முதல் 185 வரிகள்.
কিছু দেখেছো?
না, দিদি।
টর্চ মারো সব জায়গায়।
সিয়া...সোনা! ঠিক আছো তুমি?
দিদি, এখানে অনেক অন্ধকার।
আমার ভয় লাগছে।
এইবার আমাদেরকে আর একটু আগে যেতে হবে।
একটু আগে যাও, হা?
আমি জানি তোমার ভয় লাগছে কিন্তু...
-আমাদেরকে এখান থেকে বের হয়ে বাড়ি যেতে হবে, না? -ওকে।
সিয়া।
সিয়া?
সিয়া?
সিয়া, কিছু দেখতে পাচ্ছো?
দিদি!
হ্যাঁ, হ্যাঁ। বলো।
এখানে বাইরে থেকে আলো আসছে!
আমরা এখানে! মা!
Breathe Into The Shadows S01E08 অনুবাদে ও সম্পাদনায়ঃ এফ আর সজীব।
স্যার, কোথাও তো কোনো সম্পর্ক থাকবে এই দুই ভিক্টিমের মধ্যে।
হতে পারে কোনো সম্পর্ক নেই, আর আলাদা লোক খুন করেছে।
না, আলাদা কিছু নেই এখানে।
যে এটা করেছে অনেক ভেবে চিন্তেই করেছে। সঠিক পরিকল্পনা করে।
আর এদের মধ্যে মিল হচ্ছে খুনী নিজে।
আমার মনে হয় ভিক্টিমরা এটা জানে না।
যদি কিলারই সাধারণ মিল হয়, তাহলে দুই খুনের মধ্যে তুলনা করে দেখি?
প্রিতপাল সিং, যার জার্মোফোবিয়া আছে।
খোলামেলা আস্তাকুঁড়ে কেন গেল?
কেন যাবে? খুনী তাকে উস্কানী দিয়েছে।
তো, রাগ...রাগটাই আবেগ ছিল,
যেটা প্রিতপালের মৃত্যুর কারণ হয়।
নাতাশা গারেওয়াল,
যে ডিভিয়াংকার সাথে দৃঢ় সম্পর্কে ছিল।
হঠাৎই একদিন, এক রোড ট্রিপে বের হয়ে যায়,
এক অচেনা মেয়ের সাথে তাও ডিভিয়াংকাকে না জানিয়ে।
সারারাত এক হোটেলে ছিল।
আর পরের দিন এক নির্জন জায়গায় তার লাশ পাওয়া যায়।
অর্ধ নগ্নে। এটাকে আমরা কী বলব?
লালসা/কাম।
তাই হ্যাঁ, খুনী ছাড়াও...
এই দুই ভিক্টিমের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে এই ইমোশনও(আবেগ)।
তো কবির, আমার মতবাদ হচ্ছে, খুনী ভিক্টিমের গুণ/লক্ষণ গুলোকে একটা মাধ্যম বানিয়ে...
যদি এটা সত্যি হয়,
তাহলে খুনী আবেগ নিয়ে খেলছে।
এরকমটা চলতে থাকে তো, এরপরের আবেগটা কী হবে?
সই করো এখানে। জলদি করো, জলদি করো।
আংগাদ পন্ডিত। আংগাত পন্ডিত।
সবথেকে বেশি কঠিন পরীক্ষা।
-আংগাদ পন্ডিত। -কোথায় সে?
সে এখানে নেই, স্যার।
আসুন, আসুন। আপনি এখানে এসেছেন, আমি অনেক কৃতজ্ঞ।
নাহলে পালকিতে করে এই টিকিট আপনার ঘরে পৌঁছাতে হতো।
আইডি। এখানে সই করো।
হিমাংশু জেইন।
-হিমাংশু জেইন? -এসেছি, স্যার।
আংগাদ, কোথায় ছিলি তুই?
আংগাদ?
ঠিক আছিস তো?
অভিনাষ সাভারওয়াল।
অভিনাষ সাভারওয়াল।
এত ধীরে ধীরে আসতেছ যে? জলদি আসতে পারো না কি?
