200 บรรทัดแรก
অনুবাদকঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি)
উনারা এখন প্রস্তুত।
সম্ভবত আমরা গত মে মাসের ঘটনাবলীর আপনার প্রথম দিকের...
...অভিজ্ঞতাগুলো দিয়ে শুরু করতে পারি।
আসলে, ১৫ তারিখে আমি প্রথম ওসব ঘটনার সাথে জড়িয়ে পড়েছিলাম।
মাইক্রোফোনটি আরও কাছাকাছি নিয়ে বলবেন?
এবার ঠিক আছে?
১৫ তারিখে আমি প্রথম ওসব ঘটনার সাথে জড়িয়ে পড়েছিলাম।
চ্যান্সেলর টম পিকারিং তথাকথিত "হুইলচেয়ার শহীদ"...
...গোয়েন মারবারি'র মৃত্যুতে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের কারণে...
...প্রতিবন্ধী সুবিধার বিষয়ে সরকারের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন।
গোয়েন মারবারি সম্পর্কে তার বিতর্কিত প্রবন্ধের পরে...
...সংবাদপত্রের কলাম লেখক জো পাওয়ার্সকে পদচ্যুত করার দাবিতে...
...২০,০০০ এরও বেশি মানুষ একটি আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।
সংরক্ষণবাদীরা আরও একটি প্রজাতি বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়েছে।
জলাভূমির আবাসস্থল নজিরবিহীন হ্রাসের ফলে...
...সাইবেরিয়ান সারস পাখি লুপ্ত হয়েছে।
এবং এডিআই নামে পরিচিত মৌমাছি অনুকরণকারী ড্রোন ইনসেক্টসগুলোকে...
...দ্বিতীয় গ্রীষ্মের জন্য সক্রিয় করা হয়েছে।
আশা করি তোর লজ্জা হয়েছে।
- হারামজাদি। - আমার তো ভালোই লাগছে।
ইয়ো পাওয়ার্স?
জো পাওয়ার্স।
ভেতরে বিস্ফোরিত হওয়ার মতো বোমা-টোমা আছে?
এটা বেকারি থেকে এসেছে। আপনার জন্য।
- ধন্যবাদ। - ধন্যবাদ।
হ্যালো, ডার্লিং!
সৃজনশীল মানুষ, তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী।
ওটা খেয়ো না।
কেক তো খাওয়ার জন্যেই।
আমি গোসল করতে গেলাম।
আহ!
গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী র্যাপার টাস্ক এখন আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।
তো, টাস্ক, মানুষ আপনাকে অনুকরণ করার চেষ্টা করছে...
...এমন ভিডিও অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে,
কিন্তু এটা আমাদের পছন্দের ভিডিও। একবার ভিডিওটি দেখুন।
এই ছোট্ট বাচ্চাটির নাম অ্যারন শিন। ওর বয়স নয় বছর।
এই বাচ্চাকে তো দেখতে বানরের মতো লাগছে।
ভালো ডান্সার নয়।
ওর নয় বছর বয়স! দেখো, ও বেশ ভালোই তো নাচছে।
ওই শালা বাচ্চা ভালো করে নাচতেও পারে না।
ওর আসলে এখনই নাচ বন্ধ করা উচিত।
সত্য কথা বলছি বলে রাগ করো না।
দেখতে তো বানরের মতো, আবার নাচও বানরের মতো।
ও তোমার বিশাল ভক্ত, টাস্ক।
আমার ওপর রাগ করো না।
সবাইকেই কোথাও না কোথাও থেকে শুরু করতে হয়।
কোথায় থেকে শুরু করে? আমি ওর চেয়েও ভালো ডান্স করি...
- আপনি ডিসিআই (ডিটেকটিভ চিফ ইন্সপেক্টর) পার্ক? - মিডিয়ার লোকদের সাথে পরে কথা হবে।
না, আমি মিডিয়ার লোক নই। আমি... টিডিসি (ট্রেইনি ডিটেকটিভ কনস্টেবল) ব্লু কলসন। আমি আপনার সহকারী।
আমার সহকারী? ওরা পাঠিয়েছে...
আচ্ছা। আমাকে ক্যারিন বলে ডাকবে।
- তোমার কী নাম বললে যেন? - ব্লু।
- B-l-u-e, ব্লু? - হ্যাঁ। এটা আমার ডাকনাম না।
- আমার বাবা নামটা পছন্দ করতো। - উহ-হাহ।
- আগে লাশ দেখেছো? - কয়েকবার দেখেছি।
- মানে, ভিডিওতে দেখেছি। - বস?
