முதல் 159 வரிகள்.
––– অনুবাদে : আশিক ––––
আরেকটু সহ্য কর।
চল।
এইতো।
এখানে দাঁড়াও।
মেয়েদেরকে পেয়েছি। আট মাইল দূরে, বনের ভেতর।
চল চল।
কোরাল, কোরাল, এখানে তোমার সাহায্য দরকার।
ওয়েন্ডির অবস্থা খারাপ।
আমরা রেস্টুরেন্টে দেখা করতে পারব না। এখন এখানে...
শুভ সকাল, জিনা, কেমন আছিস?
বন্ধ কর এটা। এটা একটা ফাঁদ। আমাদের ধরে ফেলবে।
সরি, আমার মনে হয় না
কোরালও তোদের সাথে দেখা করতে পারবে।
সরি, সরি।
দাঁড়া। এবার আমরা কী করব?
দেখ তো ওগুলো বন্দুক কি না, জিনা?
হ্যা।
নিয়ে আয়।
রাখ।
জিনা, ঐ ট্রাপটা নিয়ে আয়, ওখানে।
এভাবে ধরে রাখতে পারব না।
টুলের ডিব্বাটা নিয়ে আয়।
কী করবি?
বন্দুক কেটে ছোট করব।
এই নে।
আমাকে দেখতে দে, ওকে?
দেখ।
এই নে।
ওকে।
মনে হয় না ব্যান্ডেজে কাজ হবে।
রক্ত ঝরা বন্ধ করা লাগবে।
জলদি কর।
আমি কখনো বেশ্যা হতে চাই নি, জানিস?
বাচ্চাকালে কেউ এসব হবার সপ্ন দেখে না।
ব্যস।
এমনকি মধ্যবিত্ত বা বস্তিতে জন্মালেও।
ব্যাথা লাগতে পারে, এটা কামড়ে ধর।
অন্যান্য বাচ্চাদের মত আমারও সুন্দর সপ্ন ছিলো।
ডাক্তার, পাইলট
বা ড্যান্সার হওয়ার...
ঠিক তখনই আমার ভালোবাসার দেখা পেলাম।
এবং দুজনের সপ্ন পূরণের জন্য
প্লান করলাম।
কী কী প্ল্যান করেছিস?
বল না?
সমুদ্রের কিনারায় থাকা।
একসাথে তরমুজ খাওয়া।
কুকুর পোষা।
একসাথে থাকা। শুধুমাত্র এসবই।
কিন্তু প্ল্যান এবং সপ্ন তোমাকে সবসময় বিপদের দিকেই ঠেলে দেয়।
সপ্নগুলো পূরণ করার আশায়...
প্রতিরাতে নিজেকে ধর্ষণ করতে দিতাম।
তার বদলে কিছুই পেলাম না।
হেই, শোন। কিচ্ছুই এখনো শেষ হয়নি।
সপ্ন কখনো আমাদের ছেড়ে যায় না।
কোরাল এবং আমি তোর সাথে সমুদ্রের কিনারায় যাব, বুঝেছিস?
যদি এমনটা হতো।
হেই।
ওয়েন্ডি। ওয়েন্ডি?
চোখ খুলে রাখ। বুঝেছিস?
মনে হয়, রক্তের প্রয়োজন হবে আমার।
হেই। এসব কথা ছাড় তো।
তুই একদম ঠিক আছিস।
তোকে এখান থেকে বের করব।
কথা দিলাম।
যদি ঝামেলা হয়,
তোকে কাঁধে নিয়েই ভাগবো।
ঠিক আছিস?
কী মনে হয়, তারা কি আহত হয়েছে?
হয়তো, হয়েছে।
আমাকে কভার দিতে পারবি?
গিয়ে দেখে আসছি। ওকে?
একটু পরে যা।
আমি গিয়ে আগে প্যাট্রোল নিয়ে আসি।
মাগীদেরকে আজ জ্যান্ত পুড়িয়ে মারব।
নজর রাখ।
ক্রিশ্চিয়ান, দাঁড়া।
দাঁড়া। প্লিজ, গুলি করিস না, ওকে?
প্লিজ, মারিস না। দেখ ওয়েন্ডি মৃত।
হাঁটু গেড়ে বয়।
ওকে।
মাথার পেছনে নে হাত।
তুই যেখানে বলবি যাব। ক্লাবে যেতে বললেও ফিরে যাব...
মাথার পেছনে নে বলছি হাত!
কাছে আসার চেষ্টা করলে তোর ভাইয়ের খুলি উড়িয়ে দেব!
ধ্যাৎ।
যদিও বেশ্যাবৃত্তি একটা পুরনো পেশা,
তবুও আমাদের নতুন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে হবে।
যেন তারা বেশ্যা চোদাকে মদ, গাঞ্জা বা পার্টি করার মত
উপভোগ করে।
বেশ্যারা অল্প বয়সী পোলা পছন্দ করে না। ওরা অনেক আক্রমণাত্নক হয়।
কারন তারা সেক্স সম্পর্কিত সব কিছু নেট থেকে শেখে।
পর্ণ হাবে জনি সিন্স আর মিয়া খলিফার খেলা দেখে...
