Maharaja

Maharaja (மகாராஜா)

Bengali வசனம் பதிவிறக்கம்

வெளியீட்டு விவரம்

Maharaja BSUBbyHabib RT 02 20 55
கருத்துரை வழங்கியவர் Luca

குறிச்சொற்கள்

webdl
வெளியிடப்பட்ட தேதி: 2024-07-14
பதிவிறக்கங்கள்: 641
காது கேளாதோருக்கானது: No

Bengali வசனங்களின் மாதிரிக்காட்சி

முதல் 200 வரிகள்.

যে ছবি এঁকে দিয়ে গিয়েছিলে তুমি তা রয়ে গেছে আজও হৃদয়ে

পারলো না কোনো ঝড় সে ছবি মুছে দিতে।

তোমার সাথে আনন্দে কাটানো একটা দিন

এর চেয়ে আনন্দের নেই কিছু সখি, এর চেয়ে আনন্দের নেই কিছু।

আয়না তাকায় তোমার দিকে

নিজের সৌন্দর্য অবলোকন করিতে

এই হাওয়া তোমার গান করবে... পারব না আমি তা করতে।

তোমার দুটো মিষ্টি কথা প্রাণ দেয় এই দেহতে।

এই সুন্দর ফুল আর এই সুন্দর গান...

গাইলে আমার ভরে যায় প্রাণ

প্রিয়, এই গান তোমারই উদ্দেশ্যে

শ! শ দিয়ে গান শুরু কর!

শোনো শোনো! শোনো ললিতা!

আমার চোখ যে শুধু খোঁজে তোমায় দেখতে কি পাও না?

আমার গোঁফই কি তবে পথের বাঁধা, বন্ধু লাল গোলাপী?

তোমায় কি সে জানেমান করে ডাকে?

- ক! - ক!

এখন মহারাজা ক দিয়ে একটা গান গাইবে।

শুরু কর, ক দিয়ে!

ক...

- হ্যাঁ, ক। - ক...

হ্যাঁ, ক দিয়ে।

- ক। - ক।

- ক? - হ্যাঁ।

- ক... - হ্যাঁ।

- কালকে ছুটি লাগবে আমার। - কী?

- কালকে ছুটি চাই আমার। - ছুটি চাস?

- হ্যাঁ। - এমন তো কোনো গান নেই।

তুই শুনেছিস?

অবশ্যই! কিন্তু ওটা এমন, "ক খ মুরগীর ঠ্যাং...

মাস্টার বাবু ছুটি দ্যান!

- ক খ-- - এই, থোঁতা ফাটিয়ে দিব।

মালিকের সাথে কেউ এভাবে কথা বলে?

- আমার মজা নিচ্ছিস তোরা? - মজা নিই নাই।

বাচ্চার কেনাকাটার জন্য বাজারে যেতে চেয়েছে আমার বউ।

- তাই... - না, বুঝলাম না। ।

সত্যিই বুঝলাম না।

এমনভাবে বলছিস, যেন তোর একারই পরিবার আছে।

আমার পরিবার নেই না কি?

বউ বাচ্চার দরকারে সবসময় দৌড় মারিস।

সবাই যদি ছুটি নেয়, তাহলে কাস্টমারদের চুল কাটবে কে?

কাস্টমার? সেটাই!

এমনভাবে বলছেন যেন ২৪ ঘন্টা কাস্টমারদের লাইন লেগে থাকে।

কাস্টমারদের মন জেতার জন্য মুখে হাসি লাগিয়ে রাখতে হয়।

এমন আধমরা বুড়ার মতো মুখ করে রাখলে,

কুত্তাও আসবে না আমাদের দোকানে।

এক্সকিউজ মি।

আজ্ঞে, কথার কথা বলে ফেলেছি।

কুকুরের চুল কাটি না আমরা।

স্যার, আমি ওর জন্য না। নিজের জন্য এসেছি।

ম্যাক্সকে গ্রুমিংয়ের জন্য পেট স্পা তে নিয়ে যাই।

আর আপনার জন্য?

মহারাজা আছে আপনার জন্য। বসো না!

কী দেখছিস? ছুটি চেয়েছিলি না?

আজকের সব কাস্টমার তুই সামলাবি।

স্যার, আপনি বসুন না! আসুন!

- বাসায় না বললো? - হ্যাঁ।

আচ্ছা, আরেকটা দেখে নেন।

- এটা ঠিক আছে বললো। - দেন।

- এটারও বিল করুন। - শুনুন,

এটারও অনুমতি নিয়ে নিন। যদি না করে দেয়?

