The first 200 lines.
বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে সিনেমাটি উপভোগ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
_R O N G O L I_
এই, বল কর রে!
বল কর!
সত্য...
- আউচ! - সেরা! সেরা!
সত্য, লেগেছে?
- সত্য... এটা আমাদের এলাকা। - আর আমাদের মাঠ।
শোন।
- ছাড়, ব্যাট ধর। - যা তো!
যা, বাড়ি যা!
শিবা, আবার ব্যাট হাতে নিয়েছে।
এবার ওর মুখে তাক কর।
- এই, ফিল্ডিং কর যা। - কি সত্য?
আজকে তোর থোঁতা ভাঙবো।
সত্য... সাবধানে!
এই...
- এই কি? - সত্য...
আব্দুল, হালায় তো ক্লিন বোল্ড।
বারবার মরে কেন?
ওঠা!
- ক্রিস ছাড়। - নিয়ে যা এরে।
আবার উঠেছে।
দাত না ভেঙে বাড়ি যাবে না মনে হয়।
- শিবা! - সত্য, দরকার নেই।
- ওরা ইচ্ছা করেই এমন করছে। - হ্যাঁ করছি তো।
এই মাঠে খেলবো না।
আজ মাঠ থেকে যেতে বলছে...
কিন্তু কাল এলাকা ছেড়ে যেতে বলবে। তখন চলবে?
আব্দুল...
এই মাঠে খেলার জন্য যদি আমাদের জিততেই হয়…
তাহলে জিতেই হবে। কী বলিস?
তুই খেল, সত্য! এই...
সত্যর ছয় কখনো দেখিসনি না? এখন দেখেবি।
- বল কর যা! - বেশি লাফাস না!
সত্য, ছয় মার নাহয় এদের নাক ফাটা।
ইয়ে! উইকেট! উইকেট!
সত্য, পালা!
- ধর, ওরা পালাচ্ছে! - এই! সত্য!
দাড়া, সত্য!
আমাকে ফেলে যাবি?
চল!
বঙ্গানুবাদ ★ আরুশ আরিয়ান। ★ হাবিব সিয়াম। ★ মোহাম্মাদ মাসুম। ★ সোহান আহম্মেদ। ★ মিনহাজ আল ইসলাম।
- সত্য, এদিকে আয়! - আব্দুল, ওরা ওদিকে যাচ্ছে। এখানে আয়।
সম্পাদনায়: © আরুশ আরিয়ান।
তোরা পালাস কেন? সবকটার চামড়া ছিলে লবণ লাগাবো! দাঁড়া!
আয়, আয়!
এই আয়! আয়!
- এই, ব্রেক মার। - গাধা!
নাম!
- বাবা, আমি কিছু করিনি। - চল!
- পালা... - ধর!
- পালা... - সত্যি ড্রাইভিং শিখতে চাস?
মাঠ হয়তো তোদের!
কিন্তু এলাকাটা আমাদের! ধরবি আয়।
- এই, মা আসছে! - ওর সাথে গেলে ভালো হতো।
সত্য!
চুপ কর!
স্কুল না গিয়ে এখানে কী করছিস?
- মা, পিটি পিরিয়ড। আসছি। - পিটি?
- ধর! ধর! - থাম বাঞ্চোত!
- সবাই এভাবে দৌড়াচ্ছিস কেন? - এই, মহিষ কোথাকার!
- এই, থাম! - কোথায় যাচ্ছিস সবাই?
- ধরলে শেষ করে ফেলবো তোকে। - মহিষের দল!
- ওঠো, মা। - বাসায় আয় তারপর দেখাচ্ছি।
- স্কুল না গিয়ে... - তাফালিং মেরে বেড়াচ্ছে দেখেছো?
এই, থাম! থাম!
ছেলেগুলোকে ধরো!
- এতো সহজে ছাড়বো না। পালাবি না। - কী লাগবে?
- চীনাবাদাম দিন তো। - মাত্র দশ টাকা।
এই... শোন।
কোথায় যাচ্ছিস?
আসছি দাড়া!
চলো!
- ডানে ডানে! - এই আব্দুল...
একটাকেউ ছাড়বো না!
এই, থাম বলছি! থাম!
সত্য, আমি এদিকটা দেখছি। তুই ওদিকে সামলা।
- তোরে! - হেই, হেই!
হেই, কি হচ্ছে এখানে?
