Informacioni i lëshimit

Shingeki no Kyojin: The Final Season Final Part (Part 1)
Shingeki no Kyojin: The Final Season - Kanketsu-hen (Part 1)
Shingeki no Kyojin: The Final Season Part 3 - First Half
Shingeki no Kyojin: The Final Season - 29
Shingeki no Kyojin: The Final Season - 88 [S4 - 29]
Një Komentar nga Anime_Freaks
♉অনুবাদক: আকাশ বসাক, আকতার হোসেন, রবিউল হাসান ♉Runtime: 01:00:55

Etiketat

TS
Publikuar më: 2023-03-04
Shkarkime: 52
Dëgjim i Dëmtuar: No

Pamje paraprake e titrave në Bengali

200 rreshtat e parë.

বিদায়, এরেন।

আরে? মিকাসা...

ফিরে চলো।

আমি এখানে কী করছি?

বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেছো দেখছি। গভীর ঘুমে ঘুমাচ্ছিলে নাকি?

না...

আসলে, মনে হচ্ছে অনেক বড়ো একটা স্বপ্ন দেখেছি।

কী স্বপ্ন?

মনে করতে পারছি না...

এরেন,

তুমি কাঁদছো কেন?

চ্যাপ্টার ১

গর্জন

শোন, হালিল। একমাত্র আমরাই জানি এটা কোথায় রয়েছে।

থলি ভর্তি হওয়া না অব্ধি পয়সা এখানেই লুকাবো।

তারপর সবার জন্য ভালো কোনো জায়গায় বসতি স্থাপন করতে পর্যাপ্ত পয়সা থাকবে।

কিন্তু, রামজি, যদি এমনটা করতে থাকো...

তাহলে একদিন নিজের বাঁ-হাতটাও হারাবে।

দাদা'কে আর দুঃখ দিও না।

কিন্তু কাউকে তো কাজটা করতে হবেই।

অমন ছেড়াছুড়া তাঁবুগুলোতে...

শীতকালে থাকা মুশকিল হয়ে পড়ে...

প্রতিবছর মানুষের মৃত্যু হওয়া জারি থাকবে।

তো, হালিল, আমার কিছু হয়ে গেলে, প্লিজ এই পয়সাগুলো সবাইকে দিয়ে দিস।

রামজি...

ঢাকা দে!

কী হচ্ছে?

শহরের লোকেরা... পালাচ্ছে?

কেন?

ভবিষ্যতে, যদিও সঠিক জানি না আর কতদিন পর,

তবে আমি ওদের সবাইকে মেরে ফেলবো।

শীঘ্রই, ওরা মরতে চলেছে।

না, আমি ওদের মারবো।

এটা আগে থেকেই হওয়ারই ছিল।

যেমনটা স্বর্গদ্বীপকে টিকিয়ে রাখার মতো কোনো উপায়ই আমরা কখনো বের করতে পারিনি।

এখানকার সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে।

ঘর,

মানুষ,

পশু,

মানুষের জীবন,

তাদের স্বপ্ন...

এই বিষয়ে মা কী ভাবতো?

আময়াদের অর্থাৎ এল্ডিয়ানদেরই প্রাণ হারাতে হয়েছে না?

প্রাচীরের রাজা এভাবেই কি মৃত্যুর একটা পথকে বেছে নিয়েছিল?

কমপক্ষে, বাকি দুনিয়ার তুলনায়...

দ্বীপে মৃত্যুর সংখ্যা কম হবে।

এটাও সত্য যে, এল্ডিয়ানদের বিলুপ্তি ঘটলে, টাইটানদের ত্রাসের সমাপ্তি ঘটবে।

আমি শুধু এমন সমাপ্তিকে মেনে নিতে পারছি না...

এই দৃশ্যটা...

এই মূহুর্তটাকে আমার ভবিষ্যতের স্মৃতিতে দেখেছিলাম।

খুব সম্ভবত,

আমি এই ছেলেটাকে বাঁচাই।

এই ছোকরটা একজন বিদেশী শরণার্থী আর ঝানু পকেটমার।

এখানে আমরা ব্যবসা করি।

সংক্ষেপে বোঝালে, আমাদের কাছে, এটা কীট-আবর্জনা তাড়ানোর ওষুধ।

এর মধ্যে জড়িও না। চলে যাও।

হুম... ঠিক বলেছেন।

কী ভাবছি আমি?

