Mistari 200 ya kwanza.
আসছে! রক্তের গন্ধে ধীরে ধীরে সে এগিয়ে আসছে!
পেছনের দেয়ালে হঠাৎ দেখা দিল বিশাল এক ছায়া। একে একে শুষে নিতে লাগল সবকিছুকে।
- এগিয়ে এলো আরও কাছে। - কে আসছে?
ডেমোগর্গন নাকি?
ওহ, খোদা, ডেমোগর্গন এলে তো আমরা শেষ!
ডেমোগর্গন তো অবশ্যই না।
চেম্বারে ঢুকল এবার ট্রগলোডাইটদের আর্মি।
- ট্রগলোডাইট? - আগেই বলেছিলাম।
এক মিনিট।
শুনলে?
কিসের যেন... আওয়াজ হলো?
বুম... বুম...
বুম!
এ তো ট্রগলোডাইটের আওয়াজ হতে পারে না। এ নিশ্চয়ই...
নিশ্চয়ই অন্য কিছু হবে, তাহলে।
এসেছে ডেমোগর্গন!
- আমরা শেষ! - উইল, তোমার পালা!
- বুঝতে পারছি না! - ফায়ারবল মারো!
আমাকে তো ১৩ বা এর বেশি উঠাতে হবে!
বেশি রিস্কি হয়ে যায়। তারচেয়ে প্রোটেকশন স্পেল চালাও।
- ভয় পেয়ো না। ফায়ারবল মারো! - প্রোটেকশন চালাও।
মানুষদের আজেবাজে কথায় অতিষ্ঠ হয়ে গেছে ডেমোগর্গন।
এবার সবকিছুকে করবে ধ্বংস!
- বুম! - ফায়ারবল মারো!!
- আরো একবার, বুম! - প্রোটেকশন চালাও।
রাগে গর্জে উঠলো সে!
ফায়ারবল!
- ওহ, ধ্যাত! - গেল কোথায়?
- গেল কোথায়? - জানি না তো!
- ১৩ পড়েছে? - জানি না আমি!
- গেল কোথায়? - ওহ, খোদা!
- মাইক! - ওহ, মাই গড! ওহ, মাই গড!
- মাইক! - পেয়েছ?
না, দেখছি না তো!
- মাইক! - ওহ, মাই গড! ওহ, মাই গড!
মম, আমরা তো খেলার মাঝখানে আছি!
শেষ করো তাড়াতাড়ি। সন্ধ্যে হয়ে গেল।
ওহ, খোদা! ও আস্ত একটা গাধা!
- মম, শোনো, আর মাত্র ২০ মিনিট! - সকালে স্কুল আছে, মাইকেল।
মাত্র হলিকে ঘুম পাড়িয়ে এলাম। আবার সামনের রবিবারে খেলবে।
- তাহলে তো খেলাটা নষ্ট হয়ে যাবে! - মাইকেল...
সত্যি বলছি, মম।
এটার জন্য ২ সপ্তাহ ধরে প্ল্যান করতে হয়েছে।
১০ ঘণ্টা লাগবে, কে জানত বলো?
১০ ঘণ্টা ধরে খেলছ তোমরা?
- ড্যাড, আর মাত্র ২০টা মিনিট খেললে... - মায়ের কথা শোনাই ভালো হবে, বাবা।
বেশ ভালভাবেই নষ্ট হলো, দেখছি।
ওহ্, পেয়ে গেছি!
- ৭ উঠলে হবে? - ৭ উঠেছে?
মাইক দেখেছে? তাহলে সমস্যা নেই।
এই, দেখো, তোমরা।
- খাবে নাকি? - না।
হ্যাঁ।
না, মনে তো হয় না...
হ্যাঁ, ও সত্যিই কিউট।
বার্ব, না, আমার মোটেও ওসব মনে হচ্ছে না।
- বার্ব, তুমি তো... - হেই, ন্যান্সি।
দেখো, খাবে নাকি?
- সসেজ আর পেপারনি! - হোল্ড কর তো।
- তোমার বোনের মাথায় দোষ আছে। - কি বলছো এসব?
- পাগল হয়ে গেছে হয়তো। - হ্যাঁ।
কারণ, ঐ গাধা, স্টিভ হ্যারিংটনের সাথে প্রেম করলে তো অমন হবেই।
হ্যাঁ, কেমন যেন বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছে।
ও সবসময়ই বিরক্তিকর ছিল।
নাহ, আগে তো ভালোই লাগত।
মনে আছে, একবার আমাদের এল্ডার ট্রি ক্যাম্পেইনের জন্য বামন সেজেছিল।
ওসব ৪ বছর আগের কথা!
