Pravinkoodu Shappu

Pravinkoodu Shappu (പ്രാവിൻകൂട് ഷാപ്പു)

Bengali வசனம் பதிவிறக்கம்

வெளியீட்டு விவரம்

Pravinkoodu Shappu 2025 2160p SONY WEB-DL DUAL DDP5 1 Atmos DV HDR H 265 bn srt
கருத்துரை வழங்கியவர் scmbd

குறிச்சொற்கள்

other
வெளியிடப்பட்ட தேதி: 2025-04-15
பதிவிறக்கங்கள்: 213
காது கேளாதோருக்கானது: No

Bengali வசனங்களின் மாதிரிக்காட்சி

முதல் 165 வரிகள்.

বাংলা অনুবাদ

আমরা পুলিশের কাছে ন্যায়বিচার চাই!

আমরা পুলিশের কাছে ন্যায়বিচার চাই!

গৃহবধূকে মারধর করা সিআই-কে বরখাস্ত করো!

গৃহবধূকে মারধর করা সিআই-কে বরখাস্ত করো!

গৃহবধূকে মারধর করা সিআই-কে বরখাস্ত করো!

আমরা পুলিশের কাছে ন্যায়বিচার চাই!

আমরা পুলিশের কাছে ন্যায়বিচার চাই!

কমরেড, এসআই এসে গেছে।

- যাও, তার সঙ্গে কথা বলো। - আমি সিআই-কে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছি।

আপনার চিন্তার কিছু নেই।

খেলা তো এখন শুরু হলো মাত্র।

দেখা যাক এবার কার মাথা পড়ে!

- সিআই স্যার কোথায়? - তিনি ওপরে আছেন।

এরা হলো তাড়ি দোকানের মামলার আসামি।

নিচু হয়ে দাঁড়াও।

বললাম নিচু হও!

আবার দুষ্টুমি করলে,

তোমার জিনিসটা কাবাব বানিয়ে ভাজবো!

এখনো কি এভাবে কেস মেটানো হয়? বাহ, কী করুণ!

আর কখনও না, স্যার...

উফ!

আহ!

কি হয়েছে?

তোমার ব্যাপারে যা শুনেছি তা কি সত্যি?

হুম।

হাঁ?

শুধু ভাগ্য দিয়ে সব কেসের সমাধান হবে ভাবো না

জানি, স্যার।

আমি যে ১৫টা কেস হ্যান্ডেল করেছি, যার মধ্যে ৬টা খুনের কেস,

কোনো কেসে জোর করে দোষ চাপাতে হয়নি।

প্রত্যেকটা আমি বৈজ্ঞানিক উপায়ে দশ দিনের মধ্যে মিটিয়েছি।

কিছু কেস তো দশ মিনিটের মধ্যেই, টাইমার দিয়ে, স্যার।

আহা!

চতুর ছেলে!

ধন্যবাদ, স্যার।

তাহলে, এই তাড়ি দোকানের কেসটাই তোমার প্রথম কেস হোক এখানে।

কি বলো?

তুমি এটা পারবে...

দ্রুত আর বৈজ্ঞানিকভাবে, ঠিক আছে?

আমি এই কেসটা চাই না, স্যার।

এইভাবে চলে না।

তোমাকে এই কেস নিতেই হবে।

এসিপি স্যার তোমার নাম সাজেস্ট করেছেন। জানতে?

স্যার...

আমি তাড়ি সহ্য করতে পারি না।

আমার হালকা মানসিক সমস্যা আছে...

উফ, না!

তুমি তাহলে পাগলের সার্টিফিকেটও পেয়েছো নাকি?

সে রকম না, স্যার।

আমার বাবার তাড়ির নেশার কারণে অনেক ভুগেছি, স্যার।

সারা দিন মাতাল হয়ে থাকতো।

আমার মা অনেক কষ্ট পেয়েছিল, শেষে আত্মহত্যা করে।

শৈশব থেকেই এসব দেখে দেখে আমার মানসিক ট্রমা হয়েছে।

তাড়ির গন্ধ পেলেই বমি শুরু হয় আর প্যান্টেই মলত্যাগ করে ফেলি।

কি শুনছি এসব?

এটা কোন সিনেমার গল্প নাকি?

পায়খানা, বমি, ঢেকুর…

এসবের চিকিৎসা এইভাবেই হয়!

বোঝা গেছে?

এই কেস তোমাকেই নিতে হবে।

এটা আমার আদেশ।

ভালোভাবে তদন্ত করবে। কিছু বুঝতে না পারলে আমায় ফোন দেবে।

এখন একটু ব্যস্ত আছি।

একটা দুর্দান্ত ছুরিকাঘাতের কেস এসেছে।

ঠিক আছে, স্যার।

এখন তো ডায়াপার পরা ছেলেরা এসআই হয়ে গেছে!

চিয়ার্স!

সিআই-কে বরখাস্ত করো!

পুলিশি নির্যাতন বন্ধ করো!

এই! চুপ করো!

চুপ করো!

চলে যা, হারামজাদা!

দাঁত ভেঙে দেব তোকে, কুত্তার বাচ্চা!

তুই জানিস না আমি কে!