পুলিশ স্যার, কোনো সমস্যা নাকি?
হাঁপাচ্ছেন কেন?
স্যার...
তুই কি করছিলি?
- মনে হয় এখানেই আছে, দিদি। - ওখানে? ওখানেই তো থাকার কথা না।
- সত্যর বাবাকে দেখেছ? - দিদি, বাবাকে দেখেছ?
ওদিকে!
এই গর্ধভ! জলদি নাম।
- তোর বাবকে খুঁজছিস? - হ্যাঁ, দেখেছ?
লোকটা খুব পরিশ্রম করে। ওদিকেই আছে এখন।
- এই ভেম্বু... - কী?
পীঠ ব্যথা করছে, এগুলো ধুয়ে দিবি?
- তোমার স্বামীকে আমায় দিবে? - তোর যা ইচ্ছা...
- ভাগ... আমার স্বামীকে চায়ছে? - যা বুড়ি।
- মাথামোটা! - এই বুড়ি! বলতে আমি তোমার স্বামী।
গান্ডু! বামন হয়ে চাঁদ ধড়ার স্বপ্ন দেখিস।
বলো গান্ধী!
আসল টাকা দেওয়ার কি ইচ্ছা নেই?
ভালো করে বলছি।
- হাত গুটিয়ে বলতে হবে? - ভাইজান, এসব কী?
- দিদি, সত্যর বাবা এখানে। - জোরজবরদস্তি করে...
টাকা আদায় করার ইচ্ছে নেই।
অন্য কেউ হলে...
- বাবা... - কি হয়েছে?
ভালো আছিস ভেম্বু?
সত্যকে পুলিশ ধরেছে বাবা।
সম্ভবত কিছু বখাটে ছেলেদের সাথে ওর মারামারি হয়েছে।
ওর কোন দোষ ছিল না, আব্দুল বললো।
শয়তানটা শোধরাবে না?
ভাইজান, অসৎসঙ্গের পাল্লায় পড়েছে। গিয়ে দেখে আসি।
- গিয়ে ছেলেকে নিয়ে আসি। - যাও, দুদিনের মধ্যে টাকা দিয়ে দিও।
প্রয়োজন হলে ফোন করো।
- তারাতাড়ি আসো বাবা। - এই ভেম্বু!
- আমি কিছু জানি না। - এই, মানিকাম...
এই, ওকে পুলিশ ধরেছে কেন?
স্টেশনের কাছের মাঠটাতে খেলার জন্য আমরা ওদের সাথে বাজি ধরেছিলাম।
- সেটাই টেনে এতোদূর নিয়ে এসেছে... - ওখানে কেন গিয়েছিলি তোরা?
পার্টি মিটিংয়ের জন্য স্কুলের মাঠে তাঁবু টেনেছে।
একটা দিন স্কুলে বসে থাকতে পারিস না?
- মাথায় মেরো না! - বাবা...
চুপ কর! কথা বলবি না!
বজ্জাত কোথাকার! আমাকে আইন শিখাচ্ছিস?
নীল ডাউন! নীল ডাউন!
- রাম কুমার স্যার, এত আওয়াজ কিসের? - স্যার...
স্যার, আপনার কাণ্ডজ্ঞান নেই? স্কুলছাত্রদের সামনে মারধর করছেন?
-...তোমাকে বলেছিলাম। দেখো থানায় আসতে হলো... - চেঁচাচ্ছ কেন মা?
- আরে চুপ থাকো তো! - চিল্লাচিল্লি করছেন কেন?
হাজতে ভরে দিবো, যান।
- সত্য… - কেন মা?
- তুমি যাও তো এখান থেকে। - এই, আপনি কে?
বাচ্চাদের এভাবে মেরেছেন কেন?
- জিজ্ঞেস করো বাবা। - ছাত্রদের এভাবে মারধর করা ঠিক না স্যার?
ওহো! সবাইকে আমাকে আইন শেখাতে থানায় আসে।
হ্যালো... থানায় যদি কেউ আহত অবস্থায় পড়ে থাকে...
তাহলে কি ধরে নিবেন যে, তাকে পুলিশ মেরেছে?
স্যরি স্যার। টেনশনে বলে ফেলেছে।
- খোকা এমন ছেলে না, স্যার। - জ্বি স্যার।
বলেছিলাম স্কুল বদলাতে। শোনলে না...
