200 rreshtat e parë.
আয়, আয়।
আমাকে কাজ দাও!
আচ্ছা। কাজ চাই তোর?
যা, পাউরুটি দিয়ে একটা মই বানিয়ে আন।
- এর আবার কী হলো? - জানি না।
হয়তো বৃষ্টির কারণে এমন হয়েছে।
এর উপর আমি আমার সেরা সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করেছি।
কী সুন্দর! যেন চার্চের কোনো ক্রিসমাস ট্রি।
এরচেয়ে শূকর জবাই আমার কাছে অধিক সুন্দর।
উঠে পড়ো! আজ অল সোলস' ডে। [অল সোলস' ডে হলো খ্রিস্টানদের একটা ধর্মীয় উৎসব যার মাধ্যমে মৃতদের জন্য প্রার্থনা করা হয়, যাতে তারা স্বর্গে যেতে পারেন]
যাও, সাওনা ঘরটা গরম করো।
আর তুই টেবিলটা প্রস্তুত কর।
অবলা পশুগুলোর তো খাওয়া আর গোসলের ব্যবস্থা করতে হবে।
ওরা পশু না!
মা আর দাদুকে নিয়ে এভাবে বলতে পারলে তুমি?
এ নিয়ে এত কথা বলার কিছু নেই। মৃতদের আবার পছন্দ-অপছন্দ কী?
তারা আর মানুষ নেই। তাহলে পশু বললে সমস্যা কী?
আমার দাদী একদিন চুপিসারে
সাওনা ঘরে গিয়ে দেখেছিলেন, মৃতরা ওখানে কী করে।
দরজা খোলার পর কী দেখতে পেয়েছিল জানিস?
মানুষের আকারের মুরগি বেতের ডালপালা দিয়ে নিজেদের পেটাচ্ছে।
মুরগি কি প্রাণী না?
পুরো গ্রামটাকেই উষ্ণ করার দায়িত্ব নিয়েছ?
কী এনেছ আমার জন্য?
অপেক্ষা করো। দেখাচ্ছি।
কী সুন্দর এটা!
খোদা! চোখই সরানো যাচ্ছে না!
- খারাপ না, তাই না? - কোথায় পেয়েছ এই জামা?
বৃদ্ধ ব্যারনেসের ঘর থেকে। এই একটাই ছিল।
ট্রাঙ্কটা তন্নতন্ন করে খুঁজেছি
কিন্তু নেয়ার মতো আর কিছুই পাইনি। এগুলো এখন থেকে আমার।
মায়া হয় বুড়িটার জন্য।
বেচারি শয্যাশায়ী। অথচ একটা নাইটগাউনও নেই পরার মতো।
একবার এতটাই খারাপ লেগেছিল যে, নিজের একটা গাউন দিয়ে এসেছিলাম।
তোমার? নাইট গাউনগুলো ওনার নয় বলছো?
অতীতের কথা বলে লাভ নেই।
এর বিনিময়ে কী চাও?
এটা অত্যন্ত দামী আর আকর্ষণীয় একটা ড্রেস।
তোমার রূপার ব্রোচটা কোথায়? ওটা দিয়ে ড্রেসটা নিয়ে যেও।
এর বিনিময়ে সিল্কের একটা টুকরোই পাবে শুধু।
কী-সব গায়ে দিয়েছে। দেখেই বিরক্ত লাগছে।
কী জানি। সুন্দরই তো দেখতে লাগছে।
ওই সৌন্দর্য হাঁড়িতে রান্না করে দেখো পেট ভরে কি-না।
তোমার মাকে ওই বেত গাছটার পাশে দেখলাম।
তুমি কীভাবে জানো আমি মাকে খুঁজছি?
আমিও যে অপেক্ষা করছি।
আমার মাকেও এখানেই সমাহিত করা হয়েছিল।
রাক সম্প্রদায়ের মৃতরা এসে গেছে।
স্বাগত। চলো বাড়ি ফেরা যাক।
চলো।
যাবি না? চলে আয়!
ওটা লিনা ছিল না?
হ্যাঁ।
- বয়স বাড়ার সাথে সাথে সৌন্দর্য যেন বেড়েই চলেছে। - হ্যাঁ।
সাওনা প্রস্তুত।
প্রতিবারের মতো এবারও তোমরা বিছানাতেই থাকবে,
আর আমরা মেঝেতে থাকব।
আমি আমার গুপ্তধন নিয়ে উদ্বিগ্ন নই।
কিন্তু যাবার সময় বেশ কিছু গহনা নিয়ে যাব।
কোথায় ওগুলো?
লিনা?
কী ব্যাপার? আঙটিটা কোথায়?
নেই এখানে!
ক্র্যাটের আশপাশে ঘুরঘুর করার কারণ তাহলে এটাই।
আমায় বলিসনি কেন? কবেকার কথা?
গত পরশু!