এ হলো ব্লু। আমার সহকারী।
- ডিএস (ডিটেকটিভ সার্জেন্ট) নিক শেলটন। - মৃত ব্যক্তিটি কে?
- জো পাওয়ার্স। - তারমানে...
তারমানে বিতর্কিত লেখিকা জো পাওয়ার্স।
হুইলচেয়ার মহিলা সম্পর্কে তিনি পত্রিকায় সেই দিন কিছু লিখেছিলেন।
ভাইরাল বিষয়। এতে মানুষ ক্রুদ্ধ হয়ে যায়।
ওই প্রবন্ধটা সত্যিই ভয়াবহ ছিল। আমি আবেদনপত্রেও স্বাক্ষর করেছি।
ওকে পদচ্যুত করতে।
চলো।
প্রতিবেশীরা ওর চিৎকার শুনে পুলিশকে ফোন দিয়েছিল।
অনেক ধস্তাধস্তি হয়েছে।
বাড়িতে আর কেউ ছিল?
ওর স্বামী ছিল। পেটে চাকু মারা অবস্থায় পাওয়া গেছে।
- এ-ই মেরেছিল? - জানি না।
সে বেহুশ ছিল। ওরা তাকে সেন্ট কলম্বাস হাসপাতালে নিয়ে গেছে।
মানুষ ওকে এখনো সাজা দেওয়ার কথা বলছে।
জানালা শক্তভাবে লাগানো আছে।
- ভেতরে ঢোকার অন্য কোন পথ নেই? - না, তবে বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো আছে।
- ক্যামরার ফুটেজগুলো নিয়েছো? - হ্যাঁ।
ঠিক আছে, তাহলে। রেকর্ডিং পরীক্ষা করো। ওটাকে ব্যাগে ভরে টক্সিকোলজি পরীক্ষা করতে পাঠিয়ে দাও।
লাশের ময়নাতদন্ত করতে পাঠিয়ে দাও, আর আমরা ওর স্বামীর জ্ঞান ফেরার সাথে সাথেই জিজ্ঞাসাবাদ করবো।
চলো।
- আপনার মনে হয় এটা ওর স্বামীর কাজ? - আমি বিকল্প সম্ভবনাগুলোও মাথায় রাখছি।
গলা কাটা, এটা অস্বাভাবিক। ধন্যবাদ, অফিসার।
- কিন্তু আপনি মনে করেন সে কাজটা করেছে? - এখনও কিছু জানি না।
এই হত্যাকাণ্ডগুলো প্রায়শই মদ, মাদক বা পারিবারিক কোলাহলের কারণে হয়।
এমনটাই হয়তো ঘটেছে।
- তোমার গাড়ি আছে? - কোনো লাইসেন্স নেই। কখনও পাসই হয়নি।
চালকবিহীন গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছি।
- গাড়িতে ওঠো। - না৷ সমস্যা নেই, আমি ট্রেনে করে চলে যাবো।
- ওঠো। - আচ্ছা। ঠিক আছে।
- তো তুমি টেক ক্রাইম ডিপার্টমেন্টে ছিলে? - ডিজিটাল ফরেনসিক। কম্পিউটার মার্ক।
কী হয়েছিল, ওসবে বিরক্ত হয়ে গেছিলে?
ব্যাপারটা এমন না। আপনি দেখতেই পাবেন মানুষ ইন্টারনেট জগতে কী পরিমাণ অপরাধে লিপ্ত।
অনলাইন জুয়া, কিল লিস্টস এবং বাচ্চাদের পর্ন। আমার কাজটা বিরক্তিকর ছিল না।
আমি ভালোভাবেই জানি মানুষ যখন ভার্চুয়াল জগতে পা রাখে,
তখন থেকে তাদের মাথা একেবারে খারাপ হয়ে যায়।
ঠিক। কিন্তু এখন অপরাধীরা নিজে অপরাধ করে না বরং মানুষকে ফাঁদে ফেলেও অপরাধ করিয়ে নেয়।
এই জগৎ আমাদের পরিচয়কে বিলীন করে দেয়। আমাদের পরিচয় ভার্চুয়াল জগতে বন্দী।
যদি কাজটা এতই মজার হয়, তবে ফরেনসিক ছেড়ে দিলে কেন?
র্যানাক কেসের কারণে।
- ইয়ান র্যানাক? - ওই শিশু হত্যাকারী।
আমিই ওর কম্পিউটারে ছবি রাখা ফোল্ডারটি হ্যাক করেছিলাম।
- তারমানে তুমি ওই ছবিগুলো দেখেছো? - উম-হুম।
এবং ভিডিওগুলিও দেখেছিলাম। সবগুলো দেখেছিলাম।
আপনি যদি এরকম কিছু দেখেন, তবে আপনি পুরোপুরি পাল্টে যাবেন।
হয় হেরে যাবেন নয়তো ভাববেন...
