Mistari 200 ya kwanza.
দক্ষিণ ভারত সহ বিশ্বের যেকোনো ইন্ডাস্ট্রির মুভি সম্পর্কে জানতে ও জানাতে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপ
Worldwide Blockbuster Movie Freak
আ
আয়ো
আয়োজ
আয়োজনে
আয়োজনে W
আয়োজনে WB
আয়োজনে WBM
আয়োজনে WBMF
আয়োজনে WBMF Sub
আয়োজনে WBMF Sub Team
অনুবাদে অংশগ্রহণে
অনুবাদে অংশগ্রহণে নিয়ামুল হক আবেগ , শাহিনুল ইসলাম পিয়াস , ইফতি জাহান নাভেয়া
অনুবাদে অংশগ্রহণে জিএম আব্দুল্লাহ , শয়েখ আহম্মেদ তনয় , মায়ায ইসলাম নাফিস
সম্পাদনা মায়ায ইসলাম
'বরফ ধ্বসের ফলে এখানে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আমরা এখন ঠিক সেখানেই অবস্থান করছি।'
'এই অভিযান সম্পন্ন করতে উদ্ধারকর্মীদেরও বেগ পেতে হচ্ছে। '
দেভকে শেষবার কখন দেখেছিলেন?
কোন ক্যাম্প এ সে চেক-ইন করেছিলো?
আমি দেভের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছি, দেভ কোথায় প্লিজ বলুন?
'দেভ রামালিঙ্গাম, একজন তামিল অভিযাত্রী, যার সন্ধান পেতে
উদ্ধারকারী দল হেলিকপ্টার পাঠাচ্ছে'
কপি!
কপি!
এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না--
সতর্ক সংকেত ইউজ করো।
-কী হয়েছে? -স্যার,আমরা এর বেশি আগাতে পারছি না
আলফা: বেসে ফিরে আসো
স্যার,প্রচণ্ড গতিতে বায়ু বইছে
মেঘনা!
সামোসা!
সামোসা, দরজা খোল, শো এর জন্য দেরি হয়ে যাচ্ছে
আহ... আসছি বাবা, রোসো!
তুই কী করছিলি?
অই--- সবাই অপেক্ষা করছে।
'নিশা, ভিকি কি তৈরি?'
জী, এইতো দরজা খুললো, এক সেকেন্ড দাঁড়ান
ভাবছিলাম "ব্লু সাত্তাই" এর মতো মুভির রিভিউ দিবো, কিন্তু ভাইজানকেও কী না --
-পুলিশের চক্করে পড়তে হলো। তাই ভাবলাম ইন্টারনেট ভিদিউ নিয়ে কথা বলি...
- এই, অনেক রিহারসিং (মহড়া) করেছিস-- - তো আপনারা কি রাজি ?
--কিরে আর কতক্ষণ লাগাবি? এবার তো চল।
আমি না অ্যাপেল জুস চাইছিলাম, কই সেটা?
-কী চাইছিলি? - অ্যাপেল জুস!
-অ্যাপেল জুস!? -খাওয়াচ্ছি তোকে, আয়--
- আজকে নতুন কিছু করার চেষ্টা কর, আয় তো - আরে আমি আসছি তো!
স্বাগত সবাইকে
'তোমরা নিশ্চয়ই ভিকির শো এর জন্য আসো নাই'
সপ্তাহভর কাজ করে প্রাপ্ত বেহাল দশা কাটাতে এসেছো!
অর্থাৎ সপ্তাহান্তের এই সময়কে মুখর করতে
যারা কষ্ট করে একটি টিকেট কিনে শো দেখতে আসছেন সেই মহৎপ্রাণ ব্যক্তিদের তথা সকলকে আবারো জানাই সাদর সম্ভাষণ
"ভিকি পেছে লীগ"
যদিও আমরা ভাষায়, ধর্মে, জাতিতে, সম্পদে বিভক্ত
তবুও এক চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে, আজ আমরা সমবেত হয়েছি।
সেটা কী বলতে পারেন?
ভারতীয়!
ভারতীয়-নাহ!?
মনে হয় ছোটবেলা থেকে মহাভারত দেখে আসছে
ভারতীয় না ভাই।
আমাদের সেই চেতনা হলো যা প্রত্যেক ভারতীয় যুবককে এক বন্ধনে বদ্ধ করে--
- প্রকৌশল !
তোমাদের করতালি আমাকে একটা প্রশ্ন করতে অনুপ্রেরণা দিয়েছে
যারা প্রকৌশলে অধ্যয়ন করে না, তাদের প্রাণ আছে কি?
ভাইয়া!
তুমি তামিল হিসেবে ফিট না, বন্ধু
প্রকৌশল ছাড়া কিছু আছে এই দুনিয়ায়?
