200 rreshtat e parë.
• • • বাংলা অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ • • • 🌻 রেফায়া সাদ ও সোহাগ শুভ 🌻
কাজটি ভালো লেগে থাকলে চাইলে ডোনেট করতে পারেন Bkash/Nagad: 01717933540
শোনো! শোনো! শোনো!
আজ মহাপূজার উৎসব শুরু হবে।
গতবারের মত মহাপূজার আরতি
এবারও নারী ভক্তদের দ্বারা
অনুষ্ঠিত হবে।
আর পুরুষদের প্রতি অনুরোধ
যে শাঁখ বাজিয়ে
বাচ্চাদের ও নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
সকল মহিলাদের লাল শাড়ি
পরে মন্দিরে আসার জন্য
অনুরোধ করা হলো।
রুদ্র ভাই?
কি হয়েছে!! গতকাল একটু বেশি হয়ে গিয়েছিল নাকি?
বমি করছ যে?
জ্ঞান।
ভেতর থেকে কিছু জ্ঞান বের করে দিচ্ছি!
জ্ঞান বেশি হয়ে গেলে এমনটা করা লাগে!
তুমি কেন এসেছো?
পূজার সময়কার চিঠি।
সাফসুতরা করার সময় আজ পেলাম।
বাহ! কি দ্রুতগতির সার্ভিস!
পূজার সময়কার চিঠি,
মহাপূজাতে এসে বিলি করে যাচ্ছো?!
কে পাঠিয়েছে?
ওটাই তো ভাবছি যে তোমাকে আবার কে চিঠি....
- মনে হচ্ছে প্রেম পত্র? - এমনটা কেন মনে হলো?
দেখ কেমন নকশা করা। আবার ফুল আঁকা।
এখানে উর্দুতেও কিছু লিখা আছে। বুঝতে পারছি না কি লেখা।
উর্দু পড়তে জানো না, হাহ?
অশিক্ষিত কোথাকার!
ব্যক্তিগত এবং গোপনীয়।
শুধুমাত্র জনাব রুদ্রের জন্য।
মনে হচ্ছে শামা পাঠিয়েছে।
আরে খুলেন না, দেখি না কি লিখেছে!
তুমিই পড়ো না?
নাহ, উর্দু পড়তে পারি না।
আরেকজনের প্রেমপত্র পড়া উচিতও না।
উত্তেজিত হয়ো না।
ইমেইলের যুগে এখনো চিঠি নিয়ে ঘুরছো!
কিছুদিনের মাঝেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে!
যাও এখান থেকে।
এই সমস্যা ছোট শহরে,
সবাই একজন আরেকজনের চিঠি পড়তে চায়।
উস্কানিদাতার দল!
হাহ?
ভিকি?
হাই।
ভিকি!
হাই!
তুমি? সত্যিই তুমি?
হ্যাঁ, সত্যিই আমি।
ভেবেছিলাম তুমি...
কতদিন পর এলে।
তোমাকে অনেক মিস করেছি।
মাঝে মাঝে দেরি করে আসাটাই ভালো।
ঠিক, ঠিক, ঠিক!
তুমি...
সবসময় একই জামা পরে আসো।
হ্যাঁ।
চিন্তা নাই, তোমাকে নতুন একটা বানিয়ে দেব।
মাত্র ৩১ মিনিটে।
কিন্তু আমার মাপ তো বদলে গেছে।
আরেকবার নিতে চাইলে নিতে পারো।
পারফেক্ট!
নাহ, তুমি সামনে আসলেই সবসময় গুবলেট পাকিয়ে ফেলি!
তুমি ফিতা ছাড়াই মেপে নাও!
- নেব? - নাও।
ঠিক আছে, নিয়ে নিচ্ছি!
মদ খেয়ে এসেছ?
এভাবে তো তোমাকে কখনো...
এখন দেখা যাচ্ছে?
আরেকটা থাপ্পড় মারবো?
কিভাবে আমার শরীরে হাতাহাতি করছিলে,
ব্লাউজ সেলাই করবে আমার জন্য?
আর না থামালে তো চুম্মা পর্যন্ত দিয়ে দিত!
আরে, আমি....
কি হচ্ছে, ভিকি?
- আসলে আমি... - আরে আমার চান্দেরীর দেবদাস!
এভাবে স্বপ্ন দেখতে থাকলে তো স্বপ্নদোষ পর্যন্ত হবে না!
সং সেজে এখানে বসে বসে ওর অপেক্ষা করো,
কিন্তু ও কখনোই আসবে না।
ও একটা ছায়া, একটা মায়া ছিল!
- ঠিক আছে, রুদ্র ভাইয়া, যথেষ্ট হয়েছে। - ব্যাস!
হ্যাঁ বাস থেকেই তো গায়েব হয়ে গিয়েছিল!
ওর ব্যাপারে আর একটা শব্দও শুনতে চাই না বলে দিলাম।
যাইহোক, সাতসকালে কেন এসেছ?
কেন এসেছি?
ও হ্যাঁ, এটা দেখাতে।
এটা দেখ।
- চান্দেরী পুরাণ? - হ্যাঁ।
চান্দেরী পুরাণের কিছু ছেড়া পাতা।
কেউ কয়েকমাস আগে পাঠিয়েছিল।
পোস্টম্যান আজ এসে দিয়ে গেছে।
স্ত্রী বেশ্যা ছিল।
ওর এক প্রেমিক ছিল।
এগুলো তো আগে থেকেই জানা।
কিন্তু এটা জানতাম না।
এটাও ছিল চিঠিতে।
ও আসবে।
হ্যাঁ।
কে আসছে?
