Mistari 200 ya kwanza.
অনুবাদক: ফাহাদ আহমদ
এই মুভির কিছু চরিত্রের নাম
আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে পরিবর্তন করা হয়েছে।
যন্ত্রণার এই গিঁট কোনো সাধারণ অভিশাপ না।
অশুভ উদ্দেশ্যে সাজানো এক ভয়ংকর ফাঁদ।
প্রতিটা গিঁট এক-একটা ছায়া, যা শিকারের আত্মার ভেতর ঢুকে যায়।
এই গিঁটগুলো শিকারদের আত্মা দখল করে নেয়,
যাদেরকে বলি দেয়া হয়, তাদের সাথে বেঁধে ফেলে।
আর শিকারকে প্রতিশোধের পুতুলে পরিণত করে।
গিঁট বাঁধা পড়লেই, অসহ্য যন্ত্রণা জড়িয়ে ধরে শিকারের বুকে।
ঘৃণার আগুনে তৈরি করা এই ফাঁদ।
পরিবারের প্রতিটি মানুষের জন্য একেকটা বলি লাগে।
সবচেয়ে দুর্বল, সবচেয়ে অসহায় পাঁচটি আত্মাকে বেছে নিতে হবে,
যেন তারা অন্ধকারের বিরুদ্ধে টিকতে না পারে।
যন্ত্রণার গিঁট দিয়ে যেসব অশুভ সত্তাকে বাঁধবে,
তারা ক্লান্ত আর দুর্বল আত্মা খেয়েই বাঁচে।
ভুলে যেয়ো না, এই অভিশাপের সাথে
পাঁচটি নিষ্পাপ প্রাণের বোঝাও তোমাকেই বইতে হবে।
এই বিষণ্নতার কারণ কী?
এই বিষণ্নতার কারণ কী?
এই নীরবতা কেন আমার হৃদয় অন্ধকার করে দিচ্ছে?
এই অশুভ প্রতিধ্বনি কী?
কোন অন্ধকার থেকে জন্ম নিয়েছে এই বিষণ্নতা?
কোন সত্য লুকিয়ে আছে এখানে?
আমি সত্যটা জানতে চাই।
আমার ভেতরে কেন এই যন্ত্রণা বারবার ফিরে আসে?
এই যন্ত্রণাটা কার?
এই পথ কোথায় নিয়ে যায়?
আমি সত্যটা দেখতে চাই!
কোন জিনিস আমাকে বিভ্রান্ত করছে, আর ডেকে চলেছে?
টিক-টক।
টিক-টক।
টিক-টক।
ঘুমাও সোনা, ঘুমাও
তোমার বাবা এখনই আসবে
ঘুমাও সোনা, ঘুমাও
তোমার বাবা এখনই আসবে
ঘুমাও আমার মেয়ে
ঘুমাও সোনা
ঘুমাও আমার মেয়ে
তোমার বাবা এখনই চলে আসবে।
ঘুমাও সোনা, ঘুমাও
এখানে কী লুকানো আছে?
কোন ছায়া এসে আমাকে ডুবিয়ে দিচ্ছে?
এই পথ কোথায় যায়?
আমি সত্যটা দেখতে চাই!
এগুলো কীসের ছবি?
এগুলো কীসের ছবি?
বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
মা, আমরা দাদিকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠালাম কেন?
শোন এল্লা, তোমার দাদি এখন বয়স্ক।
আমরা চেয়েছি উনি যেন আরামে থাকেন, ওখানে উনার যত্নও ভালো হবে।
এখানে আমরা উনার সব চাহিদা পূরণ করতে পারছি না।
ওখানে থাকলে উনার জন্য ভালোই হবে। উনি খুশি থাকবেন।
খুশি হবেন কেন?
উনার যদি কষ্ট হয় ওখানে?
আমাদেরকে যদি মিস করেন?
উনি হয়তো আমাদের ছাড়া থাকতে পারবেন না।
আমরা উনাকে গিয়ে দেখবো, মা।
কতদিন হয়েছে উনি ওখানে গেছেন?
আগামী সপ্তাহে আমরা একসাথে যাবো। তুমিও যাবে।
এটা তো দাদির বাড়ি না, আম্মু?
হ্যাঁ, উনারই বাড়ি।
সাথে আমাদেরও।
আপুও ছেড়ে চলে গেলো, এখন দাদিও চলে গেলো।
সবাই চলে যায় কেন, আম্মু?
তোমার আপু এখন বড় হয়ে গেছে।
বড়দের মধ্যে কিছু সমস্যা হয়, তবে শেষ ও হয়ে যায়।
মা, ডিমের ভেতরে চুল আছে।
এটা কোথা থেকে এলো?
মা, এটা দাদির চুল না?
দাদির চুলের মতোই।
ইস্তাম্বুল বৃদ্ধাশ্রম
মা?
কেমন আছো?
আমার উপর রাগ করেছো?
রাগ করে কথা বলছো না?
দাদি মা।
কথা বলো।
দাদি।
আমি শ্বাস নিতে পারছি না। খুলো।
- এলা। - দাদি, খুলো।
- এলা। - মা।
মা।
মা।
আমার ভয় করছে, আম্মু।
আমার ভয় লাগছে।
আমি সবসময় তোমার কথাই ভাবি।
কিন্তু বাড়িতে থাকলে তুমি আর শান্তি পাবে না।
এলা বলছে নিজে থেকে ঢুকেছে, কিন্তু এটা তো তালা মারা ছিলো।
বেরনা, মা এরকম কাজ কেন করবে?
