முதல் 200 வரிகள்.
হাই! হাই! হাই!
বাংলায় আনুবাদ ও সম্পাদনায় :- ∆ :.:.: " D K D I D E R " :.:.: ∆ সময়কাল :- ২৯/০২/২০২০
"বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভি দেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলে সাবসিনে রেটিং দিন... আইডি না থাকলে খুলুন এবং সাবটাইটেল নিয়ে আপনার অনুভূতি জানান, বাংলা সাবটাইটেল সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রুপে।"
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি, "বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব উনিশ ক্রিকেট দলকে, তাদের বিশ্বজয়ের জন্য।"
ব্যাথা করছে? ঠিক আছে।
- নাম? - করিম আবদুল্লাহ্।
করিম আবদুল্লাহ্। ঠিক আছে, মেরি। আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন।
তাহলে, ঠিক আছেন। উনাকে এটা চার সাপ্তাহ পরে থাকতে হবে।
এমনকি যদি ব্যাথা থেমেও যায়, তবুও উনাকে এটা পরে থাকতে হবে।
দশ মিনিটের মধ্যে সবকিছু গুছিয়ে নাও, বন্ধুরা, প্লিজ! দশ মিনিট, ধন্যবাদ!
- নাজিব? - হ্যাঁ?
- আমরা আরো দুই জন করে রোগী দেখবো, দুই জনে। - দুই জন? - ঠিক আছে, আমরা আরও চার রোগী দেখবো।
উনাকে বাচ্চাটার জ্বরের জন্য কোন ঔষধ খাওয়াতে হবে।
দিনে তিন বার করে।
এখানে ফিরে আসবেন...
নাজিব, স্ট্রেচার প্লিজ! অপারেশনের প্রস্তুতি নাও!
আস্তে, আস্তে। আসো, আসো, আসো।
আমার পিছনের গিঁট টা বেঁধে দাও। আমার এখানে সাহায্যের প্রয়োজন।
সে এটা কাটিয়ে উঠতে পারবে। তার পালস রেট চেক করো। সে এটা কাটিয়ে উঠতে পারবে।
আমার এখানে কিছুটা আলোর প্রয়োজন।
- রোগী অজ্ঞান হয়ে পড়েছে? - হ্যাঁ, ডাক্তার।
তুলা দাও।
তুলা নিয়ে যাও।
ক্লাম্প। পালস রেট কত?
পালস রেট ৭৮, স্থিতিশীল আছে।
ঠিক আছে। শক্ত ভাবে ধরে রাখো।
ক্লাম্প। এখন স্থিতিশীল মনে হচ্ছে।
আমি ভাবিনি সে এটা কাটিয়ে উঠতে পারবে। আমি এই ধরনের জখম পূর্বেও অনেক দেখেছি।
এটা স্থানীয় এক সন্ত্রাসীর কাজ। বিগ ম্যান।
সে তার লোকজনের সাথে বাজি ধরে...
বাচ্চাটা কোন লিঙ্গের হবে। তারপর সে মেয়েদের পেট কেটে ফেলে বাচ্চাটাকে দেখার জন্য।
"এবং মৃত্যু এইসব ধনদৌলত একটা গানের বিনিময়ে ফিরিয়ে দিল।
পাখিটা গেয়ে উঠলো।
এটা গেয়ে চললো নিশ্চুপ সমাধিক্ষেত্রে, যেখানে সাদা গোলাপেরা বেড়ে উঠে...
যেখানে পরিপক্ক ফুলেরা বাতাসকে মিষ্টি করে তুলে,
এবং যেখানে ঘাসেরা সবসময় সবুজ এবং ভিজে থাকে, যারা এখনো বেঁচে আছে তাদের চোখের জলে।
মৃত্যু তার বাগানের জন্য অভীষ্ট ছিল।
জানালা দিয়ে একটা শীতল ধূসর ধোঁয়া মৃত্যুর আকারে বয়ে গেল...
'ধন্যবাদ, ধন্যবাদ' সম্রাট বলল।
'স্বর্গের ছোট্ট পাখি, আমি তোমাকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি।
আমি তোমাকে একবার আমার সম্পত্তি থেকে নির্বাসিত করেছিলাম...
এবং তবুও তুমি গান গেয়ে দুষ্ট আত্মাকে আমার বিছানা থেকে দূর করে দাও...
এবং আমার অন্তর থেকে মৃত্যুকে। কিভাবে আমি তোমাকে এর প্রতিদান দিবো?'
