132 rreshtat e parë.
- সে ওকে সাহায্য করলো কেন? - তাতে কী যায় আসে?
এখন শিকার শুরু হবে।
নি
নিন
নিনজা
নিনজা কা
নিনজা কামু
নিনজা কামুই
নিনজা কামুই : সি
নিনজা কামুই : সিজ
নিনজা কামুই : সিজন
নিনজা কামুই : সিজন-
নিনজা কামুই : সিজন-০
নিনজা কামুই : সিজন-০১
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এ
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপি
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসো
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-০
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-০৬
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানু
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে:
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আ
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আক
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হো
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হোসে
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হোসেন
গত রাতের বিস্ফোরণ সম্পর্কে আমাদের কাছে নতুন কিছু তথ্য এসেছে।
কর্মকর্তারা বলেছে ওটার পেছনে...
মনোযোগ দাও, আমার বাজপাখিরা।
বিশ্বাসঘাতক কাক পিতৃতুল্য নীড় থেকে উড়ে গেছে।
কাকটা নীড়ের সকলকে তিরস্কার করে...
আমাদের সবচেয়ে বড়ো শত্রু, বাঘকে আশ্রয় দিয়েছে।
ওদের কাউকেই এই জায়গা থেকে বেরোতে দেবে না।
যেকোনো মূল্যে ওদের খুঁজে বের করে হৃদপিন্ড ছিড়ে নাও।
তোমার নড়া উচিত নয়।
এই কাটিং এডজ ন্যানোমেশিন দিয়েও,
পুরোপুরি সেরে উঠতে সময় লাগবে তোমার।
ভাবছো কেন বাঁচিয়েছি তোমায়?
আসলে, হ্যালো, মি. ডাকি।
তোমায় চোখে ধুলো দেয়ায় দুঃখিত।
এটা আমার একটা ব্যক্তিত্ব, আসল চেহারা ভেবে ভুল করো না।
- আমার সংস্পর্শে আসতে এমনটা করেছো? - হ্যাঁ, একদম।
সংগঠনের প্রধান আমায় একটা মিশনে পাঠিয়েছিল।
মরার পরেও তুমি এক গুপ্ত কৌশল ব্যবহার করে বেঁচে উঠেছিলে, যার কিচ্ছু জানতাম না আমরা।
আমায় তোমার পুনরূত্থানের সত্যটা উন্মোচনে পাঠানো হয়েছিল।
আমরা এটা ধরে নিয়েছিলাম যে...
তুমি হয়তো বারংবার পুনরুজ্জীবিত হতে সক্ষম।
তোমার কৌশল বুঝতে চাইছিলাম আমরা।
গুপ্ত কৌশলগুলো শুধুমাত্র লড়াইয়ের সময়ই ব্যবহার করা হয়।
এজন্য আমায় লড়াইয়ের সময় তোমায়...
পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে কৌশলের রহস্য উন্মোচনে পাঠানো হয়।
আর এফবিআই এজেন্ট এমা পরিচয়ে তোমার সান্নিধ্যে আসি।
মাইক এ ব্যাপারে জানে?
না। সে একজন বেসামরিক।
আর এটাই সংগঠনের একজন নিনজা হিসেবে...
আমার জীবনের তাৎপর্য বহন করে।
কিন্তু আরেকটা পরিচয়ও রয়েছে আমার।
অবশেষে কথা বলার ফুরসত হলো, হিগান।
একদম ঠিক, তোমায় সাহায্যকারী অজ্ঞাত ব্যক্তিটি আমিই।
তুমি যেন প্রতিশোধ নিতে পারো সেজন্যই করেছি।
সংগঠনের নির্দেশে পর্যবেক্ষণ করাকালীন...
আমায় সাহায্য করতে ওদের ধোঁকা দিলে।
কেন?
আমার কিছু ব্যক্তিগত লক্ষ্য রয়েছে,
আর তুমি মারা গেলে, সেটা অর্জন সম্ভব নয়...
