KA

KA (క)

Bengali வசனம் பதிவிறக்கம்

வெளியீட்டு விவரம்

KA BSUB BY SUDIP CHAKRAVARTY
கருத்துரை வழங்கியவர் Luca

குறிச்சொற்கள்

webdl
வெளியிடப்பட்ட தேதி: 2025-04-19
பதிவிறக்கங்கள்: 49
காது கேளாதோருக்கானது: No

Bengali வசனங்களின் மாதிரிக்காட்சி

முதல் 200 வரிகள்.

সিনেমা : KA(2024) ভাষা : তেলেগু রানটাইম : 02:28:48

যেভাবেই হোক না কেন, তাদের এখানে নিয়ে এসো।

জীবনে ভালো বা মন্দ যা কিছু করা হয়... সেগুলো সবসময় আমাদের তাড়া করে।

ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।

কে?

ওখানে কেউ আছে?

দরজা খোলো।

তুমি কে?

তুমি কে?

অন্ধকার...

অন্ধকার, যা তোমাকে গিলে খাবে।

বুঝেছো?

ব্যাখ্যা চাও?

আমি তোমাকে সেটা দেবো না...

এটা কী... ?

চিৎকার করে লাভ নেই।

আমি কোথায়?

তুমি ঠিক এখানেই আছো, ঠিক এখানে।

ঠিক এখানে?

কী বলতে চাইছো?

অত্যন্ত গোপনীয় জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষে।

আমি এখানে কেন? - শশশ...

এখানে আমিই শুধু প্রশ্ন করবো,

এবং তুমি উত্তর দেবে।

দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের লোক তোমাকে ভালোই জোরে আঘাত করেছে।

এই।

তোমাকে বলেছিলাম, তাকে সাবধানে নিয়ে আসতে, তাই না?

ব্যথা করছে নাকি?

জানি না।

কিছু মনে পড়ছে না।

তোমার কিছুই মনে থাকবে না।

তোমার জীবনের কোন ঘটনাই মনে থাকবে না, এমনকি তোমার নামও নয়।

আমার নাম...?

তোমার নাম, অভিনয় বাসুদেব।

অভিনয় বাসুদেব!

আমার কী হয়েছিল? তোমরা কারা?

আমার নাম...

"সিনিয়র অফিসার।"

তোমরা আমার কাছে কী চাও?

এই অন্ধকার ঘরে আমাকে আটকে রেখেছো কেন?

বাসুদেব... বাসুদেব... উত্তেজিত হয়ো না।

তোমার কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু জানার আছে।

আমাদের যা জানার দরকার, তা একবার বলে দিলে,

একবার তথ্য পেয়ে গেলে, তোমাকে এখান থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

হাসছো নাকি?

"দ্য ডার্ক সার্কেল," "ক্যাওস," এবং "ভয়" তোমার সামনে অপেক্ষা করছে।

নিজের নামই মনে করতে পারছি না। তোমাদের কী বলবো?

আমাদের বলতে পারো।

প্রত্যেক সমস্যার একটা সমাধান আছে। আর, তোমার সমস্যার সমাধান এটাই।

কী? তুমি কি এটাকে সাধারণ ঘড়ি ভাবছো নাকি, যেটা টেবিলে বসে খালি টিক, টিক করে?

না।

এটা একটা অত্যাধুনিক হিপনোসিস মেশিন।

এটা তোমাকে অবচেতনে নিয়ে যাবে...

এবং তোমার মস্তিষ্ককে আমার কন্ঠের কাছে সমর্পণ করাবে,

তোমার সব লুকোনো স্মৃতি বার করে আনবে।

সহজ কথায়,

এটা তোমাকে তোমার জীবনের সেইসব ঘটনাগুলোই মনে করিয়ে দেবে,

যা আমি জানতে চাই, আর সেগুলোই তুমি আমাদের বলবে।

তুমি সেই তথ্যগুলোকে আমাদের সাথে শেয়ার করবে।

তাহলে, দেরী করে লাভ কী?

আমার থেকে কী জানতে চান, বার করো। আর আমাকে ছেড়ে দাও।

আমি আর এই অন্ধকার ঘরে থাকতে পারছি না।

২২ এপ্রিল, ১৯৭৯।

আবিদ শেখের নামে আসা একটি চিঠি, তুমি খুলে পড়েছিলে।

তাতে কী ছিল?

ওই চিঠিতে কী ছিল?

ওই চিঠিতে কী ছিল?

বুঝতে পারি নি...

