200 rreshtat e parë.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে নরওয়ে নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে
জার্মান অস্ত্র শিল্প কারখানায় সুইডন থেকে ৮৫% ব্যবহৃত মূল্যবান ধাতু লোহা সরবরাহ করা হতো।
এই মূল্যবান ধাতু গুলো সীমান্তের ওপারে ট্রেনে করে পরিবহণ করা হত এবং তা নার্ভিক বন্দর থেকে বাইরে পাঠানো হত।
গ্রেট ব্রিটেন এই আকরিক ধাতু পাঠানো বন্ধ করাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।
১৯৪০ সালের ৮ এপ্রিল, ব্রিটিশ নৌ বাহিনী তারা নরওয়ের জলখনিতে ছিল।
পাশাপাশি ব্রিটিশ ও জার্মানিরা নরওয়ে নার্ভিক বন্দরে যুদ্ধের জন্যে
আকরিক অস্ত্র লোড করা শুরু করেছিল ।
সেই দিন, নরওয়ে সৈন্যদের একটি দলকে নিরপেক্ষ প্রহরী হিসাবে নার্ভিক বন্দরে পাঠানো হয়
কিন্তু তারা জানতো না যে নরওয়ের ইতিমধ্যে নিরপেক্ষতা চুক্তি ভঙ্গ করেছে।
নার্ভিক বন্দর: হিটলারের প্রথম পরাজয়
♥ অনুবাদ ও সম্পাদনায় ♥ আব্দুল্লাহ আল মামুন
তুমি কোন গন্ধ পাচ্ছো?
হ্যাঁ, এখন পাচ্ছি!
-কি পেয়েছো? -গন্ধ।
নোনতা জলের?
আরো অন্য কিছুর।
তুমি কি গন্ধ পাচ্ছো না?
না।
তাহলে তুমি স্থানীয় নও।
এটা মূল্যবান ধাতুর। মূল্যবান ধাতু লোহার গন্ধ।
মানে টাকার গন্ধ।
সৈন্যরা, সবাই শোনো।
সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
ক্যাপ্টেন?
আজ আমার ছেলের জন্মদিন।
সবাইকে ক্যাম্পে ফিরে যেতে হবে।
কর্পোরাল, রাতের মধ্যে ফিরে আসো।
ধন্যবাদ, মেজর।
এটা ধরো।
তুমি কি ভাবে ম্যানেজ করলে?
-আমি গাধা নাকি। -আমাকে তাহলে কোন কিছু বলতে বলবে না।
বোযর্গ কে বলে দিও আমার দিনটা ভালো কেটেছে।
বোযর্গ কে তাইনা?
তুমি কি জানো, তুমি কাকে কি বলছো?
আমি আসতেছি!
আমাদের আকরিক ধাতু…
অন্য যে কোনো ধাতুর তুলনায় বেশি আয়রন রয়েছে।
এই কারণেই এটা
সারা বিশ্বে পেতে চায়।
আজ, যখন আমরা আমাদের নতুন মূল্যবান ধাতুর তৈরী জাহাজ ঘাটে উপস্থাপন করা হবে,
তখন আপনারা নিজেরাই দেখতে পাবেন যে
সেখানে সবার দেখার জন্যে যথেষ্ট পরিমাণ সুযোগ থাকবে।
আমি এটা গ্যারান্টি সহ বলতে পারি।
জার্মান এবং ইংরেজদের শিল্পের সাথে আমাদের
এখানে ছোট্ট নার্ভিক বন্দরের একটা জিনিস মিল রয়েছে।
আপনাদের সবারই কল্পনার চেয়ে
অনেক লাভবান হবেন
-এবং আমাদের বন্দর নগরীতে নিরাপত্তায় থাকবেন । - নিরাপত্তায় থাকবেন
আমাদের বন্দর নগরীতে।
আর আমরা এতেই খুশি হবো। -আর--
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এটা আমার নজরে এসেছে
যে জার্মান এবং ইংরেজ উভয়দের
জাহাজ বন্দর ছাড়ার পর
ডুবে গেছে।
এক্সকিউজ মি।
এটা আমাদের সকলকেই মর্মাহত করেছে।
যেহেতু আজ এখানে ইংরেজ ও
জার্মান উভয় কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি রয়েছেন,
তাই আমি আপনাদের কে একটা চুক্তি ব্যাপারে
আপনাদের সরকারের সাথে কথা বলতে বলবো
যেন সব রাষ্ট্রের সমস্ত জাহাজ
নিরাপদে চলাচল করার
নিশ্চয়তা দেয়।
... যাতে করে মহামূল্যবান ধাতু গুলো তারা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
ভাল কথা…
আপনার মেয়র আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসে।
রাষ্ট্রদুত উসো।
-চিয়ার্স! -আপনার ড্রিংক ভর্তি করে নিয়ে আসি।
নার্ভিকের জন্যে!
