முதல் 140 வரிகள்.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
কি সুন্দর চোখ!
জি?
ভালোমতো দেখতে পাস তো?
কী?
বলছি...
তোর চোখগুলো অনেক সুন্দর।
সুন্দর চোখ।
ঘুমিয়ে পড়।
কানেক্ট?
"কানেক্ট নামের..."
"লোককথার ব্যাপারে কেউ জানেন?"
"জানেন কি?"
"এর ব্যাপারে শুনেছিলাম।"
"আমার ওয়েব নভেলের জন্য..."
"গল্প খুঁজছি।"
"কারো কাছে এব্যাপারে কোনো তথ্য থাকলে শেয়ার করুন।"
এটা তো মানুষ...
- রাস্তা ছাড়ুন। - সরুন, সরুন।
হ্যাঁ, ঠিক আছে।
এটা করলো কীভাবে?
দাঁড়ান!
আপনারা ছবি তুলতে পারবেন না।
না, না, না। আপনারা এখানে ছবি তুলতে পারবেন না।
না, থামুন, থামুন, থামুন। এই, ওদের পিছনে সরাও।
পিছনে সরুন, পিছনে সরুন!
প্লিজ পিছনে সরুন।
কেউ ছবি তুলবেন না!
প্লিজ, কেউ ছবি তুলবেন না!
পিছনে সরুন!
এটা দেখুন।
মনে হচ্ছে...
মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা পর এটা খোদাই করা হয়েছে।
কী এটা? দাঁড়াও। "P" লেখা আছে নাকি?
নিচটা দেখে "I" মনে হচ্ছে।
কোনো প্রকারের স্বাক্ষর নাকি?
যেমন কোনো শিল্পী আঁকা শেষ করলে
কোনায় তার স্বাক্ষর দিয়ে রাখে।
মানে, নিজের স্বাক্ষর দিয়ে রেখেছে?
শুয়োরের বাচ্চাটা মানুষ মেরে...
শিল্পী সাজতে এসেছে।
আজ আবার কে ট্রান্সপোর্ট হতে পারে?
"জ্যোতিষবিদ্যা রাশিফল"
রাশিচক্র?
কী খুঁজছে ও?
এটা কোন জায়গা?
চোখের ড্রপ?
হারিয়ে গেল।
এসব কী হচ্ছে?
তাহলে কি...
কী দেখছিস রে?
হাহ?
আহ... এটা কী হলো...
ধুর। ভয় পেয়ে গেছিলাম।
হ্যাঁ, কী? হ্যাঁ, সেটাই করছি এখন।
কর্নিয়া আর লিভার?
ওগুলো লাগবে না?
ধুর...
হঠাৎ এসব কী শুরু করলে?
হাহ?
হ্যাঁ, ঠিক আছে, বুঝেছি।
ব্যস আমার টাকা যেন আমি পেয়ে যাই।
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
হ্যাঁ।
ঠিক আছে, রাখছি।
এই, কেউ আছিস? এখানে আয়, জলদি!
জলদি আয়!
ঐ রাতে, যখন আমার দুই চোখই বের করে নেওয়া হয়েছিল...
কাউকে কি ট্রান্সপ্লান্ট করে দেওয়া হয়েছিল?
এজন্যই... ওই লোক যা দেখছে তা আমিও দেখতে পাচ্ছি?
তাহলে তো আমার ঐ চোখও ফিরিয়ে নেওয়া দরকার।
"সহান সিটি, সামজি বন্দর আতশবাজি উৎসবে বিশাল বড় ভিড় জমা হয়েছে"
ধুর বাল। ভালোই লাগছে না।
প্রথম ভিক্টিম, কিম হ্যে-মি।
"কিম হ্যে-মি ভিক্টিম ১ কিম হ্যে-মি"
"পার্ক ইয়ং-সক ভিক্টিম ২ পার্ক ইয়ং-সক"
দ্বিতীয় ভিক্টিম, পার্ক ইয়ং-সক।
দুই কেসের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।
না মনে হচ্ছে কেউ প্রতিশোধ নিতে এমন করেছে।
আরে, আমরা ফালতুতে কিম হ্যে-মির তথ্য খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম।
"ভিক্টিম কিম হ্যে-মি কলেজ স্টুডেন্ট"
মানে, যদি যুবতী মেয়েরাই শুধু টার্গেট হতো,
তাহলে টিপিকাল সেক্স অফেন্ডার কেস হিসেবে ধরে নেওয়া যেত।
কিন্তু সে ভিক্টিমদের অনেক যত্ন সহকারে মেরেছে
আর তাদের লাশকে কোনো শিল্পকর্মের মতো করে সাজিয়েছে।
শালা সাইকো...