এটা এমন ভাষায় লেখা ছিল, যা আমার বোধগম্য হয় নি।

বুঝতে পারি নি…

এটা আমার কাছে দুর্বোধ্য ছিল।

এটা এমন ভাষায় লেখা ছিল, যা আমার বোধগম্য হয় নি।।

বুঝতে পারি নি…

তাতে কী ছিল?

এটা কী?

ঠিক আছে... ঠিক আছে...

মাথায় বেশি চাপ দিও না।

এটা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চিঠির প্রসঙ্গে পরে আসবো।

কিন্তু আগে বলো, অন্যের চিঠি পড়ার বদ অভ্যাস তোমার হলো কেন?

তুমি কে?

তোমার বাবা-মা কারা?

কোথা থেকে এসেছো?

মাথা ঠাণ্ডা করে উত্তর দাও।

আমি একজন অনাথ। এই আশ্রমই আমার বাড়ি।

চারপাশে অনেক বাচ্ছা থাকলেও, সবসময় একা অনুভব করতাম।

আমার বাবা-মা কোথায়, এই প্রশ্ন সবসময় মনে ঘুরতো।

ভালো ছেলে।

সম্পর্কের অর্থ যখন কিছুই জানতাম না, একটা চিঠিই আমাকে মায়ের ভালোবাসার স্বাদ দিয়েছিল।

প্রিয় বাবু, তোর মা এটা জিজ্ঞাসা করতে এই চিঠি লিখছে..

কেমন আছিস? ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করছিস তো?

শুধু পড়াশোনায় ডুবে থেকে স্বাস্থ্য নষ্ট করিস না।

ঠিক সময়ে ঘুমাস।

এখানে তোর বোন তোকে বারবার মনে করছে।

তোর ফিরে আসার জন্য আমরা সবাই অপেক্ষায় আছি।

তোর মা।

মা!

মনে হয়েছিল, চিঠিটা আমার মা-ই আমাকে লিখেছেন।

যে কোনো চিঠি পেলেই পড়ার তীব্র ইচ্ছা হতো।

তখন থেকেই চিঠির মধ্যে সম্পর্ক খুঁজতে শুরু করি।

প্রিয় স্বামী, তুমি কেমন আছো?

বুজ্জি আর আমি এখানে ভালো আছি।

বুজ্জি তোমাকে খুব মিস করে, বারবার জিজ্ঞাসা করে, কবে বাড়ি আসবে।

সে দিন দিন আরো দুষ্টু হচ্ছে!

আশা করি মেয়ের দেখভাল ও প্রয়োজন মেটানোর মতো যথেষ্ট উপার্জন করছো।

মাস্টারমশাই!

কী হয়েছে?

আমার বাবা-মা কোথায়, বলতে পারেন?

তোমার কোনো বাবা-মা নেই।

কিন্তু বাবা-মা ছাড়া কেউ জন্মায় না, তাই না গুরুজি?

আমার পরিবার নিশ্চয়ই কোথাও আছে।

বিরক্ত কোরো না।

বলছি, তোমার বাবা-মা নেই— কেন বিশ্বাস করছো না?

অন্তত এটা বলুন, কে আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে!

বললাম তো, তোমার বাবা-মা নেই। তাই না!

এখন বেরিয়ে যাও!

চলে যাও।

সোনা, কেমন আছো? বুজ্জি আর আমি এখানে ভালো আছি।

এই, বাসুদেব, এখানে কী করছিস?

কিছু নয়, স্যার।

বাসুদেব, দাঁড়া।

এখানে কী করছিলিস?

কিছু নয়, স্যার।

অন্যের চিঠি পড়তে একটুও লজ্জা করে না?

আমি পড়ি নি, স্যার।

এখনই পড়ছিলিস, আবার মিথ্যা কথা বলছিস!

সম্ভবত তোর বাবা-মা জানতেন, তুই কত জঘন্য হয়ে উঠবি, তাই ত্যাগ করেছিলেন।

এই আশ্রমই তোর মতো ছেলেকে আশ্রয় দিয়েছে।

আশ্রম না থাকলে তোর কোথাও যাওয়ার জায়গা থাকতো না।

সম্ভবত তোর বাবা-মা জানতেন, তুই কত জঘন্য হয়ে উঠবি, তাই ত্যাগ করেছিলেন।

আশ্রম না থাকলে তোর কোথাও যাওয়ার জায়গা থাকতো না।

সেদিন মাস্টারমশাই-এর কথা শুনে রাগে আমি সেখান থেকে টাকা নিয়ে পালিয়েছিলাম।

টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলে?

