200 บรรทัดแรก
" বস "
" BLOODHOUNDS " " ব্লাডহাউন্ডস "
শালা।
ওই লোকটা কে?
ওকে মেরে ফেল।
সেওংগেউন ভবনের,
ক্যাফের মহিলাটার ঠিকানাটা আমাকে জলদি পাঠা।
এখানে আয়, মাদারচোদ।
আয়।
শুয়োরের বাচ্চারা!
ওদের ধর।
ধুর ছাই!
খানকির পোলা।
এখানে আয়।
ওকে ধরো।
কুত্তার বাচ্চা।
মাদারচোদ।
- মাদারচোদ। - খানকির পোলা!
- চলো যাই। - ঠিক আছে।
- চলো যাই! - চলো!
আসার জন্য ধন্যবাদ, হ্যেওং-জু।
দুঃখিত, আসতে দেরি হয়ে গেছে।
তুমি এসে আমাদের বাঁচালে।
আহ, ব্যথা করছে।
গুন-উ, আসছিস?
গুন-উ?
ঠিক আছে।
জলদি করো।
হেই, জলদি চলো।
ওই।
ধুর ছাই, ও আবার কে?
শালা মেজাজ খারাপ করে দিচ্ছে।
শালা।
ধুর।
বঙ্গানুবাদ ও সম্পাদনায় মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
ধুর, শালা।
মাদারচোদ।
মাদারচোদ, তুই কে?
তোর ফালতু বকবকানি বন্ধ করো।
উঠো। উঠো।
ওই।
তুই কে?
- স্যরি, স্যার। - ওই।
তোকে জিজ্ঞেস করছি।
ভালো একটা ঘুম দে।
হুহ? কি হচ্ছে?
আমি কখন আঘাত পেয়েছি?
" আমার লক্ষী মা "
হ্যাঁ, আম্মা।
" গুন-উ "
আম্মা, কি হয়েছে? কি হয়েছে? কাঁদছ কেন?
কেউ তোর সাথে কথা বলতে চায়।
তোমারা এখন কোথায়?
গুন-উ।
আম্মা!
আম্মা, তোমার কপালে কি হয়েছে?
আমি ঠিক আছি। আমি শুধু,
আমি পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছি।
তোর মুখে,
উ-জিন, তোমার মুখে কি হয়েছে?
একটা আঁচড় লেগেছে।
ছোই সাহেব তোমাদের নিয়ে খুবই চিন্তিত ছিলেন।
উনি নিচে আছেন।
- ঠিক আছে। - ঠিক আছে।
আমি কথা বলে আসছি।
এখানে এসে বসো।
তোমরা নিশ্চিত ক্লান্ত, বেশি কথা বলব না।
যখন ফোন করেছিলি,
তখন মনে হয়েছিল আমার পুরো দুনিয়া ভেঙ্গে পড়ছে।
তুই একমাত্র আমার পরিবার।
তোকে হারানোর ভয় পেয়েছিলাম।
তোমরা আর কোনো ঝামেলায় যাবে না।
বুঝেছ?
এখন থেকে এটা বড়রা সামলাবে।
- আমি শুধু সাহায্য করতে চাই। - গুন-উ।
এখানে জয় বা পরাজয়ের বিষয় না।
এটা এমন একটা লড়াই যেটা কারো মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
তোমরা দুইজন উপরে যাও।
আমি দুঃখিত।
তোকে এসবে জড়াতে মানা করছি না!
আচ্ছা।
এখন ওরা জানে গুন-উ কোথায় থাকে তাই সেখানে যাওয়া ওর জন্য বিপজ্জনক।
কালকে গুন-উ এর মাকে এতিমখানায় নিয়ে যাবে।
আপতত সেখানেই থাকাই নিরাপদ।
ঠিক আছে।
শুভ রাত্রি।
ইয়াং-জুং, আমরা এখন কি করব?
