200 บรรทัดแรก
অনুবাদ আয়োজনে আকাশ বসাক সৈয়দ মুস্তাকিম উল হাসান আকতার হোসেন
সম্পাদনা সৈয়দ মুস্তাকিম উল হাসান
অনুবাদ আয়োজনে আকাশ বসাক সৈয়দ মুস্তাকিম উল হাসান আকতার হোসেন
আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাই। তোমার কাছে শুধু এটুকুই শুনতে চাই যে, "আমি তোমাকে ভালোবাসি"
আমি কোথায়?
এটা কোন জায়গা?
বাকি সবাই কোথায়?
তুমি কি পথ হারিয়ে ফেলেছো?
মিয়ো...
তোমার বাবাকে বলে দিতে পারবে যে তুমি আমার সাথে থাকতে চাও?
তাহলে আমরা রোজ এভাবেই একসাথে সময় কাটাতে পারবো।
তোমার বাবা ওকে বিয়ে করছে,তাই না?
সম্ভবত।উনি এখন থেকেই আমাদের সাথে থাকেন।
- ওহ, ম্যান। - একটাও মাছ উঠলো না।
- তুমি খুব স্বার্থপর - মিয়ো...
আমি তোমাকে কোন দোষ দেবো না। তোমার অভিমান হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে!
তবে এমন কিছু জিনিস রয়েছে যেগুলো তুমি বড় না হওয়া অব্ধি বুঝতে পারবে না...
তাহলে সেসব জিনিস বলা বন্ধ করো যেগুলো আমি বুঝবো না!
মিয়ো! দাঁড়াও!
আমি ঘৃণা করি।
আমি ঘৃণা করি এই বেকুব দুনিয়াকে।
আশা করছি এই দুনিয়ার শীঘ্রই সমাপ্তি ঘটবে।
CAT LANTERN
মুখোশ?
স্বাগতম।একটা পড়ে দেখবে?
ইয়োরি-চ্যান!
সুপ্রভাত!
ওহ,হেই,কী হলো?
একদম গোমড়ামুখো,যেমনটা আশা করেছিলাম!
- কিন্তু বরাবরের মতোই সুন্দরী! - তুমি কোন ব্যাপারে কথা বলছো?
কী হলো?
- দুঃখিত! আমার ব্যাগটা একটু দেখো! - তোমার সত্যিই এসব করা...
- আমার বড় বোন খুব ভয়ঙ্কর! - ওহ,হ্যাঁ। সত্যি?
করেছি!
হিনোদে সানরাইজ... অ্যাটাক!
সিরিয়াসলি, বন্ধ করো এসব।
এটি হলো ভালোবাসার প্রকাশ!
হিনোদে, দাঁড়াও!
- দাঁড়াও, হিনোদে! হিনোদে! - আমার অপেক্ষা হচ্ছেনা।
অবিশ্বাস্য সেক্সি!
তুমি শুনলে? ও বললো, "আমার অপেক্ষা হচ্ছেনা।"
যেন কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে!
যেমন, "আমি তোমায় কিস করবো?" "অপেক্ষা!" "আমার অপেক্ষা হচ্ছেনা।"
- আর তারপর আমাদের চোখাচোখি হয়! ব্যাপারটা খুব মজাদার ছিলো! - সুপ্রভাত!
- কী?! অসাধারণ! - আর তারপর কী হলো?
দুর্ভাগ্যবশত,এটুকুই হয়...
আমি হিনোদের মধুর কন্ঠস্বর শোনার সুযোগ পেয়েছি।
এবার আমি শান্তিতে মরতে পারবো। বুঝতেই তো পারছো,না?
- একদমই নয়। - হিনোদে,মুগের সাথে তোমার একটু ভালো ব্যবহার করা উচীত।
আমিও একমত।
- ওর কানের কাছে গিয়ে তোমার মধুর কন্ঠস্বরে, - পাত্তা দিও না ওদের।
...ফিসফিস করে বলা উচিত,
আহ! তোমার সমস্যাটা কী?
চুপ করো! একদম চুপ! চুপ! চুপ,চুপ!
হেই, হিনোদে! তোমার কন্ঠ আমার ফোনে রেকর্ড করতে দেবে!
আমি এটা রোজ ঘুমানোর আগে শুনবো। যাতে আমার স্বপ্নগুলো মধুর হয়!
ওর "মুগে" নামটা আশ্চর্যজনক কিছু নয়, মিস আল্ট্রা গাগা আর বিভ্রান্তকর।
"আমার অপেক্ষা হচ্ছেনা।" এটা ও বলেছে!
খুবই দুঃখের ব্যাপার।
কোনটা?
ও একদমই আগ্রহী নয়। কিন্তু তাও তুমি হার মানতে চাওনা।খুবই লজ্জাজনক।
বুঝুলাম।কিন্তু তাও...
কোন মেয়েই আমার মতো ওর সাথে সেরকম ঘনিষ্ঠ নয়। তার মানে আমি স্পেশাল,ঠিক?