সাধারণ মানুষজনও এটাকে আর্ট ডিসপ্লে ভেবে বসেছিল।
সে লাশে সুগন্ধি ব্যবহার করেছে, সুন্দরভাবে দাঁড় করিয়েছে...
এমনকি রজন দিয়ে পুরো শরীর লেপেছে।
সে কি লাশে ইচ্ছে করেই কেটে রেখেছিল যাতে রক্ত চুয়ে পড়ে?
এটা ইচ্ছাকৃত ছিল নাকি ভুলবশত?
সে কি লোকদেখানোর চেষ্টা করছিল?
আহ, ডিটেকটিভ চোই কোনো লিড দিতে পারলে,
ভালোই হতো।
তোমার নাক দিয়ে এখনো রক্ত পড়েনি, তাই না?
নাক দিয়ে রক্ত কেন পড়বে?
হাহ? তোমার এত কেন কৌতুহল? তোমার কি সব জানা লাগবে?
আচ্ছা দেখো।
সে সাধারণত যখন কোনো লিড পায়, তখন নাক দিয়ে
এভাবে গড়গড় করে রক্ত বইতে শুরু করে।
- এর পিছনে কারণ কী? - এই, থামবে?
আরে, এমন না যে ব্যাপারটা লুকাতে পারবে।
ওহ, তার দাদী অনেক বড় ওঝা ছিল।
তার বংশের অনেকেই ওঝা। কবিরাজি রক্তের মধ্যে বইছে, তাই না?
নিজের সুপারভাইজারকে পচাতে কি মজা লাগে?
রজনের উপাদান এনালাইসিসের জন্য ফরেনসিক টিমকে বলো
আর দেখো ওসব কোথায় আর কে বিক্রি করে।
- জি, স্যার। - জি, স্যার।
জি।
"ভাঙড়ির দোকান"
ওর এতক্ষণে চলে আসার কথা কিন্তু কোনো খবরই পাচ্ছি না ওর।
ও করছেটা কী?
গাড়ি মেরামতের জন্য ক'টা দিন অপেক্ষা করলেই পারতো।
কিন্তু না। ওর আর তর সইলো না, বেরিয়ে পড়লো ঠেলাগাড়ি নিয়ে।
আমি গিয়ে ওনাকে খুঁজে আনছি।
এই বুইড়া ব্যাটা, কিছু বলিস না কেন?
আমি সোজাই যাচ্ছিলাম, কিন্তু হাত ফস্কে গেছে। আমার ভুল হয়েছে, ঠিক আছে?
আমাকে ক্ষমা করে দাও? আমি দুঃখিত।
একটা লোককে ধাক্কা মেরেছিস, মাফ তো চাইবিই। এটা জানা কথা।
- হাহ? - হ্যাঁ।
কিন্তু কাউকে খুন করে, মাফ চাইলেই কি হয়ে যাবে?
- শালা। - আহ, আমার কথা বোঝার চেষ্টা করো...
শুধু মাফ চাইলেই হবে না!
আমি হাতজোড় করছি।
এসব কী শুরু করলি? এসব চাই না আমি।
ওরে শালা!
বুইড়া তো দেখি আমার কথাই শুনে না।
তোমরা এসব কী করছ?
স্যার।
এই, তুমি এখানে কেন এলে? যাও।
আমি এই অবস্থায় কী করে যাই? তোমরা নিজেদের কী ভাবো?
উঠুন। জলদি।
হাহ? এই, কোথায় যাচ্ছিস?
আমি ওই বুড়োর সাথে কথা বলছিলাম।
এই, তোর মরার শখ জেগেছে?
এই দেখ, এই শালা দেখতে কত ভয়ংকর। তোকে কেউ দেখলে তো রাতে ঘুমাতে পারবে না বাড়া!
- আপনি যান জলদি। - আমি পুলিশকে ফোন করব।
মাদারচোদ...
আহারে!
মাটিতে পড়ে গেছে!
No comments yet. Be the first to leave one.