200 rreshtat e parë.
সিজুট্টান, গানটার পরের লাইন কি রে?
জানি না।
এই প্রথম গানটা শুনছি।
সিরিয়াসলি, ভাই?
এটা কি ত্রিশুরের জাতীয় সঙ্গীত?
যদি কেউ ত্রিশুরে আসে,
একবার ভাদাকুমনাথন মন্দিরে না গিয়ে পারবে না। এটা সত্যি।
হ্যাঁ, ঠিক!
যখন তারা এই রাউন্ডে পৌঁছাবে,
এমনকি যারা পথ চেনে, তারাও একবার হারিয়ে যেতে পারে।
তাই না?
এই, ডন...কোনটা বেশি লম্বা, পুথানপল্লী নাকি লর্ডেস গির্জা?
নিশ্চিতভাবেই পুথানপল্লী।
জানিস, এটা ভারতের সবচেয়ে উঁচু গির্জা?
এটার উপরে দাঁড়ালে, বিশ্বের সবকিছু দেখতে পারবি!
শ্বাসরুদ্ধকর!
একদিন এর উপরে চড়বো।
দারুণ হবে!
পাউলেট্টান, এই পাংচারটা সারাতে পারবে?
এই, ডন!
সিজুট্টান !
পাংচারটা সারা।
নিজে করো।
একজন প্রধান মেকানিককে দিয়ে, পাংচার সারাচ্ছো,
ঘর মোছাচ্ছো,
টয়লেট পরিষ্কার করাচ্ছো...
কি নাটক মারাচ্ছো, পাউলেট্টান?
তো, তুই হাগলে আমি পরিস্কার করবো নাকি?
তাই করা উচিৎ।
নিয়োগকর্তা বা শ্রমিক, যেই হোক না কেন,
কাজ কাজ-ই।
গ্রাহক এবং শ্রমিকদের সাথে একইরকম ব্যবহার করা উচিৎ।
প্রশ্নই নেই।
আরে, যাওয়ার আগে এটা মেরামত কর।
পাউলেট্টান ! আমরা আজ ছুটিতে আছি।
ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এখনো পর্যন্ত কাজ করেছি।
আরে, বাবু...
অন্য দোকান থেকে এটা সারিয়ে নিয়ে এসো।
তাহলে দোকান খুলে রেখেছো কেন?
বন্ধ করে দিচ্ছো না কেন? ঝামেলা করার জন্য নাকি!
আরে, ডন!
সত্যিই পাঁচ দিন আসবি না নাকি?
নাকি কালই এসে হাজির হবি?
এখানে ক্রীতদাসের মতো কাজ করে, মাত্র ২০,০০০ টাকা পাই।
যদি এর চেয়ে ভালো চাকরি পাই, আর ফিরে আসবো না, পাউলেট্টান।
যখন তোরা তোদের সব বকেয়া বেতন চেয়েছিলিস,
সব দিয়ে দিয়েছিলাম।
থাকিস বা না থাকিস, আর ফুটো কড়িও দেবো না।
এই, বাচ্চা! ওই দোকানটা খোলা নেই।
মোড়ে একটা দোকান আছে। সেখান থেকে সারিয়ে নে।
নিজের চরকায় তেল দাও! অন্য কোথাও থেকে সারিয়ে নেবো।
- ফালতু জ্ঞান মারাতে এসছে! - আজকালকার বাচ্চারা!
তাদের কিছু বলাই যায় না!
বলার দরকার কি?
মাথা ভেঙে দে শালার!
আবুকা, ব্যবসা কেমন চলছে?
- খুবই খারাপ! - তাই নাকি?
শুনে খুশি হয়েছেন, তাই না?
ব্যবসা দারুণ চলছে।
গানটা কোন সিনেমার?
সিনেমার গান নয়, এটা রিংটোন।
কোথায় তুমি?
কতক্ষণ ধরে ফোন করছি?