সেটাই তো জানি না।
কে আসছে?
- ও আসবে? - আর এটাও জানি না
চান্দেরী পুরাণের পাতা,
কে ছিড়েছে, কেন ছিড়েছে
আর এতদিন পর কেনইবা পাঠালো।
এর পিছনে নিশ্চয়ই কোন গোপন চক্রান্ত আছে।
সম্ভবত কেউ আমাদের সর্তক করে দিচ্ছে।
- রুদ্র ভাইয়া? - হুম?
ওই অধ্যায় খতম, ওকে?
নতুন কিছু খোঁজ।
আর দয়া করে সকাল বেলা ব্রাশ করে আসবে।
এভাবে রামের (মদের) সুগন্ধী লাগিয়ে আসবে না!
ও আসবে।
শোন, বাবা,
ভবিষ্যতের কথা কিছু ভাবলি?
এখানকার মেয়েরা সব আধুনিক হয়ে গেছে।
এক এক করে এই শহর ছেড়ে বড় শহরে চলে যাচ্ছে।
জানি, বাবা।
নিজের ভালোর জন্য চলে যাচ্ছে তো আমি কি করবো?
এমন যাতে না হয় যে তোর জন্য একটা মেয়েও থাকলো না?
না থাকলে থাকবে না।
আমার কিছু যায় আসে না।
আরে কি বলছিস এসব?
অবশ্যই, যায় আসে!
শোন। দাঁড়া!
পার্থক্য থাকা চাই, বাবা!
বস।
- আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে, বাবা। - এক মিনিট বস।
তোকে বলেছিলাম না, যৌবনে আমাদের
দেহে প্রাণরসের ভান্ডার থাকে?
হ্যা, শরীর প্রাণশক্তি দ্বারা ভরপুর থাকে।
একদম!
এটা বের করার একটা রাস্তা তো থাকতে হবে, বেটা, তাই না?
হ্যাঁ, কিন্তু তুমিই তো আত্ম-নির্ভর হতে শিখিয়েছিলে না!
আত্ম-নির্ভরতারও তো একটা সীমা থাকে রে ভাই!
কি বলতে চাও পরিষ্কার করে বলো না!
ভার্জিন তেল স্বাস্থ্যকর,
কিন্তু ভার্জিন পুরুষ না!
বাবা, তুমিই এ ব্যাপারে আমার চেয়ে ভালো বোঝ।
- আমি গেলাম। দেরি হয়ে যাচ্ছে। - আরে শোন।
তুই বিয়ে করতে চাস কি না?
চাই না, তো?
তবে তো একটাই রাস্তা খোলা রইল।
কি?
এটা নে।
করে আয়?
কি করে আসবো?
বন্ধুত্ব।
- বাবা! - কি!
বলা তো যায় না, যদি এতে তোর মত বদলায়।
তোমার অনেক পাপ হবে।
আমি উপবাসে আছি,
আর তুমি বসে বসে আমায় এসব নোংরা কথা বলছো!
আরে এসব নোংরা কথা না!
- আমি এসব কাজ করি না। - কিন্তু...
তোমার ভার্জিন তেলে তুমিই এসব করো!
আরে!
হেই!
শোন, জানি তুমি ফ্রেন্ডশিপ করবে না।
তাই টাকাটা আমি রেখে দিচ্ছি।
আঙ্কেলকে ধন্যবাদ বলে দিও।
বার্গার খাবে?
দে।
আরে আমি তো উপবাসে আছি।
আরে সোমবারের উপবাস তো মেয়েরা রাখে, ছেলেরা না!
উপবাসে আছে!
চার মাস আগে তো তুইও রাখতি।
আমি তো আর চিট্টির জন্য
রাখতাম না, চিকন-চাকন হওয়ার জন্য রাখতাম।
- আচ্ছা। - তোমার অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে,
তোমার কোন ব্রত রাখা উচিত জানো, অক্ষয় একাদশী।
কেন?
তোমার যে ভূতের সাথে একতরফা প্রেম আছে না, সেটা থেকে মুক্তির জন্য।
প্রেম করতে গেছে!
- কি? - তোর ওই তথাকথিত প্রেমিকা,
যাকে গত ৪ মাসে ৪০০ টেডি বিয়ার কিনে দিয়েছিস না..
সব আমার টাকায় কেনা।
- যা দিলাম না। - ফেরত দাও।
না, দেব না।
- ফেরত দাও। - দেব না।
আমার টাকা ফেরত দাও!
এগুলো আমার টাকা।
তোমার ছিল, এখন আমার।
- আমি ফেরত দেব না। - তাড়াতাড়ি ফেরত দাও।
ভিকি, প্লিজ।
বিনয়ের সাথে বল।
ভিকি, প্লিজ।
এটা বিনয় হলো?
হুম।
বাদ দে।
তুই বরং ভিক্ষা চা। এটাই তোর সাথে বেশি যায়।
ভিকি, প্লিইইইইইইইইজ!
চিট্টিকে গিফট দিতে হবে।
- প্লিইইইইইইইইজ! - ওকে, ওকে, ওকে।
ঠিক আছে, ঠিক আছে।
আগে বল ওকে কখনো ভূত বলবি না।
No comments yet. Be the first to leave one.