Mistari 200 ya kwanza.
গত পর্বে...
তাদেরকে মারবে কেন? তারা কে?
তাদের ভেতর ৮০ জন আগে ছিল।
যদিও তারা কেউ কামবুরার সাথে যুক্ত নয়। কোন ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া যায় নি।
তবে CCTV তে পাওয়া গেছে।
আমি বলছি, বিড়ালের পোষাকে!
এইযে তোমার মাফিয়া।
সৈন্যদ্বয়
আজরাতে, আকাশ থেকে তারা ছুটবে
আমি একটা জিনিস চেয়েছি
একদিন যখন রাতে ডিউটিতে ছিলাম, একজন লোক আসলো
তার প্রত্যেকটা কথা আমার মনে আছে।
"যা ঘটেছে তুমি তার সব ভুলে যাবে।"
"নইলে তুমি নিখোঁজ হবে," সে বলেছিল।
হামজা কায়মাক, তাইনা?
আধা ঘন্টার ভেতর তার ছবি সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে।
হামজা তাদেরকে সব বলে দেবে। এতে সমস্যা হবে।
তুমি তাদেরকে সব বলে দেবে, ভুরাল।
উফুক এর ব্যাপারটা ভোলার কথা ছাড়া।
বসো, ভুরাল।
হ্যালো।
আমার কিছু লাগলে তোমার কাছে যেতে বলেছিলে।
আমার জন্য মরতে পারবে?
ফিরোজ, এটাতে আমার বিপদ হবে না, তাইনা?
কী পেলে?
আমি ক্রাইম সিনে রক্ত পেয়েছি অন্য কারো।
এটা হয়তো খুনীর।
-এটা কী DNA রিপোর্ট? -হ্যা।
ভেবেছ আমার মেয়ের সাথে সম্পর্ক করে তুমি বেঁচে যাবে?
এখন যদি তোমার রক্ত না ঝরাই,
তোমার বদলে কে আসবে?
তোমার রক্তের ভাই হলে কেমন হয়?
সেটাতে কাজ হবে তাইনা? চমৎকার কাজ হবে।
লাশটা জঙ্গলের নয়?
তাদের উত্তর দাও, দেখি তারা কারা।
আমি কী চেয়েছিলাম জানো?
ভাল মানুষ হতে।
তবে...
তার সব মনে আছে।
Moshiur Shuvo Presents
শুভ সকাল, আগাহ।
আজকে কোন খুন-খারাবি নয়, ওকে?
আজকে আমরা যাব...
আজকে আমরা সেমিলের শো দেখতে যাব...
আজকে এর বেশি কিছু করব না।
এবং আজকে ফেজার সাথে দেখা করতে যাব।
না, সেটা আগামীকাল।
ঠিক আছে।
আচ্ছা।
কালকে যাব।
হ্যা।
ঘুমাব, জেগে ফেজার কাছে যাব।
শুভ সকাল দেভা, আমি বাইরে যাচ্ছি।
স্কুলে যাবার আগে কিছু খেয়ে নিও।
বঙ্গানুবাদে : মশিউর শুভ
না, ওটা করো না।
গিয়ে সামনের সিটে বসো।
প্রস্তুত?
হ্যা, শ্যুট করো। গতবার তোমাদের সৌভাগ্য ছিল।
আমি বহু বছর গোলরক্ষক ছিলাম। আমি FC Sishane দলেও খেলেছি।
-শ্যুট করলাম তাহলে। -হ্যা করো।
-গোল! -আউট!
-সেটা কীভাবে! -গোল হয়েছে তো, তোমার চশমা লাগবে।!
না, গোলপোস্ট এখান থেকে এখানে। ওটা আউট হয়েছে!
এখানে তোমাদের কতবার খেলতে নিষেধ করেছি?
বল নিয়ে অন্য কোথাও গিয়ে খেলো।
সে ঠিক বলেছে, সব বেয়াদব!
-এটা খেলার জায়গা নয়! -ওটা গোল ছিল!
-ওটা গোল ছিল! -কক্ষনোই না, ওটা আউট ছিল।
-বাবা? -যুহাল? জানতাম না তুমি এখানে!
আমি সেমিলের সাথে এসেছি।
-তায়ফুনের কথা শুনেছ? -হ্যা, কামবুরা থেকে শুনেছি।
সেমিল ভেঙ্গে পড়েছে, বাবা। সে শোক পালন করছে।
-বুঝতে পেরেছি। -সে ভেঙ্গে পড়েছে।
বুঝেছি। তারা ভাইয়ের মত ছিল।
-আমি গিয়ে স্বান্তনা দিয়ে আসি। -ওকে, রাতে বাড়িতে দেখা হবে।
-বাড়ির পথ ভুলে যাও নি তো? -তুমি ভুলেছো?