আমি আগের সিআই-দের মতো নই!

তোমার নাম কী যেন?

স্যার, ওখানে তো লেখা আছেই, না?

তোমার মুখে ঘা হয়েছে নাকি?

আবার বলো। শুনি!

-সুনীল পি.এস। -সুনীল...

তুমি তো পুরোটাই মদের গন্ধে ভাসো।

তাড়ি দোকান থেকে আসছি, পারফিউমের গন্ধ থাকবে নাকি?

-এই অহঙ্কার দেখেছো! -এই! না!

হিংসা নয়।

স্যার।

তুমি কি আর্মিতে ছিলে?

হ্যাঁ, এক্স-আর্মি।

আমি সিআরপিএফ-এ জওয়ান ছিলাম।

এখন রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা করি।

আমি বুঝতে পারছিলাম।

আমার চোখ তো মাইক্রোস্কোপের মতো!

এভাবে খেলে তোমার ট্যাঙ্ক ফেটে যাবে!

আসলে কি আর বাকি আছে?

স্যার, আপনারা তো আনন্দের জন্য খান।

আমি খাই জীবন থেকে পালানোর জন্য।

দেখেছো!

দেখো...

আমার হাতে রোম দাঁড়িয়ে পুশ-আপ দিচ্ছে!

এটা লিখে ফেসবুকে পোস্ট করো,

একশটা লাইক নিশ্চিত!

ওর দার্শনিকতা মাঠে মারা গেল।

আপনি প্রেসারের ওষুধ খান?

হুম…

আমার একটু মেজাজের সমস্যা আছে।

মেজাজের সমস্যা…

আসলে, ওইদিন প্রথমে আপনি

তাড়ির দোকানে কী দেখেছিলেন?

তুই আমাকে চুপ করতে বলবি?

গান্ধীজী যখন তাড়ির দোকান বন্ধের জন্য অনশন করছিলেন,

আমার বাবা ইপ্পট্টি গান্ধীজীর বিরুদ্ধে অনশন করেছিল

আর ওনাকেও হারিয়ে দিয়েছিল। তুই তার ছেলেকে কথা বলবি?

তোর বাবার তো কাজই ছিল নারকেল, কাঁঠাল, আম চুরি করে

পড়ে থেকে নেশা করা, ঠিক তো?

আমার বাবার নামে বাজে কথা বললে খুন করে ফেলবো!

- অনেক হয়েছে। - মাস্টার, অনেক কথা হলো, এবার তাস খেলো!

ভদ্রলোকেরা এভাবে ঝগড়া করে না!

আমার বাবা ছিলো তাড়ির দোকানের দেশপ্রেমিক!

আমায় ধাক্কা দিলি কেন?

- আমার গলা ছাড়! - মেরে ফেলবো তোকে!

ছাড়! ছাড় বলছি!

নমস্কার, বাবু এট্টান!

আমার গলা…

ওই তুই উঠে দাঁড়াইছস কেন?

এই সবাই এদিকে আয়!

দ্রুত আয়!

তাড়াতাড়ি আয়!

এই বলদদের নিয়ে আর পারি না! চল দেখি কী হয়েছে।

- কী হয়েছে? - ওই দিকে দেখ।

বেশি টেনে ফেলেছো নাকি?

ওই কে ওখানে?

ধর ওকে!

দাঁড়িয়ে আছস কেন? গিয়ে ধর ওকে!

কুট্টাপ্পু, বয়স প্রায় ২৫।

এখন ড্রাইভার।

গাঁজা খায়, মদ খায়, আর বাসে মেয়েদের পেছনে পড়ে থাকে!

ওর হাসিটা দেখো!

একাধিক হামলার মামলায় অভিযুক্ত।

ডান হাতে ওই বিচ্ছিরি মোজা পরেছে

মারের দাগ ঢাকার জন্য।

আর গালে পাউডার লাগিয়েছো

আরেকটা দাগ ঢাকতে।

- ঠিক বলেছে। - ঠিকই তো!

ঘটনার সময়

তুমি পাশের কেবিনে ছিলে

বন্ধুদের সঙ্গে মদ খাচ্ছিলে, তাই তো?

ওই! উঠে দাঁড়াও!

চলো, বেরো।

স্যার, আমি তাড়ি খেতে যাইনি।

আমার দাদী তাড়ি দিয়ে পিঠা বানাবে বলেছিলো।

তাই নিয়ে গিয়েছিলাম।

আমি জানি।

শেষবার বাবুকে কখন জীবিত দেখেছিলে?

বাবু গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে! এসো!

চলো, চলো!

- দাঁড়াও! - ও বেঁচে আছে। গিঁট খোলো!

উফ! প্রস্রাব!

দড়ি খোলো তাড়াতাড়ি!

ওকে বাঁচানোর চেষ্টা করো!

ধরো ওকে!

উফ, নাহ!

আবার আমার মাথায় ফেলো!

উফ! পড়ে গেছে। ভেঙে গেছে।

ভালো করে ধরনি কেন?

আমি তো ধরেই ছিলাম।

More Bengali subtitles for Pravinkoodu Shappu

கருத்துகள்

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left