ফোন ধরো।
- এই! - কথা বলতে দাও, সুরেশেত্তা।
তুমি একা কথা বললে, হবে কি করে?
জমিটা বিক্রির জন্য আছে, তাই না?
আমার জমিতে পাবলিক টয়লেট বানাবো,
তবুও জোশিকে দেবো না।
লিখে নিতে পারো, জোশিকে দেবো না।
আমার নাম সুরেশ মাদায়ক্কান!
- বুঝতে পেরেছো? - আমার কথা শোনো, ভাই!
এই বিষয়ে আমাকে আর ফোন করবে না।
আর কোনো আলোচনা হবে না। ফোন রাখো!
'তুমি এত জেদী কেন?'
- সমীর, একটা চা। - একটা মাঝারি কড়া।
জমির সমস্যা এখনো মেটে নি, সুরেশেট্টান?
কিভাবে হবে?
মানুষ এটা বিনামূল্যে চায়।
গিরির সঙ্গে আলোচনা করেছি। দেখা যাক।
সমীর !
এক গ্লাস দুধ আর চা।
- আরে, বড়া নেবে না? - না, ইক্কা।
বাবা, একটা বড়া খাবো।
সমীর, চাটনি-ও দাও।
- দেবো। - আমার চাটনি চাই না।
- কিন্তু আমার চাই। - তুমি তো বললে না, খাবে না, মা?
- আরে, কুরুভিলা! - শুধু মা খাচ্ছে।
তোমাকে যা বলেছিলাম, গিরিকে বলতে পারবে? এটা ভীষণ জরুরী।
গিরি এলে, আমি কথা বলবো।
- ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
- গিরিয়েট্টান আসেনি? - আসবে।
সমীর, কত হয়েছে?
৩০০।
৩০০।
ব্যালেন্স...
ওহ, হ্যাঁ!
এই, অনিলা!
এনাকে চেনো?
'আমিত্তু' শিবু!
পেরিঙ্গাভু মন্দির উৎসবের সময়,
প্রায় ৫০০ 'আমিত্তু' পটাকা ফাটাবার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল।
কিন্তু সে সবগুলো একসাথে ফাটিয়ে দিয়েছিল...
কেন জানো?
তার চলে যাবার তাড়া ছিল।
- তাই না? - হ্যাঁ।
তোমার বাবা সরকারী কর্মচারী ছিলেন, তাই না?
সুতরাং, স্নাতক হলে তুমি তার চাকরি পাবে।
- হ্যাঁ। - কাঁচকলা পাবে!
গাধা কোথাকার!
যদি তোমাকে আরো দুটো কেসে অভিযুক্ত করি,
গ্যাংস্টারের তালিকায় থাকবে।
কোনোদিন মেয়ে, চাকরি বা পাসপোর্ট জুটবে না।
সমস্ত নথিপত্র সহ, আগামীকাল সকালে এখানে অবশ্যই উপস্থিত থাকবে।
বুঝতে পেরেছো?
স্যার, কখন খুলবে?
- কি? - থানা।
সরে যাও!
কেরালায় শিক্ষানবিশী ছিলেন, তাই না?
- সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত, স্যার।
দেরী হওয়ার জন্য দুঃখিত।
- কল্যাণীর সাথে দেখা করো নি? - হ্যাঁ, স্যার।
আইপিএস প্রশিক্ষণার্থী হিসাবে নিজের শহরে পোস্টিং পেতে হলে,
যথেষ্ট প্রভাবশালী হতে হবে, তাই না?
এইরকম কোনো ব্যাপার নয়, স্যার।
ত্রিশুর আমার পছন্দ বলেছিলাম।
স্যার, ম্যাডাম এখানকার নামকরা মঙ্গলথ পরিবারের সদস্যা।
ঠিক আছে।
গতকাল আইজির সাথে সিদ্দিকী আর আমার বৈঠক ছিল।
আগে যেসব গ্যাংস্টারদের নাম শোনা যেত...