আমি এটা শেষ করব।
আমাদের এটা অনেক আগেই মোকাবেলা করা উচিত ছিল।
তুমি ম্যেওং-গিলকে ধরতে পারবে?
কালই দো-ইয়াংয়ের সাথে কাজ শুরু করব।
আমরা ওদের একে একে শেষ করব।
দো-ইয়াংকে খাবারের আমন্ত্রণ জানাও।
ওহ, আমাকে সাহায্য করো।
ম্যেওং-গিলের লোকদের খুঁজ লাগাও। কিছু পেলে আমাকে জানাবে।
জ্বি, স্যার।
ডিরেক্টর সাহেব।
এত সকালে এখানে এলেন যে।
আমি আপনার সাথে দেখা করতে চেয়েছি তাই আসলাম, কিম সাহেব।
আমি নিজেই ওদের অপারেশন করেছি।
ধন্যবাদ।
ওদের একজনের পায়ের রগ ছুরি দিয়ে কাটা ছিল।
অন্যজনের কাঁধের সমস্ত রগ ছিঁড়া ছিল।
ওর চুল ছোট ছিল,
চোখগুলো সরু ছিল।
ও খুবই দ্রুত দৌড়াছিল।
চাকু চালানে মাহির ছিল।
হুম?
হ্যাঁ।
দেখতে অনেকটা সামিশি চাকুর মতো ছিল।
ধুর।
বেওমকে ১টার মধ্যে অফিসে আসতে বলো।
- ওর সাথে কথা আছে। - জ্বি, স্যার।
এবার মজা হবে।
- এটা শেষ করো। - ঠিক আছে।
- স্যার। - হ্যাঁ?
আমি আপনার সাথে যাব।
তুমি এখানে থাকো।
আমি আপনাকে করতে চাই, স্যার।
মিন-দং।
আমি নিজেই এটা সামাল দিব।.
তুমি বেঁচে থাকো।
আমি সত্যি আপানাকে সাহায্য করতে চাই, স্যার।
শোন,
আমি ফেরার আগেই যদি দেখ রেস্টুরেন্ট ধ্বংস হয়ে যায়,
তখন তুমি কি করবে?
সাহায্য করতে চাইলে দোকানটা রক্ষা করবে।
কিন্তু,
এখানে থাকো।
হুয়াং ইয়াং-জুং!
অনেকদিন পর!
ওহ খোদা! আমার সাথে যোগাযোগ করলি না কেন?
কাজে ব্যস্ত ছিলাম।
ভাই, তোমার সুদর্শন চেহারায় কেন বার্ধক্যের লক্ষণ দেখাচ্ছে?
সৎভাবে বেঁচে থাকা অনেক কঠিন।
ঠিক না?
সৎভাবে উপার্জন করা অনেক কঠিন।
- তোকে দেখে ভালো লাগছে। - হ্যাঁ।
সু-ছেওল আর মিন-সুকে ফোন করে ব্যাপারটা খতিয়ে দেখতে বলেছি।
এটা খুবই জটিল।
এরা সাধারণ কোনো সুদখোর না।
- ধন্যবাদ। - ধন্যবাদ।
আমার বন্ধু ইয়ুইদো শুনেছে,
আইল গ্রুপ গ্যাংনামের অসমাপ্ত হোটেলের ভবনটা কিনতে শুরু করেছে।
ওরা স্মাইল ক্যাপিটাল থেকে নগদ অর্থ পেয়েছে।
- কিম ম্যেওং-গিলের কোম্পানিটা না? - হ্যাঁ।
একজন কর্পোরেট ধনকুবে কেন কিম ম্যেওং-গিলের কাছে ধার নিবে? বুঝতে পারছি না।
সম্ভবত কিম ম্যেওং-গিল ওদের ফাঁদে ফেলেছে।
- তদন্ত করা যাক। - হুম।
অবশেষে আমরা আমাদের প্রতিশোধ নিচ্ছি।
এই জঞ্জাল উপড়ে ফেলা যাক।
ছোই সাহেব অনুমতি দিয়েছেন।
হুম।
বহু আগে চিফ ছোইয়ের জন্য ৫জন চাকুবাজ কাজ করত।
সেই সময় সে বিভিন্ন কোম্পানিকে টাকা ধার দিত,
সে প্রায় ১০বিলিয়ন ওন বা তার চেয়েও বেশি টাকা মার খেয়েছে।
তবে কিছু রিয়েল এস্টেস্ট কোম্পানি,
তাদের নিজস্ব গ্যাং দিয়ে পাহারা দিত।
তখনই ওই চাকুবাজগুলো,
গিয়ে রাতারাতি পুরো গ্যাংকে খতম করে দিত।
সেই সময় বড় বড় গ্যাংস্টাররাও ছোইয়ের চাকুবাজদের ভয় পেত।
চিফ ছোইকে পথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর,
আমি এবং বেওম প্রথমে চাকুবাজেদের খতম করে দিই।
জানো কেন করেছি?
