200 rreshtat e parë.
" বঙ্গানুবাদ ও সম্পাদনায় " লিপু দাশ
- শুভ সন্ধ্যা। - হুম।
এই সময়ে এখানে আবার কী হয়েছে?
একটা লোক, বয়স চল্লিশের কাছাকাছি, ৫ তলা থেকে পড়ে মারা গিয়েছে।
- ঠাণ্ডা লাগছে? - তা তো লাগছে।
আহ, ওখান থেকে লাফ দিয়ে এখানে এসে পড়েছে?
আহ, মনে হচ্ছে আত্মহত্যা।
তার রুমটা একবার দেখে নিন।
চলো, দেখি।
দেখে মনে হচ্ছে আত্মহত্যা...
দং-হিউক।
বল?
ডিটেকটিভ কিমের সাথে আমার ব্যাপারে কথা বলেছেন?
তোমার ব্যাপারে?
সাইড হাস্টল, আমি সব করতে পারবো।
আপনি চাইলে, বন্দুকও এনে দিতে পারবো।
- বন্দুক? - হ্যা।
আসল বন্দুক আছে?
তুমি একটা পেয়েছো, এটা আমাকে দাও।
হারামী, এটা দাও!
এই ধরনের কাজে এসে এসব কথা বললে হয়?
আর মুখটা বন্ধ রাখো।
মনে হয় এটা আত্মহত্যা নয়।
ডাকাতি।
দেখ, পুরো ঘর কেমন এলোমেলো।
তারা নিশ্চয় কিছু খুঁজছিলো...
এই, তোমরা কারা?
লোকাল পুলিশ?
বের হয়ে যাও।
আমাদের বের হয়ে যেতে বলছে।
সবাই বেরিয়ে যাও!
- তুমি কে? - হারামজাদা, মেজর ক্রাইম।
এই কেইসটা আমার, ভালোই ভালোই কেটে পড়।
আচ্ছা, মি. মেজর ক্রাইম, একটু ভদ্রভাবে বললে হতো না?
তুমি নিজেই তদন্ত করবে নাকি?
তো, আর কে করবে?
আরে গাধার দল, তোরা তো মর্গে একটা লাশের খোঁজ পর্যন্ত করতে পারিস না!
আরে ভাই, ওই হারামজাদা, আমাদের গাদা বলেছে।
গালি দিবি না, তোর সাহস হয় কীভাবে!
তুই কি পাগল নাকি?!
- চলো! - এই!
ঝগড়া থামাও!
ছেড়ে দাও!
যাও, নিচে যাও।
যাও!
কে এসেছে দেখ।
মিউং-দেউক।
আমরা অকেজো নাকি?
নাকি মেজর ক্রাইমের ফেলে দেয়া কোনো জিনিস?
আমরা কখনোই তার পিছনে পড়ে থাকি নি।
ঠিক আছে, ঠিক আছে!
আরে...
হ্যা।
ডিটেকটিভ কিম! এক মিনিট!
এই, তুমি ঘটনাস্থলে ঢুকতে পারবে না!
এমন করাটা ঠিক হচ্ছে না...
- সরে যাও, আরে! - ডিটেকটিভ কিম!
উনি ভিতরে পর্যবেক্ষক করছেন, তুমি ভিতরে যেতে পারবে না!
তোমাকে ভিতরে ঢুকতে দিলে আমি ঝামেলায় পড়ে যাবো...
সবাই আমাকে ধমকাবে, ঐদিকটা দেখ!
তুমি যেতে পারবে না।
তুমি বলেছিলে এখানে আমাকে কাভার দিবে...
তুমি নিজের কথা রাখছো না?!
এটা রাখো।
এটা কেন নিয়েছ?
এটা দিয়ে মেজর ক্রাইমের সাথে মজা নিতে পারবো।
যাওয়া যাক!
শুভ সন্ধ্যা!
হেই, তোমাদের বস কোথায়?
ভিতরে আছেন, স্যার।
হ্যলো, হ্যলো, হ্যলো।
- শালা। - আরে।
আদব কায়দা ভুলে গেছো?
আরে, এতো দেখছি ডিটেকটিভ!
এভাবে ছুড়ে মারবেন না।
ব্যবসা কেমন চলছে?
আর বলবেন না, ফালতুর ফালতু।
বাইরে মেয়েগুলোকে দেখেছেন? তাদের হাতে কোনো কাজ নেই।
বলছি কী,
এই মাসে আমাকে একটু ছাড় দিন।
আমাদের মতো কর্মচারীদের কাছে তুমি ছাড় চাইছো কীভাবে?
তুমি তো কান্নাকাটি শুরু করে দিলে।
আরে, আমি প্রায় দেউলিয়া হবার পথে।
দেখলেন তো, মেয়েগুলোর কাছে কোনো কাস্টমার আসছে না,
তাই কোনো টাকাও নেই...
এ্যা?
ওইখানে আমি বসি...
এখানে অনেকগুলো টেলিফোন...
তোমার যদি ব্যবসা না থাকে, তাহলে এগুলোরও দরকার নেই।
আমি দুঃখিত...
- মি. শিন। - বলুন?
আমাদেরকে তোমার চাকর মনে হয়,
আমরা কি তোমার হয়ে কাজ করি?
না, তা কেন হবে।
দেখতে চাও, আমরা কী করতে পারি?
না, এমনটা করবেন না।
ঠিক আছে, শান্ত হোন।
আসলে, আমার খারাপ লাগছে।
চাইনিজরা লাখ লাখ টাকা এখান থেকে চীনে পাঠাচ্ছে,
আর, আপনারা কোরিয়ানদের উপর জুলুম করছেন।
- লাখ লাখ টাকা? - হ্যা!