রাষ্ট্রদুত রস।
চিয়ার্স।
নার্ভিকের জন্যে!
-নার্ভিকের জন্যে! -নার্ভিকের জন্যে!
হ্যানসেন , "হাই!" বলেছিল
তাকেও, "হাই!" বলে দিও।
তোমার এখন শেষ হবে, তাই না?
শীঘ্রই হবে।
আজ আমাদেরকে শহরে বদলি করা হয়েছে।
তারা এটা কেন করলো?
যেন আমি তোমারা কাছাকাছি আসতে পারি।।
এই যে! আমাদের পরিবেশন শুরু করতে হবে।
হ্যাঁ।
সে তোমাকে দেখলে অনেক খুশি হবে।
তাই? কোথায় সে?
বাইরে, তোমার বাবার সাথে।
ইনগ্রিড?
আমাকে রাতের মধ্যেই ফিরতে হবে।
আমি কাজ শেষ না করা পর্যন্ত তুমি যেতে পারবে না।
তাহলে তাড়াতাড়ি করো।
তুমি কি রেডি?
আরো একটা দাও।
দেখো কে আসতেছে।
বাবা!
আরে। তুমি…
-তুমি তো পাঁচ বছরে অনেক ভারী হয়ে গেছো। -আমার ৬ বছর চলছে।
৬ বছর তোমার?
তারপর এটা তোমার জন্যে নিয়ে এসেছি।
রেলগাড়ীর ইঞ্জিন!
রেলগাড়ীর ইঞ্জিন!
কেমন আছো?
আমি ভালো আছি।
আমাকে বলো।
এটা কি সুন্দর দেখতে?
গুনার কি একবারে চলে এসেছে?
শুধু আজকের রাতের জন্য। তাই আমি জিজ্ঞাসা করতে এসেছি যে আমি যেতে পারি কিনা...
লন্ডনের বিশ্বস্ত সূত্র থেকে রয়টার্সকে এ তথ্য জানানো হয়েছে
যে নরওয়েজিয়ান জলে খনন কাজ এক ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়েছিল,
অন্য কারো সহযোগিতা ছাড়াই করেছে, এমনটাই তারা বলেছে। >
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমাদের সাথে ইংরেজরা আছে।
দুপুর ও রাতে ভিত্তিহীন এক খবর পাওয়া গেছে যে
নরওয়েজিয়ান উপকূলে তিনটি জার্মান জাহাজ রয়েছে।
যুদ্ধরত অবস্থায় উভয় পক্ষই অবস্থান নিয়েছে…
এই হিটলারকে কেউ না কাউকে তাকে থামাতে হবে।
এমন টাই খবর ছিল।
সে বিল্ডিং বানানো শেষ করতে চেয়েছিল। আমি তার দিকে খেয়ালে করিনি।
আমি ওলেকে নিয়ে বিছানায় যাচ্ছি।
ধন্যবাদ।
-গুড নাইট। -গুড নাইট।
গুড নাইট।
যাইহোক, যেমনটা আমি ইনগ্রিডকে বলেছিলাম,
আমি খুব খুশি যে একটা দ্বিতল বিছানা তৈরী করতে পেরে।
শুভ রাত্রি, বাবা।
-শুভ রাত্রি। -শুভ রাত্রি।
হেই।
আমাকে চলে যেতে হবে
- আধা ঘন্টার মধ্যে। -আমি জানি।
আমি জানি। আমাদের হাতে অনেক সময় আছে।
সে তো বলেই গেল দ্বিতল বিছানার ব্যাপারে।
গান্নার?
