முதல் 126 வரிகள்.
মাগো...
সাহায্য করো...
ক্ষুধায় মরছি!
পানি...!
ব্যথা করে!
“এখনো এক্সপেরিমেন্ট শেষ হয়নি?”
এটাই এক্সপেরিমেন্ট!
এক্সপেরিমেণ্ট সফল ছিল!
পারফেক্ট আর্মি, মরবে না, গাদ্দারি করবে না এবং সর্বদা আমাদের আদেশ মাথা পেতে মান্য করবে।
অমর আর্মি বানানো হয়ে গেছে!
বা... বা?
ঠিক ধরেছো!
আমিই তোমাদের বাবা!
এখন মনোযোগ সহকারে আমার কথা শুনো।
এই মুহূর্তে বেশ কিছু বিদ্রোহী হেডকোয়াটারকে টার্গেট করছে!
বাবা!
তোমরা সবাই-
আউচ...
ব্যথা করে।
ব্যথা করে!
ক্ষুধার যন্ত্রণা!
ব্যথা...
আউচ...
রাজ্যের ক্ষুধা লাগছে...
ব্যথা...
কী বিশাল গেট।
কী যেন গড়বড় লাগছে।
এটাই সেই জায়গা?
হুম।
এ জায়গাটা হুবহু আল এর বর্ণনার সাথে মিলে।
এ-কে?
নাম্বার ৬৬।
কসাই ব্যারি।
সে স্লাইসারের পার্টনার ছিল।
খুল...!
শালার...!
আমরা এটা কীভাবে খুলবো?
সরে দাঁড়াও।
খুলে গেছে-
সেন্ট্রালের যে সৈন্যরা ব্রিগস ও মাস্তাংগ ফোর্সের সাথে লড়ছে, তাদেরকে প্রত্যাহারের আদেশ দে।
ওহ? তোরা গুলি করবি?
মনে হয়, তোর সৈন্যরা তেমন নিয়মনিষ্ঠ নয়।
তুই তাড়াতাড়ি তাদেরকে প্রত্যাহার না করলে,
ব্রিগসের সেনারা নির্দয়ভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।
সব সৈন্য মারা গেলে, তোর কিচ্ছু যায় আসবে না?
সেন্ট্রালে ঢোকার সব দরজা বন্ধ করে দাও!
ব্রিগস বা মাস্তাংগ গ্রুপের একটা সৈন্যকেও ঢুকতে দিবে না!
তুই একটা পঁচা ডিম, তবে মনে হচ্ছে, এখনো তোর বিচিতে কিছুটা দম আছে।
বেশি আত্মঅহমিকায় ভুগিস না, মাগি!
আমি তোর ব্রিগসের সকল বানরগুলোকে ভোগে পাঠিয়ে ছাড়বো-
কী?
ও, এটা।
তোর বাম হাত ঢুকানো ঠিক হবে না, বলে দিলাম।
আমায় তোকে মারার আদেশ দেয়া হয়েছে।
কী বেদনা...
তুই আমায় শীর্ষস্থানে আরোহনের জন্য আরেকটা সুযোগ তৈরি করে দিলি।
ধন্যবাদ, হোমোনকুলুস!
তুই আমায় এই সুবিখ্যাত তরবারীর জং ধরা থেকে বাঁচিয়ে দিলি, যা আমাদের পরিবারে বংশ পরম্পরায় চলে আসছে।
তুই-
এগুলো মরে না?
ব্যথা করে...
ক্ষুধায় মরছি!
ব্যথা!
বেদনা!
ভাইয়া!
বলো না...!
তারা পুতুলে আত্মা সংযোজন করেছে?
শালার! এরা অসংখ্য-অনন্ত!
এগুলো কী জিনিস?
আমি জানি না-কি!
শালারপুতেরা মরে না কেন?
লক্ষণ ভালো না।
যদি তাদেরকে বাইরে বের হতে না দিতাম...!
কিছু হয়েছে কী?
কী জানি।
শুনেছি, কর্ণেল মাস্তাংগ সেনা অভ্যুত্থান করেছে।
কী ভয়ঙ্কর।
এই তো সোনামনি, কাঁদে না।
আমরা কী করবো...
তুই-
ওহ নো, তারা বের হতে চেষ্টা করছে!
শালার, বের হবার পথ বন্ধ করে দিয়েছি।
সেটা নিয়ে ভেবো না।
তুমি না করলে আমিই সেটা ধ্বংস করে দিতাম।
এখন সবচেয়ে খারাপটার জন্য প্রস্তুত হওয়া যাবে!
ঠিক আছে, তাহলে এখন তাদের বের হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে হবে না...
এবার তাদেরকে আমাদের কেলমা দেখানো যাক!
ব্যথা!
অনেক ব্যথা!
শালারপুতেরা কোন সাহসে এরকম কিছু সৃষ্টি করেছে...!
মনে হচ্ছে, সেই বুড়ো শয়তানটাকে কেলাতে হলে প্রথমে এদের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
এটা কঠিন হতে চলেছে!
মাস্তাংগ একটা আইসক্রিম ট্রাকে করে পালাচ্ছে!
মেইন রোডে ব্যারিকেড দাও!
ট্রাকটা দেখতে নরমাল, কিন্তু তা অস্ত্র-শস্ত্র ও গোলা-বারুদে ভর্তি।
চোখ-কান খোলা রেখো!
এ-একটা ভাল্লুক!
একটা মোচওয়ালা ভাল্লুক!
সিগনাল লস্ট।
একটা মোচওয়ালা ভাল্লুক?
সম্ভবত নর্থ আর্মির ক্যাপ্টেন বাক্কানির।
কর্ণেল, দেখে তো মনে হচ্ছে শহরে প্রবেশ করা কঠিন হবে।
হ্যাঁ।
একটা আইসক্রিম ট্রাক, হাহ...?
ভাবছি, তারা ঠিক আছে কি-না।
কিন্তু এটা কষ্টদায়ক যে, আমি তাদের সাথে যুদ্ধ করতে পারছি না।
জানতাম না, অপেক্ষা করা কতটা বিরক্তিকর।
এই আওয়াজটা গতকাল থেকে শুনছি।
ওই আলফনসে, এটা কীসের আওয়াজ?
সেলিম আমার মাথা নিয়ে খেলছে।
সে ভেতরে ভেতরে দানব হতে পারে, কিন্তু এখনো সে একটা পিচ্চিই।
তাকে থামাও, আলফনসে!
তাকে এ আওয়াজ করতে দিয়ো না!
এটা মোর্স কোড!
আর্মিরা যোগাযোগের জন্য এই সংকেত ব্যবহার করে!
সে কাউকে আমাদের বর্তমান অবস্থান বলছে-
হাই।
আমায় উদ্ধার করতে আসায় ধন্যবাদ, কিম্বলি।
সিরিয়াসলি... দয়া করে আর অতিরিক্ত কাজ দেবে না।
কাম অন, আমায় একটা ছুটি দাও।
আমি আর কখনো অসতর্ক হবো না।
এগুলো কী?
তুমি আমায় ধোঁকা দিয়েছো, এনভি!
কোথায় ধোঁকা দিলাম!
অমরত্ব শুধুমাত্র-
ওওও!
No comments yet. Be the first to leave one.