200 rreshtat e parë.
স্পাইসের নিয়ন্ত্রণ মানেই, সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ।
পাতশাহী দিনলিপি, সাল ১০,১৯১। তৃতীয় টীকা।
আরাকিসের যুদ্ধ সকলকে বিস্ময়াপন্ন করে তোলে।
ছিল না কোনো চাক্ষুষ সাক্ষী।
হারকোনেনরা রাতারাতি কাজটা সাধন করে,
কোনোরকম সতর্কতা বা যুদ্ধের ঘোষণা ব্যতীতই।
অ্যাট্রেদিসেরা আর ভোরের আলো দেখেনি।
রাতের আঁধারেই সকলের মৃত্যু হয়।
আর এ বিষয়ে সম্রাট ছিলেন...
নঃস্পৃহ।
সেই রাতের পর থেকে আমার পিতা একদমই বদলে যান।
সেইসাথে আমিও।
তার এই ঔদাসীন্য আমি কিছুতেই মানতে পারি না।
আমি জানি তিনি ডিউক লেটো অ্যাট্রেদিসকে আপন ছেলের মতো স্নেহ করতেন।
কিন্তু আমার পিতার নির্ণয়...
সর্বদা আধারিত ছিল ক্ষমতার আকলনে।
হারকোনেনদের এই অনার্যোচিত কাজ প্রথমবার ছিল না।
আরাকিসের অন্ধকারে বহু রহস্য লুকায়িত রয়েছে...
কিন্তু সেগুলোর মধ্যে এখনো সবচেয়ে সাংঘাতিক...
হাউজ অ্যাট্রেদিসের পতন।
⭕:: ডিউন: পার্ট ২ ::⭕
বোন, বাবা মারা গেছে।
তারাদের দেশে ফিরে যেতে চাও না,
তার সাথে থাকতে?
আমার আশঙ্কা তোমার আগমনের পূর্বে সবকিছু ঠিক করার মতো পর্যাপ্ত সময় পাবো না।
এই দুনিয়া নৃশংসতার সমস্ত সীমা পার করেছে।
শত্রু।
এখানেই থাকো।
নীচে চলো, এক্ষুনি।
ওরা কাছেই আছে।
শুনতে পাচ্ছো?
ইঁদুরের দল ওর্মকে ডাকছে।
ওর্ম!
বাহিনী, উপরে চলো। শিগগিরি!
ওর্মসাইন খোঁজো।
আমরা নিরাপদ।
শিল্ড!
না!
বাগে পেয়েছি তোকে, ইঁদুর!
পেছনের দিকটা কখনোই অরক্ষিত ছাড়বে না।
কতবার বলতে হবে তোমায়, হাহ?
তুমি ঠিক আছো?
- হ্যাঁ। - আর ও?
ভালোই আছে।
ওরা সচরাচর এতটা ভেতরে আসে না।
কোনো অ্যাট্রেদিস পালায়নি তা নিশ্চিত হতে এসেছিল।
নিজেকে এতটাও গুরুত্বপূর্ণ মনে করো না।
না, না, আমরা একদম গভীর মরুতে রয়েছে।
কেবল ফ্রেমেনরাই এখানে টিকে থাকতে পারে।
ওরা আমাদের খোঁজে এসেছিল, তোমার নয়।
নিশ্চিন্ত থাকো।
তোমাদের যেখানে নিয়ে যাচ্ছি, তার হদিশ ওরা কখনোই পাবে না।
দূষিত পানি।
রাসায়নিক পদার্থে পরিপূর্ণ হলেও, কুলিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে কার্যকরী।
চেপে রাখো।
- তুমি ঠিক আছো? - উম-হুম।
চেপে রাখো।
চেপে রাখো!
- আমি ঠিক আছি। - ঠিক বলছো তো?
উম-হুম।
দারুণ লড়েছো...
জাগার পর।
আমি তো জেগেই ছিলাম।
না, না, না। আমি তুলছি।
'আরাকেন' উত্তর আরাকিসের রাজধানী
ম-- মহামান্য রাব্বান...
এখন যেহেতু স্পাইসের ক্ষেতগুলো কব্জায় চলে এসেছে...
