Ascenseur pour l'échafaud
Mistari 200 ya kwanza.
সত্যিই আমি আর সহ্য করতে পারছি না।
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
কাজটা আমাদের করতেই হবে।
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না, জুলিয়েন।
তুমি জানো আমি সবসময়...
...তোমার সঙ্গেই আছি।
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
তোমার কণ্ঠস্বর বিনা, আমার জীবনে নীরবতা নেমে আসবে।
এটা তো সাহসের পরিচয় নয়।
- ভালোবাসতে সাহস লাগে না। - ওকথা বোলোনা।
ELEVATOR TO THE GALLOWS
উৎসর্গ - সকল ভাষা শহিদের স্মরণে ভাষান্তর - শান্তনু মুখার্জী
ক 'টা বাজে?
সাতটা।
একটা চুমু দাও না।
অন্যসব দিনের মতো, আমি রয়্যাল ক্যামিওতে তোমার প্রতীক্ষায় থাকবো।
কাজটা মিটে গেলে, তোমার বড় গাড়িটা নিয়ে এসে...
...ক্যাফের সামনে দাঁড়াবে, আমি তোমার পাশে এসে বসবো।
তারপর আমরা স্বাধীন, জুলিয়েন।
ঠিক আছে।
আমি অপেক্ষায় থাকব, শুধু তোমার জন্য,
আর ঠিক আধা ঘণ্টা পর।
ফ্লোরেন্স।
জেনিয়েভ্।
মিস্টার ট্যাভারনিয়ে?
আপনি আরও কিছুক্ষণ থাকতে পারবেন?
আমি জানি আজ শনিবার, কিন্তু কিছু কাজ সারতে হবে।
কারালা কোর। কীভাবে সাহায্য করতে পারি? দয়া করে লাইনে থাকুন।
সমস্যা নেই। আমি তো সবসময় শেষেই যাই।
কোনো কারণেই যেন আমাকে বিরক্ত না করা হয়।
মিস্টার কারালা? লন্ডন থেকে আপনার ফোন।
ঠিক আছে, মিস্টার কারালা।
জীবনেও ভদ্র আচরণ করল না।
হ্যালো, মিস্টার পরফিরোপোলস?
মিস্টার কারালা এখন জেনেভায় যাচ্ছেন, আপনার ফোন ধরতে পারবেন না।
ভালো কথা, স্যার।
সত্যি বলতে মিস্টার ট্যাভারনিয়ে, আপনি প্রায়ই আমাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখেন।
ইন্দোচায়না যুদ্ধের সময়,
তাতে কোনো বড় ক্ষতি হয়নি। একটা পরাজয় কম বেশিতে কীই-বা আসে যায়?
তবে এখন আপনি বড় ব্যাবসার দায়িত্বে আছেন।
এটা আর অলীক স্বপ্ন নয়।
জেনেভাতে তারা আমার জন্য অপেক্ষা করছে।
তাদের অপেক্ষা করতে হবে না। এই নিন সেই ডকুমেন্ট।
বেশ মজাদার তো!
আপনি খুব যোগ্য লোক, মিস্টার ট্যাভারনিয়ে।
আমার একজন বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো।
এটা পড়ার কায়দাটা জানা থাকলে, ডকুমেন্টটা বেশ আকর্ষণীয় লাগবে।
আমি জানতাম আমার ব্যাবসায় একজন নায়ক প্রয়োজন।
একজন অবসরপ্রাপ্ত নায়ক। রাস্তার ফেরিওয়ালাদের দিয়ে তো এই কাজ হবে না।
একজন প্যারাট্রুপার তো দেবদূতই।
- আপনার যুক্তিটি হল.. - হ্যাঁ, জানি।
"ভূতাত্বিক জরিপ, আরো বিষয়াদি...
আমাদের গোয়েন্দারা ভালোই কাজ করে।
অনেকটা প্রায় আমেরিকানদের মতো।
"পাইপলাইন প্রকল্প।"
এখানে একটি ভুল করেছে।
পাইপলাইনটি মরক্কোর দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া উচিত ছিল।
লম্বা হবে, কিন্তু সেটা নির্ভরযোগ্য।
এটাই কি সব?
এটা কোন ধরণের রসিকতা?
তুমি রসিক নও?
তাহলে টাকার লোভী?
