200 rreshtat e parë.
Arus Ariyan Presents.
বাবু...
এসব নিয়ে খেলো না। ডাক্তার আঙ্কেল রাগ করবেন।
ঠিকাছে, অনিতা।
শুধু গোছাচ্ছে।
এইযে।
কিন্তু...
কীভাবে পারলো?
বিস্ময় বালক।
বিষয়বস্তু বা বইয়ের শিরোনাম বুঝতে পারে না,
তবে চামড়ার মলাট গুলোর গঠন, রং আর অক্ষরের আকার
আমাদের চেয়ে ভালো বুঝে।
আমার এক বোন যে আর্টিস্ট সে কথা বলেছিলাম না?
দিদির দ্বিতীয় সন্তান।
হারান।
স্যার, আপনাকে ডাকতে এসেছি।
স্মিথার অবস্থা স্থিতিশীল।
হেমিপ্যারেসিস।
বাঁ দিক প্রায় প্যারালাইজড।
পুলিশের স্কেচ আর্টিস্ট ছিল।
এক পুলিশ অফিসারকে বিয়ে করে।
এএসআই প্রতাপ শঙ্কর।
যাইহোক, তারা সুখে ছিল না...
বিবাহিত জীবনেও না।
দীর্ঘ দশ বছর যাবৎ...
অত্যাচার সহ্যের পর...
ডিভোর্সের আবেদন করে।
ডিভোর্স তো গেয়ে যায়।
কিন্তু, ছেলের অভিভাবকত্বের যুদ্ধে হেরে যায়।
আদালত তাদের বড় মেয়ে দেবিকা'র অভিভাবকত্ব মায়ের কাছে দেয়,
আর তিন বছরের ছেলেকে বাবার কাছে দেয়।
সেই ধাক্কা পরবর্তী ৫ বছরেও কাটিয়ে উঠে।
তারপর...
সুদীপ নামে ব্যাঙ্গালোরের এক সেশন গায়কের সঙ্গে পরিচিত হয়ে তাকে বিয়ে করে।
গত জুলাইয়ে তাদের একটা বাচ্চা হয়।
নীরজা।
আমাদের স্নেহের নীরু মামনী।
দুই মাস আগে, রাতে, একটা ফোন পাই।
প্রতাপ শঙ্কর অজ্ঞান হয়ে মারা যায়।
অ্যালকোহল বিষক্রিয়া। [অ্যালকোহল বিষক্রিয়া → যখন কেউ অতিরিক্ত পরিমাণে মদ্যপান করে, তখন শরীরে বিষাক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে, যাকে Alcohol Poisoning বা অ্যালকোহল বিষক্রিয়া বলে]
সব ফর্মালিটি শেষ করার পর স্মিথা আর আমরা...
হারানকে ফিরে পেয়ে খুব খুশি ছিলাম।
কিন্তু যা আশা করেছিলাম, তা হয়নি।
সাত বছর বাবার সাথে ওই কোয়ার্টারে থাকার পর...
ছেলেটা অবসেসিভ পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারের শিকার হয়। [Obsessive Personality Disorder (OCPD) একধরনের মানসিক সমস্যা, যেখানে ব্যক্তির মধ্যে নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিকতার প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ থাকে।]
লোকটা কখনোই ওকে নিজের ছেলে হিসেবে দেখেনি।
ক্যাডেট হিসেবে শৃঙ্খলা পালন, শাস্তি এবং প্রশিক্ষিত করতে পারত।
বাচ্চাটা যাই করুক না কেন,
বা যতই ভালো করুক না কেন,
লোকটা কখনোই সন্তুষ্ট হতো না।
তার জীবনের প্রথম সাত বছরের শিশুতোষ মন...
বাবাকে খুশি করার চেষ্টা করে এমন এক পরিপূর্ণতার জন্য...
সংগ্রাম করছে যার অস্তিত্বই ছিল না,
এরফলে তৈরি হয় অবসেসিভ কমপ্লেক্স।
ব্যবস্থার প্রতি আসক্তি।
পরিপূর্ণতার প্রতি আসক্তি।
লাইব্রেরী রুমে আগে সেটাই দেখেছিলে, অনিতা।
এটাই তার মায়ের পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার উপায়।
সুদীপ সাহেবের ব্যাপারে কী? ওকে বলেছেন?
