174 rreshtat e parë.
হেই ইজুমি।
তুমি কি ওই ঘটনার ব্যাপারে শুনেছিলে...
পাশের শহরে যে মেয়েটা খুন হয়েছে?
হ্যাঁ, শুনেছিলাম!
অনলাইনে এটা ছড়িয়ে পড়েছে!
শুনেছি তুমিই তাকে প্রথম খুঁজে পেয়েছিলে ইজুমি!
হেই,আকিহো!
ঠিক আছো?
হ্যাঁ।
তুমি?
আমিও ঠিক আছি।
তাহলে...
হ্যাঁ...
ওইদিন আমরা মুভি দেখতে যাবার প্ল্যান করেছিলাম। কিন্তু...
এত খারাপ ঘটনা ঘটা সত্যিই ভয়াবহ।
হ্যা।
খাবার গ্রহণের জন্য এতগুলো জায়গা নির্বাচিত পরেও
সে ইচ্ছাকৃতভাবেই মনোনীত স্থানের বাইরে খেতে গিয়েছিল।
এবং খুন হয়।
প্রকৃতপক্ষেই একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।
সে ক্ষুধার তাৎক্ষণিকতায় হিতজ্ঞান হয়ে
নিজের জাতির একজনের সাথেই বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিল।
পশুদের মতোই স্বার্থপর।
সে মারা যাওয়ায় খুশিই হয়েছি।
এটা এতোটা সহজ না।
শেষমেষ আমরা মানব জাতিকে আবারো একটি নমুনা দিয়েছি,
আর অপরাধীর এখনো বেরিয়ে আসা বাকী।
এটা কি কোন মানুষের কাজ?
অবশ্যই।
এটা সে যে আমাদের আরেকজনকে মেরেছিল।
সে ছেলেটি যে মৃত মেয়েটিকে খুঁজে পেয়েছিলো।
শিনিচি ইজুমি।
খুব সম্ভবত সে তার বন্ধুকে খুন হতে দেখে আক্রমণ করে।
"বন্ধু"?
"আক্রমণ"?
তার মস্তিষ্ক কি এখনো মানুষের?
হ্যাঁ।
তার ব্রেইন অক্ষত রয়েছে,
আর সে তার প্যারাসাইটকে নিয়েই চলছে।
বলতে পারো,সে খুবই ভালো এক নমুনা।
নমুনা,হাহ?
মনে তো হচ্ছে সে আমাদের জন্য এক আতংক।
আমি আমাদের সবার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করছি।
আমি তোমাদেরকে আমার এই প্রচেষ্টা বিবেচনা করতে বলছি।
খুব ভালো।
আমি ছেলেটির ব্যাপার তোমার হাতে ছেড়ে দিচ্ছি।
যাইহোক তামুরা,
তোমার বাচ্চার কী অবস্থা?
এটা নরমাল মানুষের মতোই,
যদিও আমি ওকে মানুষের সহায়তায় বড় করছি.
ওহ, সোনা.
কাঁদে না.
কী হলো তোমার ?
আমি তো ডায়পার বদলে দিয়েছিলাম।
আয় আয় চাঁদমামা।
ওহ, তোমার মা চলে এসেছে।
হ্যালো, বাসায় স্বাগতম।
থামো।
আমি এটাকে ভালোই প্রশিক্ষণ দিয়েছি, তাই না ?
কী ?
সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ।
আগামীকাল আবার আসবেন প্লিজ।
অবশ্যই।
এখন যাচ্ছি, তাহলে !
এক্সপেরিমেন্ট চালানোর জন্য...
আগে এটাকে বড়ো হতে দিতে হবে।
আমি এক সপ্তাহ তদন্ত চালালাম,
কিন্তু বিশেষ কিছু পেলাম না।
কৌতুহলের বিষয় হলো ওর মাকে পাওয়া যাচ্ছে না,
আর স্কুলের একটা মেয়েকে খুন হতে দেখেছে,
কিন্তু ও আসলে একটা সাধারণ হাইস্কুল ছাত্র।
হ্যাঁ, ওটা ঠিক।
আমি বুঝেছি.
তদন্ত চালিয়ে যাও প্লিজ।
সাধারণ হাইস্কুল ছাত্র, হাহ ?
মানুষের উপলব্ধি করার ক্ষমতা খুবই কম.
তবে কিছু কিছু কাজ শুধু মানুষই করতে পারে।
“Shimada Hideo” ব্যবহার করে আমি ওকে পরীক্ষা করতে পারব না...
কিন্তু হয়তো আমি অন্য কিছু দিয়ে চেষ্টা করব।
ইজুমি শিনিচি, ঠিক ?
তোদের কে পাঠিয়েছে ?
এক-একটা মহিলা...
একটা মহিলা ?
নাম কি মহিলার ?
জানি না।
এই প্রথম তার সাথে দেখা হলো।
এটাই সত্য !
ইয়ো.
কামিজো.
