முதல் 130 வரிகள்.
সূর্য হলো ছেলে, যে পুরুষের প্রতিনিধিত্ব করে।
আর চন্দ্র মেয়ে, যে নারীর প্রতিনিধিত্ব করে।
সূর্য ও চন্দ্র একত্রিত হলে, তারা এক বস্তু হয়ে যায়...
সহজ বাংলায়, এটা নিখুঁত সত্তার প্রতিনিধিত্ব করে...
মানে ‘নিখুঁত সত্তা’র দ্বারা, ‘অমরত্ব’কে বুঝানো হয়?
আমার মনে হয়, এটা আরো অবিশ্বাস্য কোনো কিছু।
যেমন?
যেমন... ঈশ্বর।
আসো!
আমি আর তোমার অধীনে থাকবো না!
আমি তোমায় পৃথিবীতে নামিয়ে এনে আমার একটা অংশে পরিণত করবো!
সবাই ঠিক আছে?
মাত্রই কী হলো?
খুব ভালো কাজ করেছো, আমার প্রিয় বিসর্জনেরা।
তো তুই আসলেই সেটা করেছিস...!
হ্যাঁ, আমি ঈশ্বরকে অর্জন করেছি।
কী বললি, ‘ঈশ্বর’?
বালের আলাপ বন্ধ কর-
এটা সম্ভব।
বিপুল পরিমাণ এনার্জি থাকলে, এটা করা সম্ভব।
এনার্জি?
ফিলোসফার স্টোন!
সত্যি না-কি!
মানে, সকল মানুষকে ফিলোসফার স্টোনে পরিণত করা হয়েছে?
কত মানুষ বলি হয়েছে...?
এ দেশে প্রায় ৫ কোটি মানুষ আছে।
বেশ্যার পুত!
ধ্যাত!
আমি অ্যালকেমি বন্ধ করে দিয়েছি।
বিদায়, বন্ধুরা।
এটা...!
যেহেতু আমি ঈশ্বরকে গ্রাস করেছি,
তাই হাতের তালুতে একটা সূর্য সৃষ্টি করা আমার কাছে তেমন কিছু নয়।
এটাকে এখন এখানে রাখতে হবে?
তুই ঈশ্বরে পরিণত হওয়ার মুহূর্ত থেকেই পাল্টা আক্রমণ শুরু হয়ে গেছে।
কেবল এ দিনটির জন্যই,
আমি আমার বন্ধু-বান্ধব ও আমার ফিলোসফার স্টোনকে পুরো দেশের যথাস্থানে রেখেছি...
দীর্ঘ সময় যাবত এবং বিভিন্ন হিসাব নিকাশ করে আমরা পরিকল্পনা করছিলাম।
সময় এসে পড়েছে।
সে এমন এক কাজ করেছে যা করাটা তার মোটেও উচিত হয়নি।
আমাদের ফিরে যাবার মতো শরীর নেই।
তবে, আমেস্ট্রিসের লোকদের আছে।
হ্যাঁ, তাহলে আমরা তাদের আত্মাকে তাদের নিজস্ব শরীরে প্রত্যাবর্তন করতে দেই।
সর্বোপরি, হোহেনহায়েম আমাদের সবার কাছে এর আবদার করেছে।
তো তুই তোর ফিলোসফার স্টোনকে পুরো দেশে বণ্টন করেছিস।
কিন্তু সেগুলো কেবল পয়েন্ট।
সার্কেল ছাড়া অ্যালকেমি হতে পারে না।
এটাই আলকেমির মূলনীতি।
কিন্তু একটা সার্কেল আছে।
একটা বিশাল শক্তিশালী সার্কেল স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে সক্রিয় হবে, এমনকি আমার কিছু হয়ে গেলেও!
সেটা হলো চন্দ্রের আলো, যা সূর্যগ্রহণ থেকে ঘটেছে!
আমরা শুরু করছি, হোহেনহায়েম!
তুই কেবল আমার কাজে বাধা দিয়েই যাবি, তাই না হোহেনহায়েম?
ঠিক সেটা করতেই আমি এখানে এসেছি।
তোর ফ্লাস্কে ফিরে যা, হোমোনকুলুস!
উইনরি... ঠিক আছো তো?
কী... হয়েছিলো?
আমরা কি চেতনা হারিয়েছিলাম?
আপনাদের দু'জনেরও হয়েছে?
তাই তো মনে হয়।
কিন্তু সেটা ছিল...
কীভাবে যে বলি... সেটা ছিল যেন...
এমন লাগলো যে, আমি কষ্টের ঘূর্ণিপাকে ডুবছিলাম।
কাজ হয়েছে?
আমেস্ট্রিসের লোকদের আত্মা তাদের নিজস্ব শরীরে ফিরে এসেছে।
সে কেবল জেরেক্সের জনগণের আত্মা দিয়ে ‘ঈশ্বর’ নামক সত্ত্বাকে নিজের মধ্যে ধরে রাখতে পারবে না,
আমি আরো ফিলোসফার স্টোন তৈরি করতে পারি।
১০ কোটি, ১০০ কোটির চেয়েও বেশি!
