200 บรรทัดแรก
সাবটাইটেল পরিবেশনায় "অনুবাদে অনুরণন"
অনুবাদে : সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায় : সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
মানছি তুমি সুন্দর।
এও মানছি যে তুমি বেশ শক্তিশালী।
কিন্তু একটা জিনিস...
তোমার পোশাকের এ অবস্থা কেন?
তুমি একটু বেশিই বড় কাপড় পরো।
ড্রেস সিলেকশনের কোনো অপশন নেই?
আমি হলে প্রথমে এটার ব্যবস্থাই করতাম।
এক নম্বরে বিকিনি, দুই নম্বরে বেলি ড্যান্স, তিন নম্বরে সাদা ফিতেওয়ালা দাসীর পোশাকে...
আর...
চার নম্বরে প্লে বয়, বানি ফ্যাশন।
বেশ। আরেকটু।
- ফোন ধরছিস না কেন? - মানা করেছিলাম।
মানা করেছিলাম আমাকে এভাবে যখন তখন বিরক্ত না করতে।
আমিও বলেছিলাম আমার ফোন ইগনর না করতে। তুই খুব বদমাশ!
চল কাজে লাগা যাক।
- কী কাজ? - একদম সহজ।
- কখন? - আজ। এখন।
- কিন্তু, ব্যাপারটা সন্দেহজনক। - কী?
প্রত্যেকবারই বলো একদম সহজ, কিন্তু সেটা কখনোই হয় না।
তুমি বলছ "একদম সহজ"।
তাই এটা একদমই সন্দেহজনক।
একটা লোকের সাথে দেখা করবি, একটা প্যাকেজ দিবে সেটা নিয়ে নিবি,
আর সেটা জমা রাখবি। এটুকুই কাজ।
কত্ত সহজ তাই না?
আমার একটা স্বপ্ন আছে।
খেয়া নৌকায় করে, পানামা থেকে আড়াই ঘন্টা ছেড়ে।
নীল সাগরের বুকের মাঝে, জনমানবহীন কোনো দ্বীপ।
মাতাল গাছপালা, আর প্রকৃতির বসন্ত জল।
এটাই... আমার স্বপ্ন।
তিন নম্বর এক্সিটে কিছু দেখলাম।
এক মিনিট।
পেয়েছি।
এটার ব্যবস্থাও করে দিচ্ছি।
ও এখানে দেখা করবে?
হয়তো ভেবেছে পাব্লিক এরিয়ায় দেখা করা নিরাপদ হবে।
- কিন্তু, আজুম্মা। - কী?
- কত নিচ্ছ? - কেন?
ওখানে যে মালটা বসে আছে।
আর ওখানের মালটা,
আর ওখানের।
আমার চোখে চারজন পড়েছে যাদের সবার কানে একই ইয়ারপিস।
হচ্ছেটা কী? ওরা কি পুলিশ?
আমি কি কোনো ফাঁদে পড়েছি?
তারা যে পুলিশ সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে।
ভাব, লাইন ওয়ার্কারদের জন্য এমন দামী উপকরণ কিনতে হলে পুলিশের কী পরিমাণ বাজেট থাকতে হবে?
ওরা পুলিশ না।
দেখলি? এই মালটা যে ইয়ারপিসটা পরে আছে সেটার দাম ৩০ হাজার টাকা।
নিঃসন্দেহে ওরা কোনো পুলিশ না।
তো কত নিচ্ছ?
৫০ হাজার টাকা।
- আমি করছি না। - আমাদের অলরেডি টাকা দিয়ে দিয়েছে।
অনেক কম, ভাগে মাত্র ২৫ হাজার করে পাবো।
এতে হবে না।
আরে ভাগে ৫০ হাজার করে।
৫০ তোর আর ৫০ আমার।
এ মাসে এটাই আমাদের প্রথম কাজ।
এই ব্যাবসায় এখন অনেক প্রতিযোগিতা। জানিস তো, তাই না?
সিরিয়াসলি।
- অস্থির। - উফ!!
ঠিক আছে!
পেয়ে গেছি এবার পাঠানোর সময়।
এটা দেখো।
ধুর।
এই...
যদি ধরতে পারি...
কোম্পানি... কোম্পানি... কোন কোম্পানির জন্য কাজ করিস?
জ্বি, ডাবল এস গার্ড থেকে বলছি।
কী? কোথায়?
