139 บรรทัดแรก
শুভ সন্ধ্যা, তামুরা।
যা ভেবেছিলাম তার থেকে লুকিয়ে থাকা আরো কঠিন মনে হচ্ছে।
হ্যাঁ, সবচেয়ে বড় সিগনাল আমরা পাঠাই যখন আমাদের উদ্দেশ্যে কাউকে মারার জন্য হয়...
অথবা কোনো শত্রুতার জন্যে।
তাহলে তুমি পালালেনা কেন?
আমি উদগ্রীব ছিলাম।
এটা কতদূর যায়।
আর কেউ কি এতে জড়িত আছে?
না, আমরা তিনজনই শুধু।
হিরোকাওয়া বা গটোও এ ব্যাপারে কিছু জানেনা।
আচ্ছা।
তুমি কি বলতে চাও?
মন বলছে...
তুমি আমাদের জন্য ভবিষ্যতে বিপদের কারণ হবে।
আচ্ছা।
তুমি দেখছি "এ" এর মত।
"এ"?
প্যারাসাইটরা সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে যৌক্তিক এবং পরিষ্কার।
ভেবেছিলাম, এটায় হয়তো সংগঠনের একজোট হওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে,
কিন্তু মনে হচ্ছে আমি ভুল ছিলাম।
যাই হোক, আমি আনন্দিত যে প্যারাসাইট এবং আমি সহ,
সবাই ভিন্ন-ভিন্ন বিচার-ধারণায় বিশ্বাসী,
অথবা বলা যায় নিজ-নিজ।
বলতে গেলে, আমাকে তোমার মারার চিন্তা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে।
বেশ, তবে বিদায় নিচ্ছি।
তোমাদের সত্যিই মনে হয় তোমরা তিনজন থাকলে আমাকে হারাতে পারবে?
তাকে পালাতে দিওনা!
মেরে ফেলো!
আমার মাংসপেশির ক্ষমতা তোমার থেকে অনেক বেশী।
একবারের লড়াইয়ে আমিই জিতবো।
এটা তুমি মনে করো।
যথেষ্ট দ্রুত নয়!
তুমি এটা রেখে দিতে পারো।
সে দুইভাগে ভাগ হলো কেনো?
আমি তার পিছু নিচ্ছি!
তামুরা তার শরীরে ঢুকে গিয়েছে?
তুমি ঠিক আছো?
হ্যাঁ।
এইতো সে।
এটা সে।
হে-হেই।
হু?
তুমি ব্যাগে পাথর ভরছো কেনো?
যাতে লুচুদের থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারি।
দুঃখিত, আমরা তোমাকে অন্য কেউ ভেবেছিলাম।
আমরা বিনা মাথাওয়ালা এক মহিলাকে দেখলাম,
আর তোমাকে দেখতে সেরকমই লাগছিল...
বিনা মাথাওয়ালার মত?
হাহ্, অাজব তো।
কিন্তু আমার মাথা তো খালি!
সে নিজের মধ্যে নেই।
তামুরার মানসিক অবস্থা ভালো নয়।
আর, এক অসম্পূর্ণ প্যারাসাইট তার পুরো শরীর কাবুতে রাখতে পারবে কিনা তাতে সন্দেহ হচ্ছে।
যা সে করছে তা আত্মহত্যার সামিল।
ভিত্তিহীন।
তাহলে এভাবেই কি তামুরা রেইকোর শেষ হবে, যে কিনা তার বুদ্ধিদীপ্ততার জন্য পরিচিত ছিল,
আমার পা...
আমার নিচের শরীর!
তুমি কি করছো?!
এটা আমি নই!
এটা...আমি নই!
আমাদের কেউ মারা গিয়েছে?
আচ্ছা।
যদি তার মধ্যে ঢুকতে পারো তাহলে তুমি বাঁচতে পারবে।
কিন্তু তোমার অর্ধেক থাকা অবস্থায় তুমি কি আয়ত্ত নিতে পারবে?