- এমনিই বললাম। - বাদ দাও।
- ৭ উঠেছিল। - কী?
তখন, দানে ৭ পড়েছিল।
ডেমোগর্গনের শিকার আমাকেই হতে হল।
কাল দেখা হবে।
- গুড নাইট, বন্ধুরা। - তোমার মা কে শুভেচ্ছা জানিও।
আমার বাসা পর্যন্ত রেস খেলবে? জিতলে কমিক পাবে।
- যে কোনোটা? - হ্যাঁ।
এই! এই!
আমি তো শুরু করতে বলিনি!
এদিকে এসো!
ধরতে পারলে খবর আছে!
তোমার এক্স-মেন 134 এখন আমার!
আস্ত একটা বদমাশ!
মম?
জোনাথান? মম?
হ্যালো? হ্যালো?
Translated By KAMRUL HASAN SHIMUL JAHIRUL ISLAM SARAH IQBAL FUAD ANAS AHMED
Edited By F U A D A N A S A H M E D
CHAPTER ONE THE VANISHING OF WILL BYERS
শেষ হচ্ছে, সকালের সংবাদ।
আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
ফিরে যাচ্ছি লিজের কাছে, নিউজ ডেস্কে।
অল রাইট, থ্যাংক ইউ, ডোনা।
এবার পড়ছি স্থানীয় সংবাদ।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই হঠাৎ করেই আসতে শুরু করেছে বৈদ্যুতিক গোলযোগের অভিযোগ।
গত রাতে, ইস্ট হকিন্সের প্রায় শ'খানেক বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে,
এখনও বহু বাড়িতে বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।
যদিও এখনও পর্যন্ত আকস্মিক এ বিপর্যয়ের কোনো কারণ জানা যায়নি।
রোয়েন কাউন্টি ওয়াটার এন্ড ইলেকট্রিক সেন্টার থেকে
আমাদের এক প্রতিনিধির কাছে সেখানকার এক কর্মকর্তা বলেন,
দুশ্চিন্তার কিছু নেই। পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব বাসাবাড়িতে
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ আবারও চালু হয়ে যাবে।
অন্যান্য সংবাদের সাথে এখন আরও থাকছে,
আবহাওয়ার সংবাদ।
আর আবহাওয়ার সংবাদ নিয়ে আসছে সবার প্রিয়, চার্লস।
রাখলাম কোথায়?
- জোনাথান? - কাউচে দেখো!
দেখলাম তো।
ওহ্... পেয়েছি।
ওকে, বাবা, রাতে দেখা হবে।
- হ্যাঁ, যাও। - উইল কোথায়?
ওহ্, এখনও তো ওকে দেখলাম না।
ঘুমাচ্ছে বোধহয়।
- জোনাথান, ওর দিকে আরেকটু খেয়াল রাখতে হবে! - মম, ব্রেকফাস্ট রেডি করছি, আমি।
হাজারবার বলেছি।
উইল! উঠে পড়, বাবা। সময় নেই একদম।
- রাতে বাড়ি ফিরেছিল, তো? - ওর রুমে নেই?
- বাসায় এসেছিল কিনা, সেটা বলো। - জানি না তো।
- জানো না, মানে? - না।
আমার আসতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। কাজে ব্যস্ত ছিলাম।
এতো রাতে কাজ?
এরিক বাইরে যাওয়ায়, ওর বদলে ওভার টাইম করতে হল।
ভাবলাম, বাড়তি কিছু টাকাও পাওয়া যাবে।
- জোনাথান, এসব ব্যাপারে আগেও কথা বলেছি। - জানি তো, আমি।
আমি যখন কাজে থাকি তুমিও তখন বাইরে থাকলে হবে কি করে?
মম, দেখো, এসব নিয়ে এতো ভাবার তো কিছু নেই। হুইলারদের বাসায় রয়ে গেছে হয়তো।
- হয়তো কারো বাসায় রাতে থেকেছে। - পাগল হয়ে যাব আমি।
পাগল হয়ে যাব একদম।
বিরক্তিকর।
- তুমি বিরক্তিকর! - হ্যালো?
হাই, ক্যারেন। জয়েস বলছিলাম।
- ওহ্, জয়েস, হাই। - বদমায়েশি হচ্ছে, মাইক?
- হেই! - আস্তে!
- ভাষা ঠিক রাখো। - কি বলছো তুমি?
উইলের আওয়াজ শুনলাম মনে হল?
উইল? না, না, না, ওটা তো মাইক।
উইল রাতে আপনাদের ওখানে ছিল না?
না, ওরা তো ৮টার বাজার খানিকবাদেই চলে গেল।
কেন? বাড়িতে নেই?