ভালো লাগবে ওর।

: . : . : M A H A R A J A : . : . :

আমি জ্যোতি।

ক্লাস টেনে পড়ি।

সত্যি বলতে পড়াশোনায় আমি খুব দূর্বল।

কিন্তু খেলাধুলায় আমার অনেক আগ্রহ।

ক্লাসরুমের চেয়ে মাঠে বেশি সময় দিই আমি।

আর তাই কোনো স্যার আমাকে পছন্দ করে না।

অকাজের পুরো!

একজন বাদে।

আসিফা মিস, আমাদের পিটি টিচার।

- ওহ, সরি। ম্যাম... - আসুন না, ম্যাম।

পিটি ক্লাসই তো, না?

সিলেবাস শেষ করতে হবে। আমিই নেই ক্লাসটা।

'পিটি ক্লাসই তো' মানে?

"সুস্থ দেহে সুন্দর মন" শোনেননি?

উনি অনেক সোজাসাপ্টা আর মিশুকও।

আমি উনার পছন্দের ছাত্রী।

বাকি সাবজেক্টগুলোতেও উনি আমাকে সাহায্য করে।

এখন উনি ১০০ মিটার আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

আর আমাদের বাড়ি?

এই যে, এটা আমাদের বাড়ি।

উনি আমার বাবা। মহারাজা।

৩ জনের পরিবার আমাদের।

আমি, বাবা আর লক্ষ্মী।

লক্ষ্মী কে? তোর মা?

আমি ছোট থাকতেই মা মারা যায়।

ওহ, সরি! তাহলে লক্ষ্মী কে?

ডাস্টবিনের নাম লক্ষ্মী?

ডাস্টবিনের নাম রেখেছিস?

ছোটতে একটা দুর্ঘটনায় আমাদের বাড়ি ভেঙে যায়।

লক্ষ্মী আমার উপর পড়ে আমাকে বাঁচিয়েছিল।

তারপর থেকে, লক্ষ্মীও পরিবারের একজন হয়ে গেছে।

প্রতি শুক্রবার, আমি আর বাবা লক্ষ্মীকে গোসল করিয়ে দেই।

তিলক আর সিঁদুর লাগিয়ে দিয়ে একসাথে প্রার্থনা করি।

দেরী হয়ে যাচ্ছে, মামনি।

আমাকে সকাল সকাল ডাকিয়ে দেয়া উচিত ছিল তোমার।

যখন ডাকি, তখন নিজে নাক ডাকে,

পরে দেরী হলে আমাকেই কথা শোনায়।

কী রান্না করেছ?

লেমন রাইস আর ডিম।

রোজ রোজ!

উনি গোপাল দাদু।

এই, একটা কথা বল। তোর নাম মহারাজা কে রেখেছে?

তোর জন্য সঠিক নাম হলো গোমরামুখো রাজা।

হাসলে ভালো লাগে তোকে।

তা না করে, সারাদিন যদি মুখ গোমরা করে রাখিস, কুত্তাও আসবে না দোকানে।

উনার মতো ভালো মনের মানুষের কারণেই আমাদের পেট ভরে।

মাথা ঘোরান স্যার।

আমাকে টাকা দিয়েন না। মালিককে দেন।

এই অকাজের দোকানের মালিক ও, আর কর্মচারী আমি।

দেখলেন, দোকানের মালিক হওয়ার পরও উনার অধীনেই কাজ করে বাবা।

ইনি ডাক্তার কাকু,

বাবার বন্ধু।

তুই আসতে গেলি কেন?

আমি যেতাম দোকানে।

ব্যায়ামও হয়ে যেত আমার।

তোকেই বলছি!

মাসে একদিন উনি ছুটি কাটায়। সেদিন আমরা ঘুরে বেড়াই।

দূরে কোথাও না। বাজারের গলি আর সাগরপাড়েই।

লবণের পাত্রে চিনির চামচ রেখেছ আর চিনির পাত্রে মরিচ গুঁড়োর চামচ রেখেছ।

কতবার বলেছি কাপড় ধোয়ার আগে একটু কচলে নিবে।

ময়লা থেকেই গেছে।

সেলুন থেকে ফিরে গোসল করে তারপর রান্নাঘরে যেতে বলেছিলাম না?

দেখো তো চুলগুলো!

দোকান আর বাড়ি, এটাই বাবার পৃথিবী।

বাবা সবসময় আমাকে মাথায় তুলে রাখে। যাই হয়ে যাক।

একদিন কী হলো শুনুন।

এই নিন আপনার মেয়ের টিসি আর স্পোর্টস সার্টিফিকেট।

নিয়ে বিদায় হোন!

