200 บรรทัดแรก
ওই, সেনাবাহিনী থেকে ছাড়া পেয়ে কেমন লাগছে?
আদৌ তোর বুদ্ধি-শুদ্ধি কিছু হয়েছে?
কোনো মতোই জানটা বাঁচিয়েছি।
ত্যে-ইয়েং কোথায়?
আসতে পারবে না বলল।
তাহলে আমরা শুধু দুজনেই কি মদ গিলবো?
আরেকজন আসবে বলেছে।
কে?
পার্ক মিন-উ।
হাই স্কুলে আমাদের সহপাঠী ছিল।
তুই চিনিস তো বড়লোকের পোলাটা।
ওহ মনে পড়ছে। বড়লোকের পোলাটা।
কবে থেকে তোরা এত ঘনিষ্ঠ হলি?
আরে আমরা এত ঘনিষ্ঠ না।
ও চলে এসেছে।
চলো যাই।
- ইয়া, - এটা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে।
- সত্যি বলছি, - জ্যে-হিও!
- তবে ব্যাপারটা ভিন্ন, - তুই জানিস আমি সত্যি বলছি।
স্যরি, আমার দেরি হয়ে গেছে।
আরে না। আমরা সবেমাত্রই এসেছি।
তোমাকে দেখে ভালো লাগছে, জুন-সেওং।অনেকদিন পর দেখছি।
আমার কথা মনে আছে? অনেকদিন হয়ে গেছে।
তুমিও সেনাবাহিনীতে যাচ্ছ?
হাসছিস কেন?
আমার সাথে লড়তে চাস? আমি গতকাল ছাড়া পেয়েছি।
গতকাল ছাড়া পেয়েছ?
আমি জানতাম না, দুঃখিত।
তুই আবারও যেতে পারবি। ত্যে-ইয়েংয়ের সাথে নিবন্ধন করতে পারিস।
সামরিক ডাক্তার হতে যাচ্ছিস বলে যা খুশি বলছিস।
সামরিক ডাক্তাদের মাত্র ৬ মাস দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- এটা তোর কাছে ডাল-ভাত। - আমরা কতক্ষণ ড্রিংক করব?
কেন? তোর কোনো সমস্যা আছে?
না, এমনি বললাম।
আমাকে ১২টার মধ্যে বাসায় ফিরতে হবে।
কি?
এখনও জলদি বাসায় ফেরার সেই বয়স কি তোর আছে?
এটা কি ধনী পরিবারদের নিয়ম নাকি?
- আরে না, আমি ধনী না। - ওই।
হয়েছে, এসব কথা ছাড়।
দেরি হলে আমরা তোকে ট্যাক্সি করে পাঠিয়ে দিব।
এসব নিয়ে তর্ক করবি না।
ঠান্ডা পড়ছে। ভিতরে চলো।
পার্ক মিন-উ, তুই কীভাবে পান করবি?
বলবি না তোর নেশা ধরে গেছে।
আসলে আমার মাতাল ভালো লাগে। আমি প্রায়শ ড্রিংক করি।
চলো যাই।
এখানে অনেক ঠান্ডা।
- আহ, অনেক ঠান্ডা। - ভিতরে চলো।
আমার গোপছ্যাং আর সোজু পছন্দ।
এগুলো অনেক সুস্বাদু!
নিত্যনতুন বাংলা সাবটাইটেল এবং মুভি সিরিজ সম্পর্কিত তথ্য পেতে আমাদের গ্রুপের যুক্ত থাকুন। Facebook Group: Bangla Subtitle Freak
THE DEAL " দ্য ডিল "
" বঙ্গানুবাদ ও সম্পাদনায় " মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
ওই।
- উঠো। - কি হয়েছে?
ও উঠেছে।
ধ্যাৎ,
" অনুবাদ করতে টাইপ করুন "
" ১২ ঘন্টার পূর্বে "
ধ্যাৎ।
শালা, জানতাম এমনই!