হোটেল ম্যানেজমেন্ট!
হোটেল ম্যানেজমেন্ট!
তাহলে তুমি তোমার জীবনে অন্যরকম এক অধ্যায় অঙ্কিত করতে চাইছো।
তুমি সেরা ভাই।
যখন আমি ভাবছিলাম আজ কোন বিষয় নিয়ে কথা বলবো---
তখন মাথায় হঠাৎ করে ট্যাক্সের কথা, পেট্রলের দামের কথা মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগলো
আর কল্পনার জগতে নিজেকে মুখ্যমন্ত্রী বানিয়ে দিলাম।
তবে আজকে তোমাদের একজনের সম্বন্ধে একটা গল্প বলবো
এমন একজন, আর কখনো যার সাক্ষাৎ পেতে চাই না
তার নাম, দেভ রামালিঙ্গাম!
'এক অদ্ভুত স্থানে তার সাথে সাক্ষাৎ হয়
তবে সে একজন দুর্দান্ত মানুষ।'
'স্কুলের প্রথম দিনে কাঁদে না, এমন ছেলেমেয়ে পাওয়া যায় না
কাঁদা তো দূরে থাক, সেদিন কি হাসি লেগেছিলো তার মুখে'
'যখন বন্ধু হতে গেলাম, জানতে পারলাম,
আমাদের পয়দা দিবসও একই দিনে।'
'আমরা বেষ্টি হয়ে গেলাম।'
'তার হোমওয়ার্ক যখন কপি করতে গেলাম সে কি বলল জানো?'
তুই আমার বন্ধু বলে আমি এটা করতে দিতে পারি না।
নিজের হোমওয়ার্ক নিজের করা উচিত।
এটা কপি করার জিনিস না।
'তার সাথে আড়ি নেয়ার --
-মুহূর্তে সে আমাদের চমক লাগিয়ে দিতো।'
এই--- তুই না হোমওয়ার্ক করেছিস?
আমি আমার জন্যে করেছিলাম
কিন্তু তোদের কারণে দিতে পারি নাই
'তার সাথে মিলে মজা করতে খুব ভালো লাগতো--
তার কর্মকান্ড দেখে মেয়েরা তার উপর যেখানে ফিদা হওয়ার কথা
সেখানে তার অসাধারণ মূল্যবোধ দেখে আমি তার উপর ফিদা হয়ে গেলাম।
আপা, আপনার মেয়ে প্রতিদিন হোমওয়ার্ক করে আনে না
আপনি কি তার দিকে নজর রাখেন না?
সরি স্যার, এখন থেকে আর হবে না, আমি সতর্ক থাকব।
আমি তোমার সমস্যাটা বুঝতে পারছি, মিনাকা
একা মায়ের পক্ষে এতকিছু দেখাশুনা করাও কষ্টসাধ্য
আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি--
স্যার!
পুরুষ তাই না? আমরা তার জন্য আছি
তাই না, মা?
'ওরে শালা, তুই উনাকে এভাবে খোঁচা মারতে গেলি কেন?'
'ভেবেছিলাম সেখান থেকে চলে আসবো'
'কিন্তু সে আমাকে আসতে দিলো না'
'ওর জন্যে, বেশিরভাগ সময়ই উনার কাছ থেকে মার খেতাম আমি।'
তারপর আমি বুঝতে পারলাম--
বিড়াল আর বাঘ ছোটবেলায় একরকম দেখতে হলেও
বড় হবার সাথে সাথে ফারাক চোখে পড়ে।
'এনসিসি, স্কাউট, রানিং, ট্রেকিং
ক্যালরি বার্ন করতে সে প্রায় সবকিছুই করতো।'
ভেবেছিলাম স্কুলের চৌকাঠ পার হলেই তার থেকে মুক্তি পেয়ে যাব।
কিন্তু খুশির ঠ্যালায় কলেজেও একই ডিপার্টমেন্টে পড়ার পর মুক্তি পেলাম।
'খোদা বাঁচিয়েছে।'
'আমি দেভের বন্ধু হিসেবে বড় হয়েছি, নিজের কোনো আলাদা পরিচয় ছিল না।
এমনকি জনতা আমার নামটাও ভুলে গেছিলো।'
'তারা আমাকে নিয়ে ট্রল করে বলতো "টপারের জোকার দোস্ত"
আমার ইজ্জত মেরে দিছে।'
তারপর ভাবলাম জব পেয়ে গেলে এগুলা থেকে মুক্তি পাবো
কিন্তু প্রকৌশলে পড়ে জব পাওয়া টা অমাবস্যার চাঁদ
৩ বছর শুধু চাকরির খোঁজ করে গেলাম।
'ফটোগ্রাফি আর অভিযানে যোগ দিয়ে সে ভালোই ইনকাম করতো।
-'কিন্তু আমি নিজের মিষ্টির দোকানেই-- - অকর্মা!
