The first 200 lines.
মানুষজন হয়তো একসময় আমাকে পিশাচ বলে ডাকবে, আমার কৃতকর্মের জন্য.
হয়তো তারা ঠিকই বলবে!
কিন্তু আমি ভেবেছিলাম আমার হাতে যথেষ্ট ...
- সময় রয়েছে. - ড্যাড?
ড্যাড!
আমি দুঃখিত.
পিটার?
ও রাতে লাইট জ্বালিয়ে রেখে ঘুমোয়. অন্ধকারে ভয় লাগে ওর.
ম্যারি, আমাদের যেতে হবে.
ড্যাড.
ভাল থেকো.
রাতটা নিরাপদে কাটানোর জন্য লেক জেনেভায় আমি একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছি.
- তুমি কি ওটা আপলোড করছ? - রোজাভেল্টে. সব কিছু.
যদি কখনও আমাদের...
সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে, ম্যারি.
তুমি ওর মুখের দিকে তাকিয়েছিলে? সে ব্যাপারটা কখনো বুঝতেও পারবে না.
ম্যারি, এসবের ভিতর দিয়েই আমাদের সময় পার হয়েছে.
যে জীবনধারা আমাদের ছিল তা আর নেই.
এখন থেকে প্রতিটি দিন আমাদের চোখ কান খোলা রেখে পার করতে হবে.
নিরাপদ শব্দটি আমাদের মধ্যে আর নেই.আর এই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আমরা ওকে জড়াতে পারি না.
ওর বয়স এখনো অনেক কম.
আমি জানি, আমি জানি. কিন্তু ও মানিয়ে নিবে.
সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে.
বিমানে চড়েও বিশ্রাম নিবেন না, হাহ?
না, চাইলেও যে পারি না !
কাজের খুব চাপ! তাই তো!
এই মুহূর্তে কি নিয়ে কাজ করছেন?
আহ, ভবিষ্যতে কি করব তার একটি কর্মপরিকল্পনা, পাইলটের সাথে একটু কথা বলা যাবে নাকি?
কিছু লাগবে নাকি?
লাগলে বলুন, দেখি আমি কিছু করতে পারি কিনা
পাইলটের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হতে চাচ্ছিলাম যে ল্যান্ড করার ব্যাপারে যা বলেছিলাম
তা হতে আর কতক্ষন?
আমার মনে হয় আমরা দুজনেই জানি যে
ওটা হতে যাচ্ছে না, ডঃ পার্কার.
রিচার্ড.
- তাদের মতে আপনি নাকি জিনিয়াস. - রিচার্ড!
কিন্তু পালানোর ক্ষেত্রে তা আমার মনে হয় না.
রিচার্ড!
ম্যারি!
রিচার্ড!
ম্যারি.
কিচ্ছু হবে না, কিচ্ছু হবে না. কোন কিছু হয় নি, সব ঠিক আছে.
আমি তোমাকে ধরেছি, আমি আছি তোমার পাশে, ঠিক আছে? ঠিক আছে?
তোমাকে নিরাপদ স্থানে বসাচ্ছি.
হয়ে গেছে. তুমি নিরাপদে আছো . শ্বাস নিতে পারছো? ম্যারি?
- রোজাভেল্ট! - কি?
রোজাভেল্ট!
- ওটা আবার হচ্ছে. আবার হতে দিয়েছি. - ওহ ...
ওটা হচ্ছে, ওকে? হে, হে, হে.
তুমি ঠিক হয়ে যাবে, ওকে? আমার সাথে কথা বল.
হু!
ওউ!
ইয়ে-হে! হু-হু!
নিউ ইয়র্কের খবর? আমাকে কোথায় আজ সাহায্যের জন্য যেতে হবে?
নিউ ইয়র্কের আকাশে উড়ন্ত এক নাম্বার চপারের পাঠানো সংবাদের ভিত্তিতে জানানো হচ্ছে যে,
অস্কর্পের একটি ভ্যানকে হাইজ্যাক করা হয়েছে, যাতে করে প্লুটোনিয়াম নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল.
পুলিশরা এখনও উদ্ধার করার জন্য ট্রাকের পিছনে ধেয়ে বেড়াচ্ছে.
উড়া উড়ি অনেক হয়েছে. এবার কাজে লাগা যাক.
এলেকজি সিক্সেবিজকে কেউ হ্যালো কস না ক্যারে!
স্পাইডার ম্যান চলে এসেছে!
হ্যালো, দোপেয়ে পথিকগন.
ঠক, ঠক.
মিঃ অপরাধী?
জনাব, আমার নাম স্পাইডার ম্যান. আপনি আমাকে পঙ্খী মানব বা অসাধারণও বলতে পারেন,কিন্তু
যদি কখনও ডিনারে নিমন্ত্রন জানাতে চান তাহলে একটু আগে কল দিবেন আরকি. বুঝেছেন ?