তাই জীবিত চাই তোমায়।
ওই লেফটেন্যান্টদের সাথে আবারো লড়তে গেলে,
তুমি নিশ্চিত মারা পড়বে।
ওদের পরিহিত স্যুটগুলো অনেক শক্তিশালী।
তোমার গুপ্ত কৌশলেও কাজ হবে না।
আমি নিশ্চিত তোমার ঐ পরিণতি...
কোনো কৌশলই ঠেকাতে পারবে না।
যাই হোক, তবে আশা এখনো রয়েছে।
ওদেরকে মারার ক্ষমতা...
ঠিক এখানে।
একটা স্যুট? কৌতূহলোদ্দীপক।
হ্যাঁ, ওটা এখানো প্রস্তুত হয়নি...
সহনশীলতা পরীক্ষা করার জন্য এখানে আনা হয়েছিল।
মনে হয় আমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে বলে ও আগেই ওটা নিয়ে গেছে।
এতে কিচ্ছু বদলায় না।
পশ্চিমের ডি ব্লক, ক্লিয়ার। দক্ষিণের সি ব্লক, ক্লিয়ার।
একদমই না।
গুসোকু গিয়ার,
এক অতি উচ্চ মানের লড়াইয়ের স্যুট।
এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা সকল ধরনের নিনজা কৌশলের সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম।
এটা ৬০০ বছরের নিনজা ইতিহাস...
আর আমাদের কাটিং এডজ প্রযুক্তির সমন্বয়।
সাক্ষাৎ শয়তানের কাজ।
তৈরিকারী দলের আমিও একজন সদস্য।
এটাই এখনকার সবচেয়ে আধুনিক স্যুট।
আমায় শুধু কাজটা শেষ করতে হবে, তারপর এটা তোমার নতুন শরীর হয়ে উঠবে।
এর আগেই যদি সংগঠন আমাদের খুঁজে পায়?
উওরের এ ব্লক, ক্লিয়ার।
ধ্যাত, মাইক!
আরে, ভায়া, তোমার আমাকে রক্ষা করার কথা ছিল!
অন্যান্য বাঞ্চোতদের ন্যায় তুমিও মিথ্যাবাদী।
কখনো এত জঘন্য কথা শুনে জাগিনি।
তুমি ১০ দিন যাবৎ ঘুমাচ্ছো, ভায়া।
১০ দিন?
আর এই পুরোটা সময়, আমি এখানে একা অপেক্ষা করছিলাম।
তুমিই ব্যান্ডেজ করেছো?
আমার এক পুরনো ডাক্তার বন্ধু করেছে। সে কোনো প্রশ্ন করে না,
আর আমরা তাকে খুশিমনে বিদায়ও করেছি।
আমরা বলতে কি বুঝাচ্ছো?
একদম চমৎকার, তাই না?
এটা কতিপয় ধনী গর্দভদের।
বছরের এ সময়টা ওরা ব্যবহার করে না, তাই আমরা নিরাপদ।
আমি বেশ ধূর্ত, তাই না?
যাই হোক, আমায় এফবিআই এর জ্ঞান ঝাড়তে এসো না।
মানে, ওরা তোমার পেছনেও, তাই না?
আমি নিশ্চিত শহর ছাড়ার অনেক আগ থেকেই ওরা আমার পিছু করছিল।
যদিও আমি যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করেছি।
বিশ্বাসই হচ্ছিলো না, ওরা আমায় খুঁজে পেয়েছে।
ভালো খবরটা এই যে,
আমরা হয়তো ওদের গোপন নোংরা রহস্যগুলোর খুব কাছে।
এটাই তার প্রমাণ।
আউটপুট এখনো যথেষ্ট নয়।
আমাদের এই স্যুটের হৃদপিন্ড হিসেবে কাজ করা পাওয়ার রিএক্টরটা চাই।
এরকম যন্ত্রাংশ শুধুমাত্র সদরদপ্তরেই থাকে।
বাদ দিই। ওখানে যাওয়া মানে নিজেদের কবর খোঁড়া।
No comments yet. Be the first to leave one.