முதல் 200 வரிகள்.
- এক, দুই। - এক, দুই।
- এক, দুই। - এক, দুই।
নাও, নাও।
জোরে মারো।
ফেইল।
আবার চেষ্টা করো। ভেঙে ফেলো!
ফেইল
ঠিক আছে।
ফেইল।
হাতে কুফা লাগানো না কী? আবার মারো।
দাঁড়াও, ইয়ং-মি।
উল্টো দিক দিয়ে চেষ্টা করো।
যাও, এবার শুরু করো।
জিতেছে।
দারূণ করেছো।
- পেরেছো। - পেরেছো।
- ভালো করেছো। চল। - ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।
প্রস্তুত, শুরু।
চিন্তায় মুতে ধরে গেছে।
ঠিক আছে।
পড়, বাবা।
- দুঃখিত। - সব ঠিক আছে, প্যাড়া নিবে না।
ঠিক আছে, আমরা তুলে আনছি।
এবার পেছন দিকে হাঁটো।
এভাবে পেছন দিকে হাঁটলে সময় বাঁচবে।
তারা পেছন দিয়ে হেঁটে অনেক দ্রুত যাচ্ছে।
ঠিক আছে।
চল, শুরু করি।
ইয়ং-সিক, ভাবো...
পাথরটা সেই ঠগের মুখ, যে তোমাকে ঠকিয়েছে।
ওই খানকীর পোলা আমার জীবন ধ্বংস করেছে।
পাস।
শাবাশ।
তারা পারবে।
এই বুড়ি। কী করছো তুমি...
বলেছিলে কোরিয়ান যুদ্ধের সময় গুলি দিয়ে গংগি খেলতে।
মা, ভাবো
পাথরটা হচ্ছে বাবার প্রেমিকার মুখ। একদম গর্ত করে দাও।
নষ্টা বেডির গর্ত ফাটিয়ে দেবো।
- পাস - ও পেরেছে।
বাবা।
ঠিক আছে। প্রস্তুত?
তাড়াতাড়ি। এক, দুই।
তোমাকে প্রথমে এটা অ্যাক্সেলের চারপাশে পেঁচিয়ে নিতে হবে।
জানি।
ঘড়ি দেখা লাগবে না। আমাদের অনেক সময় আছে।
তুমি আগে এটা করেছো তো?
বকবক বন্ধ করো।
মনোযোগ দিয়ে করো।
- আরাম করে করো। - চুপ করাও বুড়িকে।
অনেক দেরি হচ্ছে।
না, ওর এভাবে করা উচিত...
স্বর্গের দেবতারা, আমাকে দয়া করো।
স্বর্গের দেবতারা, আমাকে দয়া করো।
স্বর্গের দেবতারা, আমাকে দয়া করো।
স্বর্গের দেবতারা, আমাকে দয়া করো।
স্বর্গের...
দেবতারা, আমাকে দয়া করো।
- ও হাল ছেড়ে দিয়েছে। - ও পারছে না।
ও পারবে না।
আমি কি এখানে মরে যাবো?
নিজেকে সামলাও।
তোমার সাথে আমাদেরও কবরে নেবে...
যদি হাল ছাড়ো,
তোমার ঈশ্বর মেরে ফেলার আগে আমিই তোমাকে মেরে ফেলবো।
তাড়াতাড়ি কর।
দ্রুত।
পাস।
- এসো, এসো। - চল।
- তাড়াতাড়ি। - এক, দুই।
তাড়াতাড়ি।
জেগিতে পাঁচবার লাথি মারতে হবে।
অন্য দিকে তাকাও।
- কী? - প্লিজ।
- ঠিক আছে। - তোমরাও।
কেউ তাকাবে না। চোখ বন্ধ করো।
এক।
দুই।
তিন।
চার।
- পাঁচ। - পাঁচ।
পাস।
••TRANSLATED BY•• SAJIM RAJ Fahad Ahmed
•• EDITED BY•• SAJIM RAJ
SQUID GAME 2
EPISODE 5 ONE MORE GAME
এই ধোনচোদা।
...দুই, তিন, চার, পাঁচ।
এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ।
বাকি দল প্রস্তুত হও।
খেলায় জোস আসবে না, আমাদের কোন দর্শক নেই।
এই, ভয় পাচ্ছো?