সকাল সকাল এতো মন খারাপ কেন ?
মন খারাপ না।
গার্লফ্রেন্ডের সাথে কেমন চলছে ?
মানে ?
না জানার ভান করিস না।
তুই জানিস আমি কী বলছি।
বাদ দে !
এসব কিছু চলছে না।
ইয়ার্কি মারিস না।
আমি এটার সাথে নিজেকে জড়াতে চাই না,
কিন্তু তু্ই তো ইজুমি-কুনের ব্যাপারে শুনেছিস, ঠিক ?
হাহ ?
আমি শুনেছি ও সবার আগে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া খুনের ব্যাপারে জানতে পেরেছিল,
আর ও ওই খুন হওয়া মেয়েকে চিনতো।
হ্যাঁ, আমি জানি।
সমস্যা কী ?
তোর ভাই কি কিছু বলেছে ?
না, আসলে।
ব্যাপার হলো, এতকিছু ঘটে যাওয়ার পরেও,
ও খুবই শান্ত আছে।
ও খুবই স্বাভাবিক আচরণ করছে।
শুভ সকাল।
বাই, সাতোমি।
সমস্যা কী ওর ?
কিছুনা।
ওই সময় যখন ও আমার জীবন বাঁচিয়েছিল,
ও খুবই শান্ত আর শক্ত ছিল।
মনে হচ্ছিল যেন ও অন্য কেউ।
কিন্তু ওর আর কানার মাঝে সত্যিই কি কিছু চলছিল না ?
না, এটা তো মূল বিষয় না,
এমনকি যদি কিছু না চলেও থাকে,
ও কি একটু বেশিই মন খারাপ করছে না ?
মুরানো ?
সরি, আমার কিছু সামলাতে হবে।
হাহ ? আহ...
ও কত দ্রুত চলতে পারে...
সেটা অবশ্যই অবাক করা বিষয়।
আমার বিশ্বাস হয় না ও মানুষ।
আর ?
অন্য কিছু কি খেয়াল করেছিলে ?
অন্য কিছু মানে ?
অপ্রাকৃতিক কোনোকিছু কি হয়েছিল ?
ওর ডান হাত কি বিশেষভাবে নড়তে দেখেছিলে, উদাহরণস্বরূপ ?
ভেবে দেখি মনে করতে পারি কিনা...
না, আসলে তেমন কিছুই হয়নি।
তো কিছু অন্য নির্দিষ্ট কোনো পরিবর্তন ঘটেছে।
আমি ভাবছি সমস্যা কী।
হয়তো কানার সাথে যা হয়েছে সেটা মুরানো মানতে পারছে না,
হ্যাঁ, অবশ্যই এটা হয়েছে।
এটা না হওয়াটাই অদ্ভুত।
যা হয়েছে বিবেচনা করলে,
আমি এই ব্যাপারে মন খারাপ করে থেকে অদ্ভুত আচরণ করেছি।
এটা স্বাভাবিক না।
তুমি এখন কী করবে ?
তুমি পুরোপুরি একজন মানুষ।
তুমি আমার বা আমার প্রজাতির মতো না।
তোমার কথা শুনো আমার নিজের উপর আত্মবিশ্বাস আরো কমে গেছে।
যাইহোক, আমাদের কথাবার্তার ফলে কিছুটা গোলমাল করার মতো শব্দ হচ্ছে।
এর চেয়ে জোরে কথা বললে,
তোমার বাবা এই শব্দ শুনে সন্দেহ করবে।
বাবা,
আমি একটু বাইরে যাচ্ছি।
বাইরে বেশিক্ষণ থাকিস না।
ওকে.
এতো রাতে ও কোথায় যাচ্ছে ?
যদি আমি স্মরণ করি,
এই শহরে ওই মেয়েটা খুন হয়েছিল.
ভিক্টিমকে খুঁজে পাওয়া প্রথম ব্যক্তি কেন
ক্রাইম সিনে ফিরে যাচ্ছে ?
এখানে কিছু তো একটা চলছে.
আজ সকালে ও যা করেছে...
আর ও এখন যা করছে,
সেই হিসাবে ইজুমি শিনিচির বড়ো একটা সিক্রেট আছে !
শিনিচি, আমরা কেন এখানে এসেছি ?
আমি এটা ঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারব না,
কিন্তু আমি মনে করি এটা সত্য যে...
আমি এখন যন্ত্রণাদায়ক আর দুঃখজনক বিষয় তাড়াতাড়ি ভুলে যাচ্ছি.
আর এটা কি ভুল কিছু ?
আমি আগে এমন ছিলাম না.
আমি আগে ছোট কিছুতে ভয় পেয়ে যেতাম,
আর সমসময় চিন্তায় থাকতাম...
আমি সেটাকে সময় নষ্ট বলি.
আমি সেটা বুঝাতে চাইনি !
ও কার সাথে কথা বলছে ?
নিজের সাথে ?
No comments yet. Be the first to leave one.