শেষে গিয়ে এই ছেলেটাকেও তো আমি মেরেই ফেলবো।

আমার মাথায় কী চলছে?

এই নে!

আমি জঘন্য নৃশংসতা চালিয়েছি।

আমি কীভাবে ন্যায়বিচার করতে পারি?

দেখা যাচ্ছে ভবিষ্যতে কোনোরূপ পরিবর্তন আসবে না।

ধন্যবাদ!

আমিও তোমার মতোই, রাইনার।

একটা অপদার্থ বেজন্মা।

না, ভুল।

আমি তার চেয়েও অধম।

দুঃখিত।

দুঃখিত। আমায় ক্ষমা করে দিও।

কাঁদছেন কেন?

রামজি! হালিল!

জলদি আয়! আমাদের সাথে চল!

রামজি!

পালাও! পালাও!

এখানে টাইটানরা কেন হানা দিয়েছে?

পাহাড়!

উঁচু জমির দিকে চলো!

লাভ নেই কোনো! ওদিকে দেখো!

পাহাড়েও টাইটান রয়েছে!

ইয়া মাবুদ!

আমরা বাঁচবো না!

পালানোর মতো কোনো জায়গা নেই!

মার্লিয়ানরা আমাদের সতর্ক না করেই পালিয়ে গেছে?

ওরা দ্রুত ধেয়ে আসছে!

অন্তত বাচ্চাদের তো বাঁচানো যাক!

রামজি, আমাদের পদপিষ্ট করে মেরে ফেলা হবে?

না, এমনটা হবে না! ভরসা রাখ!

দ্বীপকে বাঁচানোর ন্যায়... এল্ডিয়াকে বাঁচানোর ন্যায়...

কিন্তু এতে... আরো...

টাকা!

হালিল!

প্রাচীরের বাইরের যে দুনিয়াটা দেখার স্বপ্ন আমার ছিল...

তা একেবারে ভিন্ন...

হালিল!

আরমিনের বইতে দেখা দুনিয়াটার চেয়ে ভিন্ন ছিল।

প্রাচীরের বাইরে মানবজাতির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানার পর,

আমি...

নিরাশ হয়েছিলাম।

আমি... এটাকে...

আমি... সবকিছুকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলতে চেয়েছিলাম...

দুঃখিত। আমায় ক্ষমা কোরো।

আমায় ক্ষমা কোরো।

আমায় ক্ষমা কোরো!

পায়ে পড়ছি! দ্বারটা খোলো! দয়া করে আমাদের ঢুকতে দাও!

এই যে? কেউ আছেন?

কেউ তো জবাব দিন!

সোনা।

সেই দিনটা এসে গেছে, তাই না? আমাদের বিচারের দিন এসে গেছে।

ভাবানুবাদে:

ভাবানুবাদে: আ

ভাবানুবাদে: আকা

ভাবানুবাদে: আকাশ

ভাবানুবাদে: আকাশ ব

ভাবানুবাদে: আকাশ বসা

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আ

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আক

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতা

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হো

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসে

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসেন

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসেন র

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসেন রবি

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসেন রবিউ

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসেন রবিউল

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসেন রবিউল হা

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসেন রবিউল হাসা

ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক আকতার হোসেন রবিউল হাসান

জন্মের পর থেকেই,

চোখের সামনে সবসময় একটা দমবন্ধকর প্রাচীর দেখতে পেতাম।

শিখায়িত জল, (লাভা)

বরফের ভূমি, (মেরু অঞ্চল)

বালির হিমক্ষেত্র... (মরুভূমি)

যাদের এসব নিজের চোখে দেখার সুযোগ মিলেছে...

তারা দুনিয়ার সবচেয়ে বড়ো স্বাধীনতার অধিকারী।

এটাই...

স্বাধীনতা!

