151 บรรทัดแรก
আরে,আজ একটু বেশীই নেশা হয়ে গেছে!
বেশ,এবার আমি তাহলে আসি।
দাঁড়াও।
এত তাড়া কীসের?
হেই,কাতৌ-সান,সুদর্শনের পাশাপাশি তুমি খুব বিশ্বাসযোগ্যও।
তো অবশেষে তুমি আমাকে চিনতে পেরেছো।
তুমি একদম আমার মতোই।
হেই,তুমি কি এই ব্যাপারে জানো?
ওপস,সরি।
আমি ভুল করে তিনটে ছিঁড়ে ফেলেছি—
অসম্ভব।
তো অবশেষে তুমি আমাকে চিনেই ফেললে।
চুলের কারণে আমি ধরা পড়ে গেছি।
আমায় একটু সাহায্য করো।
আমি সেইসব মাংস খেতে একদমই আগ্রহী নই যেগুলোর মধ্যে অ্যালকোহল রয়েছে।
পরিবেশনায়: :.:.: A N I M E F R E A K S :.:.:
অনুবাদে: আকাশ বসাক
সম্পাদনায় মো. ফরহাদ হোসাইন
তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছো।
এপিসোড : 11 The Blue Bird
আমার বিশ্বাস হচ্ছে না ও এমন কিছু একটা করেছে...
ইজুমি আর আমি দেখতে একইরকম?
মানে,যেটা তুমি অনুভব করছো
হয়তো সেটা ওর মতো ভয়ানক লোকেদের কাছ থেকে আসা এক অদ্ভুত তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
কিন্তু ইজুমি? সেও কি...
বিনা অনুমতিতে এটা তোমার করা উচিত নয়।
সরি।
যদি তুমি আমার চুল ছিড়ে দেখতে চাও,তো নাও দেখে ফেলো।
সত্যি?
তাহলে দেখছি।
শান্তি?
আঃ...
দাঁড়াও!
তুমি আমায় শিমাদার থেকে দূরে থাকতে বলেছিলে মনে আছে?
তুমি কি ওর ব্যাপারে শুরু থেকে জানতে?
না, একদমই নয়।
আমিও এটাই ভেবেছিলাম।
তুমি ওর মতো একজন খুনীর ব্যাপারে কীভাবে জানবে।
গম্ভীর হয়ে গেলে কেন?
এই মেয়েটা সত্যিই অনন্য।
হয়তো ওকে আমার সবকিছু বলে দেওয়া উচিত।
কিন্তু মিগি জেগে রয়েছে...
শিনিচি, আমি জানি তুমি কী ভাবছো,
কিন্তু এই মেয়েটা আমার কোনো বন্ধু নয়।
তোমার নাম কানা, তাই না?
হাহ?
আম্ম, হ্যাঁ।
তুমি বলেছিলে যে তোমার কাছে আমায় অনুভব করার এক বিশেষ রহস্যময় টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা রয়েছে,
কিন্তু যদি আমায় তোমার আশপাথে অনুভব করো, তাও তোমায় আমার থেকে দূরে থাকা উচিত।
কেন?
কোনো মনস্টারের খপ্পরে পড়তে পারো।
মনস্টার?
হ্যাঁ।
তুমি এমনটা কেন ভাবছো?
তুমি কি কোনো সাধারণ মানুষ নও?
অবশ্যই।
তাহলে যদি কারো কাছ থেকে এমন অনুভূতি অনুভব করি,
তাহলে আমি শুধু একবার তার চুলগুলো ছিড়ে দেখে নেবো।
তাহলেই আমি বুঝতে পেরে যাবো সে মনস্টার নাকি—
না! এটা কখনো করবে না!
কী হলো?
দুঃখিত।
কিন্তু সত্যি বলছি,এটা করা খুব বিপজ্জনক হতে পারে।
আমার ব্যাপারে এতটা চিন্তা করো?
জেনে খুব খুশী হলাম।
শিনিচি।
তোমার সাথে কিছু কথা আছে।
ওহ, আমার এক্ষুণি কিছু কাজের কথা মনে পড়ে গেলো।
দুখিত, পরে দেখা হবে।
হাহ?
ওহ, তুমি...