এই, চুপ করো।
হ্যাঁ স্যার, খোকা খারাপ সঙ্গের পাল্লায় পড়েছে।
দেবরাজ স্যার, এদের ছেড়ে দিন।
- অন্যদের মা-বাবারা তো আসেনি। - আসতে হবে কেন স্যার?
এদের দোষ পুঁজি করে কর্পোরেশন স্কুলের নামে...
দুর্নাম করবে আর পাবলিক স্কুলের সাফাই গায়বে?
ছেড়ে দিন, স্যার।
ওরা হুকুম করার কে বাবা?
আমরা যদি কোনোকিছু চাই, তাহলে তা অর্জনের জন্য আমাদের তো লড়তে হবেই।
তুমিই তো আমাকে এই শিক্ষা দিয়েছো!
কথা বলো বাবা। এমন করো না।
চায়লে, বাড়ি গিয়ে মেরো।
এই সত্য, তুই বাড়ি আয়। আজ তোর কপালে শনি আছে।
মার না খেলে তুই সোজা হবি না।
আজ তোর জন্য আমাদের থানায় যেতে হয়েছে।
এই, চুপ করো তো!
জানোই তো সঙ্গদোষে এসব হয়েছে, না?
সবকিছুতে তুমি এই একটা কারণই দেখাও।
মা, তুমি বরং চুপচাপ চলো।
- চাচা, আমি বাইকে যাবো? - মারবো এক লাথি!
জোরে চালাতে পারিস না। জোরে চালাচ্ছিস না কেন?
আয়, সত্য! ভাই, আস্তে!
আমার ভয় হচ্ছে বাবা। মা নির্ঘাত আমায় কেলাবে।
তাড়াতাড়ি যাও!
তুমি যা বলবে আমি তাই শুনবো বাবা।
স্কুলের পর খেলতে যাবো না। তোমাকে কাজে সাহায্য করবো।
ধোয়া কাপড়গুলো ইস্ত্রি করে দিবো?
শুধু ইস্ত্রিটা একটু ভারি।
বাবা, মাকে বলবে যেন আমাকে না মারে।
ঠিকঠাক পড়াশোনা করিনি বলে আমি ধোপার কাজ করছি।
আমার মতো কষ্ট করতে চাস বলে আমায় থানা পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছিস?
- না, বাবা... - চুপ কর!
তুই কিছুই জানিস না। তোর স্কুল বদলাতে হবে।
কেন বাবা? আমার ঐ স্কুলটা ভালো লাগে।
- এইচএম, তামিল স্যার, আব্দুল, বন্ধুবান্ধব... - এজন্যই...
এজন্যই বদলাতে হবে।
বড় মাঠওয়ালা একটা বড় স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিবো।
আমি যাবো না, মা মারলে মারুক, বাবা।
যাবে না।
স্কুলের নামে টইটই করে ঘুরে বেড়ায়।
স্কুলে কি পড়ায় সেটাই মাথায় আসে না…
- পড়াশোনা করতে হবে না... - ছাড়!
বুঝি না শুধু আমার সন্তানেরাই এমন কেন?
- সব দোষ আমারই... - এই...
ধানুশের মুভিটা কতবার দেখেছিস।
মার খেয়ে আসলি কেন?
- শুধু খাইনি, মেরেছিও। - একদম!
আমার ভাই তো নায়ক।
এইট পাস করার পর থেকে বারবার বলেছি...
স্কুলটা বদলাতে। কে শুনে কার কথা?
- মা, চেঁচাচ্ছো কেন? - এর একটা বিহিত না করা অবধি আমি থামছি না।
এভাবে চলতে থাকলে, শেষমেশ আমাকে পাগলই হয়ে যেতে হবে।
আজ পুরো পরিবার ওর জন্য থানায় গেছে।
এখন চেঁচাচ্ছে কেন?
এটাই শোনা বাকি ছিল। গলার আওয়াজ বেড়েছে দেখছি...
- মা...মা... কি করছো? - পিটিয়ে চামড়া তুলে ফেলবো।
সামনে আয়। আয়...
- আয়... তুই সর। - পুড়ে যাবে মা।
- দুটো পড়লে তবেই বুঝবি। আয়। - বাবা কোথায়?
বাবা, এদিকে এসো।
- কালিয়াম্মা, কী করছো? - মাকে সামলাও বাবা।
যদি তুমি শাসন করতে ওকে থানায় যেতে হতো?
No comments yet. Be the first to leave one.