-তুমি কি কিছু শুনতে পেলে? -না।
না। আমি এখন কতটা প্যারার মধ্যে আছি তা তোমার কোন ধারণা নেই।
চার ঘণ্টা আগে আমার সেখান থাকা উচিত ছিল।
তুমি আমার দোষ দিতে পারো।
- আবার কবে আসবে? -আজ রাতে।
যদি না আমাকে গ্রেফতার করা হয়।
আই লাভ ইউ।
নিজের যত্ন নিও।
কর্নেল, স্যার।
তোমার কাছে অস্ত্র নাই কেন?
আমি …
আমি ছুটিতে এসেছি।
শুধু কি আমারে এই শহরকে রক্ষা করার কথা?
আমাদের জাহাজ ডুবে গেছে।
নাবিকরা বন্দর জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
আজ রাতে জার্মান যুদ্ধজাহাজ অসলোফজর্ড দুর্গ অতিক্রম করেছে
দুর্গের আঘাত করার পর,
তারা সামনে এগিয়ে চলছে।
জার্মান যুদ্ধজাহাজও দুর্গের সাথে যুদ্ধ করার সময়,
বার্গেন শহরে প্রবেশ করেছে, যা এখন দখলে নেওয়া হয়েছে।
একটা জাহাজ নার্ভিক বন্দরে প্রবেশ করেছে,
সম্ভবত নরওয়ের জাহাজের সাথে যুদ্ধের পরে,
তারা একটা ছোট শক্তি প্রয়োগ করেছিল।
আর কোন বিস্তারিত নেই।
সত্যিই কি জাহাজ ডুবে গেছে?
-মাগনে? আমার অস্ত্র ব্যাগ কোথায়? -কি?
আমার অস্ত্র ব্যাগ কোথায়?
ক্যাম্পে গিয়ে দেখো।
পজিশনে নিয়ে আছি এখন শুধু আপনার আদেশের অপেক্ষায়।
সরে যাও!
নাহলে আমরা গুলি করবো!
এই ভাবে বললে তো হবে না!
-তুমি কই যাইতেছো? - আপনার সাথে যাচ্ছি।
না! আমি একাই পারবো।
সবাই একসাথে ধরে রাখো।
এতো গুলো মানুষের মৃত্যু।
এটা কি সত্যিই প্রয়োজন ছিল?
আমরা জাহাজ গুলোকে সতর্ক করেছিলাম।
তারা আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকার করেছিল।
নরওয়ের প্রতিটি শহরে আমাদের নিয়ন্ত্রনে নেওয়া আছে।
আপনি দাঁড়ানোর কোন সুযোগে পাবেন না।
আমি জেনেছিলাম যে আপনি নাকি…
একটা চুক্তি গ্রহণ করেছেন। নাকি আমি ভুল বুঝেছিলাম?
আমাকে এটা দাও।
আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না।
পিছনে সরে যাও!
কর্নেল, ওরা সীমানা লঙ্ঘন করছে...
আমি এই শহরকে টুকরো
টুকরো করে দিতে পারি না।
তাহলে আমরা কি যুদ্ধ করছি না?
আমরা কি তাদেরকে এটা দখল করতে দিচ্ছি?
আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি?
ঠিক আছে। বাম দিক দিয়ে চলো, ছেলেরা।
আমরা কি ক্যাম্পে ফিরে যাচ্ছি না?
কারো জন্যে এক বিন্দু ছাড় নয়।
আমরা না?
কি হচ্ছে এসব?
আমি বাড়ি যাচ্ছি।
তুমি কোথায় যাচ্ছো?
তুমি কি জানো জার্মানরা যুদ্ধ বন্দিদের সাথে কি করে?
তাদের গুলি করে হত্যা করে।
ম্যাগনে !
তুমি এটা কি করছো?
তুমি একজন সৈনিক, ধুর শালা।
সে একা! তাকে অন্যদের সাথে রাখো!
সে একা! তাকে অন্যদের সাথে রাখো!
নিচে নিয়ে যাও!
রিসেপশন ডেস্কে!
যেতে থাকো!
-বের হও! -চলো, তাড়াতাড়ি!
এ দিকে দিয়ে।
No comments yet. Be the first to leave one.