முதல் 200 வரிகள்.
Translated By SARAH IQBAL ; FAHIM AHMED ASIF NEWAZE ; MOHAMMAD YOUSUF ; RUBAYED HASAN ROBIUL HASAN SUJON ; TANVIR AHAMED NILOY FUAD ANAS AHMED
"প্রচ্ছন্ন তার উপস্থিতি...
"প্রচ্ছন্ন তার উপস্থিতি... নিস্তার পাবে না কেউ...
"প্রচ্ছন্ন তার উপস্থিতি... নিস্তার পাবে না কেউ... নিদ্রায় আর জাগরণে মিলবে... দুঃস্বপ্নের ঢেউ!
G H O U L ..EPISODE TWO..
Edited By F U A D A N A S A H M E D
চল।
চল!
চল!
নাম আর বয়স বলো।
নাম?
বল।
বয়স?
নাম?
বয়স?
তোর নাম বল, হারামজাদা!
জবাব দে, শালা। জবাব দে।
চল, এখান থেকে!
- ছেড়ে দিন, স্যার! - আলি সাঈদ, হাল ছেড়ো না!
আলি সাঈদকে ছেড়ে দাও। ওই...যেতে দাও ওকে!
লড়ে যাও। হাল ছেড়ো না, ভাই।
- যেতে দাও ওকে। - ওই! চুপ কর!
আরে শালা গাদ্দার। তোর কারণে ভাই ধরা খেয়েছে।
কেন করলি এমন? ওই!
শালা কাপুরুষ!
চুপ করো!
রহিম, আগে যা।
চল, শুরু কর।
নাম কী?
প্রশ্ন করেছি না আমি? জবাব দে, নাম কী?
নিদু…
কী?
কী বললি তুই?
কেউ তো কিছুই বলেনি।
রহিম, মার!
যা বললাম কর। মার!
জানতাম তো।
মেঘদূত ৩১ এ আলি সাঈদের মতো
টেরোরিস্ট মাস্টারমাইন্ড আগে কখনও আসেনি!
কিন্তু আমরাও কোনো অংশে কম না।
বড় বড় সন্ত্রাসীদের থেকে কথা বের করেছি আমরা!
- রাইট? - ইয়েস, স্যার।
উপরমহল থেকে আমাদেরকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা সময় দেয়া হয়েছে।
এরমধ্যে, সাঈদের ব্যবস্থা করতে হবে!
শুধু ২৪ ঘণ্টার জন্য।
- রে। - স্যার।
- তাপমাত্রা পঁয়তাল্লিশে সেট করো। - ওকে, স্যার।
এরপর পাঁচ কমিয়ে আনবে।
প্রতি আধা ঘণ্টায় বদলাতে থাকবে।
দেখবে, আমাদের মেহমান যেন আবার ঘুমিয়ে না যায়।
তাই, মিউজিক তো জোরে হওয়া চাই।
বাকিরা চার ঘণ্টার জন্য বিশ্রাম নাও।
- বুঝেছ? - স্যার।
আব্বু...
না...
না...
না...
না!
না!
সারাটারাত ঘুমাতেই পারিনি।
হতচ্ছাড়া মহিলা আর ওর বাচ্চা…
ঘুরেফিরে রাতভর ওদেরকেই দেখেছি শুধু!
এ কীভাবে সম্ভব?
তারমানে, আমরা দুজন একই স্বপ্ন দেখেছি?
আমাদের কোনো পুরনো স্মৃতি হবে হয়তো।
গতরাতে এখানকার সবাইই দুঃস্বপ্ন দেখেছে।
তো?
তুমিও দেখেছ নাকি? দুঃস্বপ্ন?
জি, না ম্যাম।
আমার তো অভ্যাস হয়ে গেছে।
দুঃস্বপ্ন দেখলে মেজাজটাই ফুরফুরে হয়ে যায়।
কিন্তু তোমাকে তো অমন লাগছে না!
তেমন কিছু না, ম্যাম।
গুড!
কারণ আজ তো তোমার অনেক কাজ আছে!
কর্নেল তো তোমাকে প্রথম রাউন্ডেই দিয়েছেন।
ম্যাম, আমি কি আপনার সাথেই সাঈদের জিজ্ঞাসাবাদে থাকবো?
আমি তো শুধু মহিলাদেরকেই সাইজ করি, রহিম।
গতকাল…
...কী হয়েছিল?
ঘাবড়ে যেও না…
...আমায় সব বলতে পারো।
ম্যাম, আমার মনে হলো...
...সাঈদ আমাকে নিদু বলে ডেকেছে।
আমাকে তো নিদু বলে, শুধু আমার আব্বুই ডাকে।
তো, সাঈদ সেটা জানলো কীভাবে?
সাঈদ তোমার নাম হয়তো শুনেছে কোথাও।
আর নিদাকে নিদু বলা,
খুব বেশি বড় কোনো ব্যাপার কিন্তু না!
ইয়েস ম্যাম, তা ঠিক।
এ নাম ওর আর কীভাবে সম্ভব?
কোনো চান্সই নেই, ম্যাম।
কোনো চান্স থাকতেই পারে না!
ব্যস…
...তাহলে তো মামলা খতম।
২২ আগস্ট, ০৭০০ আওয়ারস।
৭৫৩ নম্বর কয়েদির জিজ্ঞাসাবাদ, ইউপিএফআই চিফ আলি সাঈদ আল ইয়াকুব।
জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রমে থাকবেন: অফিসার হরিশ গুপ্তা...