আমি একদমই ভয় পাচ্ছি না।
অনেকেই আমাকে ঘৃণা করে। আমি এখন অভ্যস্ত।
তোমার গুলি চালানোর সাহস নেই।
যুদ্ধক্ষেত্রে হয়তোবা পারবে, কিন্তু এখন নয়।
যুদ্ধ নিয়ে বিদ্রূপ করছেন, এটাই তো আপনার আয়ের উৎস।
ইন্দোচায়না যুদ্ধে কত টাকা লুটেছেন,
আর এখন আলজেরিয়া।
যুদ্ধকে শ্রদ্ধা করুন, মিস্টার কারালা, এটাই আপনার পৈত্রধন।
তুমি এই বন্দুকটা কোথায় পেলে?
আমার বন্দুক তোমাকে কে দিয়েছে?
ফালতু জিনিস লিখে সময় পার করছেন।
ক্যাপ্টেন মনে হয় ঘুমিয়ে পড়েছেন।
- উনাকে বিরক্ত করতে মানা করেছেন। - আমরা তো সারারাত থাকতে পারব না।
আমি ফোন দিচ্ছি।
এখানে আঙ্গুল দিলে কী হবে?!
মিস্টার ট্যাভারনিয়ে ফোন ধরছেন না।
আমি ক্যাপ্টেনকে চিনি।
হ্যাঁ, স্যার। মাফ করবেন।
উনি এখুনি বেরোবেন।
- স্যার... - গুড ইভনিং, মরিস।
- আমরাই কি সবার শেষে যাচ্ছি? - হ্যাঁ।
আপনি মিস্টার কারালাকে যেতে দেখেছেন?
না, আমি হয়তোবা অন্য ফ্লোরে ছিলাম।
এতক্ষণে নিশ্চয়ই চলে গেছেন। উনার ট্রেন ছাড়ে পৌনে আটটায়।
বসের একটা অদ্ভুত স্বভাব,
সবসময় কাউকে না জানিয়েই বিদায় নেন, একা একাই চোরের মতো ট্যাক্সি ডাকেন।
আবার কবে ফিরবেন?
সেটাও তো বলে যান না, শেষবার নেপল্স গিয়ে ট্যাঙ্কার কিনে এনেছেন।
এবারও হয়তোবা সেখানে গেছেন।
নেপলস্ খুব অস্বাস্থ্যকর জায়গা।
- ক্যাপ্টেন.. - আমি এখন আর ক্যাপ্টেন নই।
শুভ রাত্রি।
- শুভ রাত্রি, জেনেভিয়েভ। - সপ্তাহান্ত ভালো কাটুক।
কিছু একটা অনুধাবন করতে পারাটা বিস্ময়রকর।
সত্যিকারের বিস্ময়কর।
দারুণ দারুণ সব জিনিস।
তুই শুধু চোখ দিয়ে দেখে যাস, আমার মতো করে অনুভব করতে পারিস না।
হ্যা, তুই পড়ালেখা করেছিস। বই পড়ে অনেক কিছু জেনেছিস।
জ্যাকেটটা দেখতে একদমই গর্দভের মতো!
আরে ... ইনি মিস্টার ট্যাভারনিয়ে!
সবসময় অবৈধভাবে গাড়ি পার্ক করেন। জরিমানা আর পুলিশকে কোনো পাত্তাই দেন না।
হ্যালো, মিস্টার ট্যাভারনিয়ে।
দেখতে খুব আভিজাত, তাই না?
উনি ইন্দোচায়নায় যুদ্ধে লড়াই করেছেন। তারপর উত্তর আফ্রিকার ফ্রেঞ্চ ফরেন লিজিয়নেও।
এখন ব্যবসায় নেমেছেন।
ইদানীং উনি প্রচুর ফুল কিনছেন।
দেখ, বোতাম চাপলেই কী হয়...!
আমি এরকম জীবনেরই স্বপ্ন দেখি।
ওটা নতুন কিছু নয়।
কত বড় বোকামি!
ফ্লোরেন্স ওদিকে অপেক্ষা করছে।
আমার গাড়ির ইঞ্জিন চলছে।
লুই!
মিস্টার ট্যাভারনিয়ে দেখলে রেগে আগুন হয়ে যাবেন।
- আরে না। - তুই ওনাকে চিনিস না।
উনি যতগুলো পদক পেয়েছেন, ওনার শরীরেও তত ক্ষতচিহ্ন রয়েছে।
- বাড়িয়ে বলছিস! - এটা সত্যি!
তুই ওনার মতো হোসনি।
চল খেতে যাই, আমার খিদে পেয়েছে।
যখনই আমরা বের হই, তুই সন্ধ্যাটা নষ্ট করিস।
এবার উঠবি?
নাম বলছি! পরে কিছু হলে আমার কাছে আসবি না।
সারাক্ষণ শুধু জ্বালাতন করিস।
সবাই আমাদের দেখছে।
এতে ওয়াইপারও আছে!