আজকে ব্যালিস্টিক রিপোর্ট এসেছে।
জারজটা গ্রিনহাউজকে C4 বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছে।
কোন সাধারণ C4 দিয়ে নয়, ওটাতে টাইম সেট করা ছিল!
তার কাছে হয়তো যুদ্ধ করার মত অস্ত্রাগার আছে।
আরেকটা জিনিস বলবো এখন।
আমি আজকে মিটিং এ গিয়েছিলাম।
প্রসিকিউটর জেনারেল এবং পুলিশ কমিশনার আজকে আসতে চেয়েছিল।
১ সপ্তাহের ভেতর গ্রেফতার করতে না পারলে, আমরা শেষ।
প্রথমে তারা আমাকে বিদায় করবে।
আমার সাথে তোমাদেরকেও বিদায় করবে।
এটাই আমাদের শেষ সুযোগ।
আমাদেরকে কিছু বের করতেই হবে।
সেটা করতে না পারলে তারা আমাদের বের করে দিয়ে নতুন লোক আনবে।
ব্যাপারটা কত ভয়ানক সেটা বুঝতেই তো পারছো।
সেমিল হাভরান কামবুরান ফাউন্ডেশন
আস্তে।
আমি দুঃখিত...
আমি দুঃখিত...
-ওহ সেমিল,আমি দুঃখিত ... -আগাহ...
এখন আমি কী করবো?
সে অনেক মহৎ ব্যক্তি ছিল।
-আমার পাশে আসো। -শক্ত হও, বাছা।
-ধন্যবাদ। -এগুলো সব ভাগ্যের খেলা।
-ধন্যবাদ। -তাকে বহুবার বলেছিলাম।
কী করছ? এই জনশূন্য এলাকায় গ্রীণহাউজ বানাচ্ছো?
-আমার হয়ে কাজ করো! -ধন্যবাদ।
তাকে বহুভাবে বুঝিয়েছি! কিন্তু তার কাছে টাকার কোন মূল্য ছিল না।
আমরা একটা নোংরা দুনিয়াতে বাস করছি।
শক্ত হও। সব ভাগ্যের পরিহাস।
কীসের ভাগ্য?
তারা একজন ফুল চাষীকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছে।
-ধন্যবাদ। -কফিনটাতে কোন লাশ নেই।
তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায় নি। বোমাতে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।
শক্ত হও সেমিল। যে করেছে সে ধরা পড়বেই।
না, না...
তাকে আমি ধরব, যখন তাকে ধরব, তাকে আমি...
চুপ করো সেমিল, এটা মসজিদ, পাপ হবে।
আগাহ...
জারজটা আমার হৃদয়ে ছুরি মেরেছে।
-মৃত ব্যক্তি কেমন ছিলেন? -ভাল লোক।
-মৃত ব্যক্তি কেমন ছিলেন? -ভাল লোক।
-তার জন্য দোআ করছেন? -হ্যা, করছি।
-তার জন্য দোআ করছেন? -হ্যা, করছি।
-তার জন্য দোআ করছেন? -হ্যা, করছি।
সূরা ফাতিহা পাঠ করুন!
এই মেয়েটাকে,
যে মেয়েটাকে তায়ার ধর্ষণ করেছিল...
কী ভাবছ?
ভুরাল কী বলেছিল?
অগ্নিনির্বাপকের লোকটার নাম কী যেন ছিল? হালিস।
-সে মৃত, তাইনা? -হ্যা?
-যা ঘটেছিল, সে সেটা জানে। -যদি ভুরাল সত্য বলে থাকে, হ্যা।
হালিস, উফুককে বাঁচাতে রিপোর্টে গড়মিল করেছে।
তাহলে সে মেয়েটার ব্যাপারে জানতো। উফুক হয়তো তাকে বলেছিল।
আমি আমার মগজটাকে কষ্ট দিচ্ছি...
উফুক তার উপর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমাদের কাছে কিছু বলতে এসেছিল।
-ঐ মেয়েটার কথা সে বলল না কেন? -দেখেছো তো, সে কেমন।
উফুকের মনে কী চলছে, সেটা আমরা বলবো কীভাবে?
হালিস মেয়েটাকে চিনলো কীভাবে, সেদিকে নজর দেয়া যাক।
হয় উফুক তাকে বলেছে নয়তো সে অন্যজনের কাছ থেকে শুনেছে।
-কামবুরা এমনিতেও ছোট জায়গা। -হ্যা...