আমার মতে ফ্রেমেনদের এলাকা থেকে সমস্ত বাহিনীকে ফিরিয়ে আনাই সুবিবেচক হবে।
মরুভূমিতে আমরা বহু সেনা হারিয়েছি।
ইঁদুর।
- মাফ করবেন? - ওরা ইঁদুরদের হাতে প্রাণ হারিয়েছে।
ফ্রেমেন! নিশ্চিত নই, মহামান্য।
মরুভূমিতে যোগাযোগ বড্ড অসুবিধার।
তোমায় পুরো গ্রহকে কব্জা করার আদেশ দেয়া হয়েছিল।
- কব্জাতেই আছি। - কেবল অর্ধেকটার।
স্মরণ করিয়ে দিই,
দক্ষিণাঞ্চল খননকার্যের অযোগ্য, মহামান্য।
এখন একটু জিরিয়ে নেবেন?
ইঁদুর! লোমশ ইঁদুর!
মেরে ফেলো সবক'টাকে! মেরে ফেলো!
সবক'টাকেই মেরে ফেলো!
ইঁদুর!
জিজ্ঞেস করছে এত দেরি কেন হলো।
তোমাদের গুপ্তচর ভাবছে...
এখানে তোমাদের কোনো ঠাঁই নেই।
- বলছে যে... - বুঝেছি।
- ধন্যবাদ। - আমার সাথে-সাথেই থাকো।
সিচ তাবার।
জামিস! জামিস!
তুই জামিসের খুনি।
গুপ্তচর!
ডাইনি!
থামো! থামো!
ওরা অবুঝের মতো চেঁচিয়ে চলেছে।
লিসান আল-গায়িব! লিসান আল-গায়িব!
মাহদী!
লিসান আল-গায়িব!
ওই দুই বহিরাগতদের ব্যাপারে আপনাদের পরামর্শ চাই।
ওদের মরুভূমিতেই ফেরত পাঠাও।
আমি ইঙ্গিত পেয়েছি।
সেই একই গপ্প।
স্টিলগার, তোমার বিশ্বাস তোমাকে ছলনায় ফেলছে।
লিসান আল-গায়িব এখনো নিজেকে উন্মোচন করেনি।
সে ন্যায্যভাবে লড়ে জামিসকে হত্যা করেছে।
সে আমাদের ভাষা পারে।
আমাদের রীতিনীতি সে দ্রুত শিখে ফেলবে।
তার খাতিরে নিজের জীবনকে সমর্পিত করতে প্রস্তুত।
মরুভূমিই ওর ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
মহিলাটার কী করবে?
দেখো কীভাবে তোমার বেনে জেসেরিট প্রজ্ঞাপন ভিত্তি গেড়েছে।
কেউ-কেউ তো এর মধ্যেই আমায় তাদের মসীহা মেনে নিয়েছে।
অন্যদের চোখে...
ভণ্ড দ্রষ্টা।
আমায় অবিশ্বাসীদের বশে আনতে হবে।
ওরা আজ্ঞাবহ হলে, স্পাইসের ফলন ব্যাহত করা যাবে।
সম্রাটের নাগালে যাওয়ার এটাই একমাত্র উপায়।
তোমার বাবা প্রতিশোধে বিশ্বাসী ছিলেন না।
হ্যাঁ, কিন্তু, আমি করি।
কী হচ্ছে?
বহিরাগত জনাবের ঝাল লাগছে বুঝি?
কী হয়েছে?
ওরা স্পাইস মিশ্রিত খাবার খায়।
নীলচে চোখে বেশ সুদর্শন লাগবে ওকে।
পেছনে লাগা বন্ধ করো।
সে আমাদের শ্রদ্ধার হকদার। একজন ভালো যোদ্ধা সে।
মহাশয়া।
আমার সাথে এসো।
কূপেতে, আমাদের পানি পুনরর্পণ করছি।
আমাদের ভাইকে পবিত্র করছি, জামিস।
৩ কোটি ৮০ লক্ষ ডেকামিটার।
আমাদের সবাই তৃষ্ণার্ত মরে গেলেও এই পানি পান করবে না।
এটা...