সাবধানে চালা! লুই।
জুলিয়েন!
শুভ সন্ধ্যা, ম্যাডাম। ভেবেছিলাম আপনিই হবেন। বাচ্চাটার সাথে সুখে আছেন তো?
যতই হোক, রেনল্ট ডাউফিন গাড়ি তো বাচ্চার মতোই।
খুব খুশি, আপনাকে ধন্যবাদ।
প্যারিসের নারীদের জন্য নিখুঁত একটা গাড়ি।
খুশি... খুব খুশি!!
এই নির্বোধটা এখন বকবক করেই যাবে।
জুলিয়েন ওই কমবয়সী মেয়েটার সাথে?
কেন?
হ্যাঁ, ফুলের দোকানের মেয়েটাকে আমি চিনতে পেরেছি।
আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।
কী অরুচিকর কাজ।
ভয় পেয়েছে নিশ্চয়ই। ও গুলি করতে পারেনি।
কাপুরুষ কোথাকার।
সুখের জন্য ঐটুকু ত্যাগ দিতে পারে না।
আমার অভিনন্দন, ম্যাডাম কারালা।
- আমরা কোথায় যাচ্ছি? - মহাসড়কে।
আমি ওর মুখের অবস্থা কল্পনা করতে পারছি।
উনি পুলিশকে জানিয়ে দিলে?
যা ইচ্ছে করুক, আমার বয়েই গেছে।
গাড়িটাকে কিন্তু একই জায়গায় ফিরিয়ে দিতে হবে।
কাজটা খুব বাজে। আমরা ওনার উইকএন্ড নষ্ট করছি।
"জেলফা তৈল খনি", নাম শুনেছিস?
ওর দস্তানাগুলো আমাকে দে।
দেখ! একটা মিনি ক্যামেরা।
জার্মানি থেকে আমার এক বন্ধু ঠিক এরকম একটা এনেছিল।
এটা খুলতে পারছি না।
রেইনকোটটা দে।
আঙুলের ছাপ পড়বে।
এটি খেলনা নয়।
একটা রিভলভার, গোয়েন্দাদের ক্যামেরা।
জেলফা তৈল খনি।
তোর এই ট্যাভারনিয়ে, বেশ সন্দেহজনক।
হয়তোবা উনি একজন সিক্রেট এজেন্ট। ওনার পোশাকআশাক দেখেছিস?
আমারও তাই মনে হয়।
আমার কোনো ফোন আসেনি?
তুমি বাসায় ফিরে যাও। আমি ডিনার বাইরে করব।
তুমি কী করছ?
তুমি এখানে কী করছ?
এখন অনেক রাত,
সোজা বাড়ি চলে যাও।
মিস্টার ট্যাভারনিয়েকে দেখেছেন?
হ্যা, দুপুরের দিকে।
- আজ রাতে দেখেছেন? - না, ম্যাডাম।
- আজ রাতে মিস্টার ট্যাভারনিয়েকে দেখেছেন? - না, ম্যাডাম।
- উনি ফোন করেননি? - না, ম্যাডাম।
আরে আবারও!
এই নিয়ে তিন বার এই রাস্তাটা চক্কর দিয়েছি।
আমি বিরক্ত হয়ে গেছি।
গাড়ি পছন্দ করলে ভালো লাগত।
একটা মার্সেডিজ!
300 SL মডেল!
বিদেশী!
- ওরা ড্যানিশ। - না, জার্মান।
সাবধান, লুই!
এটা 100 মাইল গতিতে যেতে পারে।
কী একটা গাড়ি! ট্যাভারনিয়ের পছন্দ বেশি ভালো না।
জোরে!
তুই ওদের হারাতে পারবি।
- আঘাত লাগেনি তো? - আমি এসবে অভ্যস্ত।
এই গাড়িতে আমার প্রথম দুর্ঘটনা।
কথায় আছে না, "চলুন ব্যাপারটা উদযাপন করি।"
আমি হর্স্ট বেনকার, মিউনিখ থেকে।
আমার স্বামী জুলিয়েন ট্যাভারনিয়ে।
মধুচন্দ্রিমায় বের হয়েছেন!
শ্যাম্পেনটা ফ্রিজে রেখে দেওয়া যাক।
চল রাতটা এখানেই থাকি। এটা একটা মোটেল।
এটার ব্যাপারে পড়েছি। এখানে পৃথক কামরা, গ্যারাজ...
পাগল নাকি!?
গত সপ্তাহেই একটা স্কুটার চুরি করেছিলাম।
সেটার তল্লাশি এখনো চলছে বোধহয়।
No comments yet. Be the first to leave one.