'আপনি ইত:পূর্বেই আমাকে পুরস্কৃত করে দিয়েছেন', পাখিটি বলল।
'আমি আপনার চোখে অশ্রু এনে দিয়েছি, যখন আমি প্রথমবার আপনার জন্য গেয়েছিলাম।
একজন গায়কের হৃদয়ের নিকট, সেগুলো যেকোন রত্ন পাথরের চেয়ে মূল্যবান।
কিন্তু এখন ঘুমিয়ে পড়ুন এবং সতেজ ও শক্তিশালী ভাবে বেড়ে উঠুন, যখন আমি গান গাচ্ছি।
সে গেয়ে চললো যতক্ষণ পর্যন্ত না সম্রাট গভীর, সঞ্জীবনী ঘুমে ঢলে পড়ল...
একটা মিষ্টি ও শীতল অগভীর ঘুমে।
আমি ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে উনি প্রতিদিন আমাকে এটা পড়ে শোনাত।
- আমি মনে করি এটা ভালো হয়েছে যে, সে নিজেই এটা করেছে। - আমিও তেমনটাই মনে করি।
হেই, হ্যান্নাহ। উনি আমার মা। ও হচ্ছে হ্যান্নাহ।
- তাহলে, আপনার সাথেই তারা এখন থাকবে? - হ্যাঁ।
আমার মনে হয় ক্রিশ্চিয়ান নিশ্চয়ই বাড়ি ফিরতে উন্মুখ হয়ে আছে, ঠিক না?
এটা বিশ্বাস করতে সত্যিই অনেক কষ্ট হচ্ছে যে, সে পরপারে চলে গেছে।
ক্রিশ্চিয়ান?
আমি শুধু তোমাকে বলতে চাই যে, তুমি সত্যিই অনেক ভালো বলেছ।
আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত। তোমার মাও তোমাকে নিয়ে গর্ববোধ করতো।
তোমাকে সবসময় এইসব কিছু বলতে হবেনা, ড্যাড।
আমরা কথা তো বলতেই পারি, পারি না?
তোমাকে আমার পক্ষ থেকে বলতে হবেনা।
- আপনি কি প্রস্তুত? - আসছি।
- শুভ সকাল, মোহাম্মদ। - শুভ সকাল, স্যার।
ঠিক আছে, চলো যাই।
হাই।
হাই, সোনা।
- ওয়েল কাম। - হাই, মম।
এখানে অনেক জায়গা রয়েছে। অনেক শান্ত ও নিরিবিলি। আমি তোমাকে বিরক্ত করবো না।
তোমার জন্য ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং তুমি তোমার ইচ্ছামত যেকোন রুম বাছাই করে নিতে পারো।
- এটা সবচেয়ে ছোট রুম। - এটাই ঠিক আছে।
- তোমাকে এক্ষুনি সিদ্ধান্ত নিতে হবে না। - আমি কি নিজে পছন্দ করতে পারবো নাকি পারবো না?
অবশ্যই, কিন্তু তোমার টেবিল, তোমার বিছানা এখানে ফিট হবেনা।
কিন্তু তুমিই সিদ্ধান্ত নিবে।
তোমার ইচ্ছা।
এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য খুবই মনোরম।
তুমি বের করে নিতে পারবে।
কি খবর, ইঁদুর ছানা?
- তোর টায়ারে হাওয়া আছে? - তোর নিচের চোয়াল হারিয়ে গেছে নাকি?
- উৎসুক? - হ্যাঁ।
- আমাকে কি সাথে নিয়ে যেতে চাও? - না। অবশ্যই না।
- নিজের খেয়াল রেখো। - হ্যাঁ।
- পরে দেখা হবে। - আমাদের পায়ের নিচে দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে যা, ইঁদুর।
- বাড়ি যা এবং গিয়ে চিজ খা। - তুই কি ইঁদুর না?
- কোন সমস্যা আছে নাকি? - চলন্ত ফোয়ারা।
- জঘন্য সুইডিশ। - শালার মিউটেন্ট! তুই অনেক কুৎসিত!
শালার ইদুর!
দয়া করে সবাই বসে পড় এবং চুপচাপ থাকার চেষ্টা করো।
বসো! কার এটা?
ও হচ্ছে ক্রিশ্চিয়ান। চুপ থাকো।
ক্রিশ্চিয়ান পূর্বে অনেক দেশে থেকেছে এবং সম্প্রতি সে লন্ডন থেকে এখানে স্থানান্তরিত হয়েছে।
- সে কি ড্যানিশ ভাষা বলতে পারে? - অবশ্যই সে বলতে পারে, ট্রিনি।
আচ্ছা, আমি তোমার জন্মদিন ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে রাখছি।
- তোমার জন্মদিন কবে? - ৭ই জুলাই।
ইলিয়াসের মতোই! এটা অনেকটাই মজার ব্যাপার।
এটা অনেকটাই মজার ব্যাপার। চুপ থাকো।
তাহলে, তুমি ইলিয়াসের পাশেই বসো।
- আওয়াজ করা বন্ধ করো! - তোমার দুর্ভাগ্য!