সমুচা বানানোর জন্য ঠিকভাবে ময়দা মাখতেও পারতাম না। '
'তারপর প্রভু আমার দিকে মুখ তুলে তাকালেন, বিদেশে পড়ার জন্য এমবিএ অ্যাপ্লিকেশন পাঠিয়ে।'
বাবা, বিদেশে ডায়াবেটিসের রোগী নেই বললেই চলে...
যদি আমি সেখানে পড়তে যাই--
-সেখানে ফ্র্যাঞ্চাইজি খুলার জন্য লোনও পেয়ে যাব।
'প্রথমবার তার খপ্পর থেকে বেঁচে গেছিলাম
মি। ভিগনেশ পেরুমাল, যাত্রার সময় আমার নামটা সবার শেষে ডাকলো।'
তারপর সেখানে গিয়ে যখন পোঁছালাম--
-আমি শিহরিত!
যার থেকে পিছু ছুটাতেই এখানে আসা--
- সেও দেখি এখানে!
এবং আমাকে দেখে বলে "সারপ্রাইজ!".
সেই নাকি এই অ্যাপ্লিকেশানটা পাঠিয়েছে
যখন এটা শুনলাম--
- আমি বুঝতে পারছিলাম না হাসবো নাকি কাঁদবো
'তার মানে, আপনি তাকে একেবারেই পছন্দ করতেন না?'
'না ভাই, সে আমার খুব পছন্দের।'
'কিন্তু একটা ইস্যু আছে।'
'কিসের ইস্যু, ভাই!?'
'রোসো, ভাইজান। আমি তো মাত্রই বলা শুরু করলাম।'
একদা ফাইনাল পরীক্ষা শেষে--
"আমি মাতাল হয়ে শান্তিতে ঘুমাচ্ছিলাম,কোথায় নিয়ে যাচ্ছিস?
সারপ্রাইজ...!
আমি তর সইতে পারছি না, আমরা কী এসে পড়েছি?
কাউন্টডাউন কর--
- এসে পরবো।
আ..আ..এক!
ধুত, ভালভাবে কর
এই--আমারে ছাড়িস না কেন?
শুভ জন্মদিন, দোস্ত!
শুভ জন্মদিন, দা!
-শুভ জন্মদিন, দা! -শুভ জন্মদিন, দি!
শুভ জন্মদিন, দি!...!
ও মা গো....!!!
আমি এটা পারবো না রে
ধাক্কা দে আমাকে
যা ভাগ!
এই--- উঠে পড়।
মজা পাইছিস না?
- আরে সবেমাত্র শুরু... -এই, আমাদের বন্ধনে..
... ভাঙ্গন ধরবে এমনটা করলে।
কম্বলটা দিয়ে এখান থেকে ভাগ হালা
হাসবি না, ধুত।
হেই!
বলা যায় না, ভাল্লুক থাকতে পারে, এখন চল।
তোর থেকে অই ভাল্লুক গুলা হাজার গুন ভালো হবে।
তোর থেকে ভাল্লুকের সাথেই দিন কাটানো ভালো
- খোদার কসম, এখান থেকে যা। -নে, ধর
-হেই, সামোসা উঠে পড় -এই--
-আমি তোর ব্যাপারটা বুঝতে পারছি না
যখন খুশি থাকিস, ঘুরতে বেরোস
আবার শোকেও একই কাজ করিস
- তুইও তো সুখেও আবার শোকেও ড্রিঙ্ক করিস - বনজোর! (ফরাসি অভিবাদন = হ্যালো)
বনজোর!
কি কইলি, 'মিনজুর'?
আমার জন্মদিনের তোফা (উপহার) পাইছি।
তাকে ইমপ্রেস করতে হবে।
-২৬২..! - আসেন
... ২৬৩ -হ্যালো!
- ২৯৫ - পানি হবে?
- জ্বি! - সামোসা, কি করছিস রে!
- হারামি,উঠ - যা ভাগ!
ধন্যবাদ!
এই..!
- সে কী চাইলো? - পানি খেতে...
এতক্ষণ ধরে খালি পানি ই খাইতে চাইছে?
হুম, সে আমাদের সাথে জয়েন করতে চায়।
তা আমাদের ছেলে কী বললো ?
সে নিশ্চয় আসতে মানা করে দিছে।
- তাই হয়তো... - উম্মম!
সে মানা করার কে--
- তারে আমি আমার সাথে নিয়ে যাব - অই...!
- তোরে নিয়ে পরে #মি_টু র পোস্ট হবে - হ্যালো বেপি!
- আমি নিয়ে যাব তোমারে, একটু দাঁড়াও বেপি - পাগল হয়ে গেছে হালায়।
No comments yet. Be the first to leave one.