আমম...ও মনে হয়, সকাল সকাল স্কুলে চলে গেছে।
- অনেক ধন্যবাদ। বাই। - ওকে। বাই।
আজব ব্যাপার তো। দেখলাম না ওকে।
শোনো, ওর মা ঠিকই বলেছে।
হয়তো, আগে আগে ক্লাসে চলে এসেছে।
হ্যাঁ, ও তো সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকে কখন আবার গারস্কির কাছে পপ কুইজ খেতে হয়।
কি খবর লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান?
আজকের ফ্রিক শো তে আপনাদের জানাই স্বাগতম!
কোনটাকে দেখালে, ফ্রিক শো তে সবচেয়ে বেশি কামানো যেত?
কেলেভূত, ধাঁড়িব্যাঙ, নাকি দাঁতফোকলা?
দাঁতফোকলাটাকেই পছন্দ হয়েছে।
হাজার বার বলেছি, আমার দাঁত এখনো উঠছে।
একে বলে, ক্লাইডোক্রেনিয়াল ডিসপ্লেসিয়া।
"হাজার বার বলেছি"
হাতের খেলাটা দেখাও।
দেখাও ফ্রিক!
খোদা, একটাবারও সহ্য করতে পারিনা।
- বদমাশের দল। - আমার তো ব্যাপারটা দারুণ লাগে।
মনে হয় যেন, তোমার সুপার পাওয়ার টাইপের কিছু আছে।
মি. ফ্যান্টাস্টিকের মতো।
হ্যাঁ, পার্থক্য শুধু, আমি শয়তানদের শায়েস্তা করতে পারি না।
তো, কল দিয়েছিল?
আরে, আস্তে বলো না।
কল দিয়েছিল?
বলেছি তো একবার, ব্যাপারটা অমন না।
আচ্ছা। আসলে, হ্যাঁ, ও আমায় পছন্দ করে, কিন্তু সেভাবে না।
আমরা শুধু...
কয়েকবার ডেটে গিয়েছিলাম।
"আমরা শুধু... কয়েকবার ডেটে গিয়েছিলাম।"
ন্যান্স, সিরিয়াসলি?
এবার কিন্তু, ইচ্ছে করেই এড়িয়ে যাচ্ছ।
কই, না তো।
এর চেয়ে ভালো, বসে বসে আমার সাথে আড্ডা দিলেও তো পারো।
টমি এইচ কিংবা ক্যারলের সাথে যদি তোমার বন্ধুত্ব হয়ে যায়...
ওহ্, খোদা, কি বলো!
আচ্ছা। বলছি শোন, ব্যাপারটা আসলে সাধারণ...
খুবই সাধারণ।
কি যেন বলছিলে?
- স্টিভ... - মমম...হুমম?
- যাওয়া দরকার। - আর ১টা মিনিট।
স্টিভ। আমি সত্যিই, পারলে...
সিরিয়াসলি, এবার যেতে হবে।
দাড়াও, দাড়াও, দাড়াও, আগে...
বলো, রাতে দেখা করবে, ঠিক আছে?
আহ্... না, সম্ভব না। ক্যামনস্কি টেস্টের জন্য পড়তে হবে।
ওহ্, কত যেন তোমার জিপিএ? ৩.৯৯৯...
ক্যামনস্কি টেস্ট খুবই কঠিন।
- আচ্ছা, তাহলে, আমি তো সাহায্য করতে পারি। - কেমিস্ট্রিতে ফেল করেছ তুমি।
- সি মাইনাস পেয়েছি। - আচ্ছা তাহলে...
কয়টার দিকে আসব আমি? ৮টায় এলে চলবে?
- মাথা ঠিক আছে? মম তো কোনোভাবেই... - তোমার জানালা বেয়ে উঠবো।
উনি জানতেই পারবেন না। আমি এসব খুব ভাল পারি।
পাগল হয়ে গেছ তুমি।
দাড়াও, দাড়াও, দাড়াও। যাইহোক... বাদ দাও।
আমরা তো চাইলে...
চাইলে আমরা আমার গাড়িতেই মজা করতে পারি।
একটু নীরব, নিরাপদ একটা জায়গা দেখে গাড়িটা পার্ক করে রাখব।
স্টিভ... আমার পড়তে হবে।
দুষ্টুমি করছি না আমি।
তো আমি কি তাহলে এমনি এমনি চুপচাপ আর নিরাপদ জায়গা খুঁজব নাকি?
তুমি আস্ত একটা গাধা, স্টিভ হ্যারিংটন।
৮টার দিকে ডিয়ারর্বন এন্ড ম্যাপেলে আসবে।
কিন্তু, শুধু পড়ালেখা করার জন্য।
No comments yet. Be the first to leave one.