ওহ, না।
কারণ আমিও ওই শুয়োরদের ভয় পেতাম।
আপনারা দুইজনেই এই কাজ করেছেন?
আমরা সিনদাং-দং আর ইয়েংদংপো বড় দুটো গ্যাংকে একত্রিত করে পাঠিয়েছিলাম।
আমরা এটা করতে পেরেছি কারণ ওরা ঐক্যবদ্ধ ছিল না।
তা না হলে এটা কখনই সম্ভব হত না।
অসাধারণ করেছেন, স্যার।
তবে শেষ পর্যন্ত,
চতুর দুই চাকুবাজ হাত থেকে ফস্কে যায়।
লি দো-ইয়েং এবং হুয়াং ইয়াং-জুং।
চিফ ছোইয়ের ডান হাত আর বাম হাত।
চিফ ছোইয়ের অধীন কাজ করার সময় একবার দো-ইয়েং দেখা হয়েছিল।
সে খুবই সুদর্শন।
একবার এক গ্যাং লিডার যানজটে আটকে গেছিল।
তাই সে গাড়ির জানালা খুলে সিগারেট ধরাই।
একটা মোটরসাইকেলের শব্দ শুনে পিছনে তাকালে,
দেখে লি দো-ইয়ং তার মুখের সামনে একটা বড় সাশিমি চাকু ধরে আছে।
আহ, তখন ওর মুখ থেকে রক্ত ঝরছিল আর কাঁপছিল।
ধুর, কি ভয়ঙ্কর দৃশ্য!
হুয়াং ইয়াং-জুং কে?
আসলে কেউ কেউ বলে,
সে একাই ২০জন গুন্ডাকে পায়ের গোড়ালি,
কেটে পঙ্গু করে দিয়েছে।
এটাও শুনেছি সে একসাথে দুইটা চাকু ব্যবহার করে আর প্রতি মিনিটে ১০০বার চাকু চালায়।
উম্মাদ একটা!
ওরা ৩জন এসেছিল, তাই না?
জ্বি, স্যার। কিছুক্ষণ পর একটা মেয়ে আসে।
আমার মনে হয় বইয়ের দোকানটার সাথে ওই মেয়েটার কোনো সম্পর্ক আছে।
বোঝা যাচ্ছে সেই বইয়ের দোকানটার মালিক চিফ ছোই।
নিশ্চিত ওই বুড়োই তার লোকদের বাঁচাতে গুহা থেকে বের হয়েছে।
জানিস চিফ ছোইয়ের কত সম্পদ?
মনে হয় ৫০বিলিয়নের বেশি নগদ সম্পদ আছে।
ওই টাকা দিয়ে আমাদের ক্লাবের ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে।
মনে হচ্ছে আমরা খুবই সৌভাগ্যবান!
জাং-দো আর বেওম, তোমরা দুইজন যাও,
আর সব টাকা আমার কাছে নিয়ে আসো।
No comments yet. Be the first to leave one.