না, স্যার।
কেউ না থাকায় কাজে ভালো মনোযোগ আসছে।
ভাইলোগ।
ফিনিশ লাইনে আবারো দেখা হবে। আমাদেরকে জিততেই হবে।
আবার দেখা হবে।
- হ্যাঁ, ধন্যবাদ। - আবার দেখা হবে।
- ঠিক আছে। - শুভকামনা রইলো।
ঠিক আছে। চল, প্রস্তুত হই।
আমার টিমের উপর আস্থা আছে।
আর আমাদের সাথে গতবারের চ্যাম্পিয়ন প্লেয়ার ও আছেন।
আমরা পৌঁছে গেছি।
- পাস। - তুমি পেরেছো।
প্রস্তুত, শুরু।
ঠিক আছে।
চলো, প্রথমবারেই শেষ করে ফেলি। তোমার ওপর ভরসা আছে।
আমার বেসবল খেলার পিচ একটু ছোট ছিলো,
কিন্তু আমার বল নিয়ন্ত্রণ ছিল খাপে খাপ সেভেন আপ।
- ইয়েস। তুমি পেরেছো। - পাস
প্রস্তুত, চল।
জানতাম তুমি পারবে।
শান্ত থাকো।
ঠিক আছে।
ডে-হো, শান্ত থাকো। নয়-ছয় হলে চু...
পাস
দারুণ করেছো, ডো-হো। ফাটিয়ে দিয়েছো।
- চলো, চল। - চল।
প্রস্তুত, চল।
আমাদের কাছে অনেক সময় আছে।
তুমি গর্ভবতী, সাবধানে থেকো।
তাড়াহুড়া নেই, সময় নিয়ে কাজ করো।
এ তো আমরা এক চেষ্টাতেই করে ফেলবো।
ঠিক আছে, আমাদের কাছে যথেষ্ট সময় আছে।
চল, এটা তুলে ফেলি। প্রস্তুত, শুরু।
এত সহজে জিতে মজা আসছে না।
চ্যালেঞ্জ ছাড়া এগুনো যায় না, তাই না?
এখন পেছনে। প্রস্তুত, শুরু করো।
ঠিক আছে।
ঠিক আছে। শান্ত থাকো।
দেখি তো।
ফেইল।
- দুঃখিত। - না, এটা...
চল, এটা আনি। ঠিক আছে, চল।
তুমি নিশ্চিত, ছোটবেলায় এটা অনেক করেছিলে?
পেছনে বল মারা একটা টিকটক ট্যালেন্ট।
পাছার সাথে নুনু মাপছো না কী?
সামনে চল। প্রস্তুত, শুরু।
দাঁড়াও।
আমায় করতে দাও।
কী সমস্যা?
শান্ত থাকো, বুঝলে?
তাড়াহুড়ো করো না।
- শাউয়া। - ফেইল।
- আমাদের কাছে যথেষ্ট সময় আছে... - কী হচ্ছে?
বোকাচোদা। তুমি পা থেকে মাথা পর্যন্ত বোকাচোদা।
কেউ তোমাকে দোষছে না।
ঠিক আছে। লম্বা শ্বাস নাও, বুঝলে?
তোমার মজার সময়গুলো মনে করো।
লম্বা শ্বাস নাও।
লম্বা শ্বাস নাও। শান্ত হও।
ঠিক আছে।
সময় নাও, বুঝলে? শান্ত থাকো।
ঠিক আছে।
চলতে থাকো।
কেমন লাগছে?
ঠিক আছো?
দেখি।
এক, দুই, তিন, চার।
পেরেছো।
- পাস। - চলো।
প্রস্তুত, চলো।
এক, দুই। তাড়াতাড়ি।
আমরা প্রায় পৌঁছে গেছি।
- আমরা পেরেছি। - শুভকামনা।
যে খেলোয়াড়রা বাদ পড়েছে।
খেলোয়াড় ১৩৫, ২৩৯,
২৬৩, ৪১৫...
শালার এতজন বেঁচে আছে!
এই।
কী মনে হয়, কতজন বাকি আছে?
স্যরি?
তোর কী মনে হয় এখানে কতটা তেলাপোকা বেঁচে আছে?
প্রায় ২০০।
কীভাবে জানলি?
তুই টিকটকার না কি?
যা, গুনে আয়।
এখনই?
- আচ্ছা, ঠিক আছে। - হ্যাঁ।
তুমি কেন গুনবে? মাথা খারাপ নাকি?
ওদের মুখোশধারীরা এসে আমাদের বলবে।
চুপ কর, হারামজাদী।
থামো।
- তোমার নাম কী যেন? - মিন-সু।
বয়স কত?
২৭।
তাহলে ১৯৯৭ সালে জন্ম।
তাকে বসের মতো দেখো কেনো?
ও তো তোমার বয়সি।
- নাম-সু, তাই না? - নাহ, নাম-গিউ।
- ওহ, নাম-গিউ। না? - হ্যাঁ।
তোমরা সমবয়সি। বন্ধুর মতো মিশো।
এতে আমাদের দল ভালো কাজ করবে। ঠিক আছে?
তোমার বয়স কত?
১৯৯৮ সালে জন্ম।
তোমার?
১৯৯৬।
ঠিকঠাক হলো।
গিয়ং-সু সবচেয়ে ছোট, তোমরা সমবয়সি, আর তুমি বড়।
তাকে বড় আপা বলে ডাকো।
No comments yet. Be the first to leave one.