முதல் 200 வரிகள்.
দ্য ইনভিজিবেল গার্ডিয়ান
ভুলে যাওয়া একটি অনৈচ্ছিক কাজ।
আপনি যখন কিছু ছেড়ে আসতে চাইবেন, সেটা তত বেশি আপনার পিছু নিবে।
"প্রথম দিন "
ক্যাপ্টেন...
কয়টা বাজে??
বের হচ্ছি।
রাত ১১টায়। ঘরে না ফেরায় ওর বাবা-মা রিপোর্ট করেছিল।
হারিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে রিপোর্টটা একটু জলদি হয়ে গেল না।
বাস মিস করেছে এটা সে রাত ৮টার দিকে ভাইকে মেসেজে জানিয়েছিল।
সে ১১টা পর্যন্ত কিছু বলেনি, কিন্তু পরে ওদের মা পাগলামি শুরু করে দেয়।
বডিটা কোথায়?
নদীর পাশে, কিন্তু প্রথমে....
কেউ ধরেনি এগুলো।
- ছবি তুলেছেন এগুলোর? - তুলতে বলে দিয়েছি ইতোমধ্যে।
- শুভ সকাল, ফারমিন। - শুভ সকাল, ইন্সপেক্টর সালাযার।
এই দিকে!
হাই!
দড়িটা এমনকি গিঁটও দেয়া হয়নি,
তার শ্বাস নেয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত খুনী এটা শক্ত করে টেনে ধরেছিল।
তোমাকে দেখে সবসময় ভাল লাগে, ইন্সপেক্টর সালাযার।
এমনকি এসব পরিস্থিতিতেও।
ডা: সেন মার্টিন যেমনটা বললেন...
হাতগুলোর অবস্থান স্বাভাবিক নয়,
এগুলো ইচ্ছা করে এভাবে রাখা হয়েছে।
দড়িটার উপর শক্ত আবরণ আছে কিছু, এগুলিকে আলাদা করে পরীক্ষা করুন।
ময়নাতদন্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের,
কিন্তু মৃত্যুর কারণ হিসেবে আমি শ্বাসরোধই ধরে নেব।
মাংসের উপর দড়িটার গভীর ছাপ পড়েছে,
এটা খুব দ্রুত ছিল বলতে হবে।
যোনির মধ্যে কী ওটা?
কেকের মতো মনে হচ্ছে।
এটি একটা চকলেট মিঠাই। এই এলাকার একটা নামকরা কেক।
এটা পরীক্ষা করুন।
আমি চাইনা এটা বাইরে যাক, এটা সংরক্ষিত তথ্য।
তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল?
তত্ত্বমতে বললে বলবো না...
যদিও এখানের সবকিছু নিশ্চিতভাবে সেক্সসুয়ালিটিকে ইশারা করছে,
আর যদি আমার ভুল না হয়, খুনি যোনিটা মুন্ডন করেছিল...
তার পূজা অর্চনার অংশ হিসেবে।
- আর সে এটা এখানেই করেছে। - ধুরো।
- ওগুলি তার চুল নাকি? - সবগুলো না।
এখানের কিছু চুল মেয়েটার গায়ের চুলগুলি থেকে অনেকটা ভিন্ন ।
আমাদের তার বন্ধুদের কল করতে হবে।
ওরা কোথায় আর কার সাথে ছিল খোঁজ নাও।
আর ওরা তাকে শেষ কখন দেখেছিল সেটাও।
সিগারেটের ঘ্রাণ পাচ্ছি।
- তার কোন হাতব্যাগ ছিল? - হ্যাঁ, তার একটা হাতব্যাগ ছিল।
এটা কয়েক গজ সামনেই পেয়েছিলাম।
আয়ানহোয়া এলিযাসু।
১৩ বছর বয়স, সে এলিযোন্ডো বসবাসকারী।
- তার কাপড়চোপড় পাওয়া গেছে? - কোন হদিস নেই ওগুলির।
মেয়েটার বন্ধুগুলোর বয়স ১৩ বছর, সালাযার।
তাদেরকে ঘুম থেকে জাগিয়ে এসব বলার দরকার নেই এখন।
আমরা এটা কয়েক ঘন্টা পরেও করতে পারব।
৩০ মিনিটের মধ্যে।
শুভ সকাল, স্যার।
- কেমন আছ তুমি? - শুভ সকাল।
সে উগ্র সেক্স পছন্দ করত;
কামড়ানো, আঁচড়ানো, থাপড়ানো.....
এটা মারামারির মত ছিল না, শুধু একটু দুষ্টুমি ছিল কিন্তু উগ্রভাবে।
ওকে রাতে গাড়ি থেকে বেরুতে দিলে কেন....
যদি সে পাহাড়ে একা হতে পারে সেটা জানতে?
ও বের হয়ে গিয়েছিল।
ফিরে আসতে বলেছিলাম কিন্তু ও শুনেনি।
নতুন বছর উপলক্ষে দুষ্টামি করলে ওর উপর রেগে যেতে?