তারা, ত্রিবান্দ্রম বা কোচির বাসিন্দা ছিলেন।
কিন্তু এখন যেসব নতুন নাম শোনা যাচ্ছে...
তারা ত্রিশুর থেকে এসেছে।
এটা সিস্টেমের ব্যর্থতা, বলছি না।
কিন্তু, পুলিশের সমর্থন ছাড়া, কোন গুন্ডার দাপট টিকতে পারে না।
অনেক কিশোর...
এতে আকৃষ্ট হচ্ছে।
এটা ভবিষ্যতে আমাদের ক্ষতি করবে।
সরকারের তরফ থেকে পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
এখানে কারা কারা সক্রিয়?
অনেক গ্রুপ আছে, স্যার।
একজন আছে... ওয়ারেন্ট ডেভি।
তার নামে অধিকাংশ ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে।
তার সাথে প্রায় ৪০০জন ছেলে আছে, স্যার।
স্যার, যতটা দাবী করা হয়, তত অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ডেভি জড়িত নয়।
স্যার, গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী,
সে এখনও বিভিন্ন চুক্তি এবং বন্দোবস্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
আটকাবার চেষ্টা করলে, আমাদের ট্রান্সফার করা হয়।
স্যার, বাইরে থেকে ডেভিডকে অনেকেই সমর্থন করে।
ডেভি একা নয়।
তারা একটা দল, স্যার।
তাদের চাইতে কেরালা পুলিশের টীম কি বড় নয়?
আমাকে সমর্থন করো বা না করো,
আমার দায়িত্ব পালন করবোই, ঠিক আছে?
আশা করি, সবাই বুঝতে পেরেছো।
হ্যালো।
বেশ ভালো খেতে।
টনিকের মত স্বাদ।
আমাকে দে।
তোকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, খাবি কিনা?
এই নে।
হ্যালো!
বেবি!
বাইক চালাচ্ছিলাম। কল দেখতে পাই নি।
দুঃখিত!
এই, দুঃখিত!
দুঃখিত, দুঃখিত, দুঃখিত...
দুঃখিত...
অত্যন্ত দুঃখিত। কাজে আটকা পড়েছিলাম।
এখনো পৌঁছাই নি।
এক ঘণ্টা সময় লাগবে।
এরপর থেকে সবসময় আমার সোনার সাথে থাকবোই।
তোমাকে ফোন করবো।
সে আমাকে খুব ভালোবাসে।
- খেয়ে ফেলেছিস? - জলটা ধর।
আইসক্রিম খেয়ে ফেলেছিস, তাই না? নিজে ধর।
আবার জল চাইতে আয়!
মন খারাপ করিস না, সিজুট্টান। পুরোটাই খেতে পারিস।
সুরেশেট্টান, কথা বলা দরকার।
কি ব্যাপারে?
জোশেট্টানের সাথে জমির চুক্তির বিষয়ে কোনো সমঝোতায় আসতে পারেন না?
অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা পাকাচ্ছেন কেন?
- তুমি কে? - এটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
জোশেট্টান খুব রেগে গেছেন।
তাকে এটা না দিলে, আপনাকে মূল্য চোকাতে হবে।
আরে, নিজেকে হনু ভাবছো নাকি!
যদি আমার পথ আটকে, জোশির কাছে আমার জমি বিক্রি করতে বলো,
মনে হয়, আমি এটা করবো?
এইসব অনেক আগেই ছেড়ে দিয়েছি।
জোশি যদি মনে করে, সে আমাকে বাধ্য করবে,
কিভাবে, সেটা দেখতে চাইবো।
দেখার কিছু নেই, ভাই!
এইভাবে মূল্য চোকাবেন।
'পানি'
এই এটিএম...
কিছুক্ষণ হল, এই এটিএম কাজ করছে না, চেচি।
- অপর প্রান্তে আরেকটা আছে। - ওহ! ভুলে গেছিলাম।
সিজুট্টান !
সিজুট্টান !
সব ঠিক আছে?
No comments yet. Be the first to leave one.