না।
শুধু বলেছি দূর্ঘটনার পর স্মিথার মতো...
সুদীপ সাহেবের অবস্থাও খারাপ।
আঙ্কেল।
দেবু...
মা...
কাঁদে না।
তোমার মা'র অবস্থা সম্পর্কে আহেই বলেছি না?
চোখের জল মুছো।
আঙ্কেল, হারান কোথায়?
বঙ্গানুবাদ: ★ সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক | ★ মিনহাজ আল ইসলাম | ★ ওমর ফারুক | ★ ফাহাদ আহমদ | ★ জাহিদ হাসান | ★ হাবীব উন নবী সিয়াম | ★ সোহান আহম্মেদ | ★ আরুশ আরিয়ান |
বঙ্গানুবাদ: ★ সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক |
বঙ্গানুবাদ: ★ সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক | ★ মিনহাজ আল ইসলাম |
বঙ্গানুবাদ: ★ সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক | ★ মিনহাজ আল ইসলাম | ★ ওমর ফারুক |
বঙ্গানুবাদ: ★ সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক | ★ মিনহাজ আল ইসলাম | ★ ওমর ফারুক | ★ ফাহাদ আহমদ |
বঙ্গানুবাদ: ★ সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক | ★ মিনহাজ আল ইসলাম | ★ ওমর ফারুক | ★ ফাহাদ আহমদ | ★ জাহিদ হাসান |
বঙ্গানুবাদ: ★ সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক | ★ মিনহাজ আল ইসলাম | ★ ওমর ফারুক | ★ ফাহাদ আহমদ | ★ জাহিদ হাসান | ★ হাবীব উন নবী সিয়াম | ★ সোহান আহম্মেদ |
বঙ্গানুবাদ: ★ সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক | ★ মিনহাজ আল ইসলাম | ★ ওমর ফারুক | ★ ফাহাদ আহমদ | ★ জাহিদ হাসান | ★ হাবীব উন নবী সিয়াম | ★ সোহান আহম্মেদ | ★ আরুশ আরিয়ান |
সম্পাদনায়: আরুশ আরিয়ান।
•I D E N T I T Y•
এমি।
অনেকক্ষণ থেকে ভিতরে আছিস।
কাপড় ফিট হয়নি?
এক মিনিট, জামাটা পরতে দে।
বের হবে কী?
- উফ! চল? - হ্যাঁ।
অনেকক্ষণ থেকে অপেক্ষা করছি।
- সুন্দর না? - হ্যাঁ, সুন্দর।
- ঠিকাছে তো? - পছন্দ হয়েছে।
খুশি, তো? খুব খুশি।
ধন্যবাদ।
গাড়ির চাবি ট্রায়াল রুমে রয়েগেছে।
এক কাজ কর, তুই গিয়ে জামা নিয়ে নে।
- চাবি নিয়ে আসছি। - কী হয়েছে?
চল গিয়ে জামা নিই। ও চলে আসবে।
- বীনা! - কী হয়েছে?
- ট্রায়াল রুমে থেকে ফোনটা পেলাম। - ফোন?
রেকর্ড হচ্ছিলো।
এটা...
টেনশন হচ্ছে।
- টেনশন করিস না। - কী হয়েছে, ম্যাডাম?
মালায়ালী নাকি?
ফোনটা ট্রায়াল রুমে পেয়েছি।
ক্যামেরা অন ছিল।
দেখুন!
১০ মিনিট আগে ট্রায়াল রুমটা কেউ ব্যবহার করেছিল?
ভাই, এই ছেলেটা কিছুক্ষণ থেকে এদিকে-ওদিকে ঘোরাফেরা করছে।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
ধরুন ওকে!
থাম!
কী?
কী হয়েছে, নকুল ব্রো?
উদায়ামপালামে আছো একটা ফোনও করলে না?
পরবর্তী পেমেন্টের জন্য আমাদের জাল বিছাতে হবে না?
হাহ?
এসব ব্যাপারে ফোন দিতে বারণ করেছি না?
প্লিজ! কাজে আছি।
ব্রো।
তুমি কোনো উপকার করছো না।
টাকা তোমার একাউন্টেও জামা হচ্ছে।
আর রেকর্ডগুলাও হাতে পেয়েগেছি।
সব ভুলে গেছো?