ভাই, এসব তো মনে হচ্ছে এডাল্ট ফিল্ম।
-তোর কাছে কোনো অ্যাকশন ফিল্ম নাই? -হিমাংশু।
ভাই, এটাও এক ধরণের অ্যাকশন ফিল্ম! চল এটা নিয়ে নে।
বাইন*...
তুই এখানেও বই নিয়ে!
আমি তিনবার দেখেছি এটা!
তুই কেন মানুষের এনাটমি নিয়ে পড়তেছিস,
যেখানে এটা সামনেই দেখতে পাচ্ছিস?
তোর যা ইচ্ছা দেখ। আমার কোনো আগ্রহ নেই।
এই, সর রে, দেখতে পাচ্ছি না।
এই, শোন রে...
আমি ভাবছিলাম যে, তোর কথা শুনে আমি সাইকোলজি নিয়ে নিই,
আর সাইকিয়াট্রিস্ট হয়ে যাই।
অস্থির আইডিয়া!
-তাই না? -অস্থির রে।
শোন, দুজনে মিলে পলিক্লিনিক চালু করি।
সাভারওয়াল-জেইন মেডিক্যাল এসোসিয়েটস।
তোর ব্রেইন, আমার সুন্দর চেহারা, আর আমার বাবার টাকা!
অনেক ভালো চলবে, ভাই!
আর আমরা আংগাদকে কম্পাউন্ডার বানিয়ে রেখে দেবো। অস্থির হবে রে!
স্যার, পিন নম্বর দিন।
ভোলা।
চেক করে দেখো ওরা এসেছে কি না।
এই ওষুধটা লাগবে আমার।
আংগাদ পন্ডিতের সাথে কলেজ গিয়েছি।
নাতাশার সাথে ছোটখাটো মিথস্ক্রিয়া ছিল।
প্রিতপাল সিং...
সম্ভবত ওর সাথেও কোনো সম্পর্ক ছিল যেটা আমার মনে আসছে না।
আর এই অপহরণকারী...
আমি নিশ্চিত যে, আমি তাকেও চিনি।
আভা, এই সকল অপহরণ আমার অতীতের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
আর সে এখন এক প্রকার প্রতিশোধ নিচ্ছে।
স্যরি, স্যার।
ফোন করছিলাম আপনাকে, ফোন লাগতেছিল না।
আমি বেসমেন্টে ছিলাম, সেখানে নেটওয়ার্ক ছিল না।
আপনি ভুল করে আপনার ওষুধ রেখে এসেছিলেন গাড়িতে।
আমরা এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম, ভাবলাম দিয়ে যাই।
স্যার, আমি কি দুই মিনিট আপনার বাথরুম ব্যবহার করতে পারি?
অনেক্ষণ যাবত আটকে রেখেছি।
অবশ্যই।
অস্থির তো...
এত বড় ঘর....অনেক সুন্দর, স্যার।
বেসমেন্ট কোথায়...এটা না?
আরে জেপি, আপনাকে জিজ্ঞেস করতেই ভুলে গেছিলাম।
ওই ঠোঁট এর সম্পর্কে কিছু জানতে পেরেছেন?
আচ্ছা, ওটা! কোথায় আর, স্যার!
পুলিশের ডাটাবেস তন্নতন্ন করে খুঁজেছি।
কিন্তু, ওটার সাথে লেগে থাকা আঙ্গুলের ছাপ কারোর সাথে মিলছেই না।
স্যার,
বেসমেন্ট মানে হিন্দি ছবির ভূগর্বস্থ ভান্ডার, তাই না?
একটা আলোকবাতি, জ্বলে আর নিভে।
কাঠের মেঝে...ক্যাচক্যাচ আওয়াজ।
কিলার চাকু নিয়ে এভাবে ঢুকে পরে!
এরকমটা স্যার মুভিতে দেখেছিলাম,
বাস্তবে কখনো দেখিনি।
বিশ্বাস করুন, এতটা মজা হয় না।
কিন্ত স্যার, আমার অনেক ইচ্ছা একবার দেখার।
লাল দূর্গ দেখার জন্যেও এতটা কৌতুহল দেখাননি আপনি!
স্যার...