ভাববে, "এর শেষ দেখে ছাড়বো! এসব অপরাধ থামাতে আমাকে সাহায্য করতে হবে।"
হ্যাঁ।
- মানে, এই ময়দানে নেমে... - কীসের ময়দান?
আপনি জানেন আমি কী বলতে চাইছি। এই নিষ্ঠুর জগতে এসব প্রতিরোধ করতে হলে,
কেবল ময়দানে নেমেই করতে পারবেন, তাই না?
তুমি এখনো বাচ্চা মানুষ।
হয়তো আপনার চিন্তাধারা সেকেলে?
অদম্য।
ধন্যবাদ।
- কাল দেখা হবে। - জ্বি, বস।
জো পাওয়ার্সকে পশ্চিম লন্ডনে তার বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
এই প্রবীণ কলামিস্ট প্রতিবন্ধী অধিকার কর্মী গেন মারবারি সম্পর্কে লিখেছিলেন এমন...
...একটি প্রবন্ধ নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন।
পুলিশ এখনও খুনের উদেশ্য নিশ্চিত করতে পারেনি...
প্রথম ফ্লোরে পাবেন, প্রথম দরজা দিয়ে...
- তাড়াতাড়ি চলে এসেছো? - আমি নিককে সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে বললাম।
- ওহ, তাই? - হ্যাঁ।
কেউ ভেতরে বা বাইরে আসেনি। শুধু জো এবং ওর স্বামী সারাটা সন্ধ্যা বাড়িতেই ছিল।
- আর ওখানে? - পেছনের দরজা।
- দেখে মনে হচ্ছে কয়েক মাস ধরে ওটা ব্যবহার হয় না। - কেউ ওখান দিয়ে আসতে পারে।
বাড়িতে ঢুকতে হলে বেড়া ডিঙিয়ে আসা-যাওয়া করতে হবে,
অথচ কেউই জানে না ক্যামেরা কাজ করছে না,
কিন্তু হ্যাঁ, সম্ভবনা অনুযায়ী ভেতরে ঢুকতে পারে।
আচ্ছা, বুঝে গেছি।
বেশ সাহায্য করছো দেখছি।
- ও-ই বলেছিল! - আচ্ছা।
উম... তো...
গত ৪৮ ঘন্টা যাবত জো পাওয়ার্সকে সোশ্যাল মিডিয়ায় করা প্রতিটি হুমকি...
...বা অপমান পরস্পর মিলিয়ে দেখছি।
ওর স্বামীই অপরাধী। এটা কাকতালীয় ঘটনা, তাই না?
আসলে তা না। সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমি পরনিন্দাকারী মানুষদেরই বেশি দেখতে পাবে।
মানুষের ক্ষোভের ফলে হয়তো পরিবারে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল।
ইন্টারনেটে সবকিছু ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে।
আলোচনা ও সমালোচনা হয়। মানুষ হাসি-ঠাট্টায় মেতে ওঠে, অনেকে ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
হয়তো তাদের মধ্যে এমনটাই ঘটেছিল। এটাই সত্য।
- হ্যাঁ। আমি তালাকপ্রাপ্ত। - উম...
ওর স্বামী জ্ঞান ফিরে কথা বলছে। তার জবানবন্দি আপনি পছন্দ করবেন।
উপরতলা থেকে আমি জো'র চিৎকার শুনতে পেয়েছিলাম।
যখন আমি দৌড়ে গেলাম, দেখলাম ও 'ঘরের চারদিকে দৌড়াদৌড়ি করে হোঁচট খাচ্ছিলো।
ও ওর মাথাটা চেপে ধরছিল যেন ও প্রচন্ড ব্যথা পাচ্ছিলো।
তারপরে এক ঝটকায়, ও থেমে গেল।
আর তারপর খিঁচুনির মতো হচ্ছিলো, ও...
ওর নিজের শরীরে নখ দিয়ে আঁচড় কাটছিল।
এরপর ও ঘুরে গেল...