একদমই না।
যখন ও মদ খেত, পাগল হয়ে যেত।
এক মিনিটে ও একদম কামুক হয়ে যেত, থ্রিসাম করতে চাইত,
তারপর নেশাগ্রস্ত হয়ে নিজে নিজেই চলে যেত।
অপরিচিত কারো সাথে থ্রিসাম করেছিলে কখনো?
কখনো না।
ও আমাকে কয়েকবার বলেছিল কিন্তু সেসব কথার কথা ছিল।
কসম করছি, আমি ওকে খুন করেনি।
কার্লা সত্যি দারুণ ছিল।
আমি কেন ওকে মারতে যাব?
ধুত্তুরি!
এসব কী ফালতুমি!
আমিও বিশ্বাস করি যে কার্লাকে তুমি খুন করনি।
এখন কেন? এখানে একমাস যাবত আছি, কেউ বিশ্বাস করেনি আমার কথা!
ওরা জানাবে তোমাকে।
এটা একটা সাধারণ প্যাকিং দড়ি, যে কোন হার্ডওয়্যারের দোকানে বিক্রি করে,
কিন্তু যা এটাকে গুরুত্বপূর্ণ করেছে তা হল,
এটার উভয়দিকই একই দড়ির বান্ডেলের।
যে লোকটা কার্লা হোয়ার্তেকে ছয় সপ্তাহ আগে মেরেছিল,
এই একই লোক ইনহুয়া এলিযাসুকেও মেরেছে।
মনে হচ্ছে আমরা একজন সিরিয়াল কিলারকে খুঁজছি।
তুমি তো এলিযান্ডোতে থাকতে, তাই না, সালাযার?
জ্বি।
আমাইয়া, আমি চাই তুমি ওখানে গিয়ে এই কেসের তদন্তভার নাও।
তোমার এফবিআই'য়ের অভিজ্ঞতা অনেক কাজে লাগবে আমাদের।
বাযটানের মতো শহরে এফ.বি.আইয়ের কাজটা কি?
ইনস্পেক্টর ইরিয়ার্তে আর ডেপুটি ইন্সপেক্টর যাবালাযা দুজনে....
কার্লা হোয়ার্তের কেসের দায়িত্বে ছিল।
তোমার যা সাহায্য লাগবে সব করবে ওরা।
খুব ভাল, ক্যাপ্টেন।
এখন সবাই কি তাকে চীফ ডাকব?
দোহাই লাগে মন্টেস।
"একটি যুবতী মেয়ের লাশ পাওয়া গেছে এলিযোন্ডোতে "
জেমস!
শুভ সন্ধ্যা, আমি ইনস্পেক্টর সালাযার, বিভাগীয় হোমিসাইড ডিপার্টমেন্ট।
ডেপুটি ইন্সপেক্টর যাবালাযা। আপনার সেবায় আছি,ইন্সপেক্টর।
- ইন্সপেক্টর ইরিয়ার্তে, ভাল লাগল। - আমারও। ভেতরে যাব আমরা?
হ্যাঁ, এদিকে।
কাল দাফনের সময় প্রত্যেককে ভিডিও করতে হবে।
প্রথম শিকারের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার বিরুদ্ধে যারা ছিল তাদেরও চেক করতে হবে।
ওটা কি ভিডিও করা হয়েছিল?
না, আমরা এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভেবেছিলাম....
ব্যাপার না, প্রথম শিকারের বেলায় এমনটা ভাবা স্বাভাবিক।
প্রথম অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সকল ছবি আর ভিডিও পাওয়ার চেষ্টা করুন।
নিরাপত্তা ক্যামেরার, মোবাইল ফোনের, যেটারই হোক।
এটা আমি করব, ইন্সপেক্টর।
নতুন লাশটায় একটা ব্যাপার লক্ষ করেছি।
যদি এ চুলগুলো কার্লা হোয়ার্তের লাশে পাওয়া চুলগুলোর সাথে মিলে,
তবে আমরা হরিণ, ছাগল, কুকুর, শুকর...
ষাঁড়, শেয়াল,ভেড়া আর এমনকি ভাল্লুকের পশম নিয়ে কথা বলছি।
এটা হতেই পারে না সবগুলো প্রাণী একসাথে একই সময়ে সেখানে ছিল,
আর লাশটার কোন ক্ষতিই করেনি।
আমরা মনে করছি খুনী গ্রামের কোন এলাকায় কাজ করে।
বনে চাষ, শিকার, পশুপালন এমনকিছু আর এভাবেই চুলগুলো তার উপর ছিল।
ধন্যবাদ আপনাদের, আমরা এটা মাথায় রাখব।
- শুভ রাত্রি। - শুভ রাত্রি।
- হ্যালো। - হ্যালো।
কেমন চলছে সব?
- কেমন আছ? - ভালো। এখানে কী করছ তুমি?