পবিত্র।
জামিসের পানি।
এমন আরো হাজারো জায়গাতে রয়েছে।
এতটাই রয়েছে যে,
লিসান আল-গায়িব আরাকিসের মানচিত্র বদলে দিতে পারবে।
ফিরিয়ে আনবে গাছপালা, পুনরুজ্জীবিত করবে...
এক সবুজ স্বর্গ।
অগণিত মানুষের প্রাণ।
কখনোই পানির অপচয় করবে না, মৃতদের জন্যেও নয়। বুঝেছো?
আমায় দেখাচ্ছো কেন?
কারণ তুমি একজন বেনে জেসেরিট।
ভবিষ্যদ্বাণী ভালো বুঝো বলে।
লিসান আল-গায়িবের মা হবে আমাদের গুরুমা।
আমাদের গুরুমা মৃত্যুশয্যায় রয়েছে।
তার স্থান আমাকে নিতে বলছো?
হ্যাঁ। বলছি।
পলকে বিশ্বাস করো?
ইঙ্গিত পেয়েছি।
হ্যাঁ।
যদি আমি প্রত্যাখ্যান করি?
উম। তাহলে ও লিসান আল-গায়িব নয়,
আর তোমারও খিদমতের কোনো মানে নেই।
আর তখন তোমার কূপে পানি পুনরর্পণ ব্যতীত উপায় কী বাঁচে?
হাহ।
এটা তো পরম সম্মানের, তাই না?
তোমার গর্ববোধ করা উচিত।
আসলে, বিকল্প ছিল এটা নাহয় মৃত্যুর মধ্যে,
তাই বাধিত হতে না পারলে ক্ষমা চাইছি।
একজন গুরুমা কীভাবে হয়?
প্রত্যেকের সংস্কৃতিতে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি।
আরাকিসের প্রথা সম্পর্কে আমার জানা নেই।
তুমি ভীত।
গুরুমার কর্তব্য তার পূর্বের সকল...
গুরুমাদের স্মৃতি সংরক্ষিত রাখা,
অর্থাৎ শত-শত বছরের দুঃখ ও কষ্ট আমায় অর্পণ করা হবে।
এটা কি বিপজ্জনক?
পুরুষদের ক্ষেত্রে সাংঘাতিক।
হলফ করে বলতে পারি।
হাসছো কেন তোমরা?
তোমার না জানলেও চলবে।
এসবে বিশ্বাস করো না?
না, করি না।
এসব পুরনো দক্ষিণী ধর্মমত।
দক্ষিণী ধর্মমত?
দক্ষিণি জনগোষ্ঠীদের বিশ্বাস একজন মসীহা আবির্ভূত হয়ে আমাদের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবে।
তুমি লিসান আল-গায়িবে বিশ্বাস করো না?
আমরা ফ্রেমেনে বিশ্বাসী।
আমিন।
মানুষদের নিজের ইশারায় নাচাতে চাইলে, মসীহার আগমণের কথা বলো।
- উম-হুম। - তারপর ওরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অপেক্ষা করবে।
এখন, আমাদের প্রার্থনা করতে হবে।
ওর ব্যাপারটা কী?
- স্টিলগার? - উম-হুম।
ও দক্ষিণী। কথা বলার ধরন খেয়াল করোনি?
আমার মায়ের কী হবে?
সে ওর্মের প্রস্রাব পান করবে।
এটা নিয়ে ঠাট্টা কোরো না।
ও মাতৃহারা হতে চলেছে।
যদি সে বিষ পান করার মতো বোকামি করে তো।
চুপ করো। মুখে লাগাম দাও।
আমরা প্রার্থনা করছি।
আমার ভয় পাওয়া উচিত নয়। ভয় মনকে মেরে ফেলে।
ভয়, সামান্য মৃত্যু যা ধ্বংস ডেকে আনে।
আমি ভয়ের মুখোমুখি হবো। আমি...
এতে 'ওয়াটার অফ লাইফ' রয়েছে।
এটা আত্মাকে মুক্ত করে দেয়।
যদি পান করো...
তোমার মৃত্যু হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.