200 rreshtat e parë.
দিনের শেষে, প্রেমের উন্মাদনায় পুড়ে যাওয়া,
বন্ধুত্বের মত্ততায় ডুবে রাত পার করা,
প্রতিশোধের গন্ধ এবং উত্তাপে জেগে থাকা
এইখানে গল্পকার হচ্ছে সময় এবং ক্যাম্পাস।
অনেকদিন পর ফিরে এসেছ।
আমি তোমার ফিরে আসার অধীর অপেক্ষায় ছিলাম।
জাকারিয়া পোথান, যে আমাকে এতগুলো বছর তাড়া করে এসেছে,
আজ তার অবসান হবে...
...চিরতরে!
:.:.: ORE MUKHAM :.:.:
:.:.: ORE MUKHAM :.:.:
গতকাল রাতে, চার্চ রোডের সামনে একটা খুন হয়েছে!
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - :.:.: F L A M Y T U H I N :.:.:
সব ফর্মালিটি করা শেষ।
আমরা আপনার অপেক্ষায় ছিলাম, স্যার।
ঘটনাস্থল থেকে ১টা বিদেশি পিস্তল এবং লজ রুমের চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।
প্লিজ রাস্তা দিন...প্লিজ।
পরে কথা বলবেন, প্লিজ।
প্রখ্যাত শিল্পপতি এবং NRI মি. অরবিন্দকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।
গির্জার রোডের পরিত্যক্ত এলাকায় উনার লাশ পাওয়া গেছে, তার গাড়িতে গুলি লেগেছিল।
মুম্বাই CST - এরনাকুলাম জংশন।
উনি এই হোটেলে কবে উঠেছিলেন?
২ দিন আগে, স্যার।
লোকটার চেহারা মনে আছে? না, স্যার।
স্যার, ও তো সকাল সকাল টাইট হয়ে আছে।
হাই অমলা! হাই!
গুডমর্নিং অমলা। মর্নিং।
অরবিন্দ মেনন এক্সক্লুসিভ মার্ডার কেসের স্টোরিটা
সবার আগে আমাদের কভার করতে হবে!
যেমনটা তোমরা জানো,
এই ধরণের স্টোরি কভার করার কারণে
অন্যান্য চ্যানেলের তুলনায় আমরা রেটিংয়ে এগিয়ে আছি।
জি, স্যার।
কেরালাজ্যায়াম ম্যাগাজিন থেকে ইস্তফা দেয়ার পরও মাধবন স্যারের ভালো জানাশোনা আছে!
বইটা অবশ্যই পড়ার মতো। একদম।
ভাই উনি অমলা! DTV এর রিপোর্টার!
হ্যালো স্যার।
অরবিন্দ মেননের কেসটা কভার করার জন্য আমাদের আপনার সাহায্যের প্রয়োজন।
অমলা? হুম।
প্রশিক্ষণ কালীন সময় এমন অতি আগ্রহ থাকা খুব সাধারণ ব্যাপার!
প্রথমদিকে আমিও ছিলাম।
এই কেসের তদন্ত কর্মকর্তা কে?
আসতে পারি, স্যার? হ্যাঁ, এসো।
স্যার। হুম।
সাইবার সেল থেকে অরবিন্দ মেননের কললিস্ট এসেছে!
লোকজন এখনও এদিক-ওদিক খবর চালাচালি করছে!
হ্যাঁ, জানি। এজন্যই আমি আপনাকে খুঁজতে এসেছি।
চিনি ছাড়া চা কি মিষ্টি হয়?
এখন দেখি বাংলা ভাষা শিখতে হবে।
যতটুকু আমি জেনেছি, অরবিন্দের হত্যায় ভাড়াটে গুণ্ডাদের কোনো হাত নেই।
বিষয়টা জটিল।
২ সপ্তাহ যাবৎ পুলিশ
অরবিন্দ মেননের মার্ডার কেসে অন্ধকারে হাতড়ে বেড়াচ্ছে।
অরবিন্দের কল লিস্ট'কে কেন্দ্র করে প্রাথমিক তদন্ত অগ্রসর হচ্ছে।
ওহ হ্যাঁ, আমিতো ভুলেই গেছিলাম!
অরবিন্দ মেনন খুন হবার পর এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছি!
ওখানে কল লিস্ট-ও আছে।
খুনের দিন অরবিন্দ
শেষবার জাকারিয়া পোথানের কল রিসিভ করেছিল!
সিম কার্ডটা মুম্বাইয়ের।
লজের রুম থেকে ট্রেনের টিকিট পাওয়া গেছে
যেখানে নাম এবং ঠিকানা উল্লেখ করা আছে
তাহলে?