হ্যালো।
শিনিচি, ওই মেয়েটার সাথে আর কখনো কথা বলবেনা।
আমি এমনটা করতে পারবো না।
যদি আমি ওকে এভাবেই ছেড়ে দিই তাহলে,
ও নিশ্চিত কোনো বিপদে পড়বে।
কিন্তু এভাবে কথা বলতে থাকলে ও সবকিছু জানতে পেরে যাবে।
আমি এবার থেকে সাবধান থাকবো।
মনে তো হয়না।
জানি কথাটা তোমায় জিজ্ঞেস করলে কিছুটা অদ্ভুত মনে হবে,কিন্তু...
কী সেটা?
তোমার মনে হয় না ইজুমি-কুন আগের থেকে অনেক বদলে গেছে?
এটা আমার পক্ষে বলা খুব কঠিন।
কারণ আমি ওর সাথে খুব একটা মিশি না।
আমি বলতে চাইছি যে যখন প্রথমবার ওর সাথে তোমার পরিচয় হয়েছিলো,সেই তুলনায় এখন।
তোমাদের মধ্যে কি কোনো ঝগড়া হয়েছে?
তুমি ওকে পছন্দ করো, তাইনা?
ও-ও শুধু একটু বদলে গেছে।
কথা বলার সময় এটা লক্ষ্য করা যায়না, কিন্তু...
ও-ও আমার জীবনও বাঁচিয়েছে।
তোমার জীবন বাঁচিয়েছে?
তুমিও একটা স্বপ্ন দেখেছিলে?
হাহ? স্বপ্ন?
আহ, আসলে আমি...
আমি কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করিনি।
আমার মতে ও বরাবরই এমন ছিলো।
ওর মধ্যে শুধু একটু হিংস্রতা রয়েছে।
যদি তুমি সারাক্ষণ এভাবে মুখ গোমড়া করে থাকো,
তাহলে ওকে হারিয়ে ফেলবে।
হয়তো আমার কাছে এখনো সুযোগ রয়েছে...
আমি দশ মিনিটে ফিরে আসছি।
আচ্ছা।
কিন্তু একটু ভালো পোষাক পড়ে আসলে হতো না?
এমনিতেও নোংড়া হয়ে যাবে।
কী চাই?
ভেতরে কতজন রয়েছে?
তুই কি মাথামোটা নাকি?
দূর হ এখান থেকে,নয়তো খুব খারাপভাবে ধোলাই খাবি!
আচ্ছা।
ইয়াকুজা গ্যাং খুব মারমুখো,তাইনা?
কখনো কখনো তোর মতো কিছু গর্ধব লোকেদের সাথে দেখা হয়ে যায় যারা মনে করে
যে গ্যাং বিরোধী আইনের কারণে ইয়াকুজা গ্যাং সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করবে না!
কে রে তুই?!
ক-কী?!
ও আসলে কে?
কী হলো?
আসো।
আঃ...
এক...
শালা দানব কোথাকার!
দুই।
খেল খতম।
তিন, হাহ।
অসম্ভব...
তিনটা আঘাত এড়াতে পারিনি।
মনে হয় একবারে এতজনকেই সামলানো যেতে পারে।
দা-দানব...
তু-তুমি এখানে কীসের জন্য এসেছো?
এটি একটি পরীক্ষা
এটা দেখার জন্য যে আমরা
বন্দুক ও তীক্ষ্ণ হাতিয়ারের সামনে কতক্ষণ লড়তে পারবো।
কিছু হয়েছে নাকি?
ওখানে একটা লাশ পড়ে রয়েছে। তার মাথা খুব বাজেভাবে পিষে ফেলা হয়েছে।
আমি গুলির আওয়াজও শুনতে পেয়েছিলাম।
সত্যি?
হেই, ও পালাচ্ছে!
ধরো ওকে!
হাহ? কোথায় গেলো!
অদ্ভুত তো!
আমি ওকে এদিকেই আসতে দেখেছিলাম।
বাদ দাও।
গ্যাংয়ের মধ্যেকার লড়াইয়ে আমাদের নাক গলানো উচিত নয়।
তবে অন্তত আমরা পুলিশকে তো ফোন করে খবর দিতে পারি?
আমি নিশ্চিত ইতিমধ্যে কেউ একজন দিয়ে ফেলেছে।
কি হলো?
ওহ,কিছু না তোমাকে আগের থেকে একটু আলাদা মনে হচ্ছিলো।
ইয়াকুজা অফিসেও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে...
মোট ২২ জনকে খুন করা হয়েছে,
যারা সেই অফিসে উপস্থিত ছিলো।
একের পর এক ভয়ানক ঘটনা ঘটেই চলেছে।
হুম...
No comments yet. Be the first to leave one.