অবশেষে এই দৃশ্যের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ মিললো।

তাই না, আরমিন?

এরেন...

তোমার ক্ষত এখন সেরেছে?

আরে? অ্যানি?

হ্যাঁ, যেহেতু হাতে কিছুটা সময় আছে...

এভাবে বিশ্রাম করার সুযোগ মিলবে যে ভাবিনি।

আমার পাশে এসে একটু বসবে?

তোমায়... ধন্যবাদ দেয়ার ছিল।

উহ?

এত বছর আমার সাথে এসে কথা বলার জন্য।

ধন্যবাদ।

ওহ। হুম।

এতটাই একলা ছিলাম যে, মনে হতো আমি পাগল হয়ে যাবো।

তোমার আর হিচের কথা শোনাই আমার আনন্দের একমাত্র উৎস ছিল।

অ্যানি...

কিন্তু গল্প করার জন্য নির্বাক একটা পাথরকেই কেন বেছে নিয়েছিলে?

কথা বলার মতো আরো খোশমেজাজী আর সুন্দরী মেয়েরা তো ছিল, তাই না?

আসলে...

বিষয়টা সেটা নয়।

বিষয়টা হচ্ছে আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাইতাম, অ্যানি।

কেন?

কী? তুমি সত্যিই জানো না?

হিচ এটা নিয়ে এতবার আমার পেছনে লাগার পরও?

আমি জানি না।

এ কী করছি আমি?

এই মূহুর্তে, দুনিয়া জুড়ে হাজারো,

না লক্ষ্যাধিক মানুষ পদদলিত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছে আর আমরা কিনা...

জানি।

আমার মতো একজন শত্রুর সাথে কথা বলছিলে কারণ তুমি একজন ভালো মানুষ। তাই না?

এই একই কারণে এরেনের সাথে কথা বলে পরিস্থিতির সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

যেকোনো মূহুর্তে আমার জ্ঞান ফিরতে পারতো।

দানবের সাথে আলোচনায় বসা সংঘর্ষ এড়ানোর আরেক পন্থা।

তাই না?

যেও না।

সত্যি বলতে, কথাটা তোমায় আগেও বলেছিলাম, তবে...

"ভালো মানুষ"-র আখ্যাটা আমার একদমই পছন্দ নয়।

আমি বহু মানুষকে হত্যা করেছি।

তার মধ্যে সাধারণ মানুষ... এমনকি বাচ্চারাও আছে...

আর এখন কিনা আমার দ্বীপবাসীদের সাথে বিশ্বাঘাতকতার পথকে বেছে নিয়ে...

আমার বন্ধুদের হত্যা করেছি।

আমিও বহু আগেই একটা দানবে পরিণত হয়েছি।

আমার মধ্যেকার একটা অংশ ভেবেছিল, আমি আর এরেন,

অজ্ঞাত দুনিয়া আবিষ্কারের যে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, একদিন,

তা বাস্তবের রূপ নেবে।

সেই অজ্ঞাত দুনিয়াটা আশানুরূপ ছিল না, তাই না?

হুম। যেটার স্বপ্ন দেখতাম, দুনিয়াটা ঠিক সেটার ভিন্ন ছিল।

কিন্তু...

আমি মানতে চাই যে প্রাচীরের পেছনে এখনো এমনকিছু রয়েছে...

যেটার ব্যাপারে আমরা জানি না।

জায়গাটা একেবারে শান্ত, তাই না?

ওডিহা'র লোকেরা ইতিমধ্যেই দক্ষিণাঞ্চলে পালিয়ে গেছে,

কেননা একটাও জাহাজ চোখে পড়ছে না।

বেশ, আজুমাবিতো বংশই তাহলে আমাদের ভরসা।

হ্যাঁ, আর যে করেই হোক উড়ো জাহাজটা উড্ডয়ন করাতে হবে।

পর্দা খুলে দাও!

জলদি!

ধ্যাত! বিস্ফোরকগুলো বাধা সৃষ্টি করছে।

ওগুলো কেটে ফেলা যাক।

দাঁড়াও।

Komentet

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left