বসে আছ কেন? অতিসত্বর তাকে গ্রেপ্তার কর।
স্যার, একটা সমস্যা আছে।
কী সমস্যা? বল।
৮০ এর দশকে ঘটিত দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পর্কিত,
কেরালা পুলিশ এক পলাতক অপরাধীকে এখনো ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে যার নাম
জাকারিয়া পোথান!
ওহ! বুঝতে পেরেছি।
এই হত্যার পিছনে জাকারিয়া পোথান রয়েছে তুমি এত শিওর হলে কীভাবে?
অরবিন্দ মেননের হত্যার কয়েকদিন আগে,
তার এক বন্ধুর অকাল মৃত্যুর স্মরণে
সে একটা গ্রুপ ম্যারেজের প্ল্যান করেছিল!
বহু বছর আগে এই পলাতক অপরাধী জাকারিয়া পোথান
অরবিন্দ মেননের সকল প্রাণপ্রিয় বন্ধুদের হত্যা করার পর গা ঢাকা দেয়।
তারা সবাই কলেজে একসাথে ছিল।
তারউপর, এস্টেট ডাবল মার্ডার কেসে ওরা সবাই জাকারিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়,
এই অরবিন্দ মেনন ছিল প্রধান সাক্ষী।
তৎকালীন পুলিশের কেসটা সমাধান করতে অনেক কষ্ট হয়েছিল।
"কেরালারাজ্যাম" পত্রিকার জন্য আমিও ১টা আর্টিকেল লিখেছিলাম।
তীক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন ১ জন অপরাধী।
গা ঢাকা দিয়ে থাকাকালীন জাকারিয়া বন্ধুদের চিঠি এবং পোস্টকার্ড পাঠাত!
সেই সূত্রধরে, আমি আর পুলিশ তাকে দিনরাত এক করে খুঁজতে থাকি,
অবশেষে শোনা যায় তাকে মুম্বাইয়ে দেখা গেছে!
এরপর জাকারিয়াকে কোথাও দেখা গেছে এমন খবর পাওয়া যায়নি!
অরবিন্দ মেননের শেষ কলারের মুম্বাইয়ের ঠিকানা সম্পর্কে অনুসন্ধান করার পর
জানতে পারলাম যে কেউ কিছু দিন আগে সেখানে ছিল।
কিছুতো একটা মিসিং!
আমাকে ওখান থেকেই শুরু করতে হবে।
জাকরিয়া পোথান এবং তার বন্ধুরা যেখানে উদযাপন করছিল!
সিট-আপ ২৫ বার।
ঐসময় ভার্গেস সেইন্ট থমাস কলেজের ছাত্র ছিল!
মৃত অরবিন্দ মেননের বন্ধু ছিল
জাকারিয়া পোথান এবং অন্য দুইজন যাদের জাকারিয়া খুন করে।
অরবিন্দ মেননের সাথে তাদের সম্পর্ক কেমন ছিল?
জাকারিয়া এবং অরবিন্দ ছিল বন্ধু।
জ্যাকরিয়া যাদের হত্যা করে, তাদের মধ্যে ১ জন তার বন্ধু ছিল এবং অন্যজন আমার সহপাঠী।
শুধুমাত্র ইউনিভার্সিটি টিমে খেলার জন্য আমি কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম!
৮০-র দশকে এখনকার মতো ক্যাম্পাস সিলেকশন এবং সেমিস্টার পরীক্ষা ছিল না
এবং ক্রেজি স্টাইল ছিল হিপ্পি, বেল বটম প্যান্ট, দাড়ি, সিগারেট এবং বুলেট
এগুলো ছিল ৮০-র দশকের পরিচিতি।
সেইন্ট থমাস কলেজে অরবিন্দ মেনন-ই আমাকে প্রথম ওয়েলকাম জানায়।
এক্সকিউজ মি, বি.এ ফার্স্ট ইয়ার মালায়ালাম ক্লাস কোথায়?
আমি বললে সমস্যা নেই তো?
এসো, তোমাকে কিছু প্রশ্ন করি।
তোমার নাম? ভার্গেস।
বাহ, সুন্দর নাম! তো তুমি মালায়ালাম পড়তে চাও?
এইখানে মালায়ালাম পড়ার দারুণ ১টা জায়গা আছে। জানো কোথায়?
জানো না?
এইযে এইখানে।
৪র্থ নিয়মবিধিটা পড়।
সকল জুনিয়রদের দাড়ি কামাতে হবে।
বুঝেছ?
বুঝেছ কি-না?
কী?
দাড়ি কামাতে হবে। হুম।
তো যাও তাইলে।
যা কামিয়ে আয়, বাড়া!