সেটাকে চুরি বলে।

তোমার চুরি কারোর মৃত্যুর কারণ হয়েছিল।

সে তার মেয়ের অপারেশনের জন্য টাকা জমিয়েছিল।

তোমার জন্য, মেয়েটা মারা গেছে।

না, এটা হতে পারে না।

তার মেয়ে আমার জন্য মরতে পারে না।

হ্যাঁ, তুমি। তুমিই তার মৃত্যুর কারণ।

জ্ঞানত বা অজান্তে, তুমিই তার মৃত্যুর জন্য দায়ী।

আজকের জন্য যথেষ্ট!

দাঁড়াও! যেও না।

চলে যেও না।

আমি মেয়েটার মৃত্যুর জন্য দায়ী নই।

দরজা খোলো!

কেউ আছো?

কেউ আছো?

ওখানে কেউ আছো? কথা বলো।

কী ব্যাপার, ডাক্তার? কী হয়েছে?

সে ক্লান্ত,

মনে হয়, ঠিকমতো খাচ্ছে না।

এইরকম এক পাগল মহিলা তার পরার কাপড় গলায় বেঁধে ঝুলে পড়েছিল।

তার অবস্থা একইরকম…

শান্ত হয়ে বসে খাওয়াটা খুব কঠিন কি?

আপনি কে?

আপনি কে?

খাওয়া না খাওয়া তোমার ইচ্ছা, পরিবেশনের দায়িত্ব আমার।

বাবা, কফি খাও।

তুই আনতে গেছিস কেন? তুই গর্ভবতী। বিশ্রাম নে।

ঠিক আছে, বাবা। কাজ করলে আমি ভালো থাকি।

ঠিক আছে, সোনা।

এই!

প্রতিদিন তাকে ডেকে তোলা কি আমাদের দায়িত্ব?

সে কি আমাদের তার চাকরবাকর ভাবছে?

উঠে পড়ো!

বৃদ্ধা মহিলা... কোথায় গেলেন?

কোথায় তিনি?

কোন বৃদ্ধা মহিলা?

একজন বৃদ্ধা সহ, দুজন লোক এই ঘরে এসেছিল,

বৃদ্ধা খুব স্নেহের সাথে কথা বলছিলেন, যেন আমার উপর তার জোর আছে।

ওই বৃদ্ধা মহিলা কে?

আবার বলছি,

এখানে আমিই শুধু প্রশ্ন করবো, তুমি কেবল উত্তর দেবে।

যাইহোক, বন্ধনহীনভাবে জন্মেছিলে।

এখন নতুন সম্পর্ক খুঁজে কী করবে?

ওই মহিলা কে না বললে, আমি আর কিছুই বলবো না।

তুমি শর্ত দেবার অবস্থায় নেই…

কৃষ্ণগিরি গিয়েছিলে কেন? সেখানে কী করেছিলে?

অনাথ আশ্রম ছাড়ার পর…

আমি নানা জায়গায় গেছি এবং কাজ করেছি।

যেখানেই যাই না কেন, চিঠি পড়ার নেশা ছাড়লো না।

তাই যেভাবেই হোক, ডাকপিওনের চাকরি চেয়েছিলাম।

সুব্বু নামে একজন, যার সাথে পরিচিতদের মাধ্যমে আলাপ হয়েছিল,

আমাকে কথা দিয়েছিল, সহকারী পিওনের কাজ দেবে।

এই কারণেই, প্রথমবার কৃষ্ণগিরি যাত্রা করি।

এই, তিনটে বাজে, আলো জ্বালাও।

কৃষ্ণগিরি… এই গ্রাম যেন আমার বাড়ির মত মনে হয়েছিল।

মনে হয়েছিল, আমি যার খোঁজে আছি,

সেই বন্ধন, সম্পর্ক এবং ভালোবাসা, এখানেই পেয়ে যাবো।

কাকা,

হ্যাঁ বলো, কী করতে পারি?

গ্রামটা খুব অদ্ভুত লাগছে।

বিকেল তিনটেতেই অন্ধকার নেমে আসে?

ওহ, আমাদের গ্রামে নতুন এসেছো? - হ্যাঁ।

ব্যাপারটা হল, আমাদের গ্রাম পাহাড়ে ঘেরা।

দুপুরেই সূর্য পাহাড়ের আড়ালে চলে যায় এবং গ্রাম ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায়।

ওহ, তাই... আপনাদের গ্রাম বেশ অনন্য।

যাইহোক, এখানে একটা ছোটো ঘর ভাড়া পাওয়া যাবে?

একটা ছোটো ঘর, তাই না?

KA subtitles in other languages

கருத்துகள்

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left