অমর, প্লিজ।
আচ্ছা যাইহোক, লিঙ্ক পাঠিয়েছি।
ফেসবুক প্রোফাইলের।
লোকেশন বের করে টেক্সট করো।
টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি।
চিন্তা করিস না।
অভিযোগ দায়ের করেছি।
বাকিটা তারা দেখে নিবে।
শোন...
এখনই সন্দীপকে কিছু বলিস না।
ঠিকাছে? যাই।
চলো।
যতক্ষণে থানায় পৌঁছাবে,
ততক্ষনে তোমার ৬ মিনিটের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে যাবে।
প্লীজ...
কদিন পরেই তো বিয়ে।
ছোট্ট একটা প্রস্তাব।
তিন লাখ টাকা।
তারপর ভিডিও গায়েব।
আসো।
এটিএম কার্ড আছে?
প্রথমে ওই টাকাগুলো তুলি।
আর বাকিটা আগামীকাল ১২টায়।
হ্যালো, স্যার।
আমার আর কিছুই বলার নেই।
এসব আমি জনসেবার জন্য করছি না।
আগে টাকার ঝামেলা মেটান।
আমার যা কাছে আছে তা দিয়ে যা ইচ্ছে তা করব।
ওহ, এটাই শেষ কথা?
আমিও দেখাবো আমি কী করতে পারি!
হ্যালো, নকুল।
সমস্যা হয়েগেছে।
দু-দিনের জন্য থাকার জায়গা লাগবে।
আর সিস্টেম, হাবিজাবি কানেক্টেড করার জন্য আইপি এড্রেস।
নকুল? হ্যালো?
হ্যালো? নকুল?
কে?
কে?
স্যরি... প্লিজ...
প্লিজ, প্লিজ...
প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ!
প্লীজ... আপনার পায়ে পড়ি।
প্লিজ...
'I D E N T I T Y'
এটাই আসলে সত্য!
চাঞ্চল্য! মামলার চারপাশে তৈরি হওয়া আলোড়ন।
কেরালা-তামিলনাড়ু সীমানার কাছে একটা পোড়া লাশ পেয়েছি।
মামলা দাখিল আর তদন্ত শুরু হওয়ার পর,
তামিলনাড়ু পুলিশের কাছ থেকে অবাক করা এক ফোন আসলো,
নদীর পাশে একটা টেক্সটাইল গুদাম আগুনে পুড়েছে।
আর প্রমাণও ছিল,
কেউ একটা পোড়া লাশ ভিতর থেকে...
বের করে নদীতে ফেলে দিয়েছে।
কিন্তু লাশ কেরালাতে পাওয়া গেছে।
কেমন রহস্যজনক লাগছে না?
মূল কথা হলো, যে ব্যক্তি মারা গেছে,
সেই সার্কেলে খুনটা হয়েছে বলে...
তারা তদন্ত করতে চায়।
মূলত তারা চায়ছে আমাদের উদ্ধার করা লাশ...
এবং অন্যান্য প্রমাণাদি তাদের কাছে হস্তান্তর করি।
আপাতত, কিছুদিন পিছন-পিছন ঘুরুক।
বলবে, প্রমাণাদি সহ মামলার ফাইল পরে আপনি জমা দিয়ে দিবেন।
এক বা দুই সপ্তাহ,
মামলাটা তোমার কাছে রাখো।
আস্তে-ধীরে হস্তান্তর করবো।
স্যার।
ঠিক আছে?
লতা, একজন এসেছে।
পরে ফোন দিচ্ছি।
অ্যালেন জ্যাকব।
বেঙ্গালুরু উইটনেস সেল থেকে না?
এখানে কীজন্য?
স্যার, আপনার সাথে একান্তে কথা বলতে চাই।
অবশ্যই।
এই সাক্ষী এমন কেউ...
যে ঘটনাটার কিছুটা দেখেছে?
না স্যার, তার ফটোগ্রাফিক মেমোরি।
খুব স্পষ্টভাবে মনে রাখতে পারে।
কিন্তু ঠিক তখনই তার এক্সিডেন্ট হয়।
No comments yet. Be the first to leave one.