105 rreshtat e parë.
: : : অনুবাদ ও সম্পাদনায় : : : . . . ওমর ফারুক . . .
এই, বেরিয়ে আয়!
বেরিয়ে আয় বলছি!
গর্ত থেকে বেরিয়ে আয় ইঁদুরের দল!
১২৭৪ সালের শরতে,
কুবলাই খান জাপান দখলের চেষ্টা করে।
কিন্তু এক প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় তার মঙ্গোলীয় নৌবহর ধ্বংস করে দেয়।
সাত বছর পর, খান আবার ফিরে আসে।
১২৮১ সালের ১৫ই আগস্ট,
হাকাতা উপসাগরে যখন তার বাহিনী প্রস্তুত হচ্ছিল,
তখন সামুরাইদের ছোট ছোট দল সমুদ্রে নেমে পড়ে।
সেটা ছিল এক আত্মঘাতী অভিযান, যার লক্ষ্য ছিল একটাই...
যত বেশি সম্ভব শত্রু নিধন করা।
ঠিক তখনই, আরও একটি ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসে।
যা খানের দ্বিতীয় প্রচেষ্টাকেও গুঁড়িয়ে দেয়।
ওটা ছিল এক আশীর্বাদ... ঈশ্বরের পাঠানো উপহার।
সেই ঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছিল...
"কামিকাজে"
"প্রথম অধ্যায়: ঝড়ের আগের নিস্তব্ধতা।"
দাঁড়াও!
"সামুরাই জলদস্যুদের থেকে সাবধান"
আমি এত উঁচুতে থাকতে চাই না। তোমার সাথে নিচে থাকতে চাই।
আপনি উঁচুতে থাকলে, তবেই আপনাকে নিশ্চিন্তে রক্ষা করতে পারব।
বাবার সেই কথাটা মনে নেই?...
- "উঁচু জায়গাই যুদ্ধের জন্য সেরা।" - উঁচু জায়গাই যুদ্ধের জন্য সেরা।
তাছাড়া, সিংহাসন পাতার জন্য এটাই সেরা জায়গা, প্রভু কিতারো।
ঠিক বলেছ। এখান থেকে আমি ওদের দেখতে পাব,
যারা আমাদের জমি তছনছ করছে। দারুণ বুদ্ধি, সেনাপতি ইওশি।
ধন্যবাদ, আমার প্রভু।
সেনাপতি ইওশি?
আদেশ করুন, প্রভু?
ওই শয়তান ইঁদুরগুলোকে খুঁজে পেলে,
কী শাস্তি দেওয়া হবে?
ওদের শাস্তি? বরাবর যা শাস্তি দেওয়া হয়, প্রভু কিতারো।
সোজা গর্দান নেওয়া হবে!
ইওশি?
কিতারো?
বরফের মধ্যে খালি পায়ে হেঁটো না!
তুমি বড্ড দুষ্টু।
আমি সবসময় আছি তোমার সাথে।
তোমার হাতটা তো ভীষণ ঠান্ডা।
তবে ভয়ের কিছু নেই।
আমি সবসময় আছি তোমার সাথে, এবং ভবিষ্যতেও থাকব।
আমি চাই তুমি আমার দিকে এভাবেই তাকিয়ে থাকো... অনন্তকাল ধরে।
শুনতে পাচ্ছি তোমাকে।
আমি জানি তুমি কে।
প্লিজ।
আমি দেখেছি তোমাকে।
তোমার অনেকগুলো রূপ আমি দেখেছি।
তোমার হাসিটা আমার চেনা আছে।
তুমি কেন ফিসফিস করো, তাও জানি।
আমার দিকে তাকাও,
তোমার ওই মায়াবী চোখ দিয়ে।
ওকে ধাওয়া করো!
পাথরের বুকে বজ্রধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
জীবনের নিষ্ঠুর সব স্মৃতি।
ঝড়ের ঠিক মাঝখানে,
আমার এই অতৃপ্ত আত্মা।
আমার সাথে এসো।
ওসব নিয়ে একদম ভেবো না।
ওসব ভুলে যাও, প্রিয়তমা।
বিষয়টা এত সহজ না।
সহজ, তোমাকে শুধু নাচতে হবে।
তুমি তো জানো আমি নাচতে পারি না।
অবশ্যই পারো।
সবাই নাচতে পারে।
সবাই।
বছরের পর বছর ধরে...
যন্ত্রণাই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
এক অবিরাম স্রোত...
হারানোর আর আক্ষেপের।
এক অসীম ভার...
প্রচণ্ড ক্ষোভের।
মৃত্যুর সময় ভালোবাসাই আমার সঙ্গী হোক।
পরাজয় স্বীকারের সেই অমর শ্বাস।
"দ্বিতীয় অধ্যায়: ঐশ্বরিক ঝড়"
আমরা তোকে থামিয়েছি।
তোর নিজের হাত থেকেই তোকে বাঁচিয়েছি।
তুই কোনো যোদ্ধাই না।
তোর গায়ে সে জোর নেই।
এখন তুই আমার সম্পত্তি।
বাকি আহাম্মকগুলোর যা দশা হয়েছে, তোরও তাই হবে!
পালানোর কোনো পথ নেই...
আমার পেটে হজম হওয়া ছাড়া।
এই যে ছোকরা...
তুমি ঠিক আছো?
আমাকে একটা কারণ দেখা, তোকে না মারার।
দেখো, আমাদের জন্য কীসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
চমৎকার!
দারুণ!
নে। খা।
এটা তোর জন্য।
ভয় পাস না।
ভয় নেই।
এটা খা।
তোকে মারার ইচ্ছে থাকলে, এতক্ষণে মেরেই ফেলতাম।
তোর ক্ষতগুলো পরিষ্কার করে দিলে আপত্তি আছে?
তোর শরীরের গড়ন তো বেশ ভালো।
তোর শরীর বেশ দ্রুত সেরে উঠছে।
এটা খুবই ভালো লক্ষণ...
এই উপহারের জন্য ধন্যবাদ।
নিস্তব্ধতা উপভোগ করছিস?
বুঝলাম, বুঝলাম...
দেখি এই জংলি শুয়োরটা,
কতক্ষণ চুপ করে থাকতে পারে!
No comments yet. Be the first to leave one.