ও জোরে জোরে ওর মাথাটা ডেস্কের ওপর আঘাত করে থেঁতলে দিয়েছিল।
তারপর ও আমাকে ধাক্কা দেয়।
ধাক্কা দেওয়ার সময় বোতলটি হয়তো ভেঙে গেছিলো।
তারপরে ও ওটা তুলে নিলো এবং নিজেকে কাটতে শুরু করলো।
এখানে ও গর্ত করছিল।
আমি ওকে থামানোর চেষ্টা করেছি।
কিন্তু দেরি হয়ে গেছিলো।
তারপর ও ওর গলা কেটে ফেললো।
আমি ওকে থামানোর চেষ্টা করেছি।
সে কাঁচ দিয়ে নিজের গলা কেটে ফেললো!
প্রথমে নিজেকে জখম করে তারপর কোন স্পষ্ট কারণ ছাড়াই আত্মহত্যা করলো?
আমি বলবো যে ব্যাপারটা কোনোভাবে যুক্তিনির্ভর নয়।
সে বলছিল যে তার খিঁচুনির মতো হচ্ছিলো।
হয়তো কেকের মধ্যে কিছু ছিল।
- কেকের মধ্যে? - ওটার ওপর "হারামজাদি" কথাটা লেখা ছিল।
- কেকের মধ্যে কিছু থাকতে পারে। - মাদকদ্রব্যের মতো?
- জানি না। - যেটা সেবনে মানুষ আত্মহত্যা করে?
তার বক্তব্য তো এমনটাই ছিল।
- তার কথা শুনে মনে হচ্ছিলো না যে... - আগেই কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হবে না।
সে সাধারণ মানুষ। এটাই তার রুপ।
তারমানে সে-ই তার মাথা ধরে ডেস্কের ওপর আঘাত করেছিল?
- ব্লু। - মানে খুব ঠান্ডা মাথায় তাকে...
- ব্লু। - কী?
- কেকের টক্সিকোলজি পরীক্ষা করা হচ্ছে। - আচ্ছা।
ততক্ষণ যে ব্যক্তি কেকটা পাঠিয়েছে তার সাথে কথা বলে আসা যাক।
আজ সকালে তার নাম পেয়েছি।
- আমাকে জ্ঞান দেওয়ার দরকার নেই। - তুমি যা চাও তা-ই করছি।
- অন্য সূত্রের পেছনে ছুটছি। - যেটাকে আপনি মনে করেন সময় নষ্ট।
বন্ধ কানাগলিতে কেবল এটা প্রমাণ করতে যাচ্ছি যে সেগুলো প্রকৃতপক্ষেই বন্ধ,
এটাই তো আমাদের কাজ।
আমি বলছি না এসব সময় নষ্ট। শুধু...
এখন পর্যন্ত তুমি ঠিকভাবে প্রকৃত বাস্তবতা দেখোনি।
ঠিক আছে, আমি জ্ঞানই দিচ্ছিলাম।
- ওই কেকটা এ-ই পাঠিয়েছিল? - হ্যাঁ।
- আমরা কী এর সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মকাণ্ডগুলো পরীক্ষা করেছি? - জানি না।
"জো পাওয়ার্সের মৃত্যু চাই।" ও সোমবার সকালে এটা পোস্ট করেছে।
বেকারির লোকেরা বলেছিল যে ওরা গালিগালাজ লিখে না,
তাই আমি বলেছিলাম কেকটা আমার বোনের জন্য, কেবল মশকরা করার জন্য লেখা,
আর ওরা রাজিও হয়ে গেল, তো...
ওদের কেকের মূল্য অনেক বেশি। ডেলিভারি খরচ দিয়েও ওটার মূল্য কী ৮০ পাউন্ডের মতো ছিল?
উম... আসলে, আমি একাই কেকের দাম পরিশোধ করিনি।
- আমরা সবাই এক পাউন্ড করে দিয়েছিলাম। - আমরা?
হ্যাঁ। আমি মামস অ্যান্ড কেয়ার্স মেসেজ বোর্ডে আছি।
তাই এ কাজে কিছুটা টাকা সংগ্রহ করেছিলাম।
- অনেকেই উৎসাহিত হয়ে টাকা দিয়েছিল? - হ্যাঁ, অনেকেই দিয়েছিল।
৮০ জন টাকা দিয়েছিল?
দেখুন, আমি...
আমি মজা করছি না, ঠিক আছে? আমি জানি ও মারা গেছে।
কিন্তু ও যা লিখেছিল তা পড়েছেন?
ওইসব ভয়াবহ মিথ্যা কথা লেখার জন্য ও কত টাকা পেয়েছে বলে আপনার মনে হয়?
জানি না।
- আমি তো শুধু আমার বাক-স্বাধীনতা প্রয়োগ করছিলাম। - হুমকি বার্তা পাঠানোর নাম বাক-স্বাধীনতা।
No comments yet. Be the first to leave one.