முதல் 200 வரிகள்.
এপিসোড-৮।
এই নাটকটির চরিত্র, স্থান, সংগঠন...
ঘটনা, পেশা, সবকিছুই কাল্পনিক।
সবাইকে গুডবায় বললাম।
অনুবাদে ও সম্পাদনায়ঃ এফ আর সজীব।
তোমরা সবাই ঠিক আছো?
আমিও ঠিক আছি।
এসব কী?
এই, জলদি! জলদি!
চল।
দ্রুত! জলদি!
জলদি!
উই-গেন।
কেবল কী হয়েছিল?
-মা, সবকিছু ঠিক আছে? -এই, সু-হো।
-আঘাত পেয়েছ তুমি?। -না, আমি ঠিক আছি।
আমাদেরকে এখন একটা খারাপ আত্মার পিছনে যেতে হবে। পরে কথা বলব।
-আঘাত পেয়েছো? -হ্যাঁ, আমি ঠিক আছি!!
কী?
কী সমস্যা তোর, বোকাচোদা?
নুডুলসগুলো একেবারে নরম হয়ে গেছে, এই বালগুলো খেতে পারবি তুই, হালার পো?
কী বে?
ভেংগে গেছে নাকি?
ভাইরে আই, আমি এতটা শক্তিশালী কী করে হয়ে গেলাম?
এক সেকেন্ড দাঁড়া।
-মেরো না আমাকে। -নড়িস না।
আবে, এটা তো আনন্দদায়ক।
তোর বকমার্কা ঘাড় ভাঙ্গার চেষ্টা করে দেখব নাকি?
না, আমাকে মেরো না। প্লিজ!
সং ম্যান-হা!
দেখো তো কে এসেছে! হা-না নাকি?
নাম ধরে ডাকার সাহসও করবি না।
খানকির বাচ্চা, পাগল হয়েছিস তুই? আমি তোর মুরুব্বি লাগি।
ধুর বাল!
কারা তোমরা?
শালার...
ওর গায়ে হাত দিও না। আমি ধরেছি ওকে।
এই, তোর পরিবার সবকিছু হারিয়েছে বলে এসব করছিস তুই?
হাহ?
সত্যবাদী হওয়া যাক। তোর পরিবারকে আমি মেরেছি?
ওরা ইয়াবা খেয়ে খেয়ে নিজেরাই পটল তুলেছে।
সেই দোষ আমার উপর দিচ্ছিস কেন? সিরিয়াসলি, এসবের মানের কী?
চুপ কর, শালা জারজ!
কিছু মজা বেশি পেতে চাস?
ধুর!
কী চাও তুমি?
হা-নার কাছে ক্ষমা চান।
হা-না, আমার সো-না...আমাকে মাফ করে দাও।
-পুরনো সময়গুলোর খাতিরে... -মাফ...
একদমই না।
কুত্তার বাচ্চা!
শয়তানটাকে আহ্বান করব।
আচ্ছা, আমি আবার চুল বেঁধে দিচ্ছি।
-আমি ওকে জেল এ ঢুকিয়ে পঁচাবো.... -এই...
-যতদিন না সে পঁচে মরে। -হা-না।
আমি করছি।
আমি কোথায়?
এটা কোথায়?
আমি কোথায়?
স্বপ্ন দেখছি?
কাজের মধ্যে ঘুমাই গেছি নাকি বাল?
তুমি ইয়াং এ।
তোমরা মানুষরা এটাকে
পরকালের জীবন বলো।
"পরকালের জীবন"?
ওমা, আমি মারা গেছি নাকি?
আমি মাত্র ২৭ বছরের তাগড়া যুবক।
জনাব, হান সুং-উ।
দূর্ভাগ্যবশত তুমি অক্টোবরের ২০, ২০২০ বিকাল ৫ টায় মারা গিয়েছো।
২৬ বছর, তিন মাস, ১৪ দিন বয়সে।
চাকরী পাওয়ার জন্যে আমাকে অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে।
আমি জানি চাকরী পাওয়ার সবার জন্যে কঠিন, কিন্তু এটা পাওয়ার জন্যে আমাকে অনেক কিছু করতে হয়েছে।
-নম্বর ৬০২, মিস. জিওন ম্যিয়ং-জি। -হ্যাঁ।
এই সুযোগ যদি আমাকে দেয়া হয়...
ধন্যবাদ আপনাকে।
জনাব, হান সিউং-উ।
মিস, হান জি-মিন।
কাজ শুরু করেছি মাত্র একমাস হয়েছে।
গলায় এটা ঝুলিয়ে এদিক সেদিক যাওয়াটা আমার ইচ্ছে ছিল।
নির্লজ্জ লোক কোথাকার!
কী এমন ভুল কাজটা করেছিলাম আমি?
তুমি ভুল কিছু করোনি।
আমি ঘুরে বেড়াতে চেয়েছিলাম,
সুন্দর একটা আইটেমকে পটাবো, তাকে নিয়ে নামিদামি রেস্টুরেন্ট এ যাবো।
অনেক কিছু করতে চেয়েছিলাম আমি।
জনাব, হান।
এমন একজন আছে যে কিনা,
আপনার জন্যে অপেক্ষায় আছে।
দাদীমা?
আমার সোনা জাদুটা!
দাদীমা!
ঈশ্বর, আমার সোনা সিউং-উ!
তুই অনেক বড় হয়ে গিয়েছিস!
ঈশ্বর, আমার সোনা মানিকটা!
-দাদীমা! -সোনা!
তোর হয়তো অনেক কষ্ট হয়েছে রে, সোনা।
চল ভেতরে, গিয়ে একটু আরাম করবি, ঠিক আছে?