ডাবল এস গার্ড। ওরা সাং সুর লোক।
- খোদা! - তোর প্রতিদ্বন্দ্বী।
আজুম্মা। হতে পারে সে প্রতিবেশী এলাকার বেসবল তারকা
কিন্তু মানুষ কখনো বলবে না সে র্যায়ু হয়ুন যিনের প্রতিদ্বন্দ্বী।
শেষ তিন মাসে, আমাদের একজন রেগুলার লোক ওদের সাইডে চলে গেছে।
তাদের কাছে আমরা পাড়ার মুদিখানার দোকান।
আর ডাবল এস গ্যাংনাম ডিপার্টমেন্ট স্টোর।
হয়েছে, হয়েছে। ক্লায়েন্ট আসবে কখন?
বারো সেকেন্ডের মধ্যে, তিন নম্বর বগিতে।
তো, দেখতে কেমন?
নাম গো সং ছুল, বয়স ৪১ বছর।
পেয়েছি।
হিলারের সাথে দেখা করতে এসেছেন, না?
[নাম: সেও জং হো (কোড নাম: হিলার) পেশা: কুরিয়ার বয়/গোয়েন্দা]
[বর্তমান লক্ষ্য: একটা আইল্যান্ড কিনা ]
- হ্যালো। - হ্যালো।
৭০৩ আমার অ্যাপার্টমেন্ট। উপরেই যাচ্ছি যেহেতু নিয়েই যাই।
অবশ্যই।
- ভালো থাকুন। - ধন্যবাদ।
কে?
আপনার জন্য একটা পার্সেল এসেছে।
দরজার কাছে রেখে যান।
আপনার জন্য একটা চিঠিও আছে। দেখে পুলিশ ওয়ারেন্টের মতো লাগছে।
এটা প্রত্যয়িত চিঠি তাই আপনার স্বাক্ষর লাগবে।
নাকি, পোস্ট অফিস থেকে নিবেন?
- দেন। - এখানে স্বাক্ষর করেন।
কী হয়েছে?
আমি ঠিক আছি। বুকটা শুধু একটু...
আমার ওষুধ।
আপনি কি... আমাকে এক গ্লাস পানি দিতে পারবেন যাতে আমি ওষুধ খেতে পারি?
হায় খোদা।
এক মিনিট।
- ঠিক আছেন? - হ্যাঁ, আমি ঠিক আছি।
এখন বেশ ভালো লাগছে। ধন্যবাদ। যাই তাহলে।
চিঠি দিবেন না?
স্বাক্ষর নিলেন তো।
আপনি লি জং উন, তাই না?
না।
- আমাকে চেনেন না? - না তো?
কী অদ্ভুত। তাই না?
এই যে!
আমি নিশ্চিত ওহ ইয়াং হে এই অ্যাপার্টমেন্টে একা থাকে।
কিন্তু, সেখানে এক জোড়া ছেলেদের জুতা ছিল।
এক পলক দেখেই বলতে পারি জুতার সাইজ ২৭০ মি.মি. ছিল।
সেটার একটা ছবিও তুলেছি।
লোকে সাধারণত এটাকে 'স্কুপ' বলে।
এক মিনিট।
টপ সেলিব্রিটি ওহ ইয়াং হের বাসায় ছেলেদের জুতা দেখা গেছে।
চলবে না। চলবে না, চলবে না!
হলফ করে বলতে পারি সেগুলো লি জুন বির জুতা!
আজকের তাজা খবর! ওহ ইয়াং হের অ্যাপার্টমেন্টে মি. 'L' এর হদিস মিলেছে।
চলবে না! চলবে না!
অ্যাপার্টমেন্টে যখন ঢুকেইছিলে
একটা ইন্টারভিউ ফিক্স করা উচিত ছিল!
জুতাগুলোর ছবি তোলা বাদ দিয়ে,
সোফার ছবি তোলা উচিত ছিল যেখানে হয়তো লি জুন বির কাপড় চোপড়ের দেখা মিলতো।
আর যদি অনাধিকার প্রবেশের জন্য আমার উপর মামলা করত?
জামিনের টাকাটা কি আপনি দিতেন?
দিলে, আমি এখনই ফিরে যাচ্ছি।
শুধু দেখেন কী করি। পুরো বিল্ডিং তন্নতন্ন করে খুঁজব
আর লি জুন বিকে বের করব।
যদি নিজের গাড়ি নিয়ে আসে, তাহলে লাইসেন্স প্লেট হবে ৩৩৮৯।
আর যদি কম্পানির গাড়ি নিয়ে আসে, তাহলে লাইসেন্স প্লেট হবে ৫৪২৫।
এই দুটার মধ্যেই হবে! একজন সাংবাদিকের স্বভাব...
শালা মদন....
কী? কী হলো? লি জুন বিকে দেখা গেছে?