অফিসার বিবেক চৌধুরী, সহকারী হিসেবে থাকবেন নিদা রহিম।
রেফারেন্স টোন মাইনাস ১৬ ডেসিবল মেনে চলবে।
ওঠ।
জনাব আলি সাঈদ আল ইয়াকুব।
গত ৩০ বছরে ঘটে যাওয় সবচেয়ে ভয়াবহ বোমা হামলার আসামী,
সর্বাধিক নিরপরাধ মানুষ সে বোমা হামলাতেই মারা যায়।
শুধু তাই নয়।
সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করতে সংখ্যালঘুদের উস্কানি দিয়েছেন।
মানুষের মনে অসৎ চিন্তাভাবনা ঢুকিয়ে... দেশদ্রোহী করে তুলেছেন...
...নিজের দেশের সাথেই প্রতারণা!
শালা দেশদ্রোহী।
কিন্তু গুপ্তাজি, একটা ব্যাপার তো বুঝলাম না।
পাঁচ বছরের মোস্ট ওয়ান্টেড ম্যান
পাকা আমের মতো, ঝুলতে ঝুলতে এসে কিনা পড়ল একদম...
...আমাদেরই হাতে?
তাও এমন একটা জায়গায়...
...যেখানে আমাদের নজরদারির কথা সবারই জানা!
খুব ভালো। তার মানে…
...আত্মসমর্পণই করলো? হুম?
দেখ হিরো...
...একটা কথা বলে রাখি...
...এখানে না, সব ধরনের মানুষই এসেছে। হুম?
কেউ কেউ তো দুই মিনিটের মধ্যেই নিজের জীবনবৃত্তান্ত উগড়ে দেয় আমাদের সামনে!
কেউ আবার একটা শব্দও উচ্চারণ করে না, মুখই নড়ায় না, শুরুর দিকে!
আসল কথা হলো…
...একটু সময় লাগে।
শেষমেশ, সবারই মুখ খুলতেই হয়।
- তোরও খুলতে হবে। - শোনো।
কী?
শুনতে পাচ্ছ না?
ভলিউম বাড়াও।
যেন, কোনো বাচ্চা কাঁদছে!
শুনতে পাচ্ছ?
মনোযোগ দিয়ে শোনো!
আওয়াজ আসছে!
এক সেকেন্ড!
আমি তো কিছু শুনতে পাচ্ছি না!
ওটা তোমার আইডিয়া ছিল, গুপ্তা?
হাহ?
নাকি চৌধুরী তোমার?
কোন আইডিয়া?
গুপ্তা তো বলছিল আইডিয়াটা তোমার!
কোন আইডিয়া?
সেটাই, যেটার কথা ভাবছ!
কী হচ্ছে কী এসব?
দুজনকে তুলে এনে, মেরেছ, পিটিয়েছ, ধমকিয়েছো
গুলি করে ওপারে পাঠিয়ে দিয়েছে!
দুজনকে তুলে এনে, মেরেছ,
পিটিয়েছ, ধমকিয়েছো
গুলি করে ওপারে পাঠিয়ে দিয়েছে!
উত্তর চেয়েছিলে তোমরা...
...কিন্তু কোন উত্তর পাও নি…
...দুজনকে তুলে এনে, মেরেছ,…
...আব্বু কেমন আছে?
ধুর!
কেউ...কেউ কিছু দেখছ?
আজেবাজে বকছে...
...আর তুইও কোন বাজে কথা বলবি না।
আইডিয়া তোর ছিল না?
গাধা, আমি তো শুধু ভয় দেখাতে বলেছিলাম,
ট্রিগার টানতে তো বলিনি!
- বাজে কথা বলবি না। - খুন করে ফেলব তোকে!
- তোর আইডিয়া ছিল। - তুইই তো করতে বলেছিলি।
- ট্রিগার টেনে দিয়েছে শালা! - পাগল হয়ে গেলি নাকি?
- পাগল হয়ে গেছ নাকি? - হেল্প! হেল্প!
প্লিজ থামো! প্লিজ!
সর এখান থেকে!
শুনতে পাচ্ছেন? কেউ আছেন? হেল্প?
খুন করে ফেলব তোকে!
দরজা খোলো!
- এই থামো! থামো! - হারামজাদা!
থামো!
গুপ্তা, চৌধুরী কী করছিস?
বন্ধ কর এসব!
এসব...
সব এর দোষ!
কী করলি তুই? পাগল হয়ে গেছিস নাকি?
তুই এসব কীভাবে জানলি?
কুত্তার বাচ্চা আমাদেরকে নিয়ে খেলছে!
জানলি কীভাবে তুই এসব?
জিজ্ঞেস কর ওকে। কীভাবে জানল এসব?
কীভাবে জানল এসব?
- ধর। - আমি আগে জিজ্ঞেস করে নেই!
চৌধুরী!
শান্ত হ!
স্যার!
জওয়ান… জওয়ান। আমার দিকে তাকাও তাকাও আমার দিকে।
সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি আছি তো।
মেডিক!
তুমি একজন সৈনিক! সাহসী সৈনিক!
আমরা...সবাই দোষী!
চোপ!
একদম চুপ!
চোপ!
বেরোও!
স্যার?
বের হও!
আমি শিওর…
তোমাদের দেশদ্রোহী ক্যাম্পে
...আমার নাম তো কখনো না কখনো উঠেছেই,
লেফটেন্যান্ট কর্নেল...
...সুনীল ডাকুনহা!
No comments yet. Be the first to leave one.