কুয়া থেকে পানি আনার সময় একটা ক্র্যাটকে দেখলাম পেছন দিক দিয়ে তড়িঘড়ি করে চলে যাচ্ছে।
দেখতে কেমন ছিল ওটা?
লেজটা ঝাড়ু আর মাথাটা বালতি দিয়ে তৈরি।
যাচ্ছি সেই চোরকে খুঁজতে, পেলেই টুকরো টুকরো করে ফেলব।
পাউরুটি নিয়ে কোথায় যাচ্ছিস?
এতই খিদে পেয়ে থাকলে, সবার সাথে এসে বসলেই তো পারে।
বাবা কখনোই বদলাবে না।
কীভাবে সহ্য করতে তাকে?
করিনি তো।
খেয়ে নাও মা।
আমি তোকে পেয়েছিলাম।
প্রত্যেক মানুষেরই কিছু না কিছু প্রয়োজন। মনের মতো মানুষ পেলে তো কথাই নেই।
- আমিও কাউকে পেয়েছি। - শুনে খুশি হলাম।
মা!
প্রাণপ্রিয় ভূতেদের জন্য শুভকামনা!
অন্য পৃথিবীর জীবনটা ঠিক কেমন? পর্যাপ্ত খাবার আছে?
অভিযোগ করার সুযোগ নেই ওখানে।
পর্যাপ্ত খাবার থাকলে অভিযোগের প্রশ্নই আসে না।
আমাদের তো কেবল গাছের ছাল আর কাদামাটি খেয়েই বেঁচে থাকতে হয়।
শুনেছি রাকদের রূপার গয়নাগুলো কোথাও পুঁতে রাখা হয়েছে।
কোথায় হতে পারে?
কিছু ফুল সংগ্রহের জন্যে বেরিয়েছিলাম।
বাইরে এত সুন্দর আবহাওয়া! ফুল দিয়ে একটা মুকুট বানাতে চাই!
এই নভেম্বরে তুমি ফুল তুলবে, বুড়ো ভাম?
ঈশ্বরের দেহ আর রক্ত।
ঈশ্বরের দেহ আর রক্ত।
দিন যতই এগোচ্ছে, গ্রামবাসীরা যেন আরো বেশি করে ঈশ্বরের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে।
কী করছে ওনারা?
কী করছে?
- ওনারা কী করছে এসব? - তারা ওয়েফারগুলোকে গুলি হিসেবে ব্যবহার করে
যাতে শিকার করার সময় কখনোই লক্ষ্যভ্রষ্ট না হয়।
- কী? - ওগুলো ঈশ্বরের শরীর।
কোনো প্রাণীই যীশুকে প্রতিরোধ করতে পারে না। যীশু তাকে পরাজিত করেই ছাড়ে।
কিন্তু এটা তো পাপ!
আমাকে কাজ দাও, সান্ডার।
ক্র্যাটরা কাজ ছাড়া থাকতে পারে না।
আমার মালিক আমাকে কাজ দেয়নি।
তাই আমি তার ঘাড় মটকে দিয়েছি।
- তা সেই বোকাটা কে ছিল শুনি? - এক মেষপালক ছেলে।
পোলাপানদের সাথেই পারবে।
ক্র্যাটরা কখনোই পূর্ণবয়স্ক মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে পারবে না।
একদম ওভাবে তাকাবি না।
আমার ঘাড় মটকাতে পারবি না তুই।
আমি তোকে সৃষ্টি করিনি, তাই শয়তানের বইয়ে আমার নাম নেই।
জানিস কী কারণে তোকে কাদা থেকে তুলে এনেছি?
আমার কিছু কারেন্ট ফল লাগবে।
আবার কি চৌরাস্তার দিকে যাচ্ছ?
আমার ক্র্যাটটা আগুনে পুড়ে গেছে।
আর আমি এতই দুর্বল যে ক্র্যাট ছাড়া চলতে পারি না।
- কী চাস তুই? - ক্র্যাটের জন্য আত্মা কিনতে চাই।
আত্মা? ক্র্যাটদের খাস না-কি তুই?
বরং মাছ খাবি। অনেক অনেক অনেক সুস্বাদু খেতে।
আমার পরিবার গাছের ছাল আর বাদুড় খায়।
ক্র্যাট ছাড়া শীতটা কাটাতে পারব না।
রক্ত দিয়ে এখানটায় নিজের নাম লেখ
তাহলে নিজের প্যান্টগুলোকেও নাচাতে পারবি তুই!
হয়ে যাবে না-কি একটা প্যান্ট ডান্স?
প্যান্টকে প্যান্টের মতো থাকতে দাও।
ক্র্যাটের শরীর আমার বাড়িতেই আছে। এখন শুধু একটা আত্মা দরকার।
প্যান্ট ডান্স না-হয় পরের বার হবে।
রক্তের বিনিময়ে ক্র্যাটের জন্য আত্মা।
চলে যা। আত্মা জায়গামতো পৌঁছে গেছে।
আহ! একদম জায়গা মতো গিয়ে পড়েছে! আরেক গ্লাস দাও দেখি।
তো, তোমার এলাকার কী খবর?