হাতটা তো সুন্দর করে মিলান? নাকি বুকের সাথে বুক মিলাবেন?
- আমি বুক থেকে কলিজা বের করি! - ঠিক আছে.
সতর্কবার্তা : প্লুটোনিয়াম - ২৩৮ একটি রেডিও এক্টিভ বস্তু.
যা উচ্চ মাত্রার বিস্ফোরক.
একটু দেখি. হাটার জন্য তো আরো যায়গা আছে, ভাইয়েরা, প্লিজ একটু চেপে হাটুন !
- দেখে শুনে হাট. - আমি ব্লুপ্রিন্টস(নকশা) নিয়ে হাটছি রে ভাই !
কেউ একটু সাহায্য করুন আমাকে !
একটু সাহায্য করুন না কেউ, প্লিজ .
বন্দুকে ঝামেলা হয়েছে নাকি? দাও তো, আমি ঠিক করে দেই.
গরম ! গরম খিচুরির ড্যাগ আসছে !
এত্ত কাজ...
ওহ, এটা কিন্তু ঠিক না.
- আমি কিন্তু এক্ষুনি ফিরে আসছি. - আহ!
মাথা ঘুরিয়ে মাঝে মাঝে চারপাশ দেখা লাগে !
উহ... আচ্ছা, আচ্ছা, এই তো .
- কি ব্যাপার? তুমি ঠিক আছো তো? - তুমি স্পাইডারম্যান.
পোশাক দেখেও নিশ্চিত হতে পারলে না ? এগুলো দেখে গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে,ম্যাক্স .
“ম্যাক্স"? তুমি আমার নাম জানো কিভাবে?
এটাতো তোমার ব্যাজেই লিখা আছে.
আমি একজন সাধারন লোক.
হে,তুমি সাধারন কেউ নও. প্রত্যেকেই অসাধারন কেউ.
জিহ্বাটা দেখি.
ঠিক আছে. শোন এবার.
- এখন তোমাকে আমার প্রোয়োজন. - সত্যি?
- আমার হয়ে তুমি এখানকার সবাইকে সরাও. - ওকে.
- ঠিক আছে? - ঠিক আছে.
পরে দেখা হচ্ছে.
সতর্কবার্তা: নিয়ম বহির্ভূত কাজ করা হচ্ছে.
হ্যান্ডস আপ!
তাকে ধর, স্পাইডি!
ধরেছি. ধরেছি. উহ. তোকেও ধরেছি.
হেই. না বাপ. কোথাও যাস নে বাপ.
এদিকে আয়. লক্ষী ছেলের মত বাবার কাছে আয়.
রাস্তা থেকে এই সব গেঞ্জাম সরা!
ওকে, থাম! থাম! ওহ.
ওহ, আয়রে বাপ.
হেই থাম. এখানে আয় বলছি.
এবার যাবি কোথায়.
হেই, সরি, আমার একটু দেরি হয়ে যাচ্ছে. আসলে জ্যামে আটকা পড়েছি.
তোমার যা সময় জ্ঞান. প্রোগ্রাম কিন্তু শুরু হয়ে গেছে.
- হ্যা, জানি আমি, আসলেই সরি. - তুমি আছো কোথায়?
ফার্স্ট এন্ড ব্রডওয়েতে,সেকেন্ড ব্রডওয়ে, থার্ড ব্রডওয়েতে.
৫ মিনিট লাগবে. বেশি হলে ১০.
- পুলিশের সাইরেন বাজছে না? - না তো.
- পিটার? - না.
- পিটার? - কোন সাইরেনই বাজছে না.
না...
পিটার.
সত্যি করে আসল ঘটনাটা বলবে?
পিটার.
পিটার.
হ্যালো?
- পিটার? পি... - আমি সময় মত উপস্থিত থাকবো. কথা দিচ্ছি.
এ বছরের বিদায়ী বক্তব্য পেশ করার জন্য, গুয়েন স্টেচিকে মঞ্চে আমন্ত্রন জানাচ্ছি.
শুভ সকাল, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দ,
আমার পরিবার এবং আমার সহপাঠিরা.
এখানে দাড়াতে পেরে আজ আমি অত্যান্ত সম্মান বোধ করছি.
হ্যালো.
- হেই! সর ব্যাটা! - আমি বারবার বলছি.
আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে.
খেল খতম, স্পাইডার.
তাই নাকি?!
আমরা নিজেদের সবসময় চিরস্থায়ী ভাবি.
হয়তো সে রকম ভাবাই উচিত.
আমরা বিদায় নিচ্ছি.
কিন্তু হাই স্কুলের চার বছরের এই সংক্ষিপ্ত সময়,
আমাদের জীবনে এ কারনেই এত মূল্যবান
যে সময়টা চিরস্থায়ী নয়.