তাহলে আমরা ফ্রী সময়ে লন্ডন সম্পর্কে আলোচনা করবো। সেটা মজার হবে।
এখন সবাই দয়া করে, ইতিহাস বই বের করো।
আমি তোমাদের সাথে রাগারাগী করতে চাইনা।
না!
- তুমি কি আমার সাইকেল পাম্প ধার নিতে চাও? - না ধন্যবাদ। সমস্যা নেই।
তারা চাকার ভাল্বও খুলে নিয়ে গেছে। তারা সব-সময়ই এমনটা করে।
- আমি হেঁটে যাবো। সমস্যা নেই। - অন্য আরেক জনের সাইকেল থেকে খুলে নিচ্ছ না কেনো?
- তাহলে তাকে হেঁটে বাড়ি ফিরতে হবে। - তাহলে, মনে করো আজ তার পালা।
- এই যে। - ধন্যবাদ।
অন্য ছেলেদের চাকার হাওয়া ছেড়ে দিচ্ছ? আর, তুই আবার কোন জঞ্জাল?
আমি ক্রিশ্চিয়ান।
ক্রিশ্চিয়ান? তুই ঐ ইঁদুর ছানার সাথে কি করছিস?
- ইঁদুর ছানা? - হ্যাঁ, সে ইঁদুরের দাঁত পেয়েছে।
আমি অন্য লোকজনের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে অভ্যস্ত নই।
তোর এটা ধরে ফেলা উচিত ছিল।
এবং তুই হেঁটে বাড়ি ফিরে যা, ইঁদুর ছানা।
- তুমি ঠিক আছো? - হ্যাঁ।
আমি সত্যিই অনেক দুঃখিত।
- আমি তোমাকে সাহায্য করবো? - না, আমি ঠিক আছি।
- তুমি কি নিশ্চিত? - হ্যাঁ।
আমি সত্যিই অনেক দুঃখিত।
এটা ওখানে ঝুলে ছিল। কতগুলো খেয়েছ তুমি?
হাই, সোনা।
- তোমার দিন কেমন কাটলো? - ঠিকঠাকই ছিল।
- আমার দিকে তাকাও? তুমি কি নিশ্চিত? - হ্যাঁ।
- নিশ্চিত? - হ্যাঁ।
যদি তুমি আমার সাথে মিথ্যা বলো, আমি তোমাকে খেয়ে ফেলবো!
আমিও!
আমাকে একা ছেড়ে দাও! আমাকে একটু একা ছেড়ে দাও!
ইলিয়াস...
আমি তোমাকে ঘৃণা করি।
- তুমি ঘুমাচ্ছ না? - না, আমাকে গেমটা শেষ করতে হবে।
- তোমার শার্টে ওগুলো রক্ত নাকি? - আমরা ফুটবল খেলছিলাম।
- কেউ কি তোমাকে ঘুসি মেরেছে? - না। এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল।
তুমি কি রান্নাঘরে এসে আমাকে সঙ্গ দেবে?
- সেটা ভালো হবে। - আমি সেখানে আসছি।
- হাই ড্যাড! - হাই সোনা!
- তোমাকে দেখে অনেক ভালো লাগলো। - আমারও। আমি তোমাকে মিস করেছি।
- তুমি কেমন আছো? - তোমার ভ্রমণ কেমন ছিল?
অনেক দীর্ঘ। কিন্তু ঠিকঠাক।
হাই..
হাই।
মর্টেন তোমার জন্য এই উপহারটি বানিয়েছে, যদি তুমি ক্ষুধার্ত হয়ে পড়ো আরকি।
- তুমি কি নতুন হেয়ার কাটিং করেছ নাকি? - না।
তোমার কথা শুনে ভালো লাগলো, ইলিয়াস।
কিন্তু এখন আমরা তোমার বাবা-মায়ের সাথে একটু একাকী কথা বলতে চাই, ঠিক আছে?
- তুমি কি বলো? - চলুন একটু যৌক্তিকভাবে চিন্তা করি।
ইলিয়াস নিজেকে অনেকটা অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে। আমাদের সেটা যাচাই করে দেখতে হবে।
তার সাইকেলের চাকা প্রতিদিন নষ্ট করে রাখা হয়। অন্যান্য ছেলেরা তাকে ইঁদুর ছানা বলে ডাকে।
এটা সোফাস নয়, যে কিনা তার চাকা নষ্ট করে রাখে।
তাকে ব্যক্তিগত ভাবে নিচ্ছি না, কিন্তু তার স্কুলে ছোটখাটো একটা মাফিয়া চক্র রয়েছে।
সে এসব কিছুর পিছনে রয়েছে।
আমাদের সোফাসকে এতোটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত হবে না...
অন্য ছেলেদের চাকাও প্রতিদিন নষ্ট হয়।
আমরা অবশ্যই সেই বিষয়ে অবগত আছি।
এটা ইলিয়াসের জন্য মোটেও একটা সহজ পরিস্থিতি নয়...