জড়িয়ে ধরছি তোমাকে।
- রাস্তাঘাট কেমন ছিল? - ভালোই।
কেমন আছ তুমি?
ভালো।
-আর ফ্রেডি? -বাসায় আছে।
ভেতরে এসো।
চাচী!
- চাচী! - অবশেষে!
স্বাগতম,সোনামণি!
- কেমন আছ? - ভালো! তুমিও ভালো আছ দেখছি।
- জেমস কেমন আছে? - প্রদর্শনীর প্রস্তুতি নিয়ে খুব ব্যস্ত।
- আমাইয়া... - কী করুণ অবস্থা...
রেডিওতে বলছে ঐ ছেলেটাই নাকি খুনী,
যে নিউ ইয়ারের দিনই নিজের প্রেমিকাকে খুন করেছে। সত্যি নাকি?
না, সে নিদোর্ষ, কিন্তু জানো তো মিডিয়ার সামনে মুখ খোলার অনুমতি নেই আমার।
সোনামণি, আমি নরম চাদর দিয়ে তোমার জন্য বিছানাটা করে দিবো।
ধন্যবাদ,চাচী। তোমাকে সাহায্য করব আমি।
না, তুমি বিশ্রাম নাও। ও সাহায্য করবে আমাকে, ঠিক আছে?
ঠিক আছে। ধন্যবাদ,চাচী।
যথেষ্ট, অনেক রাত হয়েছে।
এসো, ঘুমাতে যাও সবাই।
'দ্বিতীয় দিন।'
মন্টেস কোথায়?
পুরো সকাল ধরে দেখলাম না তাকে।
কাল উনার গায়ে মদের গন্ধ লাগেনি আপনার?
আমাদের পিছনে, দৌড়াও। কালো হুডি পরা।
ফ্রেডি!
- ধুরো! - ঠিক আছ তো তুমি?
ও হচ্ছে ফ্রেডি,আমার দুলাভাই।
আমার বোন রোজের স্বামী। ডেপুটি ইন্সপেক্টর এটক্সাইড।
জেনে ভালো লাগলো।
দৌড়ে পালাচ্ছিলে কোথায়?
- তোমাকে দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। - কেন?
ভাবলাম রোসায়রা তোমাকে সব বলে দিয়েছে।
না, কী চলছে এসব?
আমাদের মধ্যে সেদিন ঝগড়া হয়েছিল।
ও কয়েকদিন ধরে ঘরে ছিল না।
- ঠিক আছ তো তুমি? - বেশ...
অনেক কিছু চিন্তা করছি।
আমাইয়া?
ভিক্টর।
হেই!
আমার কাজ শেষ।
খেয়াল রেখো।
ফ্লোরা আসতে যাচ্ছিল,
কিন্তু বেকারীর কাজ নিয়ে খুব ব্যস্ত হয়ে গেল ও।
তোমাদের কথা হচ্ছে আবার?
কোন রকম।
বিভিন্ন উপলক্ষে ড্রিংক করি আমরা, হালকা হালকা, জানোই তো।
জেমস কোথায়?
ভাল আছে, প্রদর্শনীর প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত।
- আমার হয়ে হ্যালো বলো তাকে। - অবশ্যই।
বেশ, তোমার উপর ছেড়ে দিলাম এসব।
এখন, চিনলে তো আমার দুলাভাইদের।
উনারা একটু ভিন্ন ধরনের।
অনেক দিন হলো, দেখা সাক্ষাৎ নেই।
কেমন আছ তুমি, ফ্লোরা?
ব্যস্ত। কফি খাবে তুমি?
হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
তুমি না মা হতে চাও বলেছিলে?
- এখানে পুলিশি কাজে এসেছি, ফ্লোরা। -তুমি?
ওরা তোমাকে যদি সেরা মনে করে পাঠায়, তবে আমাদের কপালে খারাবি আছে।
একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেখা করতে এসেছি তোমার সাথে, বোন হিসেবে নয়।
তাই যা দেখতে যাচ্ছ সেটা গোপনীয় আর এ ব্যাপারে কাউকেই বলতে পারবে না।
এমনকি পরিবারেও না। এসব পুলিশের প্রমাণাদি।
একটা মন্ডা মিঠাই? এটা অপরাধের ঘটনাস্থলে ছিল?
তুমি কিভাবে চিনো এটা?
পুলিশের প্রমাণগুলি কোথা থেকে আসে, ইন্সপেক্টর?
আমাকে দেখতে দাও।
এটাতে বিষ থাকার সম্ভাবনা আছে?
ওরা এটা পরীক্ষা করেছিল, নিরাপদ আছে।
উচ্চ মানের উপাদানসমূহ।
তাজা আর সঠিক অনুপাতে মেশানো হয়েছে।
এই সপ্তাহে সেঁকা হয়েছে। এটার বয়স চার দিনের বেশি হবে মনে হচ্ছে।
এটার রং আর ঘনত্ব দেখে
No comments yet. Be the first to leave one.