দেখবো একবার....?
দেখে আসতেছি, স্যার।
আমি বলছিলাম...পরে দেখে নেবো কখনো।
ঠিক আছে, আমরা আসতেছি।
স্যার, ওই, নাতাশার গার্লফ্রেন্ড ডিভিয়াংকা,
কবির স্যারের সাথে দেখা করতে অফিসে এসেছে।
আপনিও আসতে চান তো...
মানে, একটু পরেও আসতে পারেন।
আমরা যাই, স্যার।
চলুন।
-ওষুধ... -হ্যাঁ, স্যরি, স্যার।
আসুন। চলুন।
সমস্যা নেই, স্যার।
-ঠিক আছে। -আমরা যেতে পারবো।
স্যার, আমার বিন্দুমাত্র আইডিয়া ছিল না যে নাতাশা জোধপুর যাচ্ছিল,
তাও আবার রোডে।
আপনার সাথে ওর শেষবার কবে কথা হয়েছে?
শুক্রবার রাতে।
আমিই ওকে কল করেছিলাম এটা বলতে যে, আমার শ্যুট দুই দিনের জন্যে পিছানো হয়েছে।
মানে, যখন আপনি ফোন করেছিলেন জবাবে তখন সে কিছু বলেছিল?
হতাশ ছিল।
বলছিল, "তুমি আমার জন্যে ব্যস্ত অনেক, আমার জন্যে সময়ই নাই তোমার।"
ওই ফটোগ্রাফ সম্পর্কে কিছু জানেন?
না, স্যার। পরিষ্কার না।
কখনো সে আপনাকে আরতির ব্যাপারে কিছু বলেছে?
হ্যাঁ, স্যার। ওই রাতেই যখন শেষ কথা হয়েছিল।
সে বলেছিল তার কোনো ফুড ব্লগারের সাথে পরিচয় হয়েছে,
আর তার সাথে বাইরে যাওয়ার কোনো কথাবার্তা?
হ্যাঁ, দিল্লী আর তার আশেপাশে।
কিন্তু, জোধপুর, একদমই না।
দুজনের মধ্যে....?
না, স্যার। নাতাশা এরকম না।
মানে,
নাতাশা এরকম ছিল না।
এক ভিডিওর মধ্যে আমি ওকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় দেখেছি।
কারোর সাথে শত্রুতা ছিল?
কোনো আত্মীয়ের সাথে সমস্যা?
-বা কোনো বন্ধুর সাথে? -না।
এরকমটা কেউ করতে পারে কারো সাথে?
তাও এতটা নিষ্ঠুরভাবে?
তাও সেটা পুরো দুনিয়ার সামনে?
যাকে দেখছি সেই এই ব্যাপারে আলাপ করছে।
কিন্তু, এটা আমাদেরকে খুঁজতে সাহায্য করবে যে কে এটা করেছে।
আমি যা পারবো করবো।
আচ্ছা ঠিক আছে। ম্যাডামকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসো।
তোমাকে নিয়ে যত স্বপ্ন দেখেছি....
দিল্লী।
না, বাবা।
আপনাকে ছেড়ে যাবো না আমি।
সবসময়...সবসময় অভিনাষই কেন সিদ্ধান্ত নেবে?
সে কেন থেকে যেতে পারে না এখানে?
বাবা, আজ না হয় কাল, এটাই হতো তাই না?
যা কিছু আমি তোমাকে শিখিয়েছি সেসব কখনোই ভুলবে না।
বাবা,
আপনি আসবেন আমার সাথে দেখা করতে?
আমি চেষ্টা করবো, বাবা।
যখনই আমার দরকার হবে,
অভিনাষকে নিয়ে চিন্তা করো না, বাবা।
খেয়াল রাখবো ওর।
স্যার, ফুল'ই তো, ফোন তো না।
যেটা নেবেন সেটাই পছন্দ হবে।
-আমি যাই। -এক্সকিউজ মি। কী বললে?
-শ্যাংকি। -হ্যাঁ, আসতেছি।
আরও দে।
জন্মদিন যারই হোক, টাকা তো আমারই যাবে।
No comments yet. Be the first to leave one.