এই, ইয়ং সিন। ইয়ং...
আমি ডিপার্টমেন্ট হেড সে আমাকে ভয় পায় না?
যখন খুশি ফোন কাটে যখন খুশি ফোন দেয়!
আমার সাথে এমনভাবে কথা বলছে যেন আমি ওর বন্ধু সমাজের কেউ।
বাপরে বাপ!
আজ তোকে শেখাব ভদ্রতা কাকে বলে।
- এই যে! - মাদারচো*!
কী? 'ট্রেনে ফলো করছি?'
আমাকে গিয়ে কি তোদের মাথামোটা বুদ্ধিতে জ্ঞান দিতে হবে?
কী? হিলার?
তোর কি মনে হয় এই সেই বান্দা?
তুই কি নিশ্চিত ও হিলার? এটাই সেই হারামিটা?
কেমন দেখতে?
তোকে একটা ছবি দিয়েছিলাম!
ও কেমন দেখতে বল আমাকে।
নিশ্চিত?
তুই বেশি কথা বলিস! বডি দেখ চেহারা না!
ওর সাইজ, চালচলন, ভাবভঙ্গি!
সেম?
আচ্ছা।
ওকে যেহেতু চিনতেই পেরেছিস, ধরে ফেল। দুজনকেই ধরে ফেল!
দুই একটা আঙুল না ভাঙলে, গো সং ছুলের মুখ থেকে কিছু বের হবে না।
আর যেভাবেই হোক ঐ হিলারকে ধর!
আমি দেখতে আসছি হারামিটা কেমন দেখতে।
শালা মাদারচো*!
কোথায় আছিস?
কোন স্টেশনে?
[নাম: ছে ইয়ং সিন পেশা: অনলাইন ইন্টারটেইনমেন্ট রিপোর্টার]
হিলার।
ও হিলার? এই বান্দা?
তাই নাকি?
[বর্তমান লক্ষ্য: কিম মুন হোয়ের মতো বিখ্যাত সাংবাদিক হওয়া।]
কিম মুন হো!
রিপোর্টার কিম মুন হো এসেছে। মনে হচ্ছে এটাকে ওরা ব্রেকিং নিউজ হিসেবে কভার করবে।
আমরা এখন সাম হান কোম্পানির সামনে যেখানে শ্রমিকদের নিয়ে একটা সন্ধি স্থাপনের ব্যবস্থা...
স্যার, এখানে ঘটনা সম্পর্কিত সবকিছু আছে।
মনে হচ্ছে কোম্পানি তার পরিকল্পনা মোতাবেক কর্মী ছাটাই করেছে।
আর মনে হয় না যাদের ছাটাই করেছে তাদের কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
কর্মীদের দাবী কী?
লিডারকে ছাড়া, তারা অবৈধ কর্মীদের কাউকে গ্রেফতার করবে না।
সাম হান কোম্পানি, আমাদের কর্মীর পরিবারকে বাঁচান!
প্লিজ, আমাদের বাঁচান।
সাম হান কম্পানি, আমাদের কর্মীর পরিবার মরছে!
তিলে তিলে মরছে!
আমি সাংবাদিক কিম মুন হো ABS নিউজ থেকে এসেছি। সবাই অনেক ভালো করছেন।
প্লিজ, আমাদের বাঁচান।
আমার জামাই মৃত্যুর দোরগোড়ায়।
প্লিজ, আমাদের বাঁচান। প্লিজ, আমাদের সাহায্য করুন।
কী করছেন?
তুমি অনেক বিখ্যাত, তাই না? তোমাকে চিনতে পেরেছি।
- তুমি অনেক বিখ্যাত সাংবাদিক, না? - আপনি কি কিছু বলতে চান?
আমার ছেলের নাম সিন হিয়ুন ছুল।
সাম হান কোম্পানিতে ও মেইনটেনেন্সের কাজ করত।
ও নিজের গায়ে আগুন দেয়। এখন হাসপাতালে আছে।
শুনেছি।
জানি না কেন এমন করল।
ও অনেক শান্তশিষ্ট একটা ছেলে। ও কখনো এমন করবে না।
তাই, আমি ওর বসকে জিজ্ঞেস করতে এসেছি কিন্তু আমাকে ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছে না।
আমার ছেলেকে বাঁচাও!
এখন কী করব? আমার বাছাটা!
- আমার ছেলেটাকে বাঁচাও! - ম্যানেজার কাং।
আমার বদলে তুমি প্রেস কনফারেন্সটা সামলে নিয়ো।
কী?
No comments yet. Be the first to leave one.