যা'চ্ছেতাই অবস্থা।
কুত্তার মতো খাটতে হচ্ছে।
হাগামুতার সময়টুকুও হচ্ছে না!
বিয়েটা তো আমরা এই ক্রিসমাসেই সেরে নিতে পারি।
তাছাড়া বুড়ি শূকরটার ওজনও আর বাড়ছে না।
আশা করি ওই সময়ের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবে।
তারপর গলায় ছুরিটা চালিয়ে দিলেই খেলা শেষ।
গলাকাটা অবস্থায় কীভাবে বিয়ে করবে ওকে?
- কাকে? - তোমার নববধূ শূকরীটাকে।
এসব কী বলছো তুমি? শূকর আমার বউ হতে যাবে কেন?
- তাহলে কে? - কে আবার, তুমি।
আমি?
- তুমি নিশ্চিত? - একদম।
আমি আরো ভাবলাম শূকরটাকে বিয়ে করবে।
কী যে বলো না তুমি?
শূকরকে লাগাতে বসে আছি।
উঠছি তাহলে।
- কথা হয়ে গেছে? - চুপ থাকো!
ব্যারনের মেয়ে জার্মানি থেকে বেড়াতে এসেছে।
সাথে স্যুটকেস ভর্তি করে জাঙ্গিয়া নিয়ে এসেছে।
কয়টা লাগবে তোমার?
কীভাবে সরাবে? ব্যারন টের পেয়ে যাবে না?
আমার জাঙ্গিয়া আমি পোঁদে দেবো না-কি মুখে দেবো সেটা তার ভাববার বিষয় না!
ওগুলো তোমার জাঙ্গিয়া হলো কী করে?
তাহলে কার? এই ভূমি এস্তোনিয়ানদের।
এস্তোনিয়ার ভূমিতে যা আসবে সব আমাদের!
তোমার কি রাজা লেম্বিতু আর আমাদের প্রাচীন স্বাধীনতার কথা জানা নেই?
কীভাবে ব্যারনের পূর্বপুরুষরা অন্যায়ভাবে আমাদের রাজাকে হত্যা করে
আমাদের শাসন করতে শুরু করেছিল?
এতে করে আমাদের ভূমির ওপর ওদের অধিকার জন্মায় না!
আমি একজন এস্তোনীয়।
অতএব, ব্যারনের জাঙ্গিয়া আমারই।
ব্যারনকেও এসবই বলবে তুমি?
বলব যে তার জাঙ্গিয়া প্রেমে পড়ে জঙ্গলে পালিয়ে গেছে!
- এবারে বলো কয়টা লাগবে? - দাঁড়াও ইন্টস। সবুর করো।
আমি একটা সমস্যায় পড়েছি।
ব্যারনের মেয়ের ঘরে ঢুকতে সাহায্য করবে আমাকে?
- অদ্ভুত ইচ্ছে। - কেন?
ওর ঘরটা কি আমাদের ভূমির বাইরে?
লেম্বিতুর বংশধর হিসেবে ভেতরে যাওয়ার অধিকার কি আমি রাখি না?
ঠিকই বলেছ।
আর কোনো জার্মান গুন্ডা সেই অধিকার হরণ করতে পারে না!
রাতের বেলা কিচেনের দরজায় এসো।
লুইসে!
হ্যালো।
বাবা, আমি কাউকে দেখেছি এখানে!
শান্ত হও। কেউ নেই এখানে।
আজ ভরা পূর্ণিমা। তোমার অসুস্থতার জন্যেই এমনটা মনে হয়েছে।
আমি ভালোবাসি... ভালোবাসি...
ভালোবাসি তোমাকে।
ওই গুঁড়িটা সরাও।
আজ রাতের মধ্যেই সরাতে হবে।
আমি সাহায্য করছি।
চালিয়ে যাও।
বিশ্রাম নেয়া হচ্ছে না-কি?
কাজে ফিরে যাও! এই গুঁড়িগুলোকে...
বদমাশ! এখন তোমার কথা শুনতে হবে আমাদের?
প্রাসাদের চাকর! তেলবাজ!
হান্স!
- বেঈমান! হারামি! -হান্স!
থামো!
অমন কোরো না!
- হান্স! - তোর হান্স এখন তদারকি করতে শুরু করেছে!
- মিথ্যে কথা! - নরাধম একটা!
আমি ওর জীবনসঙ্গী হতে চাই।
ওর মন থেকে মেয়েটাকে সরিয়ে সেই ভালোবাসা আমার দিকে ধাবিত করা যায় না, উইচ?
একটা কাজ করা যায়। হান্স যেই মেয়েটাকে ভালোবাসে
তাকে শেষ করে দিলেই তো ল্যাটা চুকে যায়।
তাহলে সেটাই করব।
মেয়েটা যখন জানালায় এসে দাঁড়াবে
No comments yet. Be the first to leave one.