আয়।
সং ম্যান-হুর খুনের অস্ত্র পেয়েছি।
হা-না ওর স্মৃতি পড়ে দেখেছে, তাই সে আগেই এটার খোঁজে গেছে।
কাউকে মেরে মেয়েদের সাথে মদ্যপান করছে?
একদম খাঁটি আত্মা!
হাই, সোনা।
ওহ, দেখে ভালো লাগল।
নিজেকে দেখো। আমার জোকস মেরে দিয়েছো।
আপনি কেন এসেছেন এখানে?
শুনলাম তোমার গাড়ি নাকি ভেংগে গেছে।
আমাকে নিজের ডেলিভারি ম্যান ভাবো।
-কী? -ডেলিভারি, ডেলিভারি!
আমি উনার কথা বুঝিনি।
তো, জনাব সং মিথ্যে বলেননি।
দেখো, আমি এটা দিয়ে ওর শ্বাসরোধ করেছি।
অনেক ভালো লাগছিল।
কী উল্টাপাল্টা বলতেছ তুমি?
আমার পক্ষ থেকে গিফট!
ঈশ্বর!
ভেবেছিলাম সে মজা করছিল।
মজা করেনি, তাই ওটা দিয়ে দাও।
ফেলে দিয়েছি।
রাখতামই বা কেন? বিরক্তকর এটা।
ওকে বলেছিলে এটা পুড়িয়ে দিয়েছো, কিন্তু এখনো তোমার কাছে আছে।
ওর থেকে টাকা আদায় করার জন্যে রেখে দিয়েছো।
হা-না!
ড্যান-ও, তুমি এখানে কী করছো?
মান ঠিক আছে নাকি?
গুন্ডারা যখন এসেছিল, আমার কিছুই করার ছিল না।
তাই বাল আমার, সব বলে দিয়েছি।
সে ঠিক আছে। তোমার কী খবর?
তোমাদের ওখানে গিয়েছিলাম, কিন্তু তুমি ছিলে না।
কোথায় ছিলে?
নতুন একটা জায়গা পেয়েছি। এখন, আমরা একসাথে থাকি।
নতুন জায়গা?
সমাজকর্মীরা লালন পালনের জন্যে একটা পরিবার পেয়েছে,
যারা আমাদের দুজনকেই নিতে চায়।
খবরটা ভালোই।
তোমার জন্যে খুশী আমি।
আমি চাই তুমি আর তোমার বোন,
অনেক সুখে থাকো, ডান-বি।
ডান-ও, যাই আমরা, নাকি?
ওর তো চলে আসা উচিত।
ওই তো।
খিদে লাগছে।
হা-না, কী খাবে চলো নিয়ে আসি।
কী খেতে চাও?
ওমলেট।
অবশ্যই, শুনে ভালো লাগল। চলো যাই!
ঠিক আছে।
যত পারো খেয়ে নাও।
আজকে ভালোই কাজ হয়েছে।
হা-না।
খাচ্ছো না কেন তুমি?
বড় হয়ে তোমার মতো হতে চাই।
আমার মতো।
তুমি স্মার্ট, সুন্দর, খেলায় পারদর্শী, দয়ালু।
পুংটামির জন্যে তোমার অনেক বন্ধু আছে, আমাকে নিয়ে প্রায়ই ঘুরতে যাও।
ওরে, আমি ওরকম নই।
হা-ইউং, ওমলেট তোমার এতটাই পছন্দ?
হুম।
তোমারও খাওয়া উচিত।
ওকে।
হা-ইউং!
আমি দুঃখিত, আমি একা বড় হয়েছি।
আমি খুবই দুঃখিত।
বলটা লাগল রে!
কী আজব? আমি এখানে কেন?
কী হয়েছে?
এই, থামো!
থামো!
এই, কী হয়েছে?
ড্রাইভিং এর জায়গায় শুয়েছিলাম কেন?
শালা বোকচোদ! তোর বসের দেখাশোনা করার দায়িত্ব তোর না?
শুধু তুই অফিসে বসে থাকিস?
এখানে আয়, এখনই।
কী হয়েছে?
কালকের পর থেকে কিছুই মনে নেই।
ধেত্তেরী!
সং ম্যা-হো, হান সিউং-উকে খুন করার অপরাধে আপনাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
এসব কী? আমি বলেছি আমি খুন করিনি।
সরে যাও! কোনো প্রমাণ আছে?
এই।
ওয়ারেন্ট নিয়ে আসো।
ভালো হবে চুপ থাকুন আর একজন....
আইনজীবী রেখে নিন। এর বেশি কিছু বললে,
সেটা আদালতের নিয়ম মোতাবেক আপনার বিরুদ্ধে যাবে।
ঠিক আছে! ছাড়ুন।
আমার বালের উকিলকে কল দিতে দিন।
-আসুন। -এক সেকেন্ড।
এই, দাঁড়ান।
আমাকে একটা কল করতে দিন।
দাঁড়ান বলছি।
-ছেড়ো না ওকে। -চলো।
তোরা জনাব নোহ'কে চিনিস?
-শালারা! -শান্ত হোন।
চল, মাদারচোদ!
এই তো সে! এসেছে!
সং ম্যান-হো....যাকে প্রমাণের অভাবে ২০ তারিখ ছেড়ে দেয়া হয়েছিল,
সিউং-উ ওর খুনের অভিযোগে তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজকে আমার মনটা অনেক ভালো, তাই বাড়িতে এসবের আয়োজন।
-তাই নাকি? -ঈশ্বর!
-আপনার জন্মদিন নাকি? -আরে, নাহ।
No comments yet. Be the first to leave one.