চাইনিজরা?
চাইনিজ? জু কি-রিয়ং?
আপনারা জানেন না?
আমাদের চেয়ে আপনাদের কাছে তথ্য এতো কম থাকে কীভাবে?
এই টাকা তারা আমাদের সারা দেশে
উচ্চ সুদে ঋণ, মাদক ব্যবসা আর নারী ব্যবসার মাধ্যমে উপার্জন করছে।
এই টাকা একসাথে সংগ্রহ করে একসাথে চীনে পাঠিয়ে দেয়।
এখানের সবাই এসব জানে।
কখন?
কীভাবে পাঠায়?
আমি কী করে জানবো?
তুমি অনেক কিছু জানো, আবার অনেক কিছু জানো না।
এটাই আমার সিক্রেট।
আরে, গুণে দেখতে হবে না।
চলে যাচ্ছেন?
ভালো থাকবেন!
ভালো কোনো আইটেম পেলে, আমার কাছে পাঠিয়ে দিয়েন!
আরে ম্যাসেজের জন্য বসুন।
না, প্রেমিকা জানতে পারলে মেরে ফেলবে।
আরে ডুড!
গিয়ে জি-মিনের জন্য কিছু স্টিক কিনে আন।
লাগবে না, সে মাংস হজম করতে পারে না।
তুমি আমাকে অপমান করছো।
আমি কী অপরিচিত কেউ?
তুমি তো জানো, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন বলে আমার কেউ নেই।
তুমি আমার ভাইয়ের মতো, তাই বললাম আরকি।
হেই,
আমি সবসময় তোমার খেয়াল রাখি না?
আমার সাথে না থাকলে, তোমার কোনো অস্তিত্ব থাকতো না।
এতো ভালো ব্যবহারের দরকার নেই,
মানুষ হিসেবে আমি ভালো নই।
বের হচ্ছি।
এই মাসের বিল কত হয়েছে?
চার হাজার নয়শো ওন।
এই যে নিন।
থ্যাঙ্কিউ!
আপনি বাজি লাগান!
যত বড় বাজি, তত বেশি টাকা!
বাবা!
এখনো ঘুমাও নি?
ইদানিং আমার ঘুম হচ্ছে না।
ডাক্তার কী বলেছে?
ব্যস্ততার জন্য ফোন ধরতে পারি নি।।
একই কথা, অপারেশন করাতে হবে।
সিটার কোথায়?
সে আজ বাড়ি গেছে, আমিও বাড়ি যেতে চাই।
- বাবা? - বল?
আমি কী বাড়ি যেতে পারবো?
জি-মিন...
যদি অপারেশনে ভালো না হই?
এসব বলতে নেই, স্রষ্টাকে স্মরণ কর।
এখন ঘুমাও।
কি-রিয়ং!
ক্ষুধা লেগেছে, তুমি খেয়েছো?
খাবার তো বাসায় খাবার কথা।
বাড়িতে রান্না করার কেউ নেই।
আচ্ছা, তোমার এলাকায় যে লোকটা মারা গেছে...
বুঝেছি বুঝেছি, ওই আত্মহত্যা?
আত্মহত্যা?
মেজর ক্রাইম মামলাটা আমাদের থেকে নিয়ে নিয়েছে।
কোনো কিছু লুকানোর থাকলে, আমাকে বলে ফেলো।
তুমি আমাদের কথা ভাবছো, বিষয়টা প্রশংসনীয়,
কিন্তু, আমি আসলে কিছুই জানি না।
এইসব আর ভালো লাগছে না।
- গোয়াং-সেওক। - হুম?
যদি দং-হিউক কখনো ক্যাসিনোতে আসে, তাকে লাথি মেরে বের করে দিবে।
আমি কী করে তাকে কন্ট্রোল করবো, সে এখন অনেক বড় মাফিয়া হয়ে গেছে।
যদিও আমাদের জীবন-যাপন আলাদা, তাও, বন্ধুকে কী করে ফিরিয়ে দিই?
তোমার পার্টনারকে তার ঋণ শোধ করে দিতে বল।
বেশ বড় অঙ্কের টাকা, তাই না?
খুব বেশি না।
কত?
এই, চল্লিশ হাজার ওন।
শুনেছি তুমি নাকি ইনচন দিয়ে,
নৌকাতে করে মাল পাচার করছো।
যা...
কে বলেছে?
ইদানিং দেখছি তোমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
এসব গুজবকে সত্য ভেবেছো নাকি?
হ্যা, আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে।
খাওয়ানোর জন্য ধন্যবাদ, উঠছি।
শালার কোরিয়ান...
ধুর, হেরে গেলাম...
কোন মাদারচোদ মারলো রে...
হ্যালো, চিফ।
আমি মাদারচোদ।
মিউং-দেউক কোথায়?
জানি না।
গতকাল তোমরা পরিচিত হয়েছিলে।
গতকালের জন্য দুঃখিত, আমার মাথা ঠিক ছিলো না।
কী আশ্চর্য, তোমরা আদব-কায়দাও ভুলে গেছ নাকি?
আরে, চুপ কর।
শুধু জানতে চাচ্ছি।
তারা কী কোনোভাবে যুক্ত?
গতকাল মারা যাওয়া লোকটি আমাদের তথ্যাদাতা ছিলো।
তারা এতো ঝামেলা করছিলো শেষ পর্যন্ত গুপ্তচর নিয়োগ করতে হয়েছিল...
সে ধরা পড়ে যায়।
তাই তো মনে হচ্ছে।
তথ্য পাওয়ার যে সম্ভাবনা ছিলো, তাও শেষ।
No comments yet. Be the first to leave one.