তুমি এবার একজন প্রকৃত উত্ত্যক্তকারীর মতো কথা বলছো...
একটা কথা বলো। হিনোদেই কেন?
আগে শুধু ও তোমায় দূরে সরার ইংগিত দিতো। কিন্তু এখন তোমায় পাত্তা পর্যন্ত দেয়না।
- ইয়োরি! - কী?
তুমিও জানতে চাও,তাইনা?
সেই উৎসবের কথা মনে আছে যেদিন বৃষ্টি পড়ছিলো?
যেদিন আমার দাদীর স্মরণীয় সভা থাকার কারণে আমি আসতে পারিনি?
সেদিন... আমরা একসাথে ছিলাম, শুধুমাত্র আমরা দুজন।
পরিবেশটা খুব শান্ত ছিলো মনেই হচ্ছিলো না সেখানে কোনো উৎসব হচ্ছে।
মনে হচ্ছে যেনো সবকিছু অদৃশ্য হয়ে গেছে।
ঠিক বলেছো।
পৃথিবী এমন সব জিনিসে ভরে গেছে যেগুলো আমি ঘৃণা করি আর যেগুলো আমার পছন্দ নয়।
কিন্তু এখান থেকে যখন বাইরে বের হবো তখন...
আমি খালি হাতে যেতে চাইনা।
কে জানতো তুমি এতটা রোম্যান্টিক!
আমি তেমনটা হতে দেবোনা।
সুরসুরি লাগছে!
তোমার হাসিটা একদম বাচ্চাদের মতো।
এই ব্যতিব্যস্ত দুনিয়াতে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম, তবে এখন আমি বুঝি দুনিয়াটা অতটাও খারাপ নয়।
কারণ আমি এখানে হিনোদেকে পেয়েছি।
মুগে!
- তোমার আইসক্রিম! - ভালো করে ধরো!
নিজের কল্পনাগুলোকে বাস্তবতার সাথে গুলিয়ে ফেলছো!
আরে আমারটাও পড়ে গেলো...
খুবই দুঃখজনক। এসব আমার একদম পছন্দ নয়!
মুগেকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনো! ফিরিয়ে আনো!
যদিও,এটা সত্যিই ঘটেছিলো। তবুও কেন তুমি বিশ্বাস করতে চাইছো না...
আমি জানতাম যে তুমি বিড়াল পছন্দ করো না।
সেটা স্থান,কাল আর বিড়ালের ওপর নির্ভর করছে।
পড়ে দেখা হবে, ইয়োরি-চ্যান!
কাল পুনরায় আমার বন্ধু হওয়ার কথা ভুলে যেও না,কেমন?
বোকা বোকা কথা বলো না তো। পড়ে দেখা হবে।
বাই!
মিয়ো!
মিয়ো!
- হ্যালো... - তুমি ঠিক আছো তো?
হায় ঈশ্বর! তুমি ওজন কমিয়েছো?
- না,সেরকম কিছু নয়... - তোমার হাঁড়গুলো স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি!
আমি সত্যিই ওজন কমাই নি...
জানো না তোমার জন্য আমার কতটা খারাপ লাগে,মিয়ো।
- চিন্তার কোনো কারণ নেই,সত্যিই। আমি... - ও তোমায় ঠিক মতো খেতে দিচ্ছে তো?
হ্যা, অবশ্যই।
ও তোমাদের সাথেই রয়েছে,তাই না?
তোমার অপছন্দের কিছু জোর করে খাওয়াচ্ছে না তো?
- না... - মিয়ো।
- আরে,আরে! হ্যালো! - হ্যালো।
আমি এখন আসছি,মিয়ো।
- আমায় যেতে হবে। - গুডবাই।
বয়স বাড়ার পরও মানুষের নাক গলানোর স্বভাব যায়না,হাহ?
আমি এসে গেছি, মিস. কাইরু।
স্বাগতম, মিয়ো।
কিনাকো!
আবহাওয়ার খবর অনুযায়ী আগামীকালও আকাশ রৌদ্রজ্জ্বল থাকবে।
আমি গদিগুলোকে বাইরে মেলে দেবো,
- তোমাকে আমার ব্যাপারে চিন্তা করতে হবেনা। - কিন্তু বাতাসের ফলে ওগুলো নরম হয়ে যেতে পারে।
কোনো ব্যাপার নয়! পরেরবার আমি নিজেই করে নিতে পারবো।
- আমি তোমাকে দিয়ে বেশী কাজ করাতে চাইনা। - আমার সত্যিই কোনো সমস্যা নেই।
কিনাকো!
আমি এসে গেছি, কিনাকো।
ওদের পছন্দের মানুষ হতে গেলে তোমায় ওদের ছোটবেলা থেকে পুষতে হবে।
ফ্রিজে আইসক্রিম রাখা আছে।
ধন্যবাদ,কিন্তু আমি বাড়ি ফেরার পথে একটা খেয়ে নিয়েছি।
সত্যি?
আপনার আর কিনাকোরও একটা খাওয়া উচিৎ, মিস কাইরু।
ঠিক আছে...
