முதல் 175 வரிகள்.
ওই, তুই আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছিস?
ভিতরে ঢুক।
এটা...
মিলিটারি হেডকোয়াটার?
এর মানে কী?
ওই।
তোরা নোংরা।
স্বপ্নেও ভাবিনি, হোমোনকুলুসদের আস্তানা হেডকোয়াটারের ঠিক নীচে...
এর মানে শুধু ফুরার প্রেসিডেন্টই নন, বরং আর্মিরাও তাদের সাথে হাত মিলিয়েছে।
তোমাকে কিছু বলার আছে।
সত্যি বলছো!? তুমি সত্যিই আমার শরীর খুঁজে পেয়েছো?!
হ্যাঁ।
এমনকি সেটা আমাকে বলেছে, “তুমি আমার আত্মা নও, তাই আমি তোমার সাথে আসতে পারবো না।”
জোশ, তাহলে এখনো আমার শরীরের অস্তিত্ব আছে!
অসাম! অসাম!
ওকে!
এর মানে, আমরা আমাদের লক্ষ্যের দিকে এক ধাপ নিকটবর্তী হয়েছি।
ওই, এই বিড়ালটা এখনো তোমার সাথে কেন?
ওহ, তার বিড়ালের কথা বলছো?
আসলে, সে আমার ভেতরে, এই যে!
কী?
সেই পিচ্চিটা?
ভাইয়া! আস্তে বলো!
তাড়াতাড়ি জাঙিয়া পরে নাও।
তোরা কী করছিস? তাড়াতাড়ি কর!
না!!!
ধ্যাত, কেন তাকে নিয়ে এসেছো?
আর কোনো পথ খোলা ছিল না, আর সে আহতও ছিল।
ওই!
বাকিটা রাছ দেখবে, ভেতরে ঢুক।
রাছ?
রাছ...
ফুরার প্রেসিডেন্ট কিং ব্রাডলি?
কর্ণেল!
কী হয়েছে?
কয়েকটা বিষয় ঘটেছে।
সার্জেণ্ট ফুইরি সাউথে, আর ওয়ারেণ্ট অফিসার ফালমান নর্থে বদলি হয়েছে,
সেকেণ্ড লেফট্যানেণ্ট ব্রেডা ওয়েস্টে।
আর লেফট্যানেন্ট হোকায়ি ফুরার প্রেসিডেন্টের এসিস্টেন্ট হবে।
কী বালছাল হচ্ছে...
তার এসিস্টেন্ট হওয়া আর জিম্মি হওয়া একই কথা।
বসো।
এই মুহূর্তে, এ রুমে শুধু আমরা ও ফুরার প্রেসিডেন্ট।
এবং তার কাছে কেবল একটি তরবারি আছে।
এরপরও, তিনি আমাদের তিনজনকে হারানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী?
ফুরার প্রেসিডেন্ট!
আপনি একবার আমাকে দেখতে হাসপাতালে এসেছিলেন।
আমাকে একেবারে বোকা বানিয়েছিলেন।
“এ বিষয়ে নাক গলিয়ো না, পুরো আর্মিকে নিজের শত্রু মনে করবে।”
আমি তোমাকে ঠিক একথা বলেছিলাম।
তোমরা সবাই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
বিস্তারিত জানার দরকার নেই তোমাদের।
তবে সময় আসার আগ পর্যন্ত উল্টা-পাল্টা কিছু করো না।
যতদিন তোমরা ওয়াদা ঠিক রাখবে, আমরা তোমাদেরকে টোকাও দিবো না।
আর যখন সময় আসবে, তখন সাধারণ নাগরিকদের কী হবে, যারা আমাদের মতো ‘মানব বলি’ নয়?
মাত্রই বললাম, তোমার বিস্তারিত না জানলেও চলবে...
ফুলমেটাল আলকেমিস্ট।
‘ফুলমেটাল আলকেমিস্ট’ এহ?
আমি মিলিটারির পালতু কুকুর হয়েছি, আমার শরীর ফিরে পাবার জন্য।
কিন্তু, সম্ভবত স্টেট আলকেমিস্ট বিভাগকে বানানোই হয়েছে মানব বলিদের বাছাই করা করার জন্য।
যদি আপনারা আমাকে আবারো ব্যবহার করতে চান, তাহলে...
আমি স্টেট আলকেমিস্ট পদ থেকে অব্যহতি নিচ্ছি!
তোমার পালতু কুকুর হওয়ার প্রমাণটা রক্তে রঞ্জিত।
আপনারা যে পরিকল্পনাই ফাঁদুন না কেন, আমি তার শেষ দেখে ছাড়বো।
আমি অন্য আলকেমিস্টদেরও বলে দিবো, আর...
তার নাম কী যেন?
ওহ মনে পড়েছে, উইনরি রকবেল।
জন্মস্থান রিসেম্বুল।
তোমাদের বাল্য বন্ধু এবং বলা যায়, পরিবারেরই একজন।
একজন দক্ষ অটোমেইল মেকানিক।
সে বর্তমানে রাশ ভ্যালিতে কর্মরত এবং তার কাস্টমার ও বন্ধুদের নিকট প্রিয়পাত্র।
সে এক ভালো ও অনুগত মেয়ে।
তার বা তার আশপাশের লোকদের গায়ে টোকা দিলে দেখবেন, আমার একদিন কী আপনার একদিন!
তো কী সিদ্ধান্ত নিলে?
যদি তুমি এখনো অব্যাহতি নিতে চাও, তাহলে আমি তাকে কেটে টুকরা টুকরা করবো।
জোশ।
বলছি কী...
আমরা যা বুঝার বুঝে গেছি।
তো, উম্ম...