এ সময় ফুরিয়ে যায় বলেই এত মূল্যবান.
আর এটা আমি এখন আরো ভালো ভাবে উপলদ্ধি করতে পারছি.
আর সেজন্যই বলছি,
আজকের এই বিশেষ দিনে,
যেন সবাই মনে রাখে, "সময় হচ্ছে সৌভাগ্য".
আর অন্য কারো জন্য সেটা অপচয় হতে দেয়া উচিত নয়.
প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয় করা উচিত কোন না কোন লক্ষ্যের পিছনে
যে লক্ষ্যকে নিজের কাছে ভাল মনে হবে সে লক্ষ্যকে হাসিল করার জন্য লড়তে হবে.
কি করতে হবে তার কোন সীমা রেখা নেই.
কারন যদি বিন্দু মাত্রও আমরা পিছিয়ে থাকি,
তাহলে বেঁচে থাকার উত্তম পথে এর চেয়ে বড় বাধা আর কী হতে পারে ?
এটা তোমার না বাপু, আমি নিচ্ছি এটা.
হুহ?
তোকে আমি ছাড়বো না, মকড়া!
মাইকেল ওটস্
জুলিয়া অর্চার্ডস্ হেইম্যান.
এলেক্সিস ওরটিজ.
বো প্যারেসি.
পিটার পার্কার.
হেই, ছেলেটাকে চেনা চেনা লাগছে.
পিটার পার্কা...
আমি সরি.
হা, হা, হা, দাড়াও, আবার করতো. আবার কর.
পিটার, খোদার কসম, তুমি না আসলে আমি নিজেই ক্যাপ আর গাউন চুরি করে স্টেজে উঠে যেতাম.
জানলে তো আসতামই না. দেখার মত দৃশ্য হত বটে. না, না, এটা তোমার জন্য.
- তোমাকে নিয়ে গর্বে আমার বুক ভরে যায়. - এটা তোমার পাওনা.
আমার সোনা, আসলেই বুক ভরে যায় গর্বে.
তোমার আঙ্কেল বেন কি বলত জানো তো.
হ্যা, জানি না মানে.
“মজার দিন শেষ. এবার যে ভাবে চাকুরী জোগাড় কর."
আরেকটা কথা বলত- "অন্যকে অনুসরন কর না, নিজের পথ নিজে বেছে নাও."
রালফ এল্ড এমারেসন.
- না. - মানে, না?
- এটা বেন বলেছিল. - হা হা হা!
এখান থেকে কিছু শিক্ষা অন্তত পেয়েছে দেখছি.
ইশ, তোমার আঙ্কেল যদি থাকতেন এখানে.
আমারো সেটাই ইচ্ছে ছিল.
আর বাবা মাও.
হুম. হুম.
- ঠিক আছে, এখন তুমি বরং যাও, যাও. - হুহ?
আমি এক্ষুনি আসছি.
- এটা কি তোমার প্রোগ্রাম নাকি? - আচ্ছা বাচ্চারা. একসাথে দাড়াও দেখি.
জলদি. আচ্ছা ঠিক আছে. হাসো তো.
- আচ্ছা, আমাকে একটু সময় দাও. - হ্যা, বড়জোর ২ সেকেন্ড.
- বেশি দূর যেও না যেন. - তোমাকে দেখতে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে.
- আচ্ছা. - ঠিক আছে.
হেই.
আচ্ছা তোমার ট্রাফি জ্যাম
রাশিয়ান গুন্ডাদের
আর মেশিনগানের সাথে কোন যোগ সূত্র ছিল নাতো? তুমি আমাকে সত্যিটা বললে না কেন?
আমি আগে এসে আর কি করতাম? তুমি তোমার বক্তৃতার কথা বলছিলে.
- গুয়েন. সোনা. ফ্যামিলি ফটো তুলবো. - তাই?
আচ্ছা.
আচ্ছা, তুমি স্বন্ধ্যায় আসছো তো?
আমাকে আটকে রাখবে রাখতে পারবে.
ঠিক আটটায় কিন্তু. দেরি করো না লক্ষীটি.
- কোন চান্সই নেই. - আচ্ছা.
আর আমি আমার বক্তৃতা শোনাব তখন.
সারা রাত? সারাটা রাত ধরে শুনতে চাই কিন্তু.
- বারবার শোনাব, সারাটা রাত ধরে. - আচ্ছা.
- ওহ, আমার সোনা. - এটা আসলেই দারুন ছিল.
পিটার. তুমিও আসো? আসো.
আমাকে আন্টির খোজ করতে হবে, কিন্তু পরে আবার দেখা হবে, ধন্যবাদ.
হাই.
তুমি নিজের শত্রু তৈরি করছো.
তোমার জন্য তোমার আপনজনরা বিপদে পড়বে.
আমি চাই, তুমি আমাকে একটা কথা দাও?
No comments yet. Be the first to leave one.