মানুষ সীমাহীন শক্তির উৎস!
মেই!
একজন ইস্টার্ণ অ্যালকেমিস্টের কাছে ভূপৃষ্ঠের এনার্জির প্রবাহ অনুধাবন ও তা সদ্ব্যবহার করা পান্তাভাতের মতো সহজ!
সে যতবেশি পাওয়ার প্রয়োগ করবে আমরাও ততবেশি পাওয়ার ব্যবহার করতে পারবো।
স্যার, পেছনে দেখেন!
ধ্যাত!
এ এনার্জি প্রতিরোধ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়!
প্লিজ ধরে থাকুন!
ডিফেন্স সার্কেল নষ্ট হয়ে যাবে!
অসম্ভব!
অবিচল থাকো, বাবা!
শালার বেজন্মা, ভুলেও হাল ছাড়ার সাহস করবে না!
ওহ-নো।
আমি পিতা নামের কলঙ্ক, কিন্তু আমি তোমাদের দু'জনকে গর্বিত করতে চাই!
আমরা তাড়াতাড়ি না করলে, বাবার ভেতরকার ফিলোসফার স্টোন ক্ষয় হয়ে যাবে!
তাড়াতাড়ি করো, স্কার!
ইশবালান,
আমি ভেবেছি, অ্যালকেমি বস্তু পুনর্গঠন করে,
যা সর্বস্রষ্টা ইশবালার বিরুদ্ধে পাপ ছিল।
তুমি তোমার ঈশ্বর'কে বর্জন করেছো?
দেখে তো মনে হচ্ছে...
তোমাদের ঈশ্বর তোমাদের সকলের জন্য যথেষ্ট না!
তাই না?
তুমি ইশবাল যুদ্ধে...
হতাশার সঠিক মর্ম শেখার পর...!
তুমি নিশ্চই অন্তরের অন্তস্থলে কোথাও অনুভব করেছো,
ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই!
আমি ঈশ্বর বা নিয়তিতে বিশ্বাস করি না,
তবে এই অবস্থা দেখে সম্ভবত বলবো, স্বর্গ আমার পক্ষে নেই।
সে আমার কাছে মানানসই (যোগ্য) অতিথি (প্রতিদ্বন্দ্বী) পাঠিয়েছে।
তো তুমি এখানে তোমার দাদুর প্রতিশোধ নিতে এসেছো...
ভালোই করেছো।
সর্বশেষ কোনো কথা?
না।
আপনার জীবনটা করুণ।
কিং ব্রাডলির, কাছের মানুষ কেউ নেই?
বন্ধু? আপনার স্ত্রী?
স্ত্রী, এহ...
তাকে বলার মতো কোনো কথা নেই আপনার ?
যদি সে আপনার আসল পরিচয় জেনে গিয়ে থাকে...!
পিচ্চি মেয়ে, ভালোবাসা ও দুঃখ বেদনার মতো তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ভাট বকা বন্ধ করো।
আমাদেরকে তুচ্ছজ্ঞান করো না।
সে এমন মহিলা যাকে আমি নিজে বেছে নিয়েছি।
তাই আমাদের মাঝে কথাবার্তার দরকার নেই।
একজন কিং ও তার সহচরের মাঝে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
মনে হচ্ছে, তুমি আমার বাকোয়াস ডায়লগের কারণে প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগটা হারালে।
তাছাড়াও আমি আমার জীবনটা আগ থেকেই এক নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে চলমান ট্রেনের উপর কাটিয়েছি...
হে মানুষ, তোমাদের কল্যাণে...
মনে হচ্ছে, আমার জীবন কিছুটা স্বার্থক ছিল...
জীবনের চিহ্ন?
ফিলোসফার স্টোন।
এটা?
আপনি ঠিক আছেন?
প্লিজ, আমায় সেই স্পটে নিয়ে চলো...
ট্রান্সমিউটেশন সার্কেলটা ভেঙ্গে গেছে!
সমস্যা নেই!
কারণ এটাই সবকিছুর সেন্টার...!
বুঝেছি!
ভাইয়া, সত্য বলতে আমি পুরোপুরি ঘৃণামুক্ত নই।
তারপরও আমি এখন আমেস্ট্রিসদেরকে সাহায্য করার চেষ্টা করছি; যাদেরকে আমি একসময় ঘৃণা করতাম।
তুমি একবার পজিটিভ ও নেগেটিভ প্রবাহের মাঝে সংযোগ স্থাপন করতে চেয়েছিলে।
তবে আমার কী হবে, যে দুইটা বিপরীতমুখি উপাদানের উভয়টা বহন করছে,
No comments yet. Be the first to leave one.