আগের মতো, সরকারি নজরদারিতে থেকে আমাদের শরীর ফিরে পাবার সূত্র অনুসন্ধান অব্যাহত রাখার অনুমতি দিন।
প্লিজ...
ঠিক আছে।
যতদিন পর্যন্ত তোমরা আমাদের পরিকল্পনায় বাধা সৃষ্টি না করছো ততদিন।
আর তুমি কী করবে, কর্ণেল মাস্তাংগ?
তুমিও মিলিটারি থেকে রিজাইন করার কথা বলবে না তো আবার?
দেখা যাক... আমি মিলিটারির পালতু কুকুর হয়েছি বটে, তবে লুজার হতে চাই না।
উভয় ক্ষেত্রেই, এই মুহূর্তে অন্তত আমার উচ্চাঙ্ক্ষার কারণে, আমি এই উর্দি খুলতে বা এর থেকে পরিত্রাণ নিতে পারবো না।
বেশ ভালো।
তোমরা সবাই যেতে পারো।
একটা প্রশ্ন করতে পারি, স্যার?
কী সেটা, কর্ণেল?
আপনি হিউজকে খুন করেছিলেন?
না, সেটা আমি ছিলাম না।
তাহলে কে?
তুমি বলেছো ‘একটা প্রশ্ন’, তাই না?
আচ্ছা আসি তাহলে।
ওহ, একটু দাঁড়াও, আলফনসে।
জি... কোনো সমস্যা...
না, তুমি এখন যেতে পারো।
একটুর জন্য বেঁচে গেছি!
একটা তরবারি এই মাত্র আমার মাথার ঠিক উপর দিয়ে গেছে...
ওহ, কর্ণেল ।
পয়সা, কিছু খুচরা পয়সা ধার দেন।
হঠাৎ করে টাকা ধার চাচ্ছো?
সেটা আপনার না ভাবলেও চলবে।
ফকিন্নি, আপনার কাছে মাত্র এ কয়টা টাকা আছে?
তুমি কি ছিনতাইকারী না-কি?
আচ্ছা ঠিক আছে।
দেখা হবে!
ও-ওই!
দুঃখিত, কর্ণেল!
আমরা পরে সবকিছুর রিপোর্ট করবো!
তারা যাচ্ছে কোথায়?
ওহ নো, লেফট্যানেন্ট!
লেফট্যা-
কোনো সমস্যা, কর্ণেল?
আপনাকে বিমর্ষ দেখাচ্ছে।
যেখানে আশা করছিলাম একজন ললনা দেখবো, সেখানে একটা চান্দি ছিলা বডিবিল্ডার দেখে বেহুঁশ হলে দোষের কী আছে?
কর্ণেল!
লেফট্যানেন্ট...
সবকিছু ঠিক আছে তো?
ওহ, মাফ করবেন।
লেফট্যানেন্ট হোকায়ি, মাত্রই ওয়াশরুম থেকে ফিরলাম, স্যার।
আমি মেজর আর্মস্ট্রং এর উদারতাকে গ্রহণ করে সামান্য সময়ের জন্য তাকে আমার জায়গায় রেখে গিয়েছি।
ধন্যবাদ, মেজর।
আরে লাগবে না।
তুমি চলে যাওনি?
এক মনীষী আমায় বলেছিল, যাই হোক না কেন, কখনো হাল ছাড়বে না।
পরে অনুশোচনা করো না কিন্তু, লেফট্যানেণ্ট।
ভুলেও করবো না।
হ্যালো?
এড? হঠাৎ ফোন করলে যে?
তোমার অটোমেইল আবারো ভেঙ্গে ফেলেছো?
না!
ওই, তুমি ঠিক আছো?
তুমি ভালো আছো?
তোমার জীবনে নতুন কিছু ঘটেছে?
সন্দেহজনক কেউ তোমায় অনুসরণ করছে নাতো?
এড...
কী?
তুমি সন্দেহ করছো।
কী বললে?
মানে বলছি কী, তোমার ফোন করাটা এমনিতেই সপ্তাশ্চর্য, আরও বড়ো কথা, তুমি আমাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন?
নিশ্চই কোনো গণ্ডগোল আছে। নিশ্চিত, আজ সূর্য পশ্চিম দিক দিয়ে উঠেছে।
ওই, তুমি কি জানো, আমি কতটা...
ধন্যবাদ।
তোমার ফোন পেয়ে খুশি হয়েছি।
ধন্যবাদ।
তু-তুমি...
তুমি সত্যিই ঠিক আছো তো?
ঠিক আছে, বিদায়।
সে ভালো আছে...
তোমার আবেগি স্বভাবের কারণেই মানুষ তোমার ফায়দা লুটে।
লিং!
বলেছি না, আমি গ্রিড!
কেন এসেছো?
তোমার বন্ধু আমাকে এটা দিতে বলেছে।
লিং দিয়েছে?
এ তো জিং এর ভাষা, হাহ...
এখানে কী লেখা আছে?
জানি না, আমি সেটা পড়তে পারি না।
সে চায়, তুমি এটা তার জন্য অপেক্ষারত মেয়েটিকে দিবে।
লান ফা-
তুমি আমাদের পিছু নিয়ে তাকে মারার ফন্দি আঁটছো নাতো?
আমি অত ইতর না।
তাছাড়াও, মেয়েদের সাথে মারামারি করার ব্যাপারে আমার এলার্জি আছে।
আমি মিথ্যা বলি না।
দেখা হবে, আর অবশ্যই তাকে ওটা দিও।
ওই লিং!
আমি গ্রিড।
লোকটা কে ছিল?
কেন তাকে ইশবাল যুদ্ধ করতে হয়েছিল, যা সেই দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে?
কে ওখানে?
উপরে কেউ আছো?
তুমি আহত।
No comments yet. Be the first to leave one.