আপনার সাথে এবং অন্তন, যিনি কিনা অনেক ভ্রমণ করে থাকেন।
এটা নিশ্চয়ই ইলিয়াসের জন্য অনেক কষ্টের যে, তার বাবা প্রায়ই দূরে থাকে।
এবং যদি আপনাদের মাঝে অন্য সমস্যা থাকে...
- কি সমস্যা সেগুলো? - আপনাদের বিচ্ছেদ, মারিয়ান্নে।
আমি আপনাকে একটা কথা বলে দিচ্ছি।
আমাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবেন না।
এটার সাথে কোনকিছুর কোন লেনাদেনা নেই!
না, থামো। আমি বিস্মিত যে, আমাদের এইসব শুনতে হচ্ছে।
আমাদের শেষ পর্যন্ত ইলিয়াসকে অন্য স্কুলে স্থানান্তরিত করতে হবে, কারণ সোফাস হচ্ছে...
মানসিক বিকারগ্রস্ত নিপীড়ক!
যদি আমরা চেষ্টা করি...
কিছুটা গঠনমূলক হওয়ার, তাহলে, আপনারা কি পরামর্শ দিবেন?
তোমার হয়তো মায়ের জন্য কিছু ফুল কিনে নিয়ে যাওয়া উচিত হবে?
অথবা কিছু চকলেট।
- তোকে তো কাছ থেকে আরো জঘন্য দেখায়! - দূর হও!
চুপ করো। তুই সুইডেন থেকে এসেছিস।
- পার হতে চাইলে আগে আমার জুতায় চুমু খা। - কি খবর, হতভাগা?
তুমি খুবই অভদ্র।
কি খবর, ইলিয়াস? তুই জানিস, গতকাল? যদি কেউ জিজ্ঞেস করে...
- আমি কিছু বলবো না। - তার সাথে কিছুই হয়নি।
শুধু তোর মুখ বন্ধ রাখবি।
যদি তুই কথা বলিস, তাহলে তুই শেষ।
- আর কক্ষনো আমাকে ছুবি না! - আমি কিছুই করবো না।
আমাকেও না, অন্য কাউকেও না।
যদি তুই মারা যাস, তাতে আমার কিচ্ছু আসে যায়না। বুঝতে পেরেছিস?
ছুরিটা লুকিয়ে ফেলো। নইলে তুমি বরখাস্ত হয়ে যাবে।
আমরা আপনার ওষুধপত্র কিছুটা পরিবর্তন করেছি। আপনার হয়তো কিছুটা বিভ্রান্ত লাগতে পারে।
আপনি কি গতকাল কিছু খেয়েছেন?
পুরোটাই খেয়ে ফেলেছি। শূকরের রোস্ট। এটা খুবই সুস্বাদু ছিল।
- তাহলে, আপনি সত্যিই দ্বিধাগ্রস্ত আছেন, তাইনা? - মারিয়ান্নে?
ইলিয়াসের স্কুল থেকে তারা দুইবার কল করেছে। তোমাকে তাদের কল ব্যাক করতে হবে।
- তুমি তোমার ফোন চালু করতে ভুলে গেছ। - এটা আমার সাথে নেই।
- তুমি মিথ্যা বলছো, ইলিয়াস। কেন তুমি মিথ্যা বলছো? - আমি মিথ্যা বলছিনা।
ক্রিশ্চিয়ান স্বীকার করে নিয়েছে যে, তার সাথে ছুরি ছিল।
সে সোফাসকে সাইকেলের পাম্প দিয়ে কয়েকবার মাথায় আঘাত করেছে।
আমি শুধু দেখেছি তারা একে অপরকে আঘাত করছে। সেখানে কোন ছুরি ছিলনা।
আমার কথা শুনো। ইলিয়াস মাত্রই আমাদের বলেছে যে, তোমার কাছে ছুরি ছিল।
- আমার কাছে কোন ছুরি ছিলনা। - ঠিক আছে।
যদি সবাই মিথ্যা বলে, তাহলে তুমিই আমাকে সত্যিটা বলো।
সে আমাকে আঘাত করেছে। তারপর আমি তাকে আঘাত করেছি।
- তুমি তাকে সাইকেলের পাম্প দিয়ে আঘাত করেছ? - আমাকে করতে হয়েছে।
সে আমার চেয়ে অনেক বড়। সে আমাকে প্রায় মেরেই ফেলছিলো।
ইলিয়াস, এটা সিরিয়াস বিষয়।
তার হয়তোবা এক চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারতো।
তাহলে তার মানুষজনকে বিরক্ত করা বন্ধ করা উচিত।
হাই।
- হাই, মারিয়ান্নে। - ইলিয়াস কোথায়?
No comments yet. Be the first to leave one.