ওকে।
যদি হালিস জানতে পারে...
তাহলে অন্যকেউ জানবে না কেন?
যদি তারা...
যদি
তারা সকলে ধর্ষণটার ব্যাপারে জেনে থাকে,
কিন্তু তবুও তারা কিছু করে নি?
মেয়েটা আমার সাথে কথা বলছে। দেখ সে কী বলছে?
বাঁচাও, নেভরা।
আজকে একটা মেয়ের সাথে দেখা হয়েছে, তার নাম নেভরা এলমাস
আমি শুধু তাকেই ভরসা করি কারন কেবল সে-ই এসেছিল
সে সবসময়ই আমার সাথে কথা বলেছে।
এসব দিয়ে।
তাই তায়ার...
এই মেয়েটাকে ১০ বছর আগে ধর্ষণ করেছিল।
সে মেয়েটাকে হয়তো হুমকি দিয়ে ভয় দেখিয়েছে।
এজন্য সে অভিযোগ করে নি।
তাহলে এই খুনগুলো ঐ মেয়ের প্রতিশোধ।
মেয়েটাকে পেলে, খুনিকেও পাওয়া যাবে।
যে-ই খুনগুলো করছে, সে মেয়েটাকে অবশ্যই চেনে।
যেমন উফুক ধর্ষণকারীকে হত্যা করেছে...
যারা পাশে থেকে সব দেখেও চুপ ছিল তাদেরকে সে হত্যা করছে।
-তারা নীরব থেকে অপরাধের অংশীদার। -একদম ঠিক।
মেয়েটাকে খুঁজে বের করতে হবে। এখনি কামবুরা যেতে হবে।
গিয়ে কী করব?
ওখানে গিয়ে মাইকিং করে যাকে তায়ার ধর্ষণ করেছিল তাকে ডাকবো?
না, ওভাবে নয়।
যদি ধরে নিই যে, ১০ বছর আগে সে যুবতী ছিল,
আমি ২৫-৫০ বছরের সকল মহিলাদের একত্র করতে যাচ্ছি
হল ঘরে এবং তাদের সাথে কথা বলবো।
ভাবছো এতে কাজ হবে?
তোমার কোন সাজেশন আছে?
আগাহ? আগাহ!
তাজি?
দূর থেকে দেখেই তোমাকে চিনতে পেরেছি।
-সময় খুব দ্রুত যায়, আগাহ? -হ্যা।
তোমার হাতে সময় আছে? চলো কোথাও বসি।
-না, আমি যাচ্ছিলাম... -কোথায় যাচ্ছিলে?
-আমার একটা এপয়েন্টমেন্ট আছে। -কার সাথে?
আমার নিজের সাথে।
আরে আসো তো, এতদিন পর তোমার দেখা পেলাম।
আমি তোমাকে ছাড়ছি না। আজকাল আমার দুঃসময় চলছে।
তায়ফুনের ব্যাপারে... তার বয়স কম ছিল।
-সেমিলও ভেঙ্গে পড়েছে। -হ্যা, সেটা জানি।
যে এমন কাজ করেছে সে জাহান্নামে যাক!
আরে, এত ভাব নিয়ো না। আমরা আমার গাড়িতে যেতে পারি।
আমার গাড়িটা ওখানেই। বৎস, আমার গাড়িটা নিয়ে আসো।
-হ্যা, যদি তুমি চাও। -চলো।
-যখন একজনের সময় হয়ে আসে... -এক্সকিউজ মি?
আমার ব্যাগটা গাড়িতে আছে। আমি গিয়ে নিয়ে আসছি।
দেরেন কোরুগলু...
আজকে একটা মেয়ের সাথে দেখা হয়েছে।
ডগ স্লেয়ার ফ্যান ক্লাবের ফাউন্ডিং মেম্বার হিসেবে...
তোমাকে আমাদের র্যাংকে গ্রহণ করলাম।
সকলকে স্বাগতম।
আসল ঐতিহ্য অনুযায়ী, আমরা কয়েকজন ডগ স্লেয়ারের সাথে
এখন উদযাপন করবো।
মূলত অল্প সংখ্যক।
-আর্দা, তাইনা? -হ্যা।
এটা সত্যিই আজব...
এটা সত্যিই আজব কাকতালীয়তা।
তুমি জঙ্গলে ঘুরছিলে, ছবি তোলার জন্য।
No comments yet. Be the first to leave one.