- ডিনার তৈরী হয়ে গেলে আমি তোমাকে ডাকবো। - আচ্ছা!
কিনাকো, কিছু খাবে এখন?
আমি জানি উনি আমার সাথে ভালো ব্যবহারের চেষ্টা করছেন কিন্তু আমি চাই উনি আমাকে একটু একা ছেড়ে দিক।
আমার নিজস্ব কিছু প্ল্যান রয়েছে।
কোথায় গেলো?
আমার নিজস্ব কিছু প্ল্যান রয়েছে।
আঁঠালো।
ইউমি।
অন্তত লন্ড্রিতে এসে আমায় একটু সাহায্য তো করতে পারো।
কী করতে হবে?
আমি এসে গেছি।
বাড়িতে স্বাগতম।
কেন্তো?
হাপ!
একটু বোঝাবে আমায়। এখনো এটা ফিল আপ করো নি কেন?
তুমি ইচি হাই স্কুকে ভর্তি হবে,ঠিক?
আমি এখনো এটা নিয়ে ভাবছি।
তোমাকে এই ব্যাপারে একটু সিরিয়াস হওয়া দরকার। আমরা পুরোপুরি তোমার ওপর নির্ভরশীল হয়ে রয়েছি,যাতে তুমি আমাদের একটু সাহায্য করতে পারো।
ছেলের রোজগারে পরিবার চালানোর কথা ভাবছো? যত্ত্বসব মান্ধাতা আমলের চিন্তাভাবনা।
আর তুমি বসে বসে খাবে।
- আমি এসে গেছি,বাবা। - আচ্ছা, আচ্ছা...
আজ দাদুর কাছে যেতে চাইলে, তোমাকে আগে হোমওয়ার্ক শেষ করতে হবে।
আজ আমার কোনো হোমওয়ার্ক নেই।
- মা,তোমার প্যান্টিটা বিশাল! - আস্তে বল!
তারো?
তারো?
ও এখনো আসেনি?
তারো!
তারো?
তারো।
তোমার শরীর থেকে সূর্যের ঘ্রাণ আসে।
হিনোদে...
কেন?
কী করছো এসব?
ও সবসময়ই একটু বেশী চিন্তা করে।
ওকে নিয়ে ভেবো না।
তুমি আমার থেকে বেশী বুদ্ধিমান।
আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি সাচিকো কেন তোমার ওপর এত আশা রেখেছে।
কিন্তু তুমি খুব জোশ,দাদু।
হৃদয়ের অবস্থা সর্বদা কাজের ওপর প্রতিফলিত হয়।
জি, স্যার...
তোমার খিদে পেয়েছে?
আমি রান্নাঘর থেকে কিছু খাবার আনতে যাচ্ছি,দাদু।
বেশ,তাহলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া যাক।
আজকের দিনটা তোমার জন্য খুব শুভ,তারো।
তুমি কেনের হাতের রান্না পছন্দ করো,ঠিক?
ও কখনোই নিজের শরীর চাটেনা আর নখগুলোও কখনো তীক্ষ্ণ রাখেনা।
অদ্ভুত একটা বিড়াল।
ভয়ানক!
তুমি তারোরই পুনর্জন্ম, তাইনা?
আমি নিশ্চিত অন্যরাও ওকে খাবার দেয়। ও শীঘ্রই মোটা হয়ে যাবে।
গোলগাল চেহারার বিড়াল বেশী পছন্দ আমার।
তবে ওর খুব বেশী মোটা হওয়া উচিৎ নয়।
তারো,এখনই চলে যাচ্ছো?
আমি নিশ্চিত ফেরার মতো ওর কাছে অনেক বাড়ি রয়েছে।
ওহ,না!
ওহ,ঈশ্বর! ওটা খুব চমৎকার ছিলো!
"তুমি এখনই চলে যাবে?" ওহ, ঈশ্বর! মনে হচ্ছে যেন কোনো স্বপ্ন দেখছি!
ওহ, না!
হ্যা... দাঁড়াও...
বিড়াল! এটা একটা বিড়াল, মা! খুব কিউট!
কী? তারো এসেছিলো সেটা আমায় আগে বলোনি কেন?
আমি ওর জন্য খাবার নিয়ে এসেছি।
হেই, তুমি এখনো এখানে রয়েছো? তারো?
মালিককে কোনরকম অভ্যর্থনা না জানিয়েই চলে গেলো। খুবই বাজে ব্যাপার!
ও আমাদের পালিত বিড়াল নয়। তাছাড়া আমি ওকে এখানে এনেছিলাম,তুমি নও!
সেই বর্ষার উৎসবের দিনে, তাই না?
তুমি সেদিন ক্র্যাম স্কুলে যাও নি, আর আমাদের আদরের মা সেদিন তার গাসকেট উড়িয়ে ফেলেছিলো।
এবার তাহলে আমি আসি!
আচ্ছা। আজকের জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ!
চুপ করো।
No comments yet. Be the first to leave one.