এই অবস্থায় তুমি কি সত্যিই আমাকে হারাতে পারবে?
থামো!
এটা আমার শরীর!
না!
থামো!
কে বলছে?
এটা কি হিকাওয়া?
নাকি তামুরা?
প্লিজ থামো!
আমি তোমার পক্ষে!
যদি তাই হয়, তাহলে কেন আমার কাছে আসছো?
শিট!
আমি আমার ঘাড়ের নিচের সব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি!
ছেঁড়ে দাও!
তামুরা-রেইকোর অংশবিশেষ সাথে নিয়ে মরো!
আমি তোমার পক্ষে!
তুমি কোন সাহসে...
এটাই তোমার কৌশল?
যে শরীর তুমি দখল নিতে চেয়েছিলে তা টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে!
বেরিয়ে আসো!
আর কতক্ষণ সেখানে লুকিয়ে থাকতে চাও?
কিভাবে ভাবলে...
আমাদের শরীরই আমাদের দূর্বলতা,
তাই তো কোনো প্রদর্শন ছাড়াই এক আঘাতেই কার্যসিদ্ধি করতে হয়।
আমাদের মানবশরীরের মৃত্যুর পরেও,
প্যারাসাইট কোষগুলো কিছুটা সময় বেঁচে থাকতে পারে।
আর সংকেত পাঠাতে পারে,
যেটা তোমার সাথে হচ্ছে।
সবচেয়ে বড় সংকেত আমরা পাঠাই যখন আমাদের উদ্দেশ্যে কাউকে মারার জন্য হয়...
অথবা শত্রুতার জন্য।
এটা গুরুত্বপূর্ণ উপায়
প্যারাসাইটদের কে বন্ধু আর কে শত্রু নির্ধারণ করার।
যাই হোক, তুমি হিকাওয়ার শরীর টুকরো করে দিয়েছো সে আমাদের সহযোগী হওয়া সত্বেও,
আর সে কারণে তার সংকেত আশেপাশে ছড়িয়ে গিয়েছে।
ঠিক।
সেই টুকরোগুলো ভ্রম হিসেবে কাজ করেছে
আর আমার আসার সংকেতকে ঢেকে দিয়েছিল।
অসম্ভব...
এটা তোমার প্ল্যান ছিল?
আমরা কোথা থেকে এসেছি? কোথায় আমাদের গন্তব্য?
এসব কখনো মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছো?
বিদায়, কুসানো-সান।
নরখাদকেরা...
এটা খোলা।
যা ভেবেছিলাম তাতে মনে হচ্ছে তুমি ধারণার চেয়েও বেশি বদ, ডিটেক্টিভ।
হাহ্? সে চলে গিয়েছে?
সে তোমার হোটেলে নেই?
বাবা?!
তুমি বাড়িতে কেনো?!
সে এখানে নেই।
তুমি সেখানে কেনো?!
শুভ সকাল।
তুমি সেখানে তাকে মারার জন্য গিয়েছো?!
আমার এসবে সময় নেই।
আমি তোমাকে একটা ব্যক্তিগত দরকারে কল করেছি।
তুমি 'হিকারী পার্ক ১' টা কোথায় জানো?
৫ টা ২০ এ তোমার সেখানে থাকা লাগবে।
কি বলছো?!
কিছু একটা তোমাকে দিতে চাই,
কারণ তুমি মানুষ আর প্যারাসাইটের মধ্যকার একটি সেতুবন্ধন।
মা, হাহ্?
তুমি কে?!
রাইকো।
রাইকো কোথায়?!
আজকেও কেউ বাসায় নেই।
জানিনা কি হচ্ছে।
তু-তুমি ইজুমি-সান, তাই না?
আম্, শিনিচি কোথায়?
সে এখানে নেই।
ওহ্...
তুমি কি...তার মা?
না। তোমার কি আমাকে এত বুড়ো মনে হয়?
আরেহ্ না।
আমাকে বলতে পারবে কি হয়েছে?
No comments yet. Be the first to leave one.