আমার মনে হয়, আমাদের মা বাবাও খারাপ জিনিস দেখত...
ম্যাগাজিনে, ১৭ বছর বয়সে।
অথচ এখনকার পোলাপান ১১ বছরেই জানে,
গোল্ডেন শাওয়ার কাকে বলে?
তাই আমার আইডিয়া লাগবে।
আইডিয়া দাও।
পুরুষ পতিতা হলে কেমন হয়?
আমি শুনেছি ফ্রান্সে এইসব ক্লাব শুধু মেয়েদের জন্য।
এবং যদি এটা ভেবে দেখ, রোমিও, এটা বয়সের সমতা আর কি।
হতে পারে এইবার আমরা শুধু মেয়েদের জন্য ক্লাব খুললে ভালো হবে।
সমতা?
মইসেস, তুই কি জানিস মেয়েরা ব্যাচেলর পার্টিতে কী করে?
তুমি বলো। তারা ছেলেদের পোদ চাটে।
এরজন্য টাকাও দেয়।
আইডিয়া বাতিল।
ড্রাগের পরিমাণ বাড়ালে কেমন হয়?
আমরা শুধু কোক না, সাথে পিলস
এমডিএমএ বা ক্রিষ্টাল বেচতে পারি ....
এদিকের পোলাপান এসব সেবন করে। আমরা লোক চোদানোর জন্য ড্রাগস বেচবো।
আমি চাই না ক্লায়েন্ট এই বালছাল খেয়ে চারিদিকে পরিবেশ নষ্ট করুক...
তাও মাত্র দুই গ্লাস পানির বিনিময়ে।
তোর আইডিয়াও বাতিল।
অন্যটা বল।
ছেলে ওয়েটারদের নাঙ্গা করে ক্লাবে কাজ করাতে পারি।
এটা জমতে পারে। শার্লেট।
তোমার কি মনে হয় যারা এখানে মাগীদের লাগাতে আসে
তাদের এইসব ওয়েটারের চুলওয়ালা নিপলে কোনো ইন্টারেস্ট আছে?
স্ক্রুয়ার্ট করা মেয়ে আনলে কেমন হয়? সেটা আবার কী?
অনেক মেয়ে আছে যাদের অর্গাজমের সময়....
আসলে, তারা...
শার্লেট, তুমি বল।
ঝর্নার মত অবস্থা হয়।
হুম, ঝর্নার মত।
ঝর্নার মত কী হয়?
পেশাব?
নাহ, সোনা। এটা জ্বলজ্বল করে, সাদা ওয়াইনের মত।
দেখ, আমি তৃপ্তি পেলেই, এরকম হয়।
এটা তেমন কিছু না শুধু পেলভিক এরিয়া মজবুত হওয়া চায়।
আসলে, এটা মেয়েদেরকেও শেখাতে পারব।
দেখলে?
এটাকেই আইডিয়া বলে।
বেশিরভাগই এসব শুধু পর্ণ ভিডুতে দেখেছে।
তারা মনে করবে এসব টপ কোয়ালিটির মাল।
মেয়েরা অনেক মজা পাচ্ছে,
আর একটা মজাদার ভোদা ই পারে একজন পুরুষের তৃপ্তি মেটাতে।
শার্লেট, কাল থেকেই তুমি মেয়েদেরকে শেখানো শুরু কর!
আমি সকল বেশ্যার ভোদাতে ঝর্নার প্রবাহ দেখতে চাই।
আইডিয়া মঞ্জুর করা হলো।
জীবনে কিছু করার জন্য প্রতিভার দরকার।
দালাল, বেশ্যা বা খুনি হবার জন্য....
তারা সবসময় বইতে লেখা প্রতিভার কথা বলে,
কিন্তু কখনো এটার কথা বলে না যে, কিভাবে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে হয়।
কিন্তু এটা সম্ভব।
আর রোমিও 'র নিজের জীবন বিশ্লেষণ করার জন্য
মারাত্মক প্রতিভা ছিলো।
সে নিজেকে বুঝতে পারত, সাথে এটাও জানতো, সে কতবড় চোদনা।
তোমাকে প্রথমবার ক্লাবে দেখেই, পাগল হয়ে গেছিলাম।
বউ থাকা সত্ত্বেও,
ঘরের জিনিসের প্রতি আকর্ষন শেষ হয়ে গেল।
যেটা অসম্ভব।
আসলে আকর্ষনশক্তি বাড়ায় বাইরের জিনিস।
নিজের মোহে পড়ে।
এবং প্রত্যেক পুরুষের এটা দরকার, হুমমম?
এটা ছাড়া, দুনিয়া কিছুই না। মানে বাসনা ছাড়া সব অপূর্ণ।
কিন্তু তোমার একটা ঘরেরও দরকার, মইসেস। যেখানে আরাম করতে পারবে। শান্তি মিলবে।
No comments yet. Be the first to leave one.