পুরো কামাবি, বুঝলি? পরে কিন্তু চেক করা হবে।
যা!
ওয়েলকাম। তোমার নাম? রামা।
তোমার? ভামা।
তোমার? - গায়ত্রী!
হেই তুমি! এদিকে এসো
তোমার নাম? জ্যাকব স্টিফেন।
জ্যাকব স্টিফেন, প্লিজ এইদিকে এসো।
তোমার বডিতো দেখি একদম টানটান।
দারুণ! পুরো শেভ করেছিস তো?
ঘ্যামা লাগতেছে তোকে!
ওইখানে দাঁড়া।
জ্যাকব স্টিফেন'কে কী কাজ দেয়া যায়?
এটা কী?
ব্লেড! - হ্যাঁ, ব্লেড।
নিচে ফেলে দিলাম...
ব্লেডটা তুলে নাও।
তুলে নাও।
এভাবে নয় - তাহলে?
জিভ দিয়ে চেটেচেটে তুলবে।
তোলো, ব্রো!
জলদি!
তোল বাড়া!
কুত্তার বাচ্চা..
কথার বরখেলাপ আমার একদম অপছন্দ।
এটা প্রতিবাদ বা বিরোধিতা করার জায়গা না।
জাকারিয়া পোথান!
এটা আমার ক্যাম্পাস।
এই, কী নাম তোমার? মেরি।
এস্টেট মার্ডার কেসে,
পুলিশের কাছে দেওয়া বিবৃতিতে, আপনার নাম মেরি ছিল?
স্যার, পেশা! সেকারণে নাম পালটে অ্যান মারিয়া রেখেছি!
অরবিন্দ আর জাকারিয়ার মধ্যে কোনো ঝামেলা ছিল?
না! ওরা খুব ভালো বন্ধু ছিল!
এইখানে শুধু ঝামেলা আর বিশৃঙ্খলতা।
তেমন নয়।
যদি বড় করে না দেখি তাহলে অতটাও না।
গুডমর্নিং আন্নাকুট্টি! মেরিকুট্টি কী বলছিল?
ওকে রেহাই দাও, জাকারিয়া!
আমিতো ব্যস পরিচিত হতে চাচ্ছিলাম।
তার জন্য নয়। ওকে ছেড়ে দাও। ঠিকাছে, বাই।
কী ভাবছো? - হ্যালো।
আসলে...
বিশ্বনাথান আঙ্কেলের...
হুম! তুমি বাবাকে চেনো?
উনি বাসায় বাবার সাথে দেখা করতে এসেছিলেন।
আঙ্কেল বলেছে তুমি এখানে ভর্তি হয়েছ।
আচ্ছা ঠিকাছে। দেখা হবে।
খাতায় লিখে রাখো।
তোমার বাকির হিসাব লিখতে লিখতে আমার ১টা খাতা শেষ।
১টা চালের পিঠা, প্লিজ!
ইদানীং একটু বেশিই খাচ্ছ তোমরা।
শুধু ছোট্ট একটা! প্লিজ ভাই!
শান্তিতে একটু খেতেও দেবে না।
ওর চা মুখে দিলি কেন?
তার বিষাদের প্রশংসা করতে!
দেখ...দেখ.. এইযে উনি চলে এসেছেন।
কপালে সোনার গুঁড়ো দিয়ে সজ্জিত তুমি
তোমার সোমবারের ব্রত ভঙ্গ করব আমি!
তোমার ব্রত কখন ভাঙবো আমি ঠিক করবো। সোমবার না মঙ্গলবার!
আমার সোনার সাথে বেশি ঘষাঘষি কোরো না।
অনুদান দাও!
টাকা নেই! তোমার টা কোথায়?
আমারও পকেট ফাঁকা। কী?
টাকাটা আমি বাসায় নিয়ে যাব না।
এটা তোমার সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য। প্লিজ শরিক হও, তুলসী!
আজকের ফাণ্ড কীসের জন্য?
এটা...
ইউনিয়ন উদ্বোধনের জন্য। শরিক হও, প্লিজ।
দিও না। মুভি দেখার জন্য ও টাকা তুলছে।
চালিয়ে যাও... চালিয়ে যাও।
মুভি দেখার জন্য আসবি না তুই।
যা ভাগ!
তাহলে কী? দাঁড়াও...দাঁড়াও।
ফার্স্ট ইয়ার?
চাঁদা দিয়ে তারপর যাও।
জলদি।
চাঁদা যখন দিয়েছ, ফ্রিতে তোমাকে একটা উপদেশ দিই।
এইযে নূপুর তুমি পরেছ,
বাসর রাতে এটা পায়ে দিও না।
নয়তো অন্যদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটবে।
No comments yet. Be the first to leave one.