বাচ্চারাও তোমাকে মিস করে।
এলা গতকাল রাত্রেও তোমায় স্বপ্নে দেখেছে।
এলা তোমার জন্য একটা ভিডিও বানিয়েছে।
দাদি, কেমন আছো?
আমি তোমাকে খুব মিস করি।
মনে আছে তোমার?
তুমি এটা আমার হাতে করে দিয়েছিলে।
আমাকে কথা মনে আছে, খালা গোনুল?
তোমাকে খুব মিস করি।
তুমি হাতের ওপর এটা বসিয়ে আমার বাবার ছাপ বানাতে।
এলা, দৌড়াবে না। পড়ে যাবে।
এলা, খেয়ে নাও।
এলা, সোজা হয়ে বসো। নইলে কুঁজো হয়ে যাবে।
- এলা। এলা। - বন্ধ করো।
মা।
কী করেছো? ইন্টারভিউ কেমন গেলো বললে না।
দারুণ হয়েছে।
দুই ঘন্টার মতো কথা বলেছি, দারুণ গেছে।
আসার আগে তারা বললো আমাকে আবার ডাকবে।
আমি বলছি তোমাকে, আমাদের কোম্পানিতে আসো।
তোমার জব রেডি। খালি না বলো না।
অন্তত একটা চাকরি তো পেয়ে যাবে।
মেরত, আবার শুরু করে দিও না।
একশবার বলেছি আমার পছন্দ না।
আব্বুর মতো তুমিও কথা বলো
আব্বু আমাকে বারবার গ্যালারিতে যেতে বলেছে।
আমি যেতে চাইতাম না।
ওকে, আমি কিছু বলছিও না।
আইলিন, তোমার বাবা...
- কিছু বলার আছে। - বলে যাও।
গতকাল উনি আমাকে কোম্পানির বাইরে দেখেছেন।
ওখানে গিয়েছিলেন?
কথাটা বলতে চাচ্ছি না কিন্তু না বলেও উপায় নেই।
মেরত বলে ফেলো।
উনি জিজ্ঞেস করেছিলেন আমি আর কারো সাথে শুয়েছি কি না।
কী?
বিশ্বাসই হচ্ছে না আমার।
আমি রাগ করিনি।
উনি ওভাবে কিছু বলেনি।
একটু অদ্ভুত লেগেছে।
উনি শুধু জানার জন্য জিজ্ঞেস করেছেন।
মাথা গরম করো না।
কখনও কখনও মনে হয়, আমরা ভুল করছি।
মা একা আছে, আর আমরা সবাই এখানে।
মা'র রুম কী এভাবেই খালি ফেলে রাখবো?
আমি ওই রুমে ঢুকতেও পারি না।
তার বিছানা খালি থাকলেও মনে হয়
আমার দিকে তাকিয়ে আছেন।
মাত্র দুই সপ্তাহ হয়েছে, ফাতিহ।
ব্যাপারটার সাথে মানিয়ে নেবো আমরা।
ব্যাপারটা কঠিন। এলা ও লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদে।
তাকে ছাড়া থাকা কঠিন।
তবে এটা সবার জন্যই ভালো সিদ্ধান্ত।
ঠিক বলছো।
যন্ত্রনার সেই গিঁট তোমার ভাগ্য ঠিক করবে।
ফাতিহ।
ফাতিহ।
মা।
মা।
ফাতিহ।
মা।
দেখো, ও আসছে।
ও আসছে।
ও আসছে।
ও আসছে, আসছে।
এসে গেছে ও।
ও বুঝেছে, ও আসছে।
এলা।
- এলা। - দাদি মা।
দেখো, বাবা এসেছে।
আমার লক্ষী মেয়ে।
এলা...
এলা, কী করছো এখানে?
ফাতিহ আমাকে এখা রেখে গেল কেন?
আমার নিজের বাড়িতে কেন থাকতে দিলো না?
আমাকে এই ঠান্ডা ঘরে কেন ফেলে গেল?
এখানে আমার একা লাগে।
সারা রাত দেয়ালে তাকিয়ে থাকি।
এই অদ্ভুত জায়গায় আমাকে কেন রেখে গেল?
আমার বাড়ি কেন ছিনিয়ে নিলে, ফাতিহ?
আমার বাড়ি কেন ছিনিয়ে নিলে, ফাতিহ?
ফাতিহ।
কী হয়েছে?
কী হয়েছে, কী করছো?
আইলিন।
আইলিন।
মাই লাভ।
এখানে ঘুমিয়েছিলে।
চলো, নিজের বিছানায়।
তোমার উষ্ণতায় ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম।
- গুড নাইট। - গুড নাইট।
এগুলো কী?
মেরত।
আইলিন।
- কী হয়েছে? - মেরত, ওখানে কিছু আছে।
থামো।
আইলিন, কী হয়েছে?
কী?
আইলিন, তোমাকে বলতে চেয়েছিলাম।
- কী? - একজনের সাথে আমার সম্পর্ক আছে।
- কী? - থামো, নড়ো না।
তাদের কাছ থেকে আমার কাছে একটা রোগ এসেছে।
- কী? - আইলিন, থামো।
- মেরত... - আমাকে থামাবে না।
মনে হচ্ছে এই রোগ তোমারও হয়ে গেছে।
মেরত, তুমি...
আমারো হয়েছে।
আইলিন, রিলেক্স। তাকাও আমার দিকে।
আমি, শান্ত হও। এই দেখো আমি।
No comments yet. Be the first to leave one.