধীন রাখা দরকার।
ইজরাইল, শান্ত হ, পরে জায়গা মতো নিয়ে যাব!
আমি বন্ধকি রেখেছি, কিন্তু...
উপদেষ্টা বললো দলিল দরকার, দেখেন।
আমাকে যেতে হবে। টাকা এখানেই রেখে গেলাম।
- তাহলে, রুটি আর টমাটো? - ওকে খাওয়াও।
আগামীকাল দেখা হচ্ছে।
- উনার গা থেকে হাত সরাবে? - মাফ করবেন।
- আপনি জাস্ট এটাতে চাপ দিবেন... - আমার মনে হয় না কাজ করবে।
- হুম... - macchiato কফি হবে?
ওটা কী হলো?
কী হয়েছে?
লোকটার গুলি লেগেছে!
- রুটি আর টমাটোর অর্ডার করেছিল যে, উনি? - মাথায় গুলি লেগেছে!
- একটু আগেও না এখানে ছিল! - সরো, বাল! আমি দেখি না তো।
দাঁড়ান, দাঁড়ান।
কেন?
জানা নেই, কিন্তু ব্যাপারটা অদ্ভুত।
হায়, ঈশ্বর!
রাস্তায় একটা মানুষও নেই।
হুম, ঠিক। কিন্তু এটা কীভাবে হলো।
- ওপর থেকে টাইলস পড়ল না কি? - টাইলস?!
- দেওয়াল বা ছাদ থেকে। - আমরা কেও-ই তো দেখিনি।
- শব্দটা ছিল বন্দুকের গুলির মতো। - হায়, ঈশ্বর!
উনি নড়ছে!
এটা অযৌক্তিক! উনাকে এভাবে ফেলে রাখতে পারি না! আমাদের হেল্প করা উচিত!
ওটা পুলিশ দেখবে। বাইরে বের হওয়া ঠিক হবে না।
- আমি নেটওয়ার্ক পাচ্ছি না। - এখানে এসে চেষ্টা করো।
তার রক্ত বের হচ্ছে! হায় ঈশ্বর!
হায়, ঈশ্বর!
"তারাই ভাগ্যবান..."
"কারণ তারা প্রভুকে দেখতে পাবে!"
"আগুনের তলোয়ার হাতে নিয়ে ফেরেশতা বলবেন..."
মুখ বন্ধ কর, তাড়ছিড়া কোথাকার!
কেউই আসছে না।
কী হয়েছে?
ধুর বাল!
- কী করতে চাচ্ছেন? - না, না, বাইরে যাবেন না!
- উনাকে এভাবে ফেলে রাখতে পারি না! - আল্লাহর দোহাই লাগে। যাবেন না!
আপনি ঠিক আছেন?
আপনি ঠিক আছেন?
- না! - গা ঢাকা দাও!
লুকাও!
- মেঝেতে শুয়ে পড়! - সবাই শুয়ে পড়!
নড়বে না!
হতে পারে, তারা জানে না আমরা এখানে।
একদম ঠিক, ছাদ থেকে তারা আমদের দেখবে না।
আপনি কীভাবে জানেন তারা ছাদে?
ওরা সবসময় ছাদ থেকেই গুলি করে।
- কারা? - জানা নেই,
- কোনো পাগল-ছাগল বা কোনো সন্ত্রাসী। - বেশি ফালাফালি করলে এমনই হবে।
- যদি তারা নিচে নেমে আসে? - ঠিকই তো...
- যদি ওরা নিচে নেমে গুলি করে? - প্যারিসের মতো।
এ কারণেই আমাদের ঝুঁকে থাকতে হবে, যতক্ষণ না আমাদের উদ্ধার করছে।
- হুম। - কিন্তু আসবে কারা?
পুলিশ, প্রাথমিক চিকিৎসা বাহিনী... তাই না?
এখানে তো কোনো সিগন্যাল ই নেই।
- তোমার নাম? - নাচু।
নাচু, তোমার কি মোবাইল ফোন নেই?
তাড়াতাড়ি কল করো। কোনো একটা তো করতে হবে।
কোন কোম্পানি ব্যবহার করো, নাচু?
- মানে কী? - কোনো মোবাইলই কাজ করছে না।
- সব কমদামী মোবাইল। - এটা নিশ্চয়ই ব্লকারদের কাজ।
- কী? - আমরা পর্যটক বোর্ডের পাশে আছি।
তারা ব্লকার কেন ব্যবহার করবে?
আমরা কি চুপ থাকতে পারি না?! বাল, মেরে ফেলবে আমাদের!
কেউ আমাকে বলবে না কী করতে হবে!
যদি কথা বলার ইচ্ছে হয়, আমি বলব! যদি চিৎকার করতে ইচ্ছে হয়, আমি করব!
কেমনডা লাগে...
- ধেত্তেরি! - আরে করছিস কী?
তর মায়রে বাপ!
- আমার কিছু কাজ বাকি আছে। - কী, কী বললি?
গির্জাতে, প্লেট দিয়ে আসতে হবে।
ও যাচ্ছে কোথায়?
ইজরাইল, এখন না।
তোর জন্য মজার জিনিস রেখেছি।
এখন চুপ করে বস, দেখতে পাচ্ছিস না আমরা গভীরভাবে চিন্তা করছি?
ম্যানুয়েল, রাগ করবে।
আগামীকাল আমি তার সাথে কথা বলব।
ঠিক আছে।
কিছু ভাবা যাক।
যদি TV চালু করি?
ওহ মোর কপাল, এখন TV দেখব... সবারই কি মাথার নাট বল্টু ছিঁড়ছে?
সংবাদ শিরোনাম দেখার জন্য।
মেয়েটা ঠিক বলেছে, এটা খবরে দেখানোর কথা।
উঠবেন না কেউ!
যদি কোনো উল্টাপাল্টা কিছু হয়, গাল থাপরিয়ে লাল করে ফেলব!
হেই, ছোট্ট একটা অনুরোধ। আমরা সবাই এখানে মানুষ। সম্মান দিয়ে কথা বলেন।
আমাদের শান্ত এবং মিলেমিশে থাকতে হবে।
আমার কাছে দলিল আছে,
উপদেষ্টা দিয়েছে আমাকে।
- রিমোট টা দেখেছেন কেউ? - এটা না কি?
সবুজ রঙের, হ্যাঁ।
- কিছুই দেখাচ্ছে না? - কিছুই আসছে না।
- সবাই মজা শুরু করছে! - হালকা গরম হতে হবে।
- তারপর পানির মতো পরিষ্কার দেখাবে। - উদাহরণস্বরূপ, টেনিস এলবো।
...স্টক মার্কেট ক্র্যাশ...
কিছুই নেই?
মাদ্রিদ শহরে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে আর TVতে কিছুই দেখাচ্ছে না।
- হয়ত পরবর্তী সংবাদে দেখাবে। - রিপোর্ট এখনো তাদের কাছে পৌঁছায়নি।
- তারা কিছুই বলতে পারবে না। - যদি তারা বলে এটি সন্ত্রাসী হামলা,
লোকজন হুরমুর খেয়ে চলে আসবে, পাতাল রেল নির্মাণাধীন স্টেশনের মত।
- এটা আপনার ধারণা। - আমি নিশ্চিত।
ভালো সসের জন্য...
হয়ত এটা কোনো ডাকাতি।
ওইদিন লাইভে দেখলাম এই এলাকায় ডাকাতি হচ্ছে।
হায় ঈশ্বর!
- কী হয়েছে? - ছাগলডায় এখানেই হিসু করছে।
দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে! ওয়াক!
No comments yet. Be the first to leave one.