স্যার, কিছু বলতে চাই।

- আপনার স্যারের গুষ্টি কিলাই। - স্যার--

চীফ গেস্টের ওয়েলকাম ড্রিঙ্কে মদ মিশিয়েছে আপনার মেয়ে।

উনি আইএএস অফিসার।

আমার স্কুল টপ টেনে আছে! টপ টেনে!

সব গেছে গা!

- ও এই কাজ করেনি, স্যার। - কী বললেন? করেনি?

মদের বোতল আপনার মেয়ের ব্যাগেই পাওয়া গিয়েছিল।

সাক্ষীরা মিথ্যা বলছে? আমি মিথ্যা বলছি?

ওসব জেনে কাজ নেই আমার, স্যার। আমার মেয়ে এই কাজ করেনি।

তোর মেয়েরে!

মেয়েকে নিয়ে ভাগ! নয়তো একটা কল লাগাবো,

চৌদ্দ শিকের ভেতরে যাবি! লাগাবো?

দেখাচ্ছি!

স্যার!

এখন বলবে, এ এই কাজ করেছে। ও করেনি, তাই না?

আমি শুধু বলব, এসব গুরুতর ব্যাপারে ভালোভাবে খোঁজ চালাবেন।

তোমাদের কারও কি আক্কেল নেই?

ঠিকঠাক খোঁজ না করে এভাবে কেউ অন্যকে অভিযোগ করে?

সেদিন আইএএস এর সামনে অপমান হলাম,

আর আজ ওর সামনে অপমানিত হতে হলো।

এই! এদিকে শোন!

আয় বলছি!

স্যার, কী করছেন?

প্রিন্সিপাল, কালকেই যেন ওর বাবা এখানে আসে। বুঝলে?

ভেবো না যে ছাড় পেয়েছ!

একবার যদি কোনো দোষ পাই, লাত্থি মেরে বের করব!

তখন আর এমন কথাবার্তা হবে না।

বুঝলে?

যাও সবাই! এই, যাও বলছি!

বের হও!

এই! তোকে কি আলাদা করে বলতে হবে?

- ভাগ। - জ্যোতি।

বলেছিলাম না ও করেনি এই কাজ?

- আপনি না জেনে ওকে কথা শোনালেন! - তো?

ওর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন, স্যার।

- আবার বল। - স্যার...

আমার মেয়ে নির্দোষ, তাই নয় কি?

- বাবা, চলো। - তবুও আপনি বকলেন।

সেটা কি দোষ না?

ক্ষমা চেয়ে নিন, স্যার।

- বাবা, চলো! - হেই!

কার সাথে কথা বলছিস জানা আছে?

- কয়েকটা স্কুল কলেজ আছে আমার। - বাবা, চলো।

- ক্ষমা চাইতে দে। - আমাকে ক্ষমা চাইতে বলিস?

তাও তোর মেয়ের কাছে?

- আমি যদি-- - ওসবের ধার ধারি না আমি।

ওকে বকুনি দেয়াটা দোষের কি না? কষ্ট পেয়েছে নিশ্চয়ই, না?

- ক্ষমা চেয়ে নিন, চলে যাই। - হেই!

- ভাগ! বের হ! - বাবা, চলো না!

- থাম, যাব তো। - সিকিউরিটি! আয় তো!

- ভাগা এক! - ক্ষমা চান, স্যার।

- ওকে টেনে নিয়ে যা! - স্যার, ওকে বকুনি দেয়াটা ঠিক হয়নি।

- ক্ষমা চেয়ে নিন। - ভাগা ওকে!

- বাবা, চলো না! - স্যার, ক্ষমা চান!

- বাবা, চলো না! - স্যার...

- ক্ষমা চেয়ে নিন, স্যার। ও নির্দোষ। - বাবা চলো না!

- বের কর ওকে! - স্যার, ক্ষমা চান।

ম্যাডাম, আমার মেয়ে নির্দোষ। ক্ষমা চাইতে বলুন।

- বাবা, চলো না! - ওর কথা শুনিস না!

- বের কর! - স্যার, ক্ষমা চান।

স্যার, অন্যায় করছেন আপনি। ওদের ছাড়তে বলুন।

- ওরে দেখতে চাই না আমি। ভাগা! - স্যার...

স্যার, বকে ভুল করেছেন আপনি।

- স্যার, কথা শুনিয়ে ভুলটা আপনিই করেছেন। - ভাগ, রাসকাল!

- স্যার... - যা ভাগ!

- ক্ষমা চান! - স্যার, আমার কথা শুনুন।

- ক্ষমা চান! - বাবা...

- স্যার, ছেড়ে দিন উনাকে। - ক্ষমা চান!

கருத்துகள்

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left