- ও তো তেমন ড্রিংক করেনি। - আহ।
এইটুকুই ওর জন্য প্রাণঘাতী ডোজ ছিল।
আমারও তাই মনে হচ্ছে।
ও নিশ্চিত জানে না কীভাবে সোজুর স্বাদ নিতে হয়।
ওর কোনো সমস্যা আছে।
দূর বাল!
শুনেছি কয়েকবছর আগে ওর বাবা মারা গেছে।
ও এখন ওর মায়ের সাথে থাকে।
তোর কথা বলো।
ভবিষ্যৎ নিয়ে তোর প্ল্যান কি?
তোর বাবার রেস্টুরেন্ট চালাতে চাচ্ছ?
হেই।
জানিস আমি কেন এত দ্রুত সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছি?
জুয়াতে হেরেছিস বলে?
ধ্যাৎ,
২০ বছর বয়সী,
আমার পার্ট-টাইমারকে সবসময় মোবাইলের দিকে একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকতে দেখতাম।
তাকে এভাবে চেয়ে থাকার কারণ জিজ্ঞেস করলে,
বলে সে অর্থ উপার্জন করছে।
- আমাকে একটু দেখাও। - ও বলল এটা খুবই সহজ,
আমাকে শুধু বিজয়ী কে হবে সেটা ঠিকভাবে অনুমান করতে হবে।
তাই আমিও চেষ্টা দেখি।
ধুর বাল।
ও ঠিক বলেছে।
অবিশ্বাস্য!
" ওরিগোল বিবিকিউ "
একসময় সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়, তাই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই,
তখন সে আমাকে বলে,
সে এমনটা খেলার কথা জানে যেখানে আমরা কখনই হারব না।
তাই,
আমি আমার সমস্ত টাকা ওকে বাজি ধরতে দিই।
টাকা কোথায় ফেলি?
ঋণ নিয়েছিলাম।
কিন্তু পরের দিন থেকেই সেই হারামি কাজে আসা বন্ধ করে দেয়।
ধুর।
আমি মহাজন থেকে ঋণ নিয়েছিলাম আর সেই ঋণ,
পরিশোধের জন্য প্রতিদিন জুয়া খেলতাম,
অল্প সময়ের মধ্যে আমি কয়েক মিলিয়ন ওন পরিশোধ করি।
আমি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারিনি।
যাইহোক,
তোর বাবা এখনও সমস্ত টাকা ফিরিয়ে দেয়নি?
- ধ্যাৎ। আমাকে ছেড়ে দাও। - শান্ত হও।
- ছেড়ে দাও। - শক্ত করে ধর।
ভেবেছিলি আমার টাকা নিয়ে তুই সেনাবাহিবীতে চলে যাবি,
- তাহলে আমি আর তোকে ধরতে পারব না? - ধ্যাৎ!
৪শ মিলিয়ন ওন!
দাঁড়াও।
আমি তোমার কাছ থেকে এত টাকা ধার নেইনি।
বহুদিন হয়ে গেছে জানিস তো।
জানিস না?
- কী করছ? - আমি তোকে বিশাল ছাড় দিয়েছি।
- নড়বি না, শালাপুত। - কি করছিস?
জুন-সেওং।
শালাপুত।
আমাকে মারবে না।
আমি সব টাকা ফিরিয়ে দিব।
- আমি তোমার সব টাকা ফিরিয়ে দিব! - শুভরাত্রি।
বাসায় চলো।
কি করছিস?
পেয়েছি।
তোদের কি মেডিকেল স্কুলে এসব শেখায়?
আজকাল টাকার সংকটে আছি।
তাছাড়া, মাতাল হয়ে গেলে ওর কিছুই মনে থাকে না।
শালা তুই পাগল হয়ে গেছিস।
আমরা প্রায় চলে এসেছি।
সিঁড়ির দিকে দেখ।
- সাবধানে। - সিঁড়ি দেখ।
- ১, ২, ৩। - সাবধানে পা দিবি।
ওকে ভালোভাবে ধরো।
- ধুর ছাই। - ধ্যাৎ।
কি?
- দারুণ। - হেই।
- অনেক ঠাণ্ডা। - জুতা খোল।
হেই।
ধুর ছাই।
ওই, জ্যাকেট খোল।
ধ্যাৎ।
অন্য হাতেরটা।
- ধুর। - নে।
কি খেয়ে ও এত লম্বা হয়ছে?
বলবি না আমার হিংসা হচ্ছে।
আরেকটা ব্যাপার হলো।
ও খুবই বিরক্তিকর।
ওর সাথে আড্ডা দিয়ে কখনই মজা পাইনি, তারপর ওর সাথে আড্ডা দিই।
স্কুলে থাকতে তোরা এত ঘনিষ্ঠ ছিলি না।
কখন থেকে এত অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে গেলি?
আমরা অন্তরঙ্গ বন্ধু না।
মাত্র কয়েক মাস হলো,
ওর সাথে আমার যোগাযোগ হয়েছে।
সম্প্রতি আমরা একসাথে ঘুরতে শুরু করছি।
- মদের দাম দিচ্ছে বলে? - আরে না।
এই কারণে না।
নাটক করবি না।
চলো ড্রিংক করি।
কিছু খাবার নিয়ে আয়। আমার খিদা লেগেছে।
সেনাবাহিনী থেকে ডিসচার্জ হওয়ার সাথে সাথে ও আমাকে ৪শ মিলিয়ন ফেরত দিতে বলেছে।
কি করার কথা ভাবছিস?
ভেবেছিলাম বাবা সব পরিশোধ করেছেন,
কিন্তু এখনও কিছু বাকি আছে।
গত ১৮ মাসে লাগামহীনভাবে বাড়ছে সুদ।
এটা খুবই অস্বাভাবিক!
জানি।
এর কোনো মানে হয় না।
আমাকে টাকা ফেরত দিতে হবে না-হলে ওরা আমার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে বেঁচে দিবে।
আহ!
সেনাবাহিনী থেকে বের হওয়ার পর,
সবকিছু নতুনভাবে শুরু করার শপথ করেছিলাম।
নিজেকে কথা দিয়েছিলাম।
আমি উম্মাদ হয়ে গেছি।
মনে হচ্ছে আমার জীবনটা ছারখার হয়ে গেছে।
ওদের জাহান্নামে যেতে বলো।
তাছাড়া ওদের পুরো ব্যবসাটা অবৈধ!
ওই।
তুই একজন আর্দশ ছাত্র ছিলি। এমনকি মেডিকেলেও ভর্ভি হয়েছিস।
তুই বারবার ভুল করতে পারিস।
কিন্তু আমার মতো অর্কমাদের,
একটা ভুলেই জীবনটা ছারখার হয়ে যায়।
ঠিক এভাবেই দুনিয়াটা ওদের জন্য নরকে পরিণত হয়।
ওই।
তোকে তাড়াতাড়ি কিছু একটা করতে হবে।
" স্কুলের শৃঙ্খলা কমিটির নোটিশ "
তোরা সবাই একসাথে কাজটা করেছিলি,
তারপর শুধু তোকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
" সং জ্যে-হিও, বহিষ্কৃত "
ধুর ছাই।
মেডিকেলের ছাত্র হয়েও তুই এটা জানিস না?
আহ, ফোনটা ধরো।
আমারটা না।
নিশ্চিত ওই বলদের ফোন।
কে করেছে?
বলবি না ওই শালার গার্লফ্রেন্ড আছে।
না।
ওর মা করেছে।
" আম্মা "
আমি ভুলেই গেছি।
ও বলেছিল মধ্যরাতের আগে ওকে বাসায় ফিরতে হবে।
হেই।
চলো ওকে ট্যাক্সি করে বাড়ি নিয়ে যাই।
No comments yet. Be the first to leave one.