முதல் 200 வரிகள்.
• • বাংলা অনুবাদে • • ফাহাদ আহমদ
মাস্ক দাও।
- এটা তোমার। - কীভাবে বুঝলে?
গাঁজার গন্ধ আসছে।
ওরা Rue du Ruisseau রাস্তায় ঢুকছে।
গাড়ি থেকে নাম। হাত উপরে তুল।
গাড়ি থেকে বের হ। ট্রাঙ্ক খুল।
ট্রাঙ্ক খুল।
ব্যাগটা দে, তাড়াতাড়ি।
ম্যানুয়েল, পাগল হলে না কী?
থামো।
থামো।
বাল।
বগা আমার।
এটার তো বেশ ভালো ওজন আছে, দশ কিলোরও বেশি হবে...
খারাপ না।
বাবা। আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।
হ্যাঁ, আসছি।
- কোকোয়া টা কেমন হলো? - দুধটা খারাপ হয়ে গেছে।
চেখে দেখো, রকমফোর্ট পনিরের গন্ধ পাচ্ছি।
- কখনো যুদ্ধ দেখোনি? - তুমি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গেছো?
এই নাও।
গরুরা তো গুঁড়ো দুধ দেয় না।
টমাস।
- এটা কী? - কফি।
- আর কফি কী দিয়ে হয়? - গুঁড়ো দিয়ে।
গুঁড়ো কফি।
বুঝি না আজকালকার ছেলেমেয়েরা কার্টুনের মতো কথা বলে কেন?
আমি ও তো এভাবে বলি না। তোমার মাও বলে না।
- দেরি হয়ে যাচ্ছে। কাপড় পড়বে না? - আমার নীল পোলো শার্টটা দেখেছো?
না।
নিজের জিনিসপত্র একটু যত্ন করে রেখো..
আমার জিনিসের যত্ন আমি নেই। তোমার মতো নিজের বউকে দিয়ে করাই না।
ঠিক আছো তো?
- পেয়ে গেছো। কোথায় ছিল? - তোমার পাছার পাশে।
- নতুন জুতো কিনেছো? - না, চুরি করেছি।
কী বলছো?
জুলিয়ান দিয়েছে আমার গ্রেডের জন্য।
তাহলে সে তোমার পড়াশোনার ব্যাপারে খোঁজ রাখছে?
হ্যাঁ, আজব লাগছে।
রাতে দেখা হবে। দেরি হতে পারে, অপেক্ষা কোরো না।
- সবসময়েই তাই... - পরের সপ্তাহ থেকে সময়মতো আসবো।
পরের সপ্তাহ?
ছুটিতে মা আর জুলিয়ানের সাথে বাইরে যাচ্ছি।
ওহ, ঠিক আছে।
তাহলে আর বেশি আমাদের সাক্ষাৎ হবে না।
তফাৎ টা কোথায়?
আমার কাজটা বেশ কঠিন, বুঝতে পারো তো?
হ্যাঁ, হ্যাঁ। জুলিয়ানের কাজও কঠিন, আমারটাও, সবারই।
আর যাই হোক, আমার কিচ্ছু আসে যায় না।
সকাল বেলার Rue du Ruisseau গুলির ঘটনার তদন্ত করছি।
তোমার মনে হয় এটা গ্যাংয়ের মধ্যে নিজেদের মারামারি ছিল?
জিয়ান্নি আলমেত্তো, বয়স ৪৩, পেটে দুটো গুলি লেগেছে।
ড্রাগ, ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল, নানা রকম অপরাধ আছে...
১৪ বছর জেলে কেটেছে, সব মিলে যাচ্ছে।
সে মার্সিয়ানো এবং করসিকানদের সাথে জড়িত।
ওদের নাইটক্লাব রিং রোডের ওই পাশে আছে।
কী খবর?
ডাক্তারের কাছে যাওনি?
পাগল হয়ে গেছো, ভিনসেন্ট। তোমায় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব...
পরে যাবো। তুমি বুঝছো না।
- আমাদের আবার ফিরে যেতে হবে। - কোথায়?
- ওখানে, তদন্তের জন্য। - ভুতে চুদে তোমারে?
তাকে চিনি, আগেও দেখেছি। ও একটা ঝামেলার লোক। আমাদের বিপদে ফেলবে।
একটা অপরাধী মারা গেলে, পুলিশই দায়ী থাকে।
- কোন বিভাগ থেকে? - র্যাট স্কোয়াড।
- নাম কী? - লাকোম্ব।
আপনার সহকর্মীদের সাথে কথা হয়েছে আমার।
গুলির শব্দে আমার ঘুম ভাঙে।
তাদের কেমন দেখাচ্ছিলো?
- কি বলছেন? - তাদের চেহারা কেমন ছিল?
শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ, এশীয়, আরব?
মাস্ক ছাড়া একটাকে আপনার মতোই লাগছিল...
- নিশ্চিত? - মজার ব্যাপার হলো আপনি তার মতোই দেখতে।
তাই বুঝি?
তাতে খুব বেশি সাহায্য হবে না।
- হয়তো না। - ধন্যবাদ, মুরব্বী।
জুলিয়া, কী হলো? এখন কথা বলতে পারছি না।
কি? ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। টমাসের কী হয়েছে?
আমি ফোন করেছি, মেসেজ দিয়েছি কিন্তু কোনো উত্তর পাইনি।
তুমি অযথাই চিন্তা করছো। হয়তো স্কুল থেকে বেরিয়ে...
- এখন সাতটা বাজে। - হ্যাঁ, বাজবেই তো।
আজ শুক্রবার রাত, হয়তো ব্যাটারি শেষ।
- হয়তো ওটা আমার কাছেই রেখে গেছে। - ও কখনোই এই ভুল করে না।
- বেশিই চিন্তা করছো, তুমি। - এখন কী করব, ভিনসেন্ট?
পুলিশ ডাকবো?
- তুমি প্রেগন্যান্ট? - হ্যাঁ।
যাক, এখন অন্তত জানলাম।
জানো প্রতি সপ্তাহে কতজন নিখোঁজ হয়?
ডজনখানেক। আর বেশিরভাগই তরুণরা।
- যারা ২ বা ৩ ঘণ্টা পরে বাড়িতে ফিরে। - আমার খ্যাতা হয়েছে।
- ও তোমার ছেলে। - যদি আমার চাকরি সম্পর্কে তোমার ধারণা থাকতো...
এটা তোমার স্বভাব। একটা বিষয়ও গুরুত্ব সহকারে নাও না।
চলো, একসাথে তার স্কুলে খুঁজে দেখব।
- কোথায় যাচ্ছ? - পুলিশের কাছে।
সত্যিকারের পুলিশের কাছে।
এই রে।
সব ঠিক আছে?
টমাস, কই আছো তুমি?
ভিনসেন্ট। আমি জোসে। জোসে মার্সিয়ানো।
কী খবর, মার্সিয়ানো?
অবশ্যই তুমি জানো।
- এ কী? টমাস কোথায়? - তোমাকে চিনে ফেলেছে...
- কী বলছো? - শেষ করতে দাও।
আমি ওই ব্যাগটা চাই, জানি সেটা তোমার কাছেই আছে।
- কী বলছো, জোসে? - বুঝতে পারবে।
- বাবা? - টমাস, ঠিক আছো?
এরা কারা? কী চায়?
বাবা? এরা কী চায়?
আমি আসছি। তোমায় নিয়ে বাড়ি যাবো।
সব ঠিক করে দেব, টমাস।
আমায় দাও।
ভিনসেন্ট?
মার্সিয়ানো, আমার ছেলের একটা চুলও যদি নড়ে...
হুমকি দিচ্ছো?
আশা করি বুঝেছো। আমরা ওকে স্কুলের বাইরে থেকে তুলে এনেছি...
টমাস এখন ককটেল খাচ্ছে, একটা ফলের ককটেল।
- তোমার ককটেলে কী আছে, টমাস? - আমার একটা বড় অর্ডার আছে।
ব্যাপারটা জটিল করে তুলছো, তাই খালি হাতে এসো না।
ঠিকানাটা তো জানো।
হ্যালো, আপনি টমাসের ভয়েসমেইল পেয়েছেন। জবাব দিন...
নিয়ে যা।
এখন কী করব?
ব্যাগটা ওকে দিয়ে দেব আর আমার ছেলেকে ফেরত আনব।
আমাদের সেই টাকা দরকার। চিন্তার কিছু নেই।
যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে ৩ কেজি বেশি আছে। নিয়তির কি খেলা।
আমার অনেক ঋণ আছে, আমার এটা দরকার।
তুমি পাগল হয়ে গেছো।
কোন সমস্যা হয়েছে?
ঠিক আছে। আমরা শুধু মেসি-রোনালদো নিয়ে কথা বলছিলাম।
- সব ঠিক আছে। - ঠিক আছে।
মনে হচ্ছে তুমিও আমায় ঠকাতে চাইছো।
যদি ব্যাগটা লুকোনো জায়গায় না থাকে...
হ্যাঁ, আমি। বড় ঝামেলায় আছি।
বড় ঝামেলায়। আমাদের এখনই দেখা করতে হবে।
সে মার্সিয়ানোর কাছে ড্রাগ ফেরত দিতে চায়।
সে ব্যবস্থা করে ফেলেছে। আমায় সঙ্গে নিয়ে যাবে...
৫০-৫০ ভাগ করার কথা ছিলো। এখন সে মত পাল্টিয়েছে।
আমার কী হবে?
আমি যে লোকটাকে মারলাম... এর দায় আমাদের দিকেই আসবে।
- ওরা আমাদের খুঁজতে আসবে। - শান্ত হও।
তুমি বেশি বকবক করছো। আমার মাথাটা খাচ্ছো।
এখন চুপ করে বসে থাকো। আমার দিকে তাকাও। শোনো।
তুমি শুনছো না। আমার কথা শুনো।
এখন কোনো নড়াচড়া করবে না, বুঝেছো?
ও হয়তো ক্লাবে পৌঁছে গেছে।
আমার কফি কোথায়?
তুমি নিচে নামবে।
তোমার ভাগ আর ৫০-৫০ না, এটা এখন ৪০-৬০।
কারণ তুমি সব গুবলেট করেছো।
আর ক’টা কিলো বেশি, এখন তো আর অভিযোগ করতে পারবে না।
আমরা আগের মতোই করবো। ফোন বন্ধ করে ফেলবো।
এই নাও, এটা রাখো।
ব্যবহার শেষে ফেলে দিও।
আর উল্টাপাল্টা জিনিস ডিলিট করতে ভুলবে না।
- ভালো থেকো। - শুভ সন্ধ্যা।
- ব্যাগটা চেক করতে হবে। খোলো তো। - আমি সেটা করতে পারব না।
এটা নিয়ম। খুলে দেখাও।
এটা চলবে? তোমার বসকে কল করার দরকার নেই। আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে।
- ঠিক আছে। - সন্ধ্যা ভালো কাটুক।
- পরের বার খেলার পোশাক পরো না। - ঠিক আছে।
- শুভ সন্ধ্যা। - আবারো? এখানে কোনো সেমিনার হচ্ছে?
- ওইরকমই কিছু। - বাহ, দারুণ ফিগার।
আজ রাতে এত পুলিশ কেন এখানে?
হায় ঈশ্বর।
- হ্যালো? - আমি বলছি।
আমি ভিনসেন্ট গ্যারেলকে অনুসরণ করেছি।
সে এখন 'দ্য টার্ম্যাক' নাইটক্লাবে। আমিও এখানে আছি।
ও একটা ব্যাগ লুকিয়েছে টয়লেটে ছাদের ফাঁকে।
ভেতরে দামি মাল আছে।
- কোকেনের মতো লাগছে। - ঠিক আছে, ওটা ছুঁবে না।
- ঠিক আছে, লুকিয়ে রাখছি। - লুকিয়েছে কোথায়?
- পাশের ঘরে। - পাশের ঘরে?
কথা বুঝতে পারছো না?
ব্যাগটা মেয়েদের বাথরুমের ছাদের ফাঁকে রেখেছি।
এত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সরানোর সিদ্ধান্ত নিলে কেন?
- তাহলে আবার রেখে আসবো? - না, আর হাত দিও না। গ্যারেল কোথায়?
জানি না। আমি তো মেয়েদের বাথরুমে আছি।
ওকে খুঁজে বের করো, তোমার সাথে রাখবে।
ঘুমাতে যাচ্ছিলাম... যাচ্ছি।
শাউয়ার হ্যাডা বগা আমার।
আবার পুল টেবিলে সমস্যা হয়েছে।
পাঁচটা মেয়ে ভারী মেকআপ আর ছোট স্কার্ট পরে টেবিলের ওপর নাচছে।
সিডনিকে বলো, ওদের বের করে দিতে। ও যেন হাত না লাগায়।
ঠিক আছে?
তার সাথে কিছু নেই, ঘটনা কী?
খালি হাতে এসেছো? এটা ঠিক হলো না।
এই কটা?
বাকি মাল নিরাপদ জায়গায় রেখেছি। আমার ছেলে কোথায়?
বুঝতে পারছি না। তোমার ছেলেকে আর দেখতে চাও না?
১৮ ঘণ্টা দেরি করে ফেলেছি। বড় ঝুঁকি নিচ্ছি। অনেক বড়।
- ঠিক আছে। - মনে হচ্ছে আগের মতোই, বাকিটা কোথায়?
- আমার ছেলে কোথায়? ওকে দেখতে চাই। - পিতার ভালোবাসা..
- থামো, হোসে। তোমারও তিনটা ছেলে আছে, টমাস কোথায়? - একটা মেয়েও আছে।
টমাস কোথায়?
আমি আমার কোকেন চাই, তুমি তোমার ছেলেকে। বুঝতে পারছি।
এবেল? এখনই।
লেটিসিয়া। আড়াই বছর হবে, প্রায় তিন বছর।
মায়াবী, তাই না